Jannah
Jannah is a Nothing!

Jannah is a Nothing!

ইসলামের বর্ণিত জান্নাত কেন আধুনিক মানুষের কাছে অনাকর্ষণীয়?

ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে নাকি ৪টি নদী থাকবে?
হুজুর: তুমি ঠিক শুনেছো, নদীগুলো হলো — ১। দুধের নদী, ২। পানির নদী, ৩। সুস্বাদু মদের নদী, ৪। পরিশোধিত মধুর নদী

ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে না যা ইচ্ছে তা পাওয়া যায়, তাহলে আলাদাভাবে এসবের লোভ দেখানোর মানে কী?
হুজুর: এগুলো আল্লাহ ভালো জানে, আমাকে বলছো কেন?

ছাত্র: আচ্ছা, জান্নাতে যেহেতু দুধের নদী, মদের নদী, মধুর নদী থাকবে — তাহলে এর উৎস ও গন্তব্য নিশ্চয়ই থাকবে? এসবের উৎস ও গন্তব্য কোথায়, আপনি বলতে পারবেন?
হুজুর: এটাও আল্লাহ ভালো জানে।

ছাত্র: আচ্ছা হুজুর, আল্লাহ এমন এক জান্নাতের কথা কল্পনা করলেন যেখানে গাভীর দুধ আসবে নদী দিয়ে — এটা আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
হুজুর: যেহেতু দুধের নদীর কথা কোরানে আছে, এটা ব্যাখ্যা করার কিছুই নাই। তিনিই ভালো জানেন।

ছাত্র: হুজুর, দুধ তো আমরা পাই পশু থেকে — সেটা নদী দিয়ে আসবে কীভাবে? ফর্মুলা কী?
হুজুর: আল্লাহর হুকুমে।

ছাত্র: সেতো বুঝলাম, ফর্মুলা কী? তাছাড়া এই এক নদী দুধ একজন মানুষ পান করবে কীভাবে? এর দরকার কী? এত দুধ দিয়ে একজন জান্নাতি করবেটা কী?
হুজুর: তাতে তোমার এতো সমস্যা কী?

ছাত্র: আরে হুজুর, যেখানে এক গ্লাস দুধ হলেই যথেষ্ট সেখানে এক নদী দুধের কামটা কী? তাছাড়া এমন প্রতিশ্রুতি শুনে আত্মঘাতী হামলা করে নয়, বরং হেসেই মরে যেতে ইচ্ছে করছে।
হুজুর: তোমারে মরতে নিষেধ করছে কে? তুমি মরো, সমস্যা কী?

ছাত্র: আচ্ছা হুজুর, বাদ দেন — মধু তো থাকে মৌচাকে। এই মধু নদী দিয়ে আসবে কীভাবে?
হুজুর: সেটা আল্লাহ ভালো জানে।

ছাত্র: আরে হুজুর, মৌমাছিরা মধু আহরণ করে তাদের বাচ্চাদের জন্য, মানুষের জন্য নয়। মানুষ মৌমাছিদের তাড়িয়ে মধু সংগ্রহ করে — এই মধু নদী দিয়ে আসবে কীভাবে?
হুজুর: সেটাও আল্লাহই ভালো বলতে পারবেন!

ছাত্র: ১০০ মিলিগ্রাম মধুই যেখানে যথেষ্ট, সেখানে মধুর স্রোতে ভাসিয়ে দেওয়ার চিন্তাটা একেবারেই আজগুবি নয় কি?
হুজুর: আজগুবি হবে কেন, এগুলো তো কোরানে লেখা আছে।

ছাত্র: হুজুর, নদী দিয়ে শুধু মদ আর মদ আসবে — এটা আপনি কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন?
হুজুর: কী আর বিশ্লেষণ করবো, আল্লাহ ভালো জানে।

ছাত্র: আল্লাহর এই এক নদী মদের প্রতিশ্রুতির একটা সীমা থাকা কি উচিত ছিল না?
হুজুর: কথাটা মন্দ বলোনি, ভাববার বিষয়।

ছাত্র: হ্যাঁ তাইতো — একজন মানুষকে প্রতিদান হিসেবে মদের নহর দেওয়া হচ্ছে, সেটা কি অসুস্থ আদিম চিন্তা নয়?
হুজুর: এগুলো আল্লাহর রহমত, তুমি বুঝবে না। তাছাড়া জান্নাতি মদে তো আর নেশা হবে না — যে যা খুশি পান করবে, তাতে সমস্যা কী?

ছাত্র: হুজুর, যে মদে নেশা হয় না সেটা কি মদ নাকি শরবত?
হুজুর: সেটা আল্লাহ ভালো জানে।

ছাত্র: হুজুর, এবার আসি সোনার বাড়ির প্রসঙ্গে। জান্নাতে নাকি সোনার বাড়ি পাওয়া যাবে। কিন্তু সোনার বাড়ি দিয়ে আমি কী করবো?
হুজুর: থাকবে, আরামে থাকবে।

ছাত্র: হুজুর, সোনার বাড়িতে থাকার আরামটা কোথায়? সোনা তো শক্ত ধাতু, নরম কাঠ বা ইটের মতো আরামদায়ক নয়। তার চেয়ে বড় কথা হলো — যদি জান্নাতে সবার সোনার বাড়ি থাকে, তাহলে সোনার কোনো বিক্রয়মূল্য থাকবে না। যেখানে সেল ভ্যালু নেই, সেখানে মাটি আর সোনার পার্থক্য কোথায় হুজুর?
হুজুর: জান্নাতে কেনাবেচার দরকার নেই, সব আল্লাহ দেবেন।

ছাত্র: তাহলে সোনার বাড়ির বিশেষত্বটা কী? পৃথিবীতে সোনা মূল্যবান কারণ এটা দুর্লভ। জান্নাতে যদি সবার কাছেই থাকে, তাহলে সেটা আর বিশেষ কিছু রইলো না। ময়লার স্তূপ আর সোনার স্তূপ তখন একই কথা, তাই না?
হুজুর: এটা আল্লাহ ভালো জানেন।
ছাত্র: হুজুর, এই উত্তরটা আমি আগে থেকেই জানতাম।

ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে নাকি বিশাল খেজুর বাগান থাকবে। এত বড় খেজুর বাগান নিয়ে আমি কী করবো? আমার তো দিনে দশ-বিশটা খেজুর হলেই হয়ে যায়। বাকিগুলো কি পচে নষ্ট হবে?
হুজুর: নষ্ট হবে না, জান্নাতে সব অক্ষয়।

ছাত্র: ঠিক আছে, নষ্ট হবে না। কিন্তু বিক্রিও তো করতে পারবো না। প্রতিবেশীকে দিতে গেলে সেও বলবে — ভাই, আমার নিজেরই বাগান আছে। তাহলে লক্ষ খেজুরের বাগান থাকার দরকারটা কী? শুধু শুধু জায়গা নষ্ট।

হুজুর: জান্নাতে জায়গার অভাব নেই।
ছাত্র: হুজুর, আপনি উত্তর এড়িয়ে গেলেন। মূল প্রশ্নটা হলো — অপ্রয়োজনীয় বিশালত্বের মানে কী? এটা কি একজন জ্ঞানী সত্তার পরিকল্পনা, নাকি এমন কারো কল্পনা যিনি শুধু “বড়” আর “বেশি” মানেই “ভালো” মনে করতেন?
হুজুর: তুই জাহান্নামী।

ছাত্র: হুজুর, এবার আসি হুরের প্রসঙ্গে। জান্নাতে হুর পাওয়া যাবে — এটা তো পুরুষদের জন্য বলা আছে। কিন্তু হুররা তো আসলে এক ধরনের সেক্স ডল — চিরকুমারী, চিরযৌবনা, শুধু সেবার জন্য তৈরি। রক্ত-মাংসের স্বাভাবিক নারীর যে ব্যক্তিত্ব, আবেগ, ভালোবাসা, প্রতিবাদ করার ক্ষমতা — সেটা ছাড়া কি আসলে কোনো সত্যিকারের আকর্ষণ থাকে?
হুজুর: হুররা পবিত্র, তারা সব দিক থেকে পরিপূর্ণ।

ছাত্র: পরিপূর্ণ মানে কী হুজুর? যে নারী কখনো না বলতে পারে না, যে সবসময় সম্মত, যার নিজস্ব কোনো ইচ্ছা-অনিচ্ছা নেই — সে কি মানুষ নাকি যন্ত্র? পৃথিবীতে একজন পুরুষ একজন নারীকে ভালোবাসে তার ব্যক্তিত্বের জন্য, তার স্বাধীন মতের জন্য — সেটা না থাকলে সম্পর্কের মানে কী?
হুজুর: জান্নাতে সব ভিন্ন হবে।

ছাত্র: “ভিন্ন হবে” মানে কি মানবিক আবেগ থাকবে না? তাহলে সেটা কি আনন্দ, নাকি একটা প্রোগ্রাম করা অভিজ্ঞতা? আর হুজুর, জান্নাতে যাওয়া নারীরা কী পাবে? তাদের জন্য কি পুরুষ হুর আছে?
হুজুর: নারীরা তাদের স্বামীকে পাবে।

ছাত্র: মানে পুরুষ পাবে ৭২টি হুর আর তার পৃথিবীর স্ত্রীও, আর নারী পাবে শুধু তার স্বামীকে — যে কিনা আবার ৭২টি হুর নিয়ে ব্যস্ত? এই বৈষম্যের ব্যাখ্যা কী?
হুজুর: এটাও আল্লাহ ভালো জানে।
ছাত্র: অবশ্যই।

ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে ফলের কথা বলা আছে — মূলত খেজুর আর ডুমুরের কথা। কিন্তু আমি খেজুর-ডুমুর ছাড়াও আম, লিচু, বেরি, আপেল, কমলা, কালোজাম খেতে চাই। জান্নাতে এগুলো দেওয়ার কথা তো কোথাও বলা হয়নি। এগুলো কি পাবো?
হুজুর: জান্নাতে যা চাইবে তাই পাবে।

ছাত্র: তাহলে আলাদা করে খেজুর-ডুমুরের কথা উল্লেখ করার দরকার কী ছিল? শুধু বললেই হতো — যা চাইবে পাবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো হুজুর, সপ্তম শতাব্দীর আরবে আম, লিচু, কমলা এগুলো ছিল না বা পরিচিত ছিল না। তাই কোরানে এগুলোর কথা নেই। এটা কি প্রমাণ করে না যে জান্নাতের বর্ণনাটা একটি নির্দিষ্ট সময়ের, নির্দিষ্ট ভূগোলের মানুষের কল্পনা?
হুজুর: কোরান সার্বজনীন।

ছাত্র: সার্বজনীন হলে বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় আম বা ইউরোপের মানুষের প্রিয় স্ট্রবেরির কথা কেন নেই? সার্বজনীনতার সংজ্ঞা কি তখন শুধু আরব উপদ্বীপের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল?
হুজুর: তুই নাস্তিক, তোর সাথে তর্ক করা যায় না।
ছাত্র: তর্ক না করলে সত্য বের হবে কীভাবে হুজুর?

ছাত্র: হুজুর, সব কিছু মিলিয়ে বলুন তো — জান্নাতের এই যে চিত্র আঁকা হয়েছে, এটা কি আসলে সত্যিকারের কোনো আকর্ষণীয় জায়গার বর্ণনা?
হুজুর: অবশ্যই, এটা সর্বোচ্চ পুরস্কার।

ছাত্র: দেড় হাজার বছর আগের আরবের মরুভূমির মানুষের কথা ভাবুন। তারা পানির অভাবে কষ্ট পেত, মদ ছিল বিলাসিতা, মধু ছিল দুর্লভ, দুধ ছিল পুষ্টির উৎস, সোনা ছিল সম্পদের প্রতীক, খেজুর ছিল প্রধান খাবার, আর নারীকে ভোগের বস্তু মনে করা হতো। জান্নাতের বর্ণনায় ঠিক এই জিনিসগুলোই আছে। এটা কি কাকতালীয়?
হুজুর: এটা আল্লাহর জ্ঞান।

ছাত্র: নাকি এটা একজন সপ্তম শতাব্দীর আরব মানুষের সীমিত কল্পনা? যিনি তাঁর চারপাশের মানুষের চাহিদা দেখে জান্নাতের ছবি এঁকেছিলেন?
হুজুর: যুক্তি দিয়ে আল্লাহর কুদরতকে বোঝা যাবে না।

ছাত্র: কুদরত কী হুজুর?
হুজুর: কুদরত হলো আল্লাহর বিশেষ ক্ষমতা।

ছাত্র: সেই ক্ষমতা প্রয়োগের ফর্মুলা কী?
হুজুর: তুমি নাস্তিক, বুঝার ক্ষমতা রাখো না।

ছাত্র: তাহলে বোঝার ক্ষমতা কারা রাখে?
হুজুর: যারা শর্ত ছাড়া অন্ধভাবে আল্লাহকে বিশ্বাস করে।
ছাত্র: হাহাহা — হুজুর, এতক্ষণে আসল কথাটা বললেন। বিশ্বাস করতে হবে অন্ধভাবে — প্রশ্ন করা যাবে না। ধন্যবাদ হুজুর, এটাই আমার দরকার ছিল।

ইসলামের বর্ণিত জান্নাত কেন আধুনিক মানুষের কাছে অনাকর্ষণীয়?

কোরানে বর্ণিত জান্নাতের চিত্রটি মনোযোগ দিয়ে বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, এই বর্ণনা সপ্তম শতাব্দীর আরব উপদ্বীপের মানুষের জীবনযাত্রা, চাহিদা এবং বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে রচিত। সেই সময়ের মরুভূমির মানুষেরা পানির তীব্র সংকটে ভুগত, তাই জান্নাতে নদীর প্রতিশ্রুতি তাদের কাছে অত্যন্ত লোভনীয় ছিল। দুধ, মধু, মদ ছিল বিলাসদ্রব্য — সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সোনা ছিল সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতীক। খেজুর ছিল মরুভূমির প্রধান খাবার। এই প্রেক্ষাপটে জান্নাতের বর্ণনা ছিল তখনকার দরিদ্র ও বঞ্চিত আরব জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি মানসিক প্রণোদনা।

কিন্তু একজন আধুনিক মানুষের দৃষ্টিতে এই বর্ণনা অনেকটাই অসম্পূর্ণ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে হাস্যকরও বটে। আজকের পৃথিবীতে যেকোনো সুপারশপে গেলে শত রকমের ফল পাওয়া যায়, কিন্তু জান্নাতের বর্ণনায় শুধু খেজুর ও ডুমুরের উল্লেখ আছে — আম, লিচু, আপেল, কমলার কোনো ঠাঁই নেই। এটা নিঃসন্দেহে একটি ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ কল্পনার প্রমাণ। যদি সত্যিই একজন সর্বজ্ঞ সত্তা জান্নাতের বর্ণনা দিতেন, তাহলে তিনি কি কেবল আরব অঞ্চলের ফলের কথা জানতেন?

সোনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি পৃথিবীতে আকর্ষণীয় কারণ সোনা দুর্লভ এবং এর বিনিময়মূল্য আছে। কিন্তু যেখানে সবার কাছেই সোনার বাড়ি থাকবে, সেখানে সোনার বিশেষত্ব শূন্য। মূল্য সবসময় দুষ্প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে — এই সাধারণ অর্থনৈতিক সত্যটি জান্নাতের বর্ণনায় সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। একইভাবে বিশাল খেজুর বাগান বা মদের নহর — এগুলো পরিমাণের দিক থেকে অতিরঞ্জিত, কিন্তু ব্যবহারিক প্রয়োজনের সাথে এর কোনো যোগসূত্র নেই।

হুরের ধারণাটি আধুনিক নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। একজন ব্যক্তিত্বহীন, চিরসম্মত, যৌনসেবার জন্য তৈরি সত্তা — এটি মানবিক সম্পর্কের কোনো রূপ নয়। বরং এটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নারীকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে দেখার মানসিকতার সরাসরি প্রতিফলন। তাছাড়া জান্নাতে নারীদের জন্য কোনো সমতুল্য পুরস্কারের ব্যবস্থা না থাকাটা এই বৈষম্যকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি অনুপস্থিত তা হলো — জান্নাতের বর্ণনায় আধুনিক মানুষের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন নেই। জ্ঞান, সৃজনশীলতা, অন্বেষণ, মানবিক সংযোগ, নতুন কিছু আবিষ্কার করার আনন্দ — এগুলোর কথা কোথাও নেই। কোনো গ্রন্থাগার নেই, কোনো গবেষণাগার নেই, কোনো সংগীত রচনার সুযোগ নেই, মহাকাশ ভ্রমণের কথা নেই। এমনকি ইন্টারনেট বা প্রযুক্তির ন্যূনতম ইঙ্গিতও নেই — কারণ এই ধারণাগুলো সপ্তম শতাব্দীর আরবের কল্পনার সীমার বাইরে ছিল।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ইসলামের বর্ণিত জান্নাত একটি নির্দিষ্ট সময়, নির্দিষ্ট ভূগোল এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য তৈরি একটি কল্পনাচিত্র। এটি তৎকালীন বঞ্চিত মরুবাসীর মন জয় করার জন্য যথেষ্ট কার্যকর ছিল — কিন্তু আজকের একজন শিক্ষিত, চিন্তাশীল মানুষের কাছে এটি অনেকটাই অসম্পূর্ণ, বৈষম্যমূলক এবং কল্পনার দিক থেকে দারিদ্র্যপীড়িত একটি ধারণা।

দ্বিতীয় পর্বঃ জাহান্নাম নিয়ে কথোপকথন – এই লিংকে পাবেন

Related Posts

Women’s Jewelry: Then and Now

Bengali Women and Their Love for Jewelry: History, Modern Trends, and the Culture of Excess

When the first gold bangle was put on Nalini Devi’s wrist, she was only seven.Read More

Women’s Jewelry: Then and Now

বাঙালি নারীর গহনা প্রীতি – ইতিহাস থেকে বর্তমান ও বাড়াবাড়ির সংস্কৃতি

নলিনী দেবীর হাতে যখন প্রথম সোনার বালা পরানো হয়েছিল, তখন তাঁর বয়স মাত্র সাত। বিয়েরRead More

Humanity’s endless waiting

From ‘Waiting… Nazir’, ‘Aijuddin is in pain’ to waiting on Facebook Messenger — the waiting of humans

About two and a half decades ago, one could see some emotional lines written onRead More

Comments are Closed