Honesty
Who are the cause of the world's problems?

Who are the cause of the world's problems?

খারাপ মানুষদের কারনেই দুনিয়া ভাল মানুষদের জন্য কঠিন হয়ে যায়

এই যে ম্যাট্রেসটা দেখছেন সেটা রিটার্ণ দেয়ার জন্য আনা হয়েছে এবং কাস্টমার ফুল রিফান্ড নিয়ে বাড়িতে ফিরেছে!

বিদেশে বড় বড় শপিং সেন্টার, অনলাইন মার্কেট সবখানে ১ মাস, ২ মাস, ৩ মাসের রিটার্ণ পলিসি থাকে এবং নো কোয়েশ্চেন রিটার্ণ নিয়ে টাকা রিফান্ড দেয়া হয়, এমনকি শিপিং কস্টসহ। দুঃখের বিষয় হলো – অনেকেই এই সুযোগের ভয়ংকর অপব্যবহার করে। যেমন, অনেকেই ক্রিসমাসের আগে ক্রিসমাস ট্রি কেনে, এরপর ক্রিসমাস পার করে সেটা ফেরৎ দেয়। অনেকে শীতে ভ্যাকেশানে যাওয়ার আগে জ্যাকেট, জুতা কেনে যা অন্যসময় কাজে লাগবে না। ভ্যাকেশন থেকে ফিরে সেটা ফেরৎ দেয়। ভাবছেন বাঙালিরা করে? কিছু বাঙালি করে বটে, তবে আরও অন্য জাতিগোষ্ঠীর অনেকেই করে।

বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দেশের আইনগুলো এমন যে, কাস্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট। আমি যখন অনলাইনে আমার ক্রিয়েটিভ সফটওয়্যার সেল করতাম তখন চার্জব্যাক নামের এক ভয়ংকর দানবের ভয়ে থাকতাম। কেউ কিনে ব্যবহার শুরু করে বলতো, তার কার্ড তার অগোচরে অন্য কেউ ব্যবহার করেছে বা সে ভুল করে কিনে ফেলেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এইগুলো থাকতো উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। চার্জব্যাক হলে টাকা তো ফেরৎ দিতেই হতো, সঙ্গে পেমেন্ট প্রসেসর মোটা অংকের জরিমানাও করতো।

ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কিন্তু এই এতো এতো রিফান্ড করার পরেও তাদের লাভ ষোল আনাই করে। প্রতিটা জিনিসের দামের সঙ্গে তারা সম্ভাব্য এই ফ্রড রিফান্ডসহ জেনুইন রিফান্ড, ড্যামেজ সব হিসাব করে ২০-৩০% বেশী দাম ধরে নেয়। সঙ্গে হিসাব করে তাদের খরচ ও লাভ। আল্টিমেট পকেট কাটা যায় আপনার আমার। এই ফ্রডগুলোর জন্য আমাকে-আপনাকে প্রতিদিন বাড়তি কাজ করতে হয়।

এই যে শত সহস্র অসৎ লোক দিয়ে দুনিয়া ভরা, এই যে লক্ষ লক্ষ ফ্রড, বদমাশ, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী দুনিয়ায় – এদের জন্য আমাদের মতো সাধারন খেটে খাওয়া সৎ মানুষদের অনেক বাড়তি চাপ নিতে হয়। আমাদের পরিশ্রমের পরিমান বাড়তি হয়। কারন দুনিয়ার এই যে ফ্রড মানুষগুলো, দেশে দেশে মহা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী এদের টাকাগুলো সাধারনত আমার-আপনার পকেট থেকেই যায়। এতো এতো পুলিশ পালতে হয় আমাদের, অস্ত্র, বোমা, যুদ্ধ সরঞ্জাম কিনতে হয় আমাদের টাকায়। কারন দুনিয়ায় কিছু খারাপ মানুষ আছে। তাদের জেলে ভরে রাখলেও আমার-আপনার টাকায় তাদের খাওয়া দিতে হয়, পোশাক দিতে হয়, তাদের আরাম-আয়েশের ব্যবস্থা করতে হয়।

দুনিয়ার সব মানুষগুলো যদি ভাল হতো তাহলে মানুষের জীবন আরো বেশী দীর্ঘায়িত হতো, মানুষের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করা লাগতো না। মানুষ যথেষ্ট সময় পেতো নিজেকে, পরিবারকে দেয়ার জন্য, নিজের বিশ্রামের জন্য। মানুষের মানসিক, শারীরিক চাপ, দুঃশ্চিন্তা অনেক কমে যেতো। শুধুমাত্র খারাপ মানুষগুলো আছে বলেই দুনিয়া অনেক কঠিন হয়ে যায়। কিছু মানুষ যে খারাপ, অপরাধী, অসৎ – তাদের কুকর্মের প্রায়ঃশ্চিত্ত করতে হয় অন্যদের – যারা সৎ, সাহসী, ভাল, পরিশ্রমী মানুষ।

Related Posts

The Terrifying Spread of Extremism - Bangladesh

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism

19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

The Terrifying Spread of Extremism - Bangladesh

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার

১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

The Grip of Fundamentalism in Bangladesh

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups

In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed