Justice
Is Allah Just?

Is Allah Just?

আল্লাহ চাইতো নবী মুহাম্মদ অন্য স্ত্রীদের বঞ্চিত করে শিশু স্ত্রী আয়েশার ঘরে শুয়ে থাক!

যেসব মূর্খ মুমিন ভাইয়েরা প্রায় প্রায় আমাকে অভিযোগ দিয়ে বলেন, আমি নাকি ইসলামের নামে মিথ্যাচার করি। ভাইরে, ইসলামের কোন নিরপেক্ষা সোর্স নেই। আরবের রুক্ষ মরুর বুকে সেই আমলে এমন কোন ধন-সম্পদ বা সম্ভাবনা ছিল না যে আশেপাশের সমৃদ্ধ জনপদগুলোর (যেমন পারস্য) শাসকেরা সেদিকে নজর দিবে। সৌদির অধিকাংশ মানুষ ছিল যাযাবর, বেদুঈন। তখন ও এখন হজ্ব ব্যবসাই ছিল তাদের অন্যতম প্রধান উপার্জনের মাধ্যম। সৌদি তেল পেয়েছে কবে? এইতো সেদিন। এর আগে তাদের খাওয়াই জুটতো না। সেজন্য সৌদি আরব অঞ্চলের এই দূর্গম মরুর জনপদ নিয়ে কারোর তেমন মাথাব্যাথা কখনোই ছিল না। সেজন্য সেখানকার সমৃদ্ধ ইতিহাস তেমন পাওয়া যায় না। যেটুকু ঘটনাপ্রবাহ পাওয়া যায় সবই পিওর ইসলামী সোর্স – কোরআন, হাদিস, সিরাত এসব, যদি এগুলো সত্য ইতিহাস বলে ধরে নেই। এ ছাড়া তো উপায় নেই, কোন নিরপেক্ষ সোর্স আছে?

এই কোরআন, হাদিস, সিরাত, তাফসিরে যা আছে সেগুলোর স্রেফ অনুবাদ তুলে ধরলেও আপনারা মনে করেন ইসলামের নামে অপতথ্য ছড়াই আমরা। এই যে নীচে যেটা দিলাম সেটা সরাসরি সহিহ বুখারীর একটা হাদিসের অনুবাদ। এই যে এখানে পাবেন – https://sunnah.com/bukhari:2581 আমার অনুবাদ মেনে নিতে না চাইলে আপনারা নিজেরা অনুবাদ করে দেখেন। তো, এই হাদিস থেকে আমরা কী বুঝলাম? নবী মুহাম্মদ তার শিশু স্ত্রী আয়েশার প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত ছিল। বেশিরভাগ সময়ই উনি আয়েশার ঘরে পড়ে থাকতেন। লোকজনও জানতো যে নবী মুহাম্মদকে কোন উপহার পাঠাতে হলে আয়েশার ঘরেই পাঠাতে হবে।

মক্কার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নারী খাদিজা জীবিত থাকাকালীন নবী মুহাম্মদ একটাও বিয়ে করার সাহস করেনি। উনি নতুন করে বিয়ে করা শুরু করেন যখন তখন তার বয়স অলরেডি ৫০। উনি সর্বমোট ১১ বা ১৩ টি বিয়ে করেন। তার কয়েকজন যৌনদাসীও ছিল, যেমন মিশরের বাদশাহ থেকে উপহার পাওয়া মারিয়া কিবতিয়া, নবীর একমাত্র পুত্র সন্তান ইব্রাহিমের মা। অন্য স্ত্রীরা বয়স্ক থাকায় নবী মুহাম্মদ তাদের সঙ্গ তেমন একটা পছন্দ করতেন না।

সাওদা-এর বার্ধক্যজনিত কারণে নবী মুহাম্মদ একপর্যায়ে তাকে তালাক দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, তবে তিনি তালাক দেননি। সাওদা বৃদ্ধ বয়সে নবীকে শারিরীকভাবে খুশি করতে পারবে না ভেবে নিজের পালার দিনটি মুহাম্মদের প্রিয় শিশু স্ত্রী আয়েশা-কে দিয়ে দেন এবং নবীর স্ত্রী হিসেবেই থেকে যান, যার পরিপ্রেক্ষিতে সূরা নিসার ১২৮ নং আয়াত নাযিল হয়। যখনই প্রয়োজন হয়েছে – তখনই আয়াত! নবী মুহাম্মদ একবার তার স্ত্রী সাফিয়্যাকে বিরক্ত হয়ে বন্ধ্যা ও নেড়ি বলে গালাগালি করেছিল, হাদিসে আছে।

শিশু স্ত্রী আয়েশার সঙ্গে অতিরিক্ত মাখামাখি নিয়ে ও অন্যদের বঞ্চিত করার কারনে অন্য স্ত্রীরা নবী মুহাম্মদের উপরে নাখোশ হয়েছিল। আপনাদের বিবেক, বিবেচনা থেকে থাকলে নীচের সহিহ হাদিস থেকে সেটা স্পষ্ট বুঝতে পারার কথা। সেই স্ত্রীরা এজন্য নবীর কণ্যা ফাতিমার মধ্যমেও সুপারিশ করানোর চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু সব কিছুর পরেও নবী মুহাম্মদ তার শিশু স্ত্রীকে আলাদা করে প্রেম দেওয়ার জন্য মরিয়া ছিল, তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ককে উনি বেশি প্রায়োরিটি দিতেন। এখানেও আল্লাহ তার মনের বাসনা পূরণের পথ করে দিয়েছেন। আল্লাহও শুধুমাত্র তখনই কোরআনের ওহী পাঠাতেন যখন তিনি লীলা খেলার নিমিত্তে আয়েশার সঙ্গে থাকতেন। বলেন তো, এটা কোন কথা? উনি যখনই কিছু খায়েশ করেছেন তখনই আল্লাহ সেটা পূরণ করে দিয়েছে! স্ত্রীদের চাপে যৌনদাসীদের নিজের জন্য হারাম ঘোষনা করলে আল্লাহ আয়াত পাঠিয়ে বলে দেয় যৌনদাসীরা হালাল! আয়েশা তখন বলেছিল – উনি যখন যা চান, আল্লাহ সেটা সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করে দেয়!

আমি জানি, আপনারা নানান ত্যানা প্যাঁচিয়ে বলবেন, আয়েশার বয়স কম থাকার কারনে অনেক বেশিদিন উনি কোরআন, হাদিসের স্মৃতি ধরে রাখতে পারতেন। কেন, উনার মেয়ে ফাতিমা পারতেন না? অল্প বয়সী সাহাবীরা পারতেন না? অনেক আয়াত তো ঘরেই বাইরেও ডাউনলোড হয়েছে। অন্য স্ত্রীদের বাদে কোরআনের আয়াত ডাউনলোড করতে হলে আয়েশার ঘরেই শুয়ে থাকতে হবে? এ আল্লার কেমন বিচার – বুঝি না।

————————
উপরের লিংকে দেয়া সহিহ হাদিসের নিরপেক্ষ অনুবাদ দেখুন নীচের পুরোটা, এআই দিয়ে অনুবাদ করানো হয়েছে। এখানে আমার নিজের দেয়া একটা শব্দও নেই।
————————

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ দুই দলে বিভক্ত ছিলেন। এক দলে ছিলেন আয়েশা, হাফসা, সাফিয়্যা ও সাওদা; এবং অন্য দলে ছিলেন উম্মে সালামা ও রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্যান্য স্ত্রীগণ। মুসলিমরা জানত যে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়েশাকে ভালোবাসেন। তাই তাদের কারও কাছে যদি কোনো উপহার থাকত এবং তারা সেটি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিতে চাইত, তাহলে তারা অপেক্ষা করত—যখন তিনি আয়েশার ঘরে থাকবেন, তখনই সেই উপহার পাঠাত।

উম্মে সালামার দলের স্ত্রীগণ এ বিষয়ে পরস্পর আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলেন যে উম্মে সালামা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলবেন যেন লোকদের নির্দেশ দেন—তিনি যে স্ত্রীর ঘরেই থাকুন না কেন, সেখানেই উপহার পাঠাতে। উম্মে সালামা বিষয়টি তাঁকে জানালেন, কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দিলেন না। পরবর্তীতে অন্য স্ত্রীগণ জানতে চাইলেন, তিনি কী বললেন। উম্মে সালামা বললেন, “তিনি কিছুই বলেননি।” তারা আবার তাকে বলতে বলল। তিনি পুনরায় তাঁর পালার দিনে এ কথা বললেন, তবুও তিনি কোনো উত্তর দিলেন না।

তখন তারা আবার বলল, “তুমি বলতে থাকো, যতক্ষণ না তিনি উত্তর দেন।” তৃতীয়বার উম্মে সালামা বললে অবশেষে তিনি বললেন, “আয়েশার ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দিও না; কারণ আমার কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী (প্রকাশনা) আয়েশার বিছানা ছাড়া অন্য কোনো স্ত্রীর বিছানায় আসে না।” তখন উম্মে সালামা বললেন, “আমি আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করছি।”

এরপর উম্মে সালামার দল ফাতিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহা), রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যাকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে বললেন—তিনি যেন গিয়ে বলেন: “আপনার স্ত্রীগণ চান, আপনি যেন তাদের এবং আবু বকর-এর কন্যাকে (আয়েশাকে) সমানভাবে আচরণ করেন।” ফাতিমা এই বার্তা পৌঁছে দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “হে আমার কন্যা! তুমি কি তাকে ভালোবাসো না, যাকে আমি ভালোবাসি?” তিনি বললেন, “অবশ্যই,” এবং ফিরে এসে তাদের সব বললেন। তারা আবার তাকে যেতে বলল, কিন্তু তিনি অস্বীকার করলেন।

এরপর তারা যায়নাব বিনতে জাহশকে পাঠাল। তিনি এসে একটু কঠোর ভাষায় বললেন, “আপনার স্ত্রীগণ চান আপনি তাদের এবং আবু কুহাফার কন্যাকে সমানভাবে দেখুন।” এরপর তিনি জোরে কথা বলতে লাগলেন এবং আয়েশাকে সামনাসামনি তিরস্কার করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়েশার দিকে তাকালেন, দেখার জন্য যে তিনি জবাব দেন কি না।

আয়েশা এরপর যায়নাবকে এমনভাবে জবাব দিলেন যে তাকে নীরব করে দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়েশার দিকে তাকিয়ে বললেন, “সে তো সত্যিই আবু বকর-এর কন্যা।”

Related Posts

Free Sex Nation

Is Bangladesh, with 90% Muslims, better than the so‑called free‑sex countries?

Bangu male believers think — and even some women — that the Western world meansRead More

Free Sex Nation

তথাকথিত ফ্রি সেক্সের দেশের চেয়ে ৯০% মুসলমানের বাংলাদেশ কি ভাল?

বাঙ্গু পুরুষ মুমিনদের ধারনা, এমনকি কিছু নারীরও যে – পশ্চিমা দুনিয়া মানে ফ্রি সেক্স, সেখানেRead More

Is the name Muhammad owned

People’s Arabic names are not the property of Allah or Muhammad. Stop demanding that others change their names

One fine morning you log into Facebook and see that everyone—from Mokhles, the tea sellerRead More

Comments are Closed