
Abbasi: A Militant Leader
অথচ এসব টেরোরিস্টদের থাকার কথা ছিল জেলখানায়, পাগলা গারদে
যেসব টেরোরিস্ট, ভারসাম্যহীন লোকদের জেলখানায় বা পাগলা গারদে থাকার কথা, দাড়ি-টুপির জোরে বাংলাদেশে তারা আলেম-ওলামা, তারা হেলিকপ্টারে চড়েন, ঘি-মাখন খান।
এই ইসলামিক মিলিট্যান্ট নিজেকে দাবী করে ডক্টরেট। উনি নাকি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে পিএইচডি করেছেন। নিজে পীর। হেলিকপ্টার ছাড়া নড়ে না, এই আব্বাসী নিজেকে খলিফা হযরত আবু বকর এর বংশধর দাবি করে। বাংলাদেশে উনার ব্যাপক প্রভাব, উনি নিজেকে বাংলাদেশের প্রধান বা গ্রান্ড মুফতি বলে দাবী করেন। কথায় বলে “আগেও ভাল ছিলাম, এখনও ভাল আছি, সবসময়ই ভাল” – এই কথার যদি কোন চেহারা থাকে, আব্বাসী সাহেব তাদের শিরোমনি হবেন! আব্বাসী সাহেব আওয়ামী লীগের আমলে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ছিলেন, বিনা বাধায় যাকে তাকে কাফের ফতোয়া দিয়েছেন। ইনুচ কাগুর সময়েও উনি সুরক্ষিত ছিলেন। আব্বাসী সাহেব এখনও সুরক্ষিত। বাংলাদেশে উনি প্রথম হেলিকপ্টারে করে ওয়াজ করতে যাওয়ার বিলাসিতা শুরু করেন। ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চা বাচ্চা মাদ্রাসার ছেলেরা রোদে পুড়ে টাকা তোলে, যেনো উনি হেলিকপ্টারে চড়তে পারেন। এরপর উনার কাছ থেকে মানুষ কী জানেন, কী শেখেন?
উনি যখন ইচ্ছা, যাকে তাকে কাফের ফতোয়া দিতে পারেন, কতল করার নির্দেশনা দিতে পারেন। গত বছর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে উনি ভরা জনসভায় প্রকাশ্যে মুক্তমনাদের কতল করার নির্দেশ দেন তার অনুসারীদের। ত্যানা প্যাঁচানোর আগে ভিডিও দেখে আসুন – https://facebook.com/reel/2210173586140074
নারীর প্রতি হেনস্তাকারীকে উনি প্রকাশ্যে হিরো বানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে যৌন হয়রানি করার অপরাধে অর্নবকে ( https://www.facebook.com/reel/970402415192941 ) পুলিশ গ্রেফতার করলে উনি মব নিয়ে থানায় হানা দেন, অর্নবকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে ছাড়িয়ে আনেন। https://youtu.be/sBAnHLZ-CRE R.I.P নারীর আধিকার! উনার দৃষ্টিতে নারীরা উলঙ্গ (হিজাব ছাড়া পোশাককে উনারা উলঙ্গই মনে করেন) থাকলে তাদেরকে যৌন হয়রানি করা জায়েজ হয়ে যায়।
আব্বাসী সাহেবরা সর্ব যুগে রাজনৈতিক ঈশ্বরদের তেল মাখিয়ে চলেন। কখন কার হয়ে কথা বলেন, খেলা করেন, বোঝা মুসকিল, তবে দুরহ নয়! এরা সর্যযুগেই দুধের স্বর খেয়ে হৃষ্ট-পুষ্ট হয়। দেশের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়, অনুৎপাদনশীল, প্রতিক্রিয়াশীল, জঙ্গিমনস্ক জনগোষ্ঠী তৈরিতে এদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশী। দিনশেষে হেলিকপ্টারে যাওয়া আসা, কোরমা-পোলাও খাওয়া, লক্ষ লক্ষ টাকা কামানো এদের প্রধান কাজ, বিনিময়ে মানুষকে শোনায় নবী-রাসূলদের কুঁড়েঘরে থাকার গল্প, আধপেটা, অর্ধপেটা থাকার কেচ্ছা।
আব্বাসীর বিরুদ্ধে সরকারী রেলের জমি দখলের মামলা আছে। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় এস্টেট অফিসের কানুনগো মো. ইকবাল মাহমুদ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকার মৃত নাছির উল্লাহ আব্বাসীর ছেলে অভিযুক্ত এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী (জৈনপুরী পীর), ওবায়েদ উল্লাহ আব্বাসী ও নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসী অবৈধ ও বেআইনিভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন হাজিগঞ্জ লেভেল ক্রসিং সংলগ্ন রেললাইনের পূর্ব পার্শ্বে রেলওয়ের জমিতে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে সেমিপাকা কাঠামো নির্মাণ করছেন। তাদের এই অবৈধভাবে কাঠামো নির্মাণ কাজে স্থানীয়ভাবে বাধা প্রদান করা হলেও তারা বাধা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও এক বছর পূর্বে তারা রেলওয়ের ভূমিতে অবৈধভাবে টিনশেড মার্কেট নির্মাণ করেছেন। সরকারি রেলওয়ে সম্পত্তি দখল ও আত্মসাতের অপরাধে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা দায়ের করার অনুরোধ করা হয়। https://tinyurl.com/h8dr8jyd
আব্বাসীর ভাই নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীকে ২০১৯ সালের ১ অগাস্ট অস্ত্রসহ (বন্দুক) গ্রেপ্তার করা হয়। এনায়েত উল্লাহ আবাসীর নেতৃত্বে জঙ্গি কায়দায় পাঠানটুলী এলাকায় এইচএন এ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টস কারখানার দেয়াল ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালানো হয়। রিভলবার হাতে ও সঙ্গে এসএমজি নিয়ে জঙ্গি আদলে তোলা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভাইরাল হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপরই এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসেন। https://risingbd.com/bangladesh/news/296543
উনি ইসলামের বক্তব্য প্রচার করেন। সেখানে যা আছে তাই বলেন। হিন্দুদের ঘর বাড়ি দখল করলে, তাদের উপরে অত্যাচার-নিপীড়ন চালালে, তাদের সম্পদ দখল করলে, এমনকি কোন বিধর্মীকে খুন করলে – আল্লাপাক আপনাকে শাস্তি দিবেন, তবে জাহান্নামে পাঠাবেন না। এটা ইসলামের বিধান। আল্লাপাকের কাছে মুমিন ও কাফেরদের জীবন ও সম্পদের মূল্য সমান না। আমরা বললে তো বিশ্বাস করবেন না। এই দেখেন ২০২২ সালেই বলেছেন বাংলাদেশের এই প্রধান মুফতি এবং স্কলার ডক্টর এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী – https://facebook.com/reel/1919022525318318 । হিন্দুদের উপরে হামলায় কি আর মানুষ এমনি এমনি মূহুর্তের মধ্যে হাজারে হাজারে জড়ো হয়ে যায়? তারা তাদের বিবেকের কাছে পরিষ্কার। তারা খুব ভালো করেই জানে তাদের এই জন্য কোন সাজা ইহকাল-পরকালে হবে না। এই বিবেক পরিষ্কারের কাজটা ওয়াজ-মাহফিলে আব্বাসীরা করে দেন। যে একজন মানুষকে হত্যা করলো সে যেনো সমগ্র মানব জাতিকে হত্যা করলো – এই সব বাল ছাল বলে লাভ নেই। এই ‘মানুষ’ সবাই না, শুধুই মুমিন মুসলমান।
হিজড়া সন্তান কেন হয় জানুন – https://facebook.com/reel/330423826084873 এগুলো ইসলামের কথা, উনার না। ইসলামই হিজড়াদের এমন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। প্রকৃতির শত শত ব্যতিক্রম বেখেয়ালে জেনেটিক বৈশিষ্ট নিয়ে জন্মগ্রহন করা কিছু মানব সন্তানের প্রতি ইসলামের কত ঘৃনা, কত বিদ্বেষ! আব্বাসীরা আবার সেগুলো গর্ব করে প্রচারও চালায়।
শুধু কি এই? উনি বিশ্বের সাম্প্রতিক তথ্য বলে দেন সামনে বসে থাকা হাজার হাজার মানুষকে। উনি ‘ইসটেরেনজ – অত্যাশ্চার্য’ ঘটনার বর্ননা করেন – করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পরে ২০২০ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ইতালিতে তিন বছরে নতুন কোন শিশু জন্মগ্রহন করেনি – https://facebook.com/reel/1489650334915469 ।
উনি প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং কে ২ বার নোবেল দিয়ে দেন ‘বিগ ব্যাংক’ আবিষ্কারের জন্য – https://facebook.com/reel/2344991529325369 । নোবেল কমিটি তাকে একবারও নোবেল না দিলে কি হবে? উনি সবার সামনে এসব বলে দিয়ে লোকজনকে বলেন চিল্লায়ে সমর্থন দিতে! উনি বলছেন স্টেন হকিং (স্টিফেন হকিং) ‘বিগ ব্যাং’ আবিষ্কারের কারনে দুইবার নোবেল পেয়েছে! শুধু অমানবিক কল্লা কাটা, হিন্দুদের আক্রমন করার কথা বললেই হয় না, গাঞ্জার কলকি না খেলে এমন আব্বাসী হওয়া যায় না।
মিথ্যুক, ধড়িবাজ এই বাটপাড় কথায় কথায় মিথ্যা বলে। আইনোস্টাইন (আইনস্টাইন) নাকি কোরান পড়তো, মৃত্যুর পরে তার বাড়িতে সব বইয়ের উপরে পাওয়া গেছে কোরান – https://facebook.com/reel/1099235411399786 । অথচ বাস্তবতা হলো, আইনস্টাইন ছিলেন ইহুদী বংশের, নাস্তিক, কোরান নিয়ে তার কোন আগ্রহই ছিলো না। এই সমস্ত টাউট মোল্লারা এসব আজগুবি তথ্য কই পায়? এরে আবার লোকজন চাঁন্দা তুলে ৫০০০০ টাকা প্রতি ঘন্টা পেমেন্ট করে হেলিকপ্টারে উড়িয়ে নিয়ে আসে, তার কথা শোনার জন্য। এরা বাংলাদেশে বিজ্ঞান প্রচার করে! এর চেয়ে দূর্ভাগ্যজনক ব্যাপার একটি জাতির জন্য আর কি হতে পারে?
“I do not believe in a personal God and I have never denied this but have expressed it clearly. If something is in me which can be called religious then it is the unbounded admiration for the structure of the world so far as our science can reveal it.” এগুলো আইনস্টাইনের কথা, উনি নিজে বলেন একরকম আর বাঙ্গু মোল্লারা বলে তাদের মতো করে। বাঙ্গু মোল্লাদের এতো মিথ্যা, গুজব প্রচার করার জন্য আইনের আওতায় নেয়া খুব জরুরী, কিন্তু কোন সরকারই সেটা করবে না ছাগলদের সমর্থন হারানোর ভয়ে।
আপনি যদি এই গাড়ল, ছাগল পিএইচডি ওরফে হেলিকপ্টার হুজুরকে সাপোর্ট করেন, তার কথাকে মেনে নেন তবে আপনি ইউরোপ, আমেরিকায় স্কলারশীপ পেলেও আপনার ভিসা ক্যানসেল হয়ে যেতে পারে যদি কেউ অভিযোগ করে। সভ্য দুনিয়া এদের সাপোর্টারকে তাদের দেশের জন্য বিপদজনক ভাবে।
দেশের মানুষ এই বদমাশদের যেদিন চিনতে শিখবে, এদেরকে যেদিন থেকে প্রতিহত করতে শিখবে সেদিন থেকেই শুরু হবে বাংলাদেশের প্রকৃত উন্নয়ন।
Related Posts

From Somnath to Joypurhat – The Shadow of a Thousand‑Year‑Old Destruction Still Exists Today
The first blow On the Saurashtra coast of Gujarat, where the waves of the ArabianRead More

সোমনাথ থেকে জয়পুরহাট – এক সহস্রাব্দের পুরনো ধ্বংসের ছায়া আজও বিদ্যমান
প্রথম আঘাত গুজরাটের সৌরাষ্ট্র উপকূলে, যেখানে আরব সাগরের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে পাথুরে তটে, সেখানেRead More

For 125 years, the Islamic world has been spinning on the basis of a single false key!
Once I was listening to a sermon by Professor Mufti Kazi Ibrahim Huzur where heRead More

Comments are Closed