
Is there a Problem Only in Islam
এতো ধর্ম থাকতে শুধু ইসলাম নিয়েই কেন মুক্তচিন্তকদের এতো চুলকানি!
অনেক মডারেট ও মুমিন মোল্লা হুজুররা সব সময়ই একটা আবদার করে – দুনিয়ায় এত ধর্ম থাকতে কেন ইসলামের বিরুদ্ধেই মুক্তমনাদের এত চুলকানি।
তাহলে শোনেন,
অন্য ধর্মেও অনেক বর্বরতা ছিল যা এক সময় ধর্ম যাজকরা প্রাকটিসও করেছে। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞান ও সভ্যতার চাপে পড়ে তারা অনেক কিছু সংশোধন করেছে, অনেক বর্বরতা লুকিয়ে ফেলেছে, ক্ষেত্রবিশেষ ধর্মকে তারা এডিট করে নিয়েছে, সেগুলো নিয়ে মানুষের অতো দুঃশ্চিন্তা নেই আর। কিন্তু আপনারাই তো বলেন – ইসলামকে এডিট করা সম্ভব নয়, এটা কেয়ামত পর্যন্ত চলবে।
সেজন্য ইসলামের চাইতে মানবতার বড় শত্রু এখন আর অন্য কোন ধর্ম নয়। ইসলামের আধিপত্যবাদি বা সাম্রাজ্যবাদী আকাঙ্খা জিহাদের ভেতর দিয়ে পরিস্ফুটিত হয় , পৃথিবীর আর একটি ধর্মও নেই যাদের এমন ফ্যাসিবাদি খিলাফতের ধান্ধা আছে।
পৃথিবীর আর কোন ধর্মই এখন ২৪ ঘণ্টা করো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ন্ত্রণ করে না। হাগা, মুতা, হাঁটা, ঘুমানো, বিয়ে, সংসার, যৌনতা, সমাজ, রাষ্ট্র সবখানে ইসলামের নগ্ন হস্তক্ষেপ, সেগুলো অবার জোর খাটিয়ে হলেও বাস্তবায়ন করতে বলে ইসলাম। মানুষ প্যান্ট টাকনুর উপরে পরছে কিনা তা নিয়েও ইসলামের মাথাব্যাথা। রাস্তায় কোন নারী টিপ পরলেও ইসলামের সৈনিকেরা গালি দেয়।
নারীরা কে কিভাবে পোশাক পরবে, সেখানেও ইসলামের কঠোর রক্তচক্ষু। কেউ সাধারন পোশাক পরলে তাকে নানাভাবে নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এমনকি ধর্ষনের শিকার হলেও আপনারা ভিকটিম ব্লেইম করেন।
ইসলাম তার সমালোচনাকারীকে সহ্য করতে পারে না, ধর্ম ত্যাগকারীকেও না, কল্লা কেটে সব কিছুর সমাধান চায়। কিছু হলেই তৌহিদী জনতারা দলে দলে রাস্তায় বেরিয়ে ধর, মার, কাট, আগুণ লাগা – এসব বলে ও সেগুলো করে। গুপ্ত হত্যা তো সেই ১৪০০ বছর ধরেই চলে আসছে।
ইসলামের লেবেলে কেউ বন্ধুত্বের দাবী নিয়ে আসলেও তো সন্দেহের চোখে দেখতে হয়। কারন তাকিয়াবাজি! কোনটা সৎ উদ্দেশ্যে বন্ধুত্ব আর কোনটা তাকিয়াবাজির আড়ালে ধ্বংসের চক্রান্ত – এগুলো তো আমরা সাধারন মানুষ ধরতে পারি না।
ইসলাম যেদিক দিয়ে যায় সেই এলাকার শিল্প সংস্কৃতির ধ্বংস সাধন করে অগ্রসর হয়, সবখানে আরব সংস্কৃতি ও আরবী ভাষার আগ্রাসন চালায়। ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শৈশব ধ্বংস করে তাদের আরবী ভাষার এক পৌরানিক বই মুখস্ত করতে বাধ্য করা হয়। তাদের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। এমনকি সেখানে ধর্ষণও তো কম হয় না।
ইসলামের নীতিতে শ্রদ্ধাপূর্ণ সহাবস্থান নেই। মানুষের ভেতরে হিংসা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিতে ইসলামের আল্লা কিতাবে ১৬৭ টি আয়াত নাজিল করেছেন। অর্থনীতি, বিজ্ঞান, জ্ঞান, শিক্ষা, দক্ষতায় উন্নত না হলেও তারা ভেবে বসে থাকে তারা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ, অন্যরা তাদের সেবাদাস। কথা না শুনলেই কল্লা নামাও!
যারা ইসলামের নাড়ি নক্ষত্রের খবর জানে তারা কেন ইসলাম ছেড়ে অন্য ধর্মের সমালোচনা করবে? এমন তো কথা নাই কারো নির্দেশ মোতাবেক অমুক তমুক ধর্মের সমালোচনা করতে হবে। অমুক তমুক ধর্মের গোষ্ঠি উদ্ধারের জন্য তো বাংলাদেশের লাখ লাখ ওয়াজি হুজুর আছেন, আপনি আছেন। আমরা সামান্য কিছু মানুষ ইসলামের পশ্চাৎদেশ উন্মুক্ত করলে এতে এত জ্বলুনির কী আছে ভাই! আমরা আর কয়জন? আপনারা তো ওদিকে কোটি কোটি!
আপনাদের কারনে আমরা আমাদের জন্মভূমিতে ফিরতে পারি না। ধর্ম, ধর্মীয় মতাদর্শ, ধর্মীয় প্রবর্তক, ধর্মীয় স্রষ্টা – সবার সমালোচনার অধিকার যে কারো আছে, এই মৌলক মানবাধিকারের ধারনা তো ইসলামী সেন্সে নেই। আমাদের কতল করার ভয় দেখিয়ে, কতল করে ও করার চেষ্টা চালিয়ে আপনারা দাবী করেন ইসলামের বিরাট বিজয়!
আপনারাই তো বলেন, ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম, বাকীগুলো মিথ্যা। তাহলে অন্য মিথ্যা ধর্মগুলো নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করার দরকার আছে? যেটা সত্য সেটাকে ল্যাংটা করে দিলেই তো সবাই শেষ!
আরো আছে অনেক কারন। কমেন্টে হয়তো কেউ কেউ বাকীগুলো বলবেন।
মুক্তচিন্তকরা সকল ধর্মের কুপমুণ্ডুকতা, নৃশংসতা, অমানবিক আচরণগুলোর সমালোচনা করেন। যার যেটা জানাশোনা বেশী তিনি সেই ধর্মের সমালোচনা করেন। আপনি কয়জনকে চেনেন যারা হিন্দু, খৃষ্টিয়ানিটি, জয়োনিজম বা পৃথিবীর ৪৫০০ অন্য ধর্মকে সমালোচনা করেন? সেই সংখ্যাটা অনেক, আপনি জানেন না সেটা আপনার অজ্ঞতা। কিন্তু কোনভাবেই ইসলামকে সুগার কোটেড করার কোন সুযোগ নেই।
Related Posts

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism
19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার
১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups
In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed