Islam
Islam forbids female leadership

Islam forbids female leadership

ইসলামে নারীদের নেতৃত্ব দেয়ার কোন সুযোগ নেই, জামায়াত আমির ঠিকই বলেছেন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন – “আমরা মেয়েদের অনেক সম্মান করি, কিন্তু আল্লাহ মেয়েদেরকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো করে তৈরি করেননি। তাই মেয়েদের নেতৃত্ব কোনোভাবেই মানা সম্ভব না।” এখানে তাঁর দোষটা কোথায়? আপনারা নারীরা বা সুশীল-মডারেটরা যারা তাঁর সমালোচনা করছেন, আপনারা কি জেনে-বুঝেই করছেন? তাঁর দলের নাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী – তাঁরা ইসলামের কথাই বলবেন, এটা খুব স্বাভাবিক। অন্যদিকে যারা অঙ্গে সেক্যুলার, মুখে মদিনা সনদে দেশ চালাতে চায়, শরিয়াবিরোধী কোনো আইন করতে চায় না – তারাই বরং মুনাফিক, ভণ্ড। এই লাইনে আগে–পরে আওয়ামী লীগ, বিএনপি – একই গোয়ালের গরু, মুনাফিক, ভণ্ড।

আপনি যদি ইসলাম মানেন, তবে এটাও আপনাকে মেনে নিতে হবে – ইসলামে নারীকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য মনে করা হয় না। কোরআন-হাদিসে এভাবেই আছে। আপনার পছন্দ না হলেও এটাই ঠিক। আপনারা মূল জায়গায় হাত দিতে পারবেন না; সমালোচনা করবেন মানুষকে, যারা সেগুলো চর্চা করে। আল্লাহ ও নবী মুহাম্মদ এভাবেই নির্দেশ দিয়েছেন, যা প্রতিটি মুসলমানের মানা বাধ্যতামূলক। না হলে আপনি মুসলমানই থাকবেন না – কাফের হয়ে যাবেন। এখন যদি বলেন, আপনি নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী নেতৃত্বে চান, এমনকি সেটা শীর্ষপদ হলেও – তবে আপনি ইসলামের বাইরে চলে গেলেন, আল্লাহর সিদ্ধান্তের বাইরে চলে গেলেন, নবী মুহাম্মদের নির্দেশনার বাইরে অবস্থান নিলেন। তার মানে আপনি ইসলামী মদাদর্শ অনুসারে আর মুসলমান নন – কাফের হয়ে যাবেন।

সমালোচনা করতে হলে করুন ইসলামের মতাদর্শ, আল্লাহ, নবী মুহাম্মদ, কোরআন, হাদিস, তাফসির, ইজমা, কিয়াসের। পারবেন? যদি না পারেন, তবে চুপ থাকুন। ইসলামেও থাকবেন, আবার ইসলামের নীতি–আদর্শ মানবেন না – এটা তো চরম ভণ্ডামি। ইসলামে নারীকে কখনোই পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় না; নেতার আসন তো বহু দূরের ব্যাপার। ইসলাম অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধান (খলিফা/ইমাম-এ-আজম) অবশ্যই পুরুষ হতে হবে। এর ভিত্তি হিসেবে সহিহ বুখারির একটি হাদিস আছে – “যে জাতির নেতা নারী হবে, তারা কখনো সফল হবে না।” এই লিংকে দেখেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতিদের উত্তর, পড়ে নেবেন। ওখানে স্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে ইসলামে নারীদের নেতৃত্ব দেয়ার কোন সুযোগ নেই।

মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)

পর্ব-১৮: প্রশাসন ও বিচারকার্য – পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ
৩৬৯৩-[৩৩] আবূ বকরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ সংবাদ আসলো যে, পারস্যের (ইরানের) অধিবাসীরা কিস্রার কন্যাকে তাদের সম্রাজ্ঞী নিযুক্ত করেছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সে জাতি কক্ষনো সফলকাম হতে পারে না, যারা দেশের শাসনভার কোনো মহিলার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে। (বুখারী)[1]

[1] সহীহ : বুখারী ৪৪২৫, নাসায়ী ৫৩৮৮, তিরমিযী ২২৬২, সহীহাহ্ ২৬১৩, ইরওয়া ২৪৫৬।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

নীচে কিছু হাদিস–কোরআন দিয়ে দিলাম; নিজেরাই মিলিয়ে নিন আপনাদের মহান ধর্ম ইসলাম নারীকে কত ‘সুমহান মর্যাদা (!)’ ও ‘সর্বোচ্চ সম্মান (!)’ দিয়েছে। সেজন্যই বলি – ইসলাম যারা চর্চা করে তাদের সমালোচনা করার আগে পারলে আল্লাহ ও নবী মুহাম্মদকে সমালোচনা করে দেখান।

ইসলামের একটি প্রচার হলো আইয়্যামে জাহেলিয়া – তাদের ভাষায় ইসলামের পূর্বে অন্ধকার সময়ে আরবে কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর দেয়া হতো। সকল সভ্যতায় শিশুদের নিষ্পাপ ধরা হয়। তাও তাকে জোর করে জীবন্ত কবর দেয়া হতো! সেই কন্যা শিশুও পরকালে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে, শুধুই কন্য সন্তান হওয়ার কারনে।

সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
পরিচ্ছেদঃ ১৮. মুশরিকদের সন্তান-সন্ততি সম্পর্কে।
৪৬৪২. ইব্‌রাহীম ইবন মূসা (রহঃ) ….. আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জীবন্ত প্রথিত কন্যা এবং তার মা- উভয়ই জাহান্নামী।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)

ইসলামের একটি অবৈজ্ঞানিক ও উদ্ভট তত্ত্ব হলো, আগে কোন মাছ, মাংসসহ কোন পঁচনশীল দ্রব্য দীর্ঘদিন উন্মুক্ত রেখে দিলেও সেটা পঁচে যেতো না। কিন্তু নারীদের কারনে সেটা পঁচা শুরু হয়, বিশেষ করে স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের মান্য না করার কারনে সেগুলো পঁচা শুরু হয়।

সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬০/ আম্বিয়া কিরাম (‘আঃ) – পরিচ্ছদঃ ৬০/১ক. আল্লাহ তা‘আলার বাণী।
৩৩৩০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একইভাবে বর্ণিত আছে। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈল যদি না হত তবে মাংস দুর্গন্ধময় হতো না। আর যদি হাওয়া (আঃ) না হতেন তাহলে কোন নারীই স্বামীর খিয়ানত করত না।*
(৫১৮৪, ৫১৮৬) (মুসলিম ১৭/১৯ হাঃ ১৪৭০, আহমাদ ৮০৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৯২)

* বনী ইসরাঈল আল্লাহ তা’আলার নিকট থেকে সালওয়া নামক পাখীর গোশত খাওয়ার জন্য অবারিতভাবে পেত। ‎তা সত্ত্বেও তা জমা করে রাখার ফলে গোশত পচনের সূচনা হয়। আর মাতা হাওয়া নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণে আদম ‎‎(‘আঃ)-কে প্রভাবিত করেন।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬০/ আম্বিয়া কিরাম (‘আঃ) – পরিচ্ছদঃ ৬০/১ক. আল্লাহ তা‘আলার বাণী।
৩৩৩০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একইভাবে বর্ণিত আছে। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈল যদি না হত তবে মাংস দুর্গন্ধময় হতো না। আর যদি হাওয়া (আঃ) না হতেন তাহলে কোন নারীই স্বামীর খিয়ানত করত না।*
(৫১৮৪, ৫১৮৬) (মুসলিম ১৭/১৯ হাঃ ১৪৭০, আহমাদ ৮০৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৯২)

* বনী ইসরাঈল আল্লাহ তা’আলার নিকট থেকে সালওয়া নামক পাখীর গোশত খাওয়ার জন্য অবারিতভাবে পেত। ‎তা সত্ত্বেও তা জমা করে রাখার ফলে গোশত পচনের সূচনা হয়। আর মাতা হাওয়া নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণে আদম ‎‎(‘আঃ)-কে প্রভাবিত করেন।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৬০/ আম্বিয়া কিরাম (‘আঃ) – পরিচ্ছদঃ ৬০/১ক. আল্লাহ তা‘আলার বাণী।
৩৩৩০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একইভাবে বর্ণিত আছে। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈল যদি না হত তবে মাংস দুর্গন্ধময় হতো না। আর যদি হাওয়া (আঃ) না হতেন তাহলে কোন নারীই স্বামীর খিয়ানত করত না।*
(৫১৮৪, ৫১৮৬) (মুসলিম ১৭/১৯ হাঃ ১৪৭০, আহমাদ ৮০৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০৯২)

* বনী ইসরাঈল আল্লাহ তা’আলার নিকট থেকে সালওয়া নামক পাখীর গোশত খাওয়ার জন্য অবারিতভাবে পেত। ‎তা সত্ত্বেও তা জমা করে রাখার ফলে গোশত পচনের সূচনা হয়। আর মাতা হাওয়া নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণে আদম ‎‎(‘আঃ)-কে প্রভাবিত করেন।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

মুফতিদের ওয়াজ দিলাম কিছু, শুনে দেখবেন। যদি বলেন বাংলাদেশের অনেক জাদরেল আলেমের শিক্ষক মুফতি কাজী ইব্রাহীম বা শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক ইসলাম জানে না তাহলে আপনাদের মডারেট ইসলামিস্টদের কিছু বলার নেই।

ইসলাম অনুসারে মাংসে পঁচন ধরা কবে শুরু হলো? – মুফতি কাজী ইব্রাহীম। ভিডিও।

শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ কোরআন-হাদিস থেকে বর্ননা করছেন আল্লাপাক কেন নারীদের সৃষ্টি করেছেন, তাদের কাজ কী – নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে শুধু পুরুষের সেবা করার জন্য, তাদের মনোরঞ্জনের জন্য, সন্তান জন্মদানের জন্য, সন্তান লালন-পালনের জন্য।

ইসলাম বলে পুরুষের জন্য নারীদের চেয়ে ক্ষতিকর, বিপর্যয়কর কিছু নেই।

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায়ঃ ৩০/ কলহ-বিপর্যয় – পরিচ্ছদঃ ৩০/১৯. নারীদের সৃষ্ট বিপর্যয়
১/৩৯৯৮। উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আমার পরে পুরুষদের জন্য নারীদের চেয়ে অধিক বিপর্যয়কর আর কিছু রেখে যাবো না।

সহীহুল বুখারী ৫০৯৬, মুসলিম ২৮৪০, ২৮৪১, তিরমিযী ২৮৮০, আহমাদ ২১২৩৯, ২১৩২২, সহীহাহ ২৭০১।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

ইসলামে বাবা-মায়ের সম্পত্তিতে কন্যাদের প্রাপ্য ছেলে সন্তানদের অর্ধেক।

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

৪৭/ অসিয়াত – পরিচ্ছেদঃ ১৭১১. ওয়ারিসের জন্য অসীয়াত নেই
২৫৬০। মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (সেকালে) উত্তরাধিকারী হিসাবে সম্পদ পেতো সন্তান আর পিতা-মাতার জন্য ছিল অসীয়াত। এরপর আল্লাহ তাআলা তাঁর পছন্দ মোতাবেক এ বিধান রহিত করে ছেলের অংশ মেয়ের দ্বিগুন, পিতামাতা প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠামাংশ, স্ত্রীর জন্য (যদি সন্তান থাকে) এক অষ্টমাংশ, (না থাকলে) এক চতুর্থাংশ, স্বামীর জন্য (সন্তান না থাকলে) অর্ধেক, (থাকলে) এক চতুর্থাংশ নির্ধারণ করেন।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)

কোরআনের এক আয়াতে বলা হয়েছে যে, পৃথিবীর সৌন্দর্য ও আকর্ষণ “মানুষের” জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে নারীর মাধ্যমে। এখানে “মানুষ” বলতে স্পষ্টভাবেই পুরুষকেই বোঝানো হয়েছে – অর্থাৎ বক্তব্যটি পুরুষদের উদ্দেশ্য করেই বলা, এবং নারীকে সেখানে কেবল পুরুষের ভোগ্য বা শোভা বৃদ্ধির উপাদান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনি যদি মনে করেন – এই ধারণা নারীর প্রতি গভীরভাবে অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর – তবুও একই সঙ্গে যদি দাবি করেন যে কোরআন একটি পরম পবিত্র ও ঐশী গ্রন্থ, তাহলে সেটা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সূরা ইমরান, আয়াত ১৪ এর অনুবাদ কী জানেন?
[৩ঃ১৪] মানুষের কাছে সুশোভিত করা হয়েছে নারী, সন্তান, স্ত্তপীকৃত স্বর্ণ ও রৌপ্যভান্ডার, চিহ্নযুক্ত অশ্বরাজি, গৃহপালিত পশু এবং শস্যক্ষেত্র, এসব পার্থিব জীবনের সম্পদ, আর আল্লাহ – তাঁরই নিকট রয়েছে উত্তম আশ্রয়স্থল।

উপরের রেফারেন্স লিংকে একাধিক অনুবাদকের অনুবাদ দেয়া আছে। বলবেন, সঠিক অনুবাদ হয়নি? সবাই একই সঙ্গে ভুল অন্যবাদ করে?

কোরআনের বক্তব্য অনুযায়ী, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের সঙ্গ, স্বস্তি ও তৃপ্তির উৎস হিসেবে। অর্থাৎ নারীর অস্তিত্বকে সেখানে স্বতন্ত্র মানবসত্তা হিসেবে নয়, বরং পুরুষের প্রয়োজন পূরণের উপাদান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদি নারীর সৃষ্টির উদ্দেশ্যই হয় পুরুষকে আনন্দ দেওয়া বা তার ক্লান্তি দূর করা, তাহলে তা স্পষ্টভাবেই নারীকে এক ধরনের ভোগ্য বস্তু বা যৌনসুবিধা প্রদানের মাধ্যম হিসেবে চিত্রিত করে। সূরা আল‑আ’রাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে কী বলা হয়েছে – তা দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়। অনুবাদ ভুল বলার সুযোগ নেই, কারণ স্বনামধন্য সব অনুবাদকই প্রায় একই অর্থ তুলে ধরেছেন। এখন প্রশ্ন হলো – এদের মধ্যে কোন অনুবাদটিকে আপনি ভুল বলবেন?

[৭ঃ১৮৯] তিনিই তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন আর তাত্থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন যাতে সে তার কাছে শান্তি পায়। যখন সে স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হয় তখন সে লঘু গর্ভধারণ করে আর তা নিয়ে চলাফেরা করে। গর্ভ যখন ভারী হয়ে যায় তখন উভয়ে তাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ডেকে বলে, ‘যদি তুমি আমাদেরকে (গঠন ও স্বভাবে) ভাল সন্তান দান কর তাহলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।

এবার কিছু হাদিস পড়ুন –

সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)

অধ্যায়ঃ ১৮/ দুধপান – পরিচ্ছদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১২। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবন নুমায়র আল-হামদানী (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়া উপভোগের উপকরণ (ভোগ্যপণ্য) এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ পুণ্যবতী নারী।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

ইসলাম বলে ছোঁয়াচে রোগ যেমন কোভিড, প্লেগ, পক্স এসব বলে কিছু নেই। শুভ-অশুভ বলেও কিছু নেই। বরং ইসলাম বলে পুরুষের জন্য বা মানুষের জন্য অমঙ্গল হলো নারী, গৃহ ও পশু। এখন বলেন, যে নারীকে ইসলাম এই পর্যায়ে বিবেচনা করে তাদেরকে কি কখনো নেতৃত্বের পর্যায়ে মেনে নিবে? ইসলামে নারীকে পশুর সমতূল্য বিবেচনা করা হয়।

সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)

৭৬/ চিকিৎসা – পরিচ্ছেদঃ ৭৬/৪৩. পশু-পাখি তাড়িয়ে শুভ-অশুভ নির্ণয়।
৫৭৫৩. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ছোঁয়াচে ও শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই। অমঙ্গল তিন বস্তুর মধ্যে স্ত্রীলোক, গৃহ ও পশুতে।[1] [২০৯৯; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৫, আহমাদ ৪৫৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২২৯)

[1] কোন কোন স্ত্রীলোক স্বামীর অবাধ্য হয়। আবার কেউ হয় সন্তানহীনা। কোন গৃহে দুষ্ট জ্বিনের উপদ্রব দেখা যা, আবার কোন গৃহ প্রতিবেশীর অত্যাচারের কারণে অশান্তিময় হয়ে উঠে। গৃহে সালাত আদায় ও যিকর-আযকারের মাধ্যমে জ্বিনের অমঙ্গল থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কোন কোন পশু অবাধ্য বেয়াড়া হয়।.

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)

ইসলাম বলে নারী শয়তান, কালো কুকুরের সমতূল্য। কোন মুমিন বান্দার নামাজের সময় সামনে দিয়ে নারী হেঁটে গেলে তার নামাজ নষ্ট হয়। ইসলাম কালো কুকুরকে হত্যাও করতে বলেছে, এজন্য অন্য হাদিসের রেফারেন্স আছে।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন

বুলুগুল মারাম পরিচ্ছদঃ ৪. সালাত আদায়কারী ব্যক্তির সুতরা বা আড় – সালাত বিনষ্টকারী বিষয়সমূহের বর্ণনা
২৩১. আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাত আদায় করার সময় যদি উটের পালানের শেষাংশের কাঠির পরিমাণ একটা সুতরাহ দেয়া না হয় আর উক্ত মুসল্লীর সম্মুখ দিয়ে (প্রাপ্ত বয়স্কা) স্ত্রীলোক, গাধা ও কালো কুকুর অতিক্রম করলে সালাত (এর-একাগ্রতা) নষ্ট হয়ে যাবে। এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের খণ্ডাংশ’। তাতে একস্থানে আছেঃ কাল কুকুর হচ্ছে শয়তান।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

এখানে সামান্য কয়েকটি রেফারেন্স দিলাম, এমন ডজন ডজন ইসলামী রেফারেন্স আছে, যেগুলো থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় – রাষ্ট্রে নারী নেতৃত্ব থাকলে সেই রাষ্ট্র বা জাতি কখনো সফল হতে পারে না। ইসলাম নারীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে না। ইসলাম বলে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য, সেবা করার জন্য, সন্তান জন্মদান ও লালন-পালনের জন্য। ইসলামে নারীরা শয়তান, কালো কুকুর বা পশুর সমতূল্য, নারী অমংগলকর। তাহলে তারা কীভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত হয় – বলুন?

ইসলামের মুমিনা নারীরা তাদের প্রতি ইসলামের এতো এতো বিদ্বেষ, অস্বীকৃতি, অবহেলা মেনে নিয়েই ইসলাম চর্চা করেন, ইসলামের রাজনীতি মেনে নেন এটা জেনেই যে তারা কোন সময় নেতৃত্ব দিতে পারবে না। এই নারীরা মেনেই নিয়েছেন পুরুষেরাই নারীদের পরিচালক।

এখন বলুন, ভুলটা কার? ডা. শফিকের? আল্লাহর, নাকি নবী মুহাম্মদের? মূলে হাত না দিয়ে ডাক্তার শফিককে সমালোচনা করে সমাজে ধর্মের প্রভাব, দেশের ৫০%+ জনসংখ্যার প্রতি অসম্মানজনক অমর্যাদা, অধিকারহীনতা, স্বাধীনতা হরণ কমাতে পারবেন?

Related Posts

The Terrifying Spread of Extremism - Bangladesh

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism

19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

The Terrifying Spread of Extremism - Bangladesh

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার

১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

The Grip of Fundamentalism in Bangladesh

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups

In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed