Bangladesh
Silenced by Law, Hunted on the Streets

Silenced by Law, Hunted on the Streets

বিশ্বাস যখন আইন হয়ে ওঠেঃ ২৪ পরবর্তী রুপান্তর, বাংলাদেশের ধর্ম-অবমাননা কাঠামো ও ভিন্নমতের মূল্য

১৯৭১ সালে অনেক প্রাণ ও অবর্ননীয় ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চারটি মূলনীতির ওপরঃ জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। অর্ধশতাব্দী পরে দেখা যাচ্ছে, এই শেষ নীতিটির সঙ্গে দেশের সম্পর্কই বোধহয় সবচেয়ে বিতর্কিত ফাটল। বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ লেখক, সংস্কৃতিকর্মী, নাস্তিক ব্লগার ও মানববাদী এক্টিভিস্টরা দুই দিক থেকে হুমকির মুখে পড়েছেন – একদিকে অস্পষ্ট ভাষায় লেখা “ধর্মীয় অনুভূতি” সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় নিপীড়নমূলক আইনে বিচারের মুখোমুখি হওয়া, অন্যদিকে ইসলামপন্থী জঙ্গিদের চাপাতি হামলার শিকার হওয়া। বাংলাদেশের আইনি কাঠামো দীর্ঘ দিন ধরে এই দুই ধরনের চাপের জন্য জায়গা তৈরি করেছে, এবং ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর সেই গতিশীলতাকে নতুন রূপ দিচ্ছে – কারো কারো মতে, আরও গভীর করে তুলছে।

নিজের সঙ্গেই দ্বন্দ্বে থাকা এক সংবিধান

বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল, কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি কখনোই স্থিতিশীল ছিল না। জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে ১৯৭৭ সালে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়া হয়, এবং ১৯৮৮ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের ভোটবিহীন সংসদ আরও এক ধাপ এগিয়ে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করে, এটা কিন্তু কেউ দাবী করেনি, এমনকি ধর্মভিত্তিক দল জামায়াতে ইসলামীও এটার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিল। ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে সাংবিধানিক নীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃস্থাপিত হয়, কিন্তু এখন তা রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের মর্যাদার পাশাপাশি এক অস্বস্তিকর সহাবস্থানে রয়েছে – এমন এক সংকর ব্যবস্থা, যা সমালোচকদের মতে কাউকেই পুরোপুরি সন্তুষ্ট করে না এবং ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর নির্ভর করে বাছাই-ভিত্তিক প্রয়োগের সুযোগ রেখে দেয়।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকার পতনের গণআন্দোলনের পর থেকে এই অস্থিরতা আরও গভীর হয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি সাংবিধানিক সংস্কার কমিশন গঠন করে, যার প্রধান ছিলেন আলী রীয়াজ। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই কমিশন সুপারিশ করে, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র – এই তিনটি মূলনীতিকে সংবিধান থেকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে তার জায়গায় আরও ব্যাপক অর্থবোধক “বহুত্ববাদ” (pluralism) যুক্ত করা হোক। কমিশন-প্রধান ধর্মনিরপেক্ষতাকে একটি পশ্চিমা ধারণা হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ভালোভাবে খাপ খায় না বলে তিনি মনে করেন। সমর্থকেরা এটিকে বছরের পর বছর ধরে ধর্মনিরপেক্ষতার আবরণে চলা কর্তৃত্ববাদী শাসনের সংশোধন হিসেবে দেখছেন; আবার সমালোচকরা – সংখ্যালঘু-অধিকার কর্মী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাসহ – সতর্ক করছেন যে, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বেড়ে যাওয়ার এই সময়েই একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রাচীর সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই প্রস্তাবটি তখনও রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, এবং বড় দলগুলোর মধ্যে এ নিয়ে মতভেদ রয়ে গেছে।

আইনি কাঠামোঃ নাম ছাড়া ধর্ম-অবমাননা আইন

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে “ব্লাসফেমি আইন” নামে কোনো আইন নেই, কিন্তু কয়েকটি আইন বাস্তবে সেই ভূমিকাই পালন করে:

  • দণ্ডবিধির ৪৯৫ থেকে ২৯৮ ধারা (ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলে আসা) – ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যমূলক কাজকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারা – ২০১৩ সাল থেকে কার্যকর ছিল, যা “ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত” করতে পারে এমন বিষয়বস্তু প্রকাশ করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করত, এবং ব্লগার, সাংবাদিক ও সরকারের সমালোচকদের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
  • ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) – ৫৭ ধারার জায়গা নিলেও এর মূল বিষয়বস্তু বজায় রাখে: “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত” দেওয়া বলে বিবেচিত বিষয়বস্তুর জন্য দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, এবং অস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত রাষ্ট্রবিরোধী “প্রচারণার” জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান। মানবাধিকার সংস্থা ও সংবাদমাধ্যম-স্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠনগুলো ব্যাপকভাবে এই আইনকে সুরক্ষার বদলে দমনের হাতিয়ার হিসেবে সমালোচনা করেছে।
  • ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) – দেশে-বিদেশে ক্রমাগত চাপের মুখে ডিএসএ-র সংস্কার হিসেবে গৃহীত হয়। সমালোচকদের মতে, নতুন নামে হলেও এতে ধর্ম-সংশ্লিষ্ট অস্পষ্ট অপরাধগুলোর অধিকাংশই বহাল রয়ে গেছে।

বাস্তবে এসব আইন সহিংস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং জঙ্গিরা যাদের হুমকি দেয় তাদের বিরুদ্ধেই বেশি প্রয়োগ হতে দেখা গেছে – ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার, যেসব সংখ্যালঘু-ধর্মাবলম্বী নাগরিকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে “অবমাননাকর” বিষয়বস্তু পোস্ট করা হয়েছিল, এবং যেসব সরকার-সমালোচকের পোস্টকে পুনর্গঠন করে ধর্মীয় অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। লেখক মুশতাক আহমেদের ২০২১ সালে ডিএসএ-তে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে মৃত্যু এই আইনের সমালোচকদের কাছে একটি প্রতীকী ঘটনায় পরিণত হয়।

যে সহিংসতা আইন ঠেকাতে পারেনি

এই আইনি চাপের পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষ ও মানবতাবাদী লেখকদের বিরুদ্ধে সুনথিভুক্ত সহিংসতার ধারাবাহিকতাও দেখা গেছে, যা বিশেষভাবে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে তীব্র হলেও এখনও অব্যাহত রয়েছেঃ

  • ব্লগার ও বাংলাদেশি-মার্কিন লেখক অভিজিৎ রায় ২০১৫ সালে ঢাকায় চাপাতি দিয়ে হত্যার শিকার হন; আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এই হত্যাকাণ্ড এবং সেই বছর আরও কয়েকজন ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার ও প্রকাশকের হত্যার দায় স্বীকার করে।
  • এই সময়ে আরও একাধিক ব্লগার, প্রকাশক এবং ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা থেকে সরানোর পক্ষে সোচ্চার এক আইনের ছাত্র চাপাতি হামলায় নিহত হন; এদের কয়েকজনের হত্যাকারীরা জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত হয়েছে।
  • ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশানে একটি ক্যাফেতে জঙ্গি হামলায় বহু জিম্মি নিহত হন, যা ব্যাপকতর জঙ্গি হুমকির চিত্র তুলে ধরে – যদিও এই হামলা নির্দিষ্টভাবে ধর্মনিরপেক্ষ লেখকদের লক্ষ্য করে চালানো হয়নি।

কিছু হামলাকারীর বিচার হয়েছে, এবং ক্যাফে হামলার পর দেশব্যাপী অভিযানে হাজার হাজার গ্রেপ্তারের ফলে বড় ধরনের প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী ঘটনা কমে এসেছে। কিন্তু হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া বা মৃত্যুর হুমকি পাওয়া অনেক ব্লগার – যাদের কয়েকজনকে রাষ্ট্র নিজেই পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত করেছে – বছরের পর বছর পুলিশি প্রহরায়, আত্মগোপনে অথবা প্রবাসে জীবনযাপনের কথা জানিয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সুরক্ষা দিতে পারবে বা যারা হুমকি দিয়েছে তাদের বিচার করবে – এমন আস্থা সীমিত থাকা অবস্থায়। কিছু কট্টরপন্থী ধর্মীয় নেতা ও গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে ধর্ম-অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি বা হত্যার আহ্বান জানিয়েছেন, আইনি পরিণতি ছাড়াই – এই ধারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো নথিভুক্ত করেছে।

দুই হুমকি, এক পরিণতি

তুলনামূলক বিচারে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যা স্বতন্ত্র করে তোলে, তা হলো রাষ্ট্রীয় ও রাষ্ট্র-বহির্ভূত চাপের এই সমন্বয়। “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত” দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো ব্লগার একই সঙ্গে রাষ্ট্রের কাছ থেকে গ্রেপ্তার ও বিচারের ঝুঁকিতে থাকেন, এবং জঙ্গিদের কাছ থেকে অবিচারিক শাস্তির ঝুঁকিতে থাকেন, যারা একই বিষয়বস্তুকে বিচারবহির্ভূত শাস্তির যৌক্তিকতা হিসেবে দেখে। আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার গবেষকরা যুক্তি দিয়েছেন, “ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত,” “সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি”- এই ধরনের অস্পষ্ট আইনি ভাষা শুধু রাষ্ট্রীয় বাড়াবাড়িকে সহজ করে না; এটি একধরনের অনানুষ্ঠানিক অনুমোদনও তৈরি করে, যা জঙ্গি ও উত্তেজিত জনতাকে এমন এক অভিন্ন যুক্তি দেয়, যা দিয়ে তারা আইনের চোখেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে ন্যায্যতা দিতে পারে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা আরও উল্লেখ করেন যে, এই একই আইনগুলো সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে – যার মধ্যে এমন ঘটনাও আছে, যেখানে কোনো হিন্দু ব্যক্তির হ্যাক হওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে “অবমাননাকর” বিষয়বস্তু পোস্ট করার পর সেটিকেই তার বিচার বা নিপীড়নের যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

বিতর্কিত ভূমি

এই বিষয়টিকে নির্বিবাদ বলে উপস্থাপন করা যথার্থ হবে না। কয়েকটি প্রতিপক্ষীয় দিক এখানে উল্লেখযোগ্যঃ

  • ধর্মীয় অনুভূতি-সংক্রান্ত আইনের সমর্থকরা যুক্তি দেন, ধর্মীয়ভাবে বৈচিত্র্যময় এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাপ্রবণ সমাজে এই আইনগুলোর একটি বৈধ ভূমিকা আছে, এবং অনেক গণতান্ত্রিক দেশে – পশ্চিমা দেশগুলোসহ – এ ধরনের “ঘৃণাত্মক বক্তব্য” বা জনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত আইন বিদ্যমান।
  • সহিংস ঘটনার পরিমাণ, গুরুতর হলেও, ২০১৩-২০১৬ সালের শীর্ষ সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, যার একটি বড় কারণ নিরাপত্তা অভিযান।
  • বর্তমান সাংবিধানিক বিতর্ক কোনো একরৈখিক ইসলামপন্থী সমর্থন নয় – সংস্কার কমিশনের ঘোষিত লক্ষ্য বহুত্ববাদ এবং তাদের ভাষায় কর্তৃত্ববাদী শাসনের পরবর্তী ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ, ধর্মীয় সহিংসতার স্পষ্ট সমর্থন নয়, এবং কমিশন-প্রধান সংখ্যালঘু সুরক্ষা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার বদলে “বহুত্ববাদ” ভাষার পক্ষে স্পষ্টভাবে সমর্থন জানিয়েছেন।
  • বাংলাদেশের রাজনৈতিক মূলধারা – বিএনপি ও আওয়ামী লীগ, যারা অধিকাংশ বিষয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী – ঐতিহাসিকভাবে ধর্মীয় কট্টরপন্থীদের কতটা সমর্থন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ নয় বরং বিভক্ত থেকেছে, যা রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার একরৈখিক চিত্রের বদলে একটি বিতর্কিত রাজনীতির চিত্র তুলে ধরে।

শেষের কথা

বাংলাদেশের আইনি কাঠামো সরাসরি ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার নির্দেশ দেয় না, কিন্তু এর ধর্ম-অবমাননা-সংলগ্ন আইনগুলো – অস্পষ্ট, ব্যাপকভাবে প্রয়োগযোগ্য, এবং ঐতিহাসিকভাবে যারা তাদের হুমকি দেয় তাদের চেয়ে অসম্মতিসূচক কণ্ঠস্বর ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বেশি প্রয়োগ হয়েছে – এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে ধর্মনিরপেক্ষ ও মানবতাবাদী কণ্ঠস্বর একসঙ্গে দুই দিক থেকে বিপদের মুখোমুখি হয়: আদালতকক্ষ এবং রাস্তা। দেশের চলমান সাংবিধানিক পুনর্গঠন, যা ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এখনও অমীমাংসিত, আগামী বছরগুলোতে এই গতিশীলতা সংকুচিত হবে নাকি প্রসারিত হবে, তা নির্ধারণ করবে বলে মনে হয়। ফলাফল যা-ই হোক, গত দশকের রেকর্ড – বাক্স্বাধীনতা-সংক্রান্ত আইনে বিচার, বছরের পর বছর বিচারহীন থেকে যাওয়া হত্যাকাণ্ড, এবং “ধর্ম-অবমাননাকারীদের” বিরুদ্ধে সহিংসতাকে কখনো কখনো স্বাভাবিক করে তোলা প্রকাশ্য বক্তব্য – মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের কাছে এখনও একটি গুরুতর ও সুনথিভুক্ত উদ্বেগের বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে, যদিও এই বিষয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে।

Related Posts

Islam and Bengali Culture

Why do Islamist clerics consider Bengali cultural festivals their enemy?

This year, unlike many previous years, the major Hindu religious festival Durga Puja in BangladeshRead More

Islam and Bengali Culture

ইসলামিস্ট মোল্লারা কেন বাঙালিদের আনন্দ উৎসবকে তাদের শত্রু মনে করে?

এবার বাংলাদেশে অন্যবারের তুলনায় বেশ শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর পরিবেশে হিন্দু ধর্মের বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা হয়েRead More

Islamist cyber‑based jihad activities

Why do Islamist cyber‑jihadis insult, threaten, and file false reports against people with different opinions?

Maulana Azhari once advised Islamists that sharing his Facebook posts is also an Islamic act;Read More

Comments are Closed