
Bangladesh, where dissent means danger!
অন্ধ অনুসারীদের দোষ দেয়ার আগে আল্লাহ ও নবী মুহাম্মদকে কাঁঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারবেন?
দেশের এক বিশাল জনগোষ্ঠী এখনো বিশ্বাস করে যে জঙ্গিবাদী মানসিকতা, উন্মাদ তৌহিদী জনতার উচ্ছৃঙ্খল আচরণ কিংবা নারীর প্রতি সহিংসতা – এসবের সঙ্গে প্রকৃত ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ বাস্তবতা হলো, যে মেয়েরা ওড়না ছাড়া চলাফেরা করেন, জিন্স–টি-শার্ট পরেন, তারা প্রতিনিয়ত ইভ টিজিং, কটূক্তি ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন; তবুও তারা (সেই বিশাল জনগোষ্ঠী) মনে করেন, যারা তাদের উত্যক্ত করে তারা নাকি ইসলাম জানে না। এই আত্মপ্রবঞ্চনার চরম উদাহরণ দেখা গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে যৌন হয়রানি করা যুবক অর্ণবকে ফুলের-মালা পরিয়ে, পাগড়ি পরিয়ে বরণ করে নেওয়ার ঘটনায় – যেখানে এই সম্মাননা দিয়েছেন দেশের স্বঘোষিত ‘গ্র্যান্ড মুফতি’, ভুয়া বা নামকাওয়াস্তে পিএইচডিধারী, এবং ‘হেলিকপ্টার হুজুর’ নামে পরিচিত এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। এখন প্রশ্ন হলো, যদি তারা বলেন আব্বাসী ইসলাম জানেন না, মানেন না – তাহলে ইসলাম জানে কারা? আর তাকে ‘হেলিকপ্টার হুজুর’ বলা হয় কেন, তা তো জানা – ওয়াজ মাহফিলে যেতে হলে তাকে হেলিকপ্টারে নিতে হবে, এমন শর্ত তিনি নিজেই দেন আয়োজকদের। এই বিপুল ব্যয়ের জোগান আসে মাদ্রাসার ছোট ছোট শিশুদের কাছ থেকে, যারা রোদ-বৃষ্টি-শীত উপেক্ষা করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তোলে, আর সেই টাকায় একজন বক্তার বিলাসী যাতায়াত নিশ্চিত করা হয়।
আব্বাসী হুজুরদের যুক্তি খুব সরল – “জমিন যার, আইন তার।” অর্থাৎ তাদের দাবিতে আল্লাহ যেহেতু জমিন সৃষ্টি করেছেন, সবকিছু তাঁরই বানানো, তাই আইনও হবে তাঁর; আর সেই আইন হলো কোরআন ও হাদিস। আধুনিক রাষ্ট্রের আইন, মানবাধিকার, যুক্তি – এসব তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামে প্রাণীর ছবি হারাম, সঙ্গীত হারাম – এগুলো কেন নিষিদ্ধ, তার কোনো যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা তারা দিতে পারে না; তাদের ভাষায়, “পবিত্র কোরআনে লেখা আছে”, অর্থাৎ আল্লাহ বলেছেন হারাম, তাই হারাম – এ নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকার কারো নেই। তারা ভুলও বলে না, কারণ কোরআন-হাদিসে যা আছে, তারা সেটাই পুনরাবৃত্তি করে। কিন্তু আপনি যদি সেই ব্যাখ্যা বা বিধান মানতে না চান, তাহলে তাদের দৃষ্টিতে আপনি আর মুসলমান নন – আপনি কাফের, আপনি মুরতাদ। আর ক্লাসিক্যাল ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী মুরতাদের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। এইভাবেই ধর্মীয় ব্যাখ্যার একচ্ছত্র মালিকানা দাবি করে তারা সমাজে ভয়, আনুগত্য ও নীরবতা প্রতিষ্ঠা করে।
ইসলামী ফিকহে শাতিমে রাসূল এমন এক অপরাধ, যার সংজ্ঞা অনুযায়ী নবী মুহাম্মদকে সামান্য সমালোচনা করা, তাঁর কোনো কাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলা, কিংবা তাঁকে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে না মানা – এসবের যেকোনোটি করলেই একজন মানুষ শাতিম হিসেবে চিহ্নিত হয়, এবং ক্লাসিক্যাল ইসলামী বিধান অনুযায়ী তাকে হত্যা করা প্রতিটি মুসলমানের ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। বিস্ময়করভাবে, আল্লাহ সম্পর্কে ভুল ধারণা, প্রশ্ন বা সমালোচনা করলে তওবার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু নবীর ক্ষেত্রে সামান্যতম সন্দেহ বা অসম্মানও ক্ষমাযোগ্য নয়; এমনকি কেউ অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইলে তাও তাকে শাতিমের পরিচয় থেকে মুক্ত করে না। ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে মাজহাবভেদে অসংখ্য মতপার্থক্য থাকলেও এই একটি বিষয়ে – শাতিমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড – চার মাজহাব, প্রাচীন ফকিহ, এবং ঐতিহাসিক ফিকহগ্রন্থসমূহ প্রায় সর্বসম্মত। এখানে কোনো “যদি”, “কিন্তু”, “তবে”, “সুতরাং” বা ব্যাখ্যার সুযোগ নেই – বিধানটি সরাসরি, চূড়ান্ত, এবং প্রশ্নাতীত। এই কঠোরতা ও নির্দেশনা দেখায় কীভাবে ধর্মীয় আইনের ব্যাখ্যা সমাজে কত সহজেই মানুষকে উগ্র করে তুলতে পারে। বাংলাদেশের তৌহিদী জনতা নামধারী উগ্রপন্থীরা এই বিধানের দোহাই দিয়ে মানুষ হত্যা করে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়, লুটতরাজ করে। মানুষকে জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষেপ করার মতো কাজও তারা করেছে সম্মিলিত মব তৈরি করে। কত মুক্তমনা, বিজ্ঞান লেখক, ভিন্নমতের মানুষকে প্রাণ বাঁচাতে দেশান্তরী হতে হয়েছে – তার হিসাব কারো কাছে নেই।

ইসলামী শাস্ত্রের প্রচলিত ব্যাখ্যায় নারীকে কখনোই পুরুষের সমান স্বাধীন, স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে দেখা হয়নি; বরং তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের সেবা করা, সন্তান জন্ম দেওয়া এবং ঘর-সংসারের দায়িত্ব পালন করার জন্য – এমন ধারণাই বারবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে নারীর জন্য কঠোর পর্দা, ঘর থেকে বের হলে সুগন্ধি ব্যবহার নিষিদ্ধ, অন্য পুরুষের সঙ্গে কোমল বা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে কথা বলা নিষিদ্ধ – এসবকে “সহীহ” ইসলামের বিধান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি বাইরের কোনো পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা তো দূরের কথা, কারো মনে যদি সামান্য প্রেম, আকর্ষণ বা আবেগও জন্মায়, তার দায়ও নারীর ওপর বর্তায় – এমন ধারণা প্রচার করা হয় যেন নারীর অস্তিত্বই পুরুষের কামনা জাগানোর সম্ভাব্য উৎস, আর সেই সম্ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করাই তার ধর্মীয় কর্তব্য। এইভাবে নারীর স্বাধীনতা, ব্যক্তিত্ব, অনুভূতি ও মানবিক মর্যাদাকে সংকুচিত করে তাকে এক ধরনের নীরব, নিয়ন্ত্রিত, অপরাধবোধে আবদ্ধ সত্তায় পরিণত করার একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যা যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় বিধানের নামে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

ইসলামী শরিয়তের মূল গ্রন্থসমূহে ধর্ষণের জন্য কোনো স্বতন্ত্র বা সরাসরি শাস্তি নির্ধারিত নেই; বরং ধর্ষণকে ব্যাভিচার বা জিনা–এর কাঠামোর মধ্যেই বিচার করা হয়, যেখানে ভুক্তভোগী নারীকে প্রমাণ করতে হয় যে তিনি জোরপূর্বক জিনার শিকার হয়েছেন – এবং সেই প্রমাণের মানদণ্ড হলো চারজন প্রাপ্তবয়স্ক, ন্যায়পরায়ণ পুরুষ সাক্ষী, যারা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছে। বাস্তবে এটি প্রায় অসম্ভব হওয়ায় প্রমাণ দিতে না পারলে অভিযোগকারী নারীই উল্টো ব্যাভিচারের অভিযুক্ত হন, যার শাস্তি দোররা মারা থেকে শুরু করে বিবাহিত হলে গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর ছুঁড়ে হত্যা পর্যন্ত হতে পারে। এই কারণেই বহু ইসলামী দেশে ধর্ষিত নারীরা ন্যায়বিচারের আশায় এগোতেই ভয় পান। আপনি ইসলামকে যতই শাশ্বত, মানবিক বা ন্যায়পরায়ণ মনে করুন না কেন, ইসলাম কোরআন ও হাদিসের বাইরে কোনো নৈতিকতা, মানবিকতা বা যুক্তিকে স্বীকৃতি দেয় না; আপনার ব্যক্তিগত বিবেক কোনো কিছুকে মানবিক মনে করলেও, সেটি যদি ইসলামী বিধানের সঙ্গে না মেলে, তবে একজন মুসলিম হিসেবে তার বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার আপনার নেই – বললেই আপনি মুরতাদ হিসেবে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হয়ে পড়বেন। ইসলামের কাঠামোতে প্রশ্ন, সংশয় বা ভিন্নমত গ্রহণযোগ্য নয়; সবকিছুই বিনা প্রশ্নে মেনে নিলেই কেবল একজন মানুষ মুসলিম পরিচয়ে টিকে থাকতে পারে।

মানুষ প্রায়ই বলে, “সব ধর্মই শান্তির কথা বলে” – কিন্তু ইতিহাস ও বাস্তবতা এই দাবিকে বারবার মিথ্যা প্রমাণ করেছে। মানবসভ্যতার দীর্ঘ সময়জুড়ে যখনই ধর্ম রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে মিশে গেছে, তখনই সমাজে এসেছে দমন-পীড়ন, সহিংসতা, বিভাজন ও রক্তপাত; ধর্মীয় শাসন কখনোই স্থায়ী শান্তি আনতে পারেনি। ইসলামের মতোই প্রায় সব ধর্মীয় কাঠামোর মধ্যেই রয়েছে বর্বরতা, নারী বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, ভিন্নমত দমন এবং ‘পবিত্রতার’ নামে সহিংসতার বৈধতা। ইউরোপও যতদিন চার্চের নিয়ন্ত্রণে ছিল, ততদিন সেখানে জ্ঞান, বিজ্ঞান, মানবিকতা – কোনো কিছুরই আলো পৌঁছায়নি; অন্ধকার যুগের দীর্ঘস্থায়ী দুঃস্বপ্ন ছিল সেই ধর্মীয় শাসন। আজকের পৃথিবীতে যে দেশগুলো সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সমতাভিত্তিক – সেগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো ধর্মের প্রতি মানুষের অনাগ্রহ, ধর্মীয় কর্তৃত্বের দুর্বলতা, এবং মানবিক মূল্যবোধকে ধর্মীয় বিধানের ওপরে স্থান দেওয়া। অর্থাৎ যেখানে ধর্মের প্রভাব কম, সেখানেই মানুষ বেশি স্বাধীন, নিরাপদ ও শান্তিতে থাকে – এটাই ইতিহাসের নির্মম কিন্তু স্পষ্ট শিক্ষা।

ইসলামের ইতিহাস যাচাই করার জন্য কোরান, হাদীস ও সিরাতের বাইরে কোনো স্বাধীন প্রত্নতাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক বা ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই; ফলে মিসরের ফারাও, পিরামিড, সুমেরীয় সভ্যতা, গ্রীস বা রোমান সাম্রাজ্যের মতো প্রাচীন সভ্যতার বিপুল প্রমাণ যেখানে সহজেই পাওয়া যায়, সেখানে ইসলামের উৎপত্তি ও মোহাম্মদের জীবন সম্পর্কে তৃতীয় কোনো নিরপেক্ষ উৎসের সহায়তা মেলে না। তাই মোহাম্মদ নামে কেউ ছিলেন কিনা, থাকলেও তার শাসনব্যবস্থা কেমন ছিল – এসব জানার একমাত্র উপায় কোরান, হাদীস ও সিরাতের ভেতরেই সীমাবদ্ধ। আর ইসলামের একেবারেই নিজস্ব এই উৎসগুলো নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে পর্যালোচনা করলেও নবী মুহাম্মদকে কোনো দয়ালু, আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক, ন্যায়পরায়ণ শাসক বা মানবাধিকারের ধারক হিসেবে পাওয়া যায় না; বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চরিত্রই প্রতিফলিত হয়।

নবী মুহাম্মদ এক ডজন বিয়ে করেছিলেন, তাঁর একাধিক যৌনদাসী ছিল, তিনি নারী দাসী কেনা‑বেচা করেছেন। তিনি ৬ বছর বয়সে আয়েশাকে বিয়ে করেন এবং ৯ বছর বয়সে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেন। তিনি তাঁর পালিত পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলেন। তিনি শ্বেতী রোগ হওয়ার কারণে বা সন্তান হবে না বুঝতে পেরে কিছু স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। তিনি ইহুদিদের হত্যা করেছিলেন এবং তাঁর সমালোচনাকারীদেরও হত্যা করিয়েছিলেন। কোরান, হাদিস ও সিরাতে তাঁর এসব কাজের বহু উল্লেখ রয়েছে। আবার তাঁকে কেউ সমালোচনা করলে তাকে হত্যা করার বিধানও সেখানে পাওয়া যায়। এখন এসব তথ্য—যা কোরান‑হাদিসেই আছে—উদ্ধৃত করলেও মানুষ মনে করে ব্যক্তি নবী, ইসলাম বা আল্লাহর প্রতি বিদ্বেষ দেখাচ্ছে, তাই তাকে শাস্তি দিতে হবে। ধর্মব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে বলে যে ওই ব্যক্তি ইসলাম অবমাননা করেছে বা নবী মুহাম্মদের নামে কুৎসা রটিয়েছে। ধর্মীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ফতোয়া দেয়, আর সাধারণ মানুষ তাদের কথায় উত্তেজিত হয়ে তাণ্ডব চালায়। কখনো উগ্রপন্থীরা গোপনে হামলা করে হত্যা করে, কখনো পিটিয়ে, গাছে বেঁধে বা আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলে। গণপিটুনি, মবের হাতে অপমান‑অপদস্থ করা, জুতার মালা পরিয়ে গ্রাম ঘোরানো, কানে ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার মতো অমানবিক ঘটনাও ঘটে।




ইসলামী স্কলারদের ব্যাখ্যা আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন না, কারণ যদি বিশ্বাস করেন যে সবকিছুই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, তবে কোরানও তাঁরই বাণী – এবং সেই বাণীই চূড়ান্ত সত্য। আর যদি বলেন “এটা প্রকৃত ইসলাম নয়”, তাহলে সেই মুহূর্তেই আপনি নিজেই ইসলামের বাইরে চলে গেলেন। তাই প্রশ্ন করতে হলে সেই প্রশ্ন প্রথমে করা উচিত অন্ধ অনুসারীদের নয় – বরং আল্লাহ ও নবী মুহাম্মদকে, যাঁদের নামে এসব বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেন তাঁরা মানুষের জন্য এমন নিয়ম তৈরি করলেন, যা আজকের মানবিক মূল্যবোধ, সমতা, ন্যায়বিচার ও নারী‑অধিকারের ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক? কেন এমন বিধান রাখা হলো, যা সমাজে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভাজন ও দমনকে বৈধতা দেয়? এবং সবচেয়ে বড় প্রশ্ন – মানুষ কি আল্লাহ ও নবীর সিদ্ধান্তকে বিচার করার নৈতিক স্বাধীনতা রাখে, নাকি প্রশ্ন তোলার অধিকারও ধর্মীয় কর্তৃত্বের কাছে সমর্পিত? এসব প্রশ্নই দেখায় যে সমালোচনার লক্ষ্য হওয়া উচিত ব্যক্তিগত অনুসারী নয়, বরং সেই মূল উৎস, যেখান থেকে এসব ধারণা ও বিধান এসেছে।
পারবেন কি আল্লাহ ও নবী মুহাম্মদকে কাঁঠগড়ায় দাঁড় করাতে, তাঁদের সিদ্ধান্তের বিচার করতে?
Related Posts

In Bangladesh, the very meaning of the “blasphemy” law is to find a new pretext for persecuting minorities
The attack on the house, shop, and temple of Deepto Roy in Tahirpur, Sunamganj isRead More

বাংলাদেশে “ধর্ম অবমাননা” আইনের অর্থই হলো সংখ্যালঘু নির্যাতনের নতুন এক বাহানা খোঁজা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দীপ্ত রায়ের বাড়ি, দোকান ও মন্দিরে হামলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এটি একটিRead More

Islam and the Qur’an must go through reform, otherwise Islam will be pushed aside
Historically, Islamic jurisprudence or classical fiqh developed within a specific social and political context, whichRead More

Comments are Closed