
Where is Allah’s Power?
কুসংস্কার ও অজ্ঞতার কারণে নবী মুহাম্মদ বিয়ের দিনই নববধূকে তালাক দেন
আলিয়াহ -এর সঙ্গে যখন নবী মুহাম্মদের বিয়ে হয় তখন মুহাম্মদের বয়স ছিল ষাটোর্ধ, মরার আগে আগে। খাইবারের ইহুদি বুড়ির বিষ মেশানো খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় তখন তার তীব্র যন্ত্রণা হতো। সেই সময়ও তার বিয়ের বাঈ যায়নি। বিয়ের দিন বাসর করার জন্য নবী হন্যে হয়ে ছিল। কিন্তু বিধিবাম, আল্লা ও মুহাম্মদের কুসংস্কার ও অজ্ঞতার কারণে নবী মুহাম্মদ সে যাত্রা ইমানদন্ড আর প্রবেশ করাতে পারেননি।
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, বুলুগুল মারাম বা অন্যান্য কিছু সোর্সের বর্ণনায় ঘটনাটির উল্লেখ পাওয়া যায়, যেখানে আলিয়াহ নাম্নী এক নারীকে বিয়ের পর বাসর ঘরে নবী উত্তেজনায় তার শরীরের কাপড় সরাতে থাকেন, তখন হঠাৎ নতুন বউয়ের শরীরে শ্বেতরোগের লক্ষণ দেখতে পান।
বর্ণনা করা হয়েছে এভাবেঃ রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন তার নিকট গেলেন এবং তার পোশাক সরালেন, তখন তার শরীরে সাদা দাগ (শ্বেত রোগ) দেখতে পেলেন। তখন তিনি বাসর সম্পন্ন না করে সরে আসেন এবং বলেন, “তোমার কাপড় পরিধান করো এবং তোমার পরিবারের কাছে ফিরে যাও।” তবে তিনি তাকে দেওয়া মোহরানা পূর্ণাঙ্গভাবে পরিশোধ করে দিয়েছিলেন।
১৪০০ বছর আগে আল্লা ও নবী মুহাম্মদ জানতেন না যে শ্বেতরোগ (Vitiligo) কোনো সংক্রামক রোগ নয় এবং এটি অন্য কারও জন্য বিন্দুমাত্র ক্ষতিকর বা বিপজ্জনকও নয়। শারীরিক বা যৌন মিলনের মাধ্যমেও শ্বেতরোগ (Vitiligo) ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু শ্বেতরোগ কোনো জীবাণুঘটিত (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক) রোগ নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি অসংক্রামক এবং অটোইমিউন কন্ডিশন, তাই বীর্য, লালা, রক্ত বা ত্বকের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে স্থানান্তরিত হতে পারে না। এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান দ্বারা শতভাগ প্রমাণিত।
আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম যখন ভুলবশত চামড়ার রঙ তৈরি করার কোষগুলোকে (মেলানোসাইট) ধ্বংস করে ফেলে, তখন ত্বকের সেই নির্দিষ্ট জায়গাগুলো সাদা হয়ে যায়। এটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ এবং জিনগত বা পরিবেশগত কারণে হতে পারে।
সে সময় এমনকি এখনো সমাজে শ্বেতরোগ নিয়ে অনেক ভুল ধারণা বা কুসংস্কার প্রচলিত আছে। কিন্তু আল্লাহর এ বিষয়টি না জানা থাকা খুবই বিষ্ময়ের ব্যাপার। আসলে নবী মুহাম্মদ যা জানতো না, আল্লাহপাকও তা জানতো না। ফেইক আইডি বলে কথা! কারণ কোরআনে বলা আছে আল্লাহ নবী মুহাম্মদকে দিয়ে সেগুলোই বলাতেন বা করাতেন যা তিনি বলাতে বা করাতে চাইতেন। নবী মোহাম্মদের কথা আল্লাহর কথা, নবী মুহাম্মদের কাজ আল্লাহর কাজ। অবার আল্লাহ-মুহাম্মদ বলেছেন সংক্রামক রোগ বলে কিছু নেই – অথচ নিজেই সংক্রমণের ভয়ে নববধূকে বাসরের দিনই তালাক দেন! হায়রে আল্লাহ-মুহাম্মদ!
——————-
সংযুক্তিঃ মডারেট মুমিন ভাইদের জন্য সোর্স খুঁজে দিতে হয়, না হলে তাদের ধারনা হয় নবী মুহাম্মদ এগুলো করতেই পারেন না। আপনাদের কষ্ট করে আর পৃষ্ঠা খুঁজে পেতে হবে না, লিংকগুলো আপনাকে সঠিক পৃষ্ঠায় পৌঁছে দিবে।
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, আল্লামা ইবনে কাসীর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৮৬ https://tinyurl.com/2dv9s3pw
তাহকীক বুলুগুল মারাম মিন আদিল্লাতিল আহকাম বা লক্ষ্যে পৌঁছার দলিলসম্মত বিধিবিধান, তাওহীদ পাবলিকেশন্স, পৃষ্ঠা ৪৬০ https://tinyurl.com/y7ja9nfe
Related Posts

The 72 full‑breasted, personality‑less houris of Paradise vs. the personality‑rich cherished women of the world! What do you want?
It is said that in Paradise a believing servant will receive 72 exquisitely beautiful houris;Read More

জান্নাতের ৭২ উন্নতবক্ষা ব্যক্তিত্বহীন হুর বনাম দুনিয়ার ব্যক্তিত্ববান শখের নারী! কী চান?
বলা হয় জান্নাতে মুমিন বান্দা ৭২ জন অপূর্ব সুন্দরী হুর পাবেন, তারা হবে চিরযৌবনা, চিরকুমারী।Read More

Islamic deception – the believer disguised as a close friend may actually be on a mission to kill you!
For the sake of Islam and establishing its supremacy, yesterday morning could have become aRead More

Comments are Closed