Homosex
Homosexuality and Reality

Homosexuality and Reality

বাংলাদেশেও সমপ্রেমীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা পাক, মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপারে কেউ নাক না গলাক

ভারতের সুপ্রীম কোর্ট প্রায় পাঁচ বছর আগে সমপ্রেমকে আইনগত স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি কোনো কৃত্রিম বা জোরপূর্বক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বাস্তবতার স্বীকৃতি। প্রকৃতির অসংখ্য বৈচিত্র্যের মতোই সমপ্রেমও একটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। মানুষ জন্মগতভাবে যে যৌন প্রবণতা নিয়ে আসে, সেটিকে জোর করে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। একজন সমপ্রেমীকে কখনোই ভিন্ন লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট করানো যায় না, কারণ তার শারীরিক, মানসিক এবং জেনেটিক গঠন তাকে সেই প্রবণতার দিকে নিয়ে যায়। অথচ বাংলাদেশের মতো সমাজে এখনো ধর্মীয় অজ্ঞতা, সামাজিক পশ্চাৎপদতা এবং আইনের অসভ্যতার কারণে সমপ্রেমকে অস্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। দুই কিশোরী যদি প্রেমে পড়ে, সেখানে প্রশ্ন হতে পারে তাদের বয়স নিয়ে, কিন্তু তাদের প্রেমকে অস্বীকার করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। সমাজের মানুষ তাদের প্রেম মেনে নিতে পারে না, কারণ তারা এখনো অসুস্থ মানসিকতার শিকার। কেউ কি ইচ্ছা করে মেইনস্ট্রিম থেকে বেরিয়ে যায়? না, এটা প্রকৃতির দেওয়া বৈশিষ্ট্য।

বাংলাদেশে হোমোসেক্সুয়ালিটি নিয়ে সমাজে এক ধরনের অস্বস্তি বা চুলকানি দেখা যায়। অথচ যারা সমকামী, তারাও আমাদের সমাজের মানুষ। তাদেরও সমান অধিকার আছে সমাজে সম্মান, সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিয়ে বসবাস করার। সমকামিতা মূলত বায়োলজিক্যাল ফ্যাক্টর দ্বারা নির্ধারিত। মানুষের শরীরের হরমোন, জেনেটিক গঠন এবং ডিএনএ এর প্রভাবে যৌন প্রবণতা তৈরি হয়। অনেকেই ভুলভাবে মনে করেন এটি মানুষের বিকৃত রুচি বা খারাপ অভ্যাসের ফল। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রমাণ করেছে যে যৌন প্রবণতা প্রায় পুরোপুরি জন্মগত এবং প্রাকৃতিক। মাত্র ১-২% ক্ষেত্রে মানসিক সমস্যার কারণে যৌন প্রবণতায় পরিবর্তন আসতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বায়োলজিক্যাল। আমরা মেনে নেই বা না নেই, বৈজ্ঞানিক সত্যতা তাতে পরিবর্তিত হয় না।

Homosexuals News
Homosexuals News

বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম, সমাজ ও আইনের দৃষ্টিতে সমপ্রেমীদের (সমলিঙ্গ আকর্ষণসম্পন্ন ব্যক্তিদের) কোনো অধিকার স্বীকৃত না হওয়ার কারণগুলো গভীরভাবে জড়িত দেশের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও আইনি কাঠামোর সঙ্গে। বাংলাদেশ মুসলিম-প্রধান দেশ (প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলমান), যেখানে ইসলামী মূল্যবোধ সমাজ ও আইনকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে। নিচে তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।

ইসলাম ধর্মের দৃষ্টিতে সমপ্রেমঃ

ইসলাম সমলিঙ্গ যৌন সম্পর্ককে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ (হারাম) বলে গণ্য করে। পবিত্র কুরআনে সূরা আল-আরাফ (৭:৮০-৮৪), সূরা হুদ (১১:৭৭-৮৩) এবং অন্যান্য আয়াতে নবী লুত (আ.)-এর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা সমলিঙ্গ সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে আল্লাহর গজবের শিকার হয়েছিলেন। এটিকে ‘প্রকৃতির বিরুদ্ধে পাপ’ হিসেবে দেখা হয়। হাদিস শরীফেও (যেমন সহীহ বুখারী ও তিরমিযী) এমন আচরণের নিন্দা ও শাস্তির উল্লেখ আছে, হত্যার মতো শাস্তি। ইসলামী ফিকহ (হানাফি, শাফেয়ী প্রভৃতি মাজহাব) অনুসারে যৌনতা শুধু বিপরীত লিঙ্গের বৈধ বিবাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম (সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ), তাই ধর্মীয় নেতৃত্ব (ইমাম, আলেম সমাজ) এবং সাধারণ মুসলমানরা সমপ্রেমকে ‘ধর্মবিরোধী’ ও ‘পাপ’ বলে মনে করেন। ফলে কোনো ধর্মীয় অধিকার বা স্বীকৃতি নেই; বরং এটি সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার বিষয়। ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের কারণেও এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও কঠোর হয়েছে।

সমাজের দৃষ্টিতে সমপ্রেমঃ

বাংলাদেশী সমাজ ঐতিহ্যবাহী, পরিবারকেন্দ্রিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধপ্রধান। এখানে বিবাহকে পুরুষ-নারীর মিলন, সন্তানধারণ ও বংশরক্ষার মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। সমপ্রেমকে ‘অস্বাভাবিক’, ‘পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ’ বা ‘পরিবারের ইজ্জত নষ্টকারী’ বলে বিবেচনা করা হয়। বিশ্ব মূল্যবোধ জরিপ (World Values Survey) অনুসারে প্রায় ৮৯% বাংলাদেশী সমলিঙ্গ সম্পর্ককে ‘অন্যায়’ মনে করেন এবং ৭৭% এমন প্রতিবেশী গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক। সমাজে খোলাখুলি আলোচনা নিষিদ্ধ; সমপ্রেমী ব্যক্তিরা পরিবার থেকে বিতাড়িত, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে লুকিয়ে থাকেন এবং চাকরি, শিক্ষা, বাসস্থানে বৈষম্যের শিকার হন। গ্রাম-শহর উভয় স্থানে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চাপ প্রবল। ফলে সমাজ সমপ্রেমীদের কোনো সামাজিক অধিকার (যেমন বিবাহ, উত্তরাধিকার, স্বাস্থ্যসেবা) দেয় না; বরং হয়রানি, সহিংসতা ও নির্যাতন বাড়ায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতায় ইসলামী গোষ্ঠীর প্রভাব বৃদ্ধির কারণে এই সামাজিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে।

আইনের দৃষ্টিতে সমপ্রেমঃ

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৭৭ ধারায় ‘প্রকৃতির বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক’ (carnal intercourse against the order of nature) অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত। এর শাস্তি ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। এই ধারা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আইন থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এবং এখনো বহাল। সমলিঙ্গ যৌনতা এর আওতায় পড়ে। সংবিধানে সমতা ও মানবাধিকারের কথা বলা হলেও যৌন অভিযোজনভিত্তিক কোনো সুরক্ষা বা অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন আইন নেই। সমলিঙ্গ বিবাহ, সম্পর্ক বা অংশীদারিত্ব আইনত স্বীকৃত নয়। আদালত ধর্মীয়-সামাজিক মূল্যবোধ বিবেচনা করে এ বিষয়ে নীরব। ফলে আইনি অধিকার বলতে কিছুই নেই; বরং পুলিশি হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কা সবসময় থাকে।

ইসলামী ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা, সমাজের ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ ও আইনি কাঠামো একসঙ্গে সমপ্রেমীদের অধিকারকে অস্বীকার করে। এটি ধর্ম, পরিবার ও রাষ্ট্রের সংরক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির ফল। যদিও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো সমালোচনা করে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই অবস্থা সমপ্রেমী ব্যক্তিদের গোপন জীবনযাপনে বাধ্য করে এবং সামাজিক-মানসিক চাপ বাড়ায়।

প্রাণীজগতেও সমকামিতা আছে

প্রাণীজগতে সমকামিতা ও উভকামিতা বহুবার প্রতক্ষ্যভাবে দেখা গেছে। ডলফিন, বাইসন, বাদুড়, হাতি, জিরাফ, সিংহ, ভেড়া, হায়েনা—এমন অসংখ্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে সমকামী সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ডলফিনদের মধ্যে একাধিক লিঙ্গের মিলন দেখা যায়, জিরাফদের প্রায় ৩০% সমকামী আচরণ করে, ভেড়ার ১৮-২২% উভকামী। সিংহের মধ্যে পুরুষ ও নারী উভয়ের সমকামিতা লক্ষ্য করা যায়।

পাখিদের মধ্যে কালো রাজহাঁসের ২৫% পুরুষ সমকামী, আলবাট্রসের ৩১% নারী সমকামী, মালার্ড হাঁসের ১৯% পুরুষ সমকামী। পেঙ্গুইনদের মধ্যে সমকামী জুটি অন্য পেঙ্গুইনের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা লালন-পালন করেছে। শকুন, ইবিস, পায়রা—সবখানেই সমকামী সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বানর প্রজাতির মধ্যে বনোবোদের সমাজ নারীতান্ত্রিক এবং প্রায় ৬০% নারী সমকামী। ম্যাকাউ বানরের মধ্যে ২৫% নারী সমকামী এবং পুরুষদের মধ্যেও সমকামিতা দেখা যায়। ওরাংওটাংদের মধ্যে পুরুষ সমকামিতা বিদ্যমান।
সরীসৃপের মধ্যে টিকটিকি ও কচ্ছপের সমকামী আচরণ দেখা গেছে। এমনকি পোকামাকড়ের মধ্যেও সমকামিতা বিদ্যমান। ঘাসফড়িংয়ের ২০% পুরুষ সমকামী, ফ্রুটফ্লাই এবং ছারপোকার মধ্যে পুরুষ সমকামিতা লক্ষ্য করা গেছে।

সমকামী প্রাণীদের তালিকা

স্তন্যপায়ী প্রাণী

  • 🐬 ডলফিন – ৩–৫টি ভিন্ন লিঙ্গের ডলফিন একসাথে যৌনতা করে, উভকামী আচরণ
  • 🦬 বাইসন – পুরুষ ও স্ত্রী উভয়ের মধ্যে সমকামিতা
  • 🦇 বাদুড় – অন্তত ২০টি প্রজাতিতে পুরুষ সমকামিতা
  • 🐘 হাতি – এশিয়া ও আফ্রিকার হাতি উভয়ের মধ্যেই পুরুষ সমকামিতা
  • 🦒 জিরাফ – পুরুষ ও নারী উভয়ের মধ্যে সমকামিতা, প্রায় ৩০% জিরাফ সমকামী
  • 🐿️ মারমোট – নারী সমকামিতা
  • 🦁 সিংহ – পুরুষ ও নারী উভয়ের মধ্যে সমকামিতা, প্রায় ৮%
  • 🦡 পোল্কাট – ইউরোপের ক্ষুদ্র কুকুরজাতীয় প্রাণী, পুরুষ সমকামিতা
  • 🐑 ভেড়া – প্রায় ১৮–২২% ভেড়া উভকামী
  • 🐆 হায়েনা – নারী সমকামিতা

পাখি

  • 🦢 কালো রাজহাঁস – প্রায় ২৫% পুরুষ সমকামী
  • 🐦 আলবাট্রস – প্রায় ৩১% নারী সমকামী
  • 🪶 ইবিস – পুরুষ সমকামিতা
  • 🦆 মালার্ড হাঁস – প্রায় ১৯% পুরুষ সমকামী
  • 🐧 পেঙ্গুইন – সমকামী জুটি অন্য পেঙ্গুইনের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা লালন-পালন করেছে
  • 🦅 শকুন – সমকামিতা ও উভকামিতা
  • 🕊️ পায়রা – নারী সমকামিতা, ডিম দেয় কিন্তু তা থেকে বাচ্চা হয় না

বানর প্রজাতি

  • 🐒 বনোবো – নারীতান্ত্রিক সমাজ, প্রায় ৬০% নারী সমকামী
  • 🐵 ম্যাকাউ – প্রায় ২৫% নারী সমকামী, পুরুষ সমকামিতাও দেখা যায়
  • 🦧 ওরাংওটাং – পুরুষ সমকামিতা

সরীসৃপ

  • 🦎 টিকটিকি – নারী সমকামিতা
  • 🐢 কচ্ছপ – পুরুষ সমকামিতা

পোকামাকড়

  • 🦗 ঘাসফড়িং – প্রায় ২০% পুরুষ সমকামী
  • 🪰 ফ্রুটফ্লাই – সমকামী আচরণ
  • 🪳 ছারপোকা – পুরুষ সমকামিতা

এটাও প্রকৃতির আর দশটা বেখেয়ালের মতোই কিছু

এইসব উদাহরণ থেকে স্পষ্ট হয় যে সমকামিতা শুধু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রকৃতির নানা প্রাণীর মধ্যেই বিদ্যমান। এটি কোনো অস্বাভাবিকতা নয়, বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। মানুষ যেহেতু বুদ্ধিমান প্রাণী, তাই তার উচিত এই বৈচিত্র্যকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। সমকামীদের অপমান, অত্যাচার বা বৈষম্য করা মানবিকতার পরিপন্থী। সভ্য সমাজে সমকামিতা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, কারণ তারা জানে এটি প্রকৃতির অংশ। কিন্তু বাংলাদেশের মতো পশ্চাৎপদ সমাজে এখনো সমকামীদের নিয়ে রসালো সমালোচনা হয়।

অতএব, সমপ্রেমকে অস্বীকার করা মানে প্রকৃতিকে অস্বীকার করা। ভারতের সুপ্রীম কোর্ট যে সমপ্রেমকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তা আসলে মানবিকতা, বিজ্ঞান এবং বাস্তবতার স্বীকৃতি। সভ্য সমাজে সমকামীদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়, আর অসভ্য সমাজে তাদের নিয়ে বিদ্রূপ করা হয়। আমাদের উচিত বিজ্ঞানের আলোকে সত্যকে গ্রহণ করা এবং সমকামীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। কারণ তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, এবং তাদেরও সমান অধিকার আছে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার।

বাংলাদেশে সমপ্রেমীদের অধিকার নিয়ে কথা বলা বা লেখা মানেই নিজের জীবনের ওপর ঝুঁকি ডেকে আনা—কারণ ধর্মীয় উগ্রবাদ, সামাজিক ঘৃণা এবং রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা মিলিয়ে সেখানে সমপ্রেমীরা ভয়াবহ নিপীড়নের শিকার। ইসলামি উগ্র ব্যাখ্যার নামে সমপ্রেমীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়া হয়, আর দেশের আইন-সমাজও তাদের মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ। এই পরিবেশে বহু হামলা, নির্যাতন, এমনকি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আমিও সেই সহিংসতার শিকার—সমপ্রেমীদের অধিকারের পক্ষে লেখালিখি করায় জঙ্গিদের হামলায় স্থায়ী শারীরিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছি। একসময় মসজিদ থেকে শত শত ইসলামিস্ট আমাকে তুলে এনে হত্যা করবে বলে প্রকাশ্য হুমকি দেওয়া হয়, আর তখন বুঝে যাই দেশে আমার জন্য কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যাই; পরে অর্থকষ্টে আবার দেশে ফিরে আসতে হলেও, শেষ পর্যন্ত আরেক দেশে আশ্রয় নিয়ে নিজের অস্তিত্বটুকু রক্ষা করেছি।

Related Posts

Operation Thunderbolt and an Islamic Murder

Operation Entebbe – the story of one night, and the Islamic execution suffered by Nazrul Islam and Sweety Akter

What can a state do to save the lives of its citizens abroad? Are thereRead More

Operation Thunderbolt and an Islamic Murder

অপারেশান এন্টেবে – এক রাতের গল্প এবং নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের ইসলামি হত্যার শিকার হওয়া!

একটি রাষ্ট্র বিদেশে তার নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে কী করতে পারে? এর কোন টেক্সটবুক উদাহরণ আছে?Read More

Muhammad's Book Quran

A random page from Muhammad’s self‑made book Qur’an and its unscientific statements

Sometimes I flip through random pages of Muhammad’s self‑made book Qur’an, and today this pageRead More

Comments are Closed