
Islam and the Degradation of Women
বাংলাদেশে ইসলামের নামে নারীদেরকে ভয়ংকরভাবে অবমাননা করেও বহাল তবিয়তে থাকা যায়
এ সমস্ত পোস্টার কেউ ছিঁড়ে ফেলে না কারন এদেশে সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ মুসলমান। ইসলাম নারীদের এভাবেই দেখে, কোরান-হাদীসে নারীকে শয়তানের প্রতিকৃতি, নারীতে অমঙ্গল, নারী কুলক্ষনা, নারী যতো নষ্টের মূল, নারী উৎকৃষ্ট ভোগ্যপণ্য, নারী বাঁকা, নারী ঘোড়ার মতো, নারীরা কালো কুকুর সমতুল্য, নারীর জ্ঞান কম – এমন অনেক কিছুই বলা আছে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ইসলামিস্ট পুরুষেরা সেটা উপভোগও করে। যিনি এই পোস্টার সেঁটেছেন তাকে দোষ দিয়ে কি করবেন? নারীকে যিনি পুরুষের কাছে এভাবে বর্ননা করেছেন সেই তাকে প্রশ্ন করুন, কেন তিনি নারীদের প্রতি এতো অমানবিক!
ইসলামের আলোকে পর্দাহীন নারী বাকলহীন কলার মত-যার উপর মশা-মাছি বসার কারণে কেউ তা গ্রহণ করতে চায় না, বাজারে তার কোনো দাম নেই – সেটা ইসলামের পুরুষেরা বলেও। আর নারী যদি সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে পার হয়ে যায় তাহলে সে এক বেশ্যা – এটা ইসলামের ভাষ্য। আপনি মডারেট বলবেন লক্ষ লক্ষ হুজুরের ওস্তাদ তেঁতুল হুজুর ইসলাম জানে না, তালেবাল ইসলাম জানে না! মূর্খচো*দা ফেসবুকীয় মডারেট আপনি ইসলাম জেনে বসে আছেন!
“আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতাকে দূরীভূত করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।” (সূরা আহযাব: ৩৩)
নারীর প্রধান আবাসস্থল হলো তার গৃহ। সাধারণত গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করা নারীর জন্য শোভনীয়। এ জন্য আল্লাহ তায়ালা নারীদেরকে তাদের গৃহাভ্যন্তরে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করো, প্রাচীন জাহেলী যুগের নারীদের ন্যায় নিজেদেরকে প্রর্দশন করো না।” (সূরা আহযাব: ৩৩)
“আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, আপন নারীগণ, তাদের মালিকানাধীন দাসী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া অন্য কারো কাছে নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন তাদের গোপন সাজ্জসজ্জা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফল হতে পার।” (সূরা নূর: ৩১)
[ইসলামে কিন্তু পুরুষদের জন্য ৪ বউ ছাড়াও অসংখ্য দাসী রাখার অনুমতি দেয়া আছে, দাসী মানে যৌনদাসী। আপনার ধারনার বাহিরে হতে পারে, কিন্তু এটা সত্য।]
“নারী পর্দাবৃত থাকার বস্তু, যখনই সে পর্দাহীনভাবে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে উঁকি মেরে তাকায়।” (তিরমিযী: ১১৭৩)
“প্রত্যেক চক্ষুই ব্যভিচারী। আর নারী যদি সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে পার হয়ে যায় তাহলে সে এক বেশ্যা।” এমন কি এই অবস্থায় নামাযের জন্য যেতেও নিষিদ্ধ। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে মহিলা সেন্ট ব্যবহার করে মসজিদে যায়, সেই মহিলার গোসল না করা পর্যন্ত কোনো নামায কবুল হবে না”। (সহীহ আল-জামে আস-সগীর আযযিয়াদাতুহ: ২৭০)
“নারী জাতীর জন্য পর্দা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। আল্লাহ তা‘আলা নারীদের ইজ্জত, সম্ভ্রম ও সম্মানকে রক্ষা করার জন্য পর্দার বিধানকে বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। পর্দা নারীর সৌন্দর্য, নারীর ইজ্জত এবং সুরক্ষা। পর্দাহীন নারী বাকলহীন কলার মত-যার উপর মশা-মাছি বসার কারণে কেউ তা গ্রহণ করতে চায় না। বাজারে তার কোনো দাম নেই। অনুরূপ নারীও যখন ঘরের বাইরে পর্দাহীন অবস্থায় বের হয়, তখন সমাজে তার কোনো দাম থাকে না।”(https://hadithbd.com/books/fullbook/?book=119)
Related Posts

Actresses Shabana, Moushumi, Popy – Religious Sentiment and the Politics of the Public Sphere
In the history of Bangladeshi cinema, names like Shabana, Moushumi and Popy mark important chapters.Read More

নায়িকা শাবানা, মৌসুমী, পপি – ধর্মানুভূতি এবং জনপরিসরের রাজনীতি
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে শাবানা, মৌসুমী কিংবা পপির মতো নাম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তারা আশি, নব্বই ওRead More

In Bangladesh, the very meaning of the “blasphemy” law is to find a new pretext for persecuting minorities
The attack on the house, shop, and temple of Deepto Roy in Tahirpur, Sunamganj isRead More

Comments are Closed