Islam
Islam is a failed project

Islam is a Failed Project

ইসলামঃ একটি অপরীক্ষিত, ব্যর্থ মডেল? স্টার্ট-আপ অ্যানালজি থেকে বাস্তবতা

দুনিয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার স্টার্ট-আপ আইডিয়া জন্মায়। কিছু আইডিয়া এতটাই আকর্ষণীয় যে মনে হয়, এটাই তো মানুষের দরকার। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ ফেইল করে যায়। কারণ? আইডিয়া যত ভালোই হোক, তাকে ভ্যালিডেশন, টেস্টিং, ইটারেশন এবং মার্কেট ফিট এর মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমরা যদি দেখি স্টার্ট-আপ এর ধাপগুলো কী? তাহলে আমরা পাই –
আইডিয়া → রিসার্চ → ভ্যালিডেশন → বিজনেস মডেল → প্রোটোটাইপ → MVP → টেস্টিং → ইটারেশন → ফান্ডিং → টিম → প্রোডাকশন → লঞ্চ → স্কেলিং।
গুগল, ফেসবুক বা ওপেনএআই-এর মতো সফল কেসগুলো এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে টিকে আছে এবং স্কেল করেছে।

এখন কল্পনা করুন, একটা আইডিয়া (ধরেন ইসলাম) সরাসরি আইডিয়া স্টেজ থেকে স্কেলিং-এ চলে গেল, মাঝের সবগুলো ধাপ বাদ দিয়ে। কোনো রিসার্চ নেই, ভ্যালিডেশন নেই, প্রোটোটাইপ-এমভিপি নেই; শুধু তাকিয়াবাজি, জোর-জবরদস্তি, ধর, মার, কাট, কতল, গণহত্যা এবং জনসংখ্যার বিস্ফোরণের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া। এটাই ইসলামের ইতিহাসের সমালোচকদের মতে তার উত্থানের গল্প। এখন এই আধুনিক পৃথিবীতে যেখানে মানুষের গড়া চমৎকার সব প্রমানিত চুক্তি ও আইন আছে – যেমন, UDHR, CEDAW, CRC – সেখানে প্রমানিত নয় এমন আইডিয়া বা মতাদর্শের স্থান কোথায়?

ইসলামের “স্কেলিং স্ট্র্যাটেজি”: জেহাদ ও জনসংখ্যা

ইসলামের প্রারম্ভিক বিস্তার ঘটেছে যুদ্ধ, বিজয় এবং গনিমতের প্রতি অপরিসীম লোভের মাধ্যমে। পরাজিত গোত্রের নারীদের যৌনদাসী (concubines) হিসেবে ব্যবহার, লুণ্ঠন, বিক্রি এবং ধর্মান্তরকরণ — এগুলো ঐতিহাসিক সোর্সে বর্ণিত। খেলাফতের যুগে দাসপ্রথা এবং যৌনদাসী রাখা ছিল বৈধ। উমরের সময়কার বর্ণনায় দাসীদের পোশাক-আশাক এবং আচরণ নিয়ে কঠোর নিয়মের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা সমালোচকরা নারীর অধিকারের পরিপন্থী ও আধুনিক মানবাধিকারের সঙ্গে একেবারেই বিপরীতমূখী বলে মনে করেন।

খেলাফতের “আদর্শ” শাসন? ঐতিহাসিক বাস্তবতা তা বলে না!

ইসলামিস্টরা প্রায়ই রাশিদুন খেলাফত বা পরবর্তী যুগকে আদর্শ বলে দাবি করেন। কিন্তু নিরপেক্ষ ইতিহাস বলে অন্য কথা। ইহুদি গোত্রগুলোর সাথে সংঘাত, আরব উপত্যকা থেকে তাদের বিতাড়ন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সোর্সে আছে। ইউরোপে অটোমান খেলাফতের অধীনে কী হয়েছে, সেটা আলাদা আলোচনার বিষয়, কিন্তু সামগ্রিকভাবে “ইসলামী শাসন” মানবাধিকার, বিজ্ঞান ও নারীর অধিকারের দিক থেকে ইউরোপীয় রেনেসাঁসের সাথে তুলনীয় নয়। কলম্বাসের অভিযানের খরচ যে রানী ইসাবেলা দিয়েছিলেন, সেটা প্রগতিশীল ইউরোপের একটা সফলতা, যেখানে ইসলামী খেলাফতের অবদান নিয়ে প্রশ্ন উঠে।

ইসলামস্টরা ইসলামের শাসন বলতেই ওমরের উদাহরণ দেউ। ওমর অসহায় দাসীদের রাস্তায় পাছার কাপড় তুলে পেটাতেন, তাদের শালীন কাপড় পরা ছিল নিষেধ, তাদের ব্রা ও প্যান্টি পরেই থাকতে হতো। যদিও সেদিনের ব্রা ও প্যান্টি এখনকার মতো এতো আধুনিক ছিল না। পর্দা করা ছিল মুমিনা, স্বাধীনা নারীর অধিকার। আচ্ছা বলেন তো, যৌনদাসী বা দাসী সে কারা বানিয়েছে? যৌনদাসীদের ধর্ষণ চলেছে দেদারছে, জেহাদের নামে লুণ্ঠন চলেছে, মানুষ হত্যা চলেছে। সেই শাসন ছিল আদর্শ? রাতে রাস্তায় দরিদ্র মানুষের সন্ধানে বের হওয়া আপনাদের কাছে খুবই মানবিক শাসন, আর ইহুদিদের আরব উপত্যকা থেকে মেরে, কেটে, গণহত্যা করে বিতাড়ন করা কোন ব্যাপারই না! হায়রে খেলাফত।

আধুনিককালে ২০১৪ সালের আই*এসআই*এস খেলাফত এই প্যাটার্নের চরম উদাহরণ। ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের উপর গণহত্যা, নারী ও শিশুদের যৌনদাসত্ব, জীবন্ত কবর দেওয়া — ইউএনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এটাকে জেনোসাইড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কপ্টিক খ্রিস্টানদের সমুদ্রতীরে গলাকেটে হত্যা করলো। ইয়াজিদী বৃদ্ধা নারী, শিশুদের জীবন্ত কবর দিলো, কেন? কারন তাদের যৌন আকর্ষণ ছিল না, তাদের দসীর বাজারে বিক্রি করা যেতো না।

আধুনিক ইসলামী দেশগুলোঃ নারী, শিশু ও মানবাধিকারের চিত্র সবচেয়ে করুণ!

ইসলামের “শ্রেষ্ঠ জীবনদর্শন” কোথায় প্রমাণিত? সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান — এই দেশগুলোতে ইসলামী আইনের প্রয়োগ দেখা যায়। সেগুলোই কি আদর্শ ইসলামী শাসন?

সৌদিতে দরিদ্র গৃহকর্মীরা ধর্ষিত হয়, বিচার পায় না। মধ্যপ্রাচ্যে দাসীর বাজার আছে। সৌদিতে পারিবারের সিদ্ধান্ত না মানলে ভয়াবহ ডিটেনশনে পাঠানো হয়। ইরানে নারীদের কোন স্বাধীনতা নেই, সামান্য প্রতিবাদ করলেই মানুষকে ক্রেনে করে ঝুলিয়ে মারা হয়। সেখানে ১৩ বছর হলেই কণ্যা শিশুদের বিয়ে দেয়া যায়, পালিত বাবা তার কন্যাকে বিয়ে করতে পারে। পাকিস্তানে ইমরান খানকে নবীর মতো ভালবাসে বললেও পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়, খ্রিস্টান আয়েশা বিবিকে কুয়া থেকে গ্লাসে পানি খাওয়ার জন্য মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিটিয়ে মারা হয়। আফগানিস্তানে নারীদের কোন স্বাধীনতা নেই, তাদের হাড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত পুরুষেরা পেটাতে পারে। নারীদের শিক্ষার অধিকার নেই। কন্যা শিশুদের বিয়ে দেয়া যায়, তাদের সম্মতি নেয়ার প্রয়োজন হয় না, নিরবতাই নাকি সম্মতি!

সৌদি, ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান সবখানে নারীদের জীবনের মূল্য পুরুষদের অর্ধেক। ইরানের এসিড আক্রমনে দু-চোখ হারানো ও মুখমন্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়া আমানাহ এর মামলায় ইরানের বৈষ্যম্যমূলক রায় সেটার প্রমান। পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মুনাওয়ার সাহেব বলেছিলেন, কোন নারী যদি ৪ জন চাক্ষুস পুরুষ সাক্ষী হাজির না করতে পারে তবে তার ধর্ষণের অভিযোগ দেয়া উচিৎ না। ইসলামী বিশ্বের অবিস্বম্বাদিত স্কলার মওদূদী কোরআন, হাদিসের আলোকে তাফহিমূল কোরআনে বলেছেন – ইসলামে শিশুদের বিয়ে দেয়া, তাদের সঙ্গে সেক্স করা হালাল, এমনি দুধের শিশু হলেও। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনিও একই বক্তব্য দিয়েছেন, তিনি কিছুটা উদারতা দেখিয়ে বলেছেন – ৯ বছরের নীচের শিশুদের যোনীতে পেনিস ঢোকানো যাবে না, তবে মলস্টার করা যাবে, পায়ের রানের চিপায় ঘষাঘষি করে বীর্য ডোনেট করা যাবে, শরীরের সঙ্গে লেপ্টে থাকা স্তন চটকানো যাবে! ইয়েমেনে ৮ বছরের কন্যাশিশু ৪৪ বছরের পুরুষের সঙ্গে বিয়ের রাতেই গর্ভাশয় ফেঁটে মারা যায়।এগুলো তো ইসলামী মতাদর্শের আলোকে ঘটে যাওয়া ফ্যাক্ট যা যাচাইযোগ্য।

Yemeni 8 Years Child Bride Died

এবং প্রমানিত বাস্তবতা …

গ্লোবাল পিস ইনডেক্স অনুসারে, সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলো (আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি) বেশিরভাগ ধর্মনিরপেক্ষ বা ধর্মহীন। অন্যদিকে তলানিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, ইয়েমেন, সিরিয়া, সুদানের মতো অনেকগুলো মুসলিম-প্রধান, কট্টর ইসলামী শাসনে ডুবে থাকা দেশগুলো।

প্রশ্ন যেখানে থেকে যায়…

ইসলাম ১৪০০ বছর ধরে কোনো নিরপেক্ষ, সফল, মানবিক মডেল দেখাতে পারেনি যা বিশ্বব্যাপী অনুকরণীয়। বরং যেখানে ইসলামী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ হয়, সেখানে নারী, সংখ্যালঘু ও বাকস্বাধীনতার অবস্থা খারাপ। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অভিবাসনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক জিনিস, কিন্তু মানুষের স্বাধীনতা, সমতা ও যুক্তির ভিত্তিতে টিকে থাকা আরেক জিনিস।

কোনো আইডিয়া যদি ভ্যালিডেশন ছাড়াই শুধু বল প্রয়োগে স্কেল করে, তাহলে তার সাফল্য কি সত্যিকারের, নাকি জোর করে চাপিয়ে দেওয়া? ইসলামকে সমালোচনামুক্ত রাখার যুগ শেষ। মানুষ এখন প্রমাণ চায় — শান্তি, সমতা ও মানবতার প্রমাণ, মডেল দেখতে চায়। না হলে এটি একটি ব্যর্থ মডেল হিসেবেই চিহ্নিত হবে। ইসলামের শান্তি, সমৃদ্ধি, মানবতার মডেল কোথায়?

এই সমালোচনা ঘৃণার নয়, বরং সত্য অনুসন্ধানের। ইসলামের ভক্তরা যদি এর উত্তর দিতে পারেন বাস্তব প্রমাণ দিয়ে, তাহলে সেটাই হবে সত্যিকারের টেস্ট।

Related Posts

Free Sex Nation

Is Bangladesh, with 90% Muslims, better than the so‑called free‑sex countries?

Bangu male believers think — and even some women — that the Western world meansRead More

Free Sex Nation

তথাকথিত ফ্রি সেক্সের দেশের চেয়ে ৯০% মুসলমানের বাংলাদেশ কি ভাল?

বাঙ্গু পুরুষ মুমিনদের ধারনা, এমনকি কিছু নারীরও যে – পশ্চিমা দুনিয়া মানে ফ্রি সেক্স, সেখানেRead More

Is the name Muhammad owned

People’s Arabic names are not the property of Allah or Muhammad. Stop demanding that others change their names

One fine morning you log into Facebook and see that everyone—from Mokhles, the tea sellerRead More

Comments are Closed