
What happened on the night of Miraj?
উম্মে হানির ঘরে রাত কাটিয়ে মহাকাশে আল্লার সঙ্গে সাক্ষাত – নাম দিয়েছেন মিরাজ
মিরাজ ইসলামি বিশ্বাসের একটি কেন্দ্রীয় ঘটনা। মিরাজের রাতে নবী মুহাম্মদকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সাহাবীরা চিন্তায় পড়ে যান।
সে রাতে উর্দ্ধাকাশে গমনের শক্তি সঞ্চয় করতে বাল্য জীবনের ক্রাশ উম্মে হানির ঘরে মধুও খেয়েছেন নবী মুহাম্মদ, যে সেই মধু তো নয়, আদিম উন্মত্ত মধু। উম্মে হানি ছিলেন নবীর চাচাতো বোন, মুহাম্মদের বাল্য জীবনের ক্রাশ ছিল হানি। এক সময় নবী তাকে পছন্দ করতেন। চাচার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন, কিন্তু মুহাম্মদের কোন পেশা ও সামাজিক মর্যাদা না থাকায় সেই প্রস্তাব তাচ্ছিল্যের সঙ্গে ফিরিয়ে দেয় চাচা আবু তালিব।
উম্মে হানি জানাচ্ছেন- সেই রাতে অর্থ্যাৎ মিরাজের রাতে নবীজি তার ঘরেই ছিলেন! (ইবনে হিশাম, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৭৭,৭৮)। বোমা ফাটানোর মত কথা এটা! কারণ উম্মে হানি অন্যের বিবাহিত স্ত্রী। সেই রাতে উম্মে হানির ঘরে তার স্বামী ছিলেন না। নবীজিকে খুজে না পেয়ে তার সঙ্গি-সাথীরা খুঁজতে খুঁজতে গিয়ে দেখেন তিনি উম্মে হানির ঘরে! কি করছিলেন তিনি সেখানে? বিষয়টা যে কতখানি মারাত্মক সেটা উম্মে হানির আতংকিত কথাতেই বুঝা যায়। তিনি নবীজি বের হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দাসীকে বলছেন, শিগগির গিয়ে দেখো লোকরা তার(নবী) কথা শুনে কি বলে? (ইবনে হিশাম, দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা-৭৭)। উম্মে হানি স্বাক্ষ্য দিচ্ছেন- সে রাতে নবী তার বাসায় এশার নামাজ পড়ে শুয়ে ছিলেন। (ইবনে হিশাম, দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা-৭৭)। একটু বুদ্ধি থাকলে বুঝে নিতে পারবেন, মেরাজের কেচ্ছা ফাঁদার আড়ালে নবী মুহাম্মদ আসলে সেই রাতে কোথায় ছিলেন, কী করছিলেন।
আপনারা জানেন, চাহিদামাত্র কোরআনের আয়াত ডাউনলোড করার বিশেষ গুণ ছিল নবী মুহাম্মদের। পুত্রবধূ জয়নবকে বিয়ে করার জন্য উতলা হওয়ার সময় ও বিয়ের পর শোয়ার জন্য একের পর এক আয়াত ডাউনলোড করেছেন। এক সাহাবী সেই বিয়ের দিন আড্ডায় মুহাম্মদ মারা যাওয়ার পরে তার শিশু স্ত্রী আয়েশাকে বিয়ের কথা বলাতে মুহাম্মদ বেজার হয়ে তার স্ত্রীদের বিয়ে নিষিদ্ধ করে ইন্সট্যান্ট আয়াত নামান। আবার আয়েশা-সাফওয়ান মরুভূমিতে একরাত কাটিয়ে ফিরলে মুহাম্মদ এক মাস আয়াত ডাউনলোড করেননি, আয়েশার জন্য তার মনে ক্ষোভ, দঃখ ছিল। যাই হোক, মুহাম্মদ জানতো জরথ্রুস্টদের কথা, তাদের নানান কেচ্ছা। নিজের লুচ্চামি ধরা পড়ার লজ্জায় বোকা সাহাবীদের ভূগোল বোঝানোর জন্য এই মিরাজের কাহিনী ইন্সট্যান্ট বলে দেন তিনি।
অনেক ইসলামিস্ট দাবী করেন মুহাম্মদ ছিলেন অশিক্ষিত, হাজার মাইল দূরের পারস্যের জরথ্রুস্ট দেবতা আর্দাই ভিরাগের মহাকাশ গমনের গল্প তার জানা থাকার কথা নয়। একথা সত্য যে সেই প্রাচীন কাল থেকেই পৃথিবীর ইতিহাসে আরবের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য অবদান নেই, তারা ছিল রিসিভার। সপ্তম শতকের হেজাজ কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ছিল না। মক্কা-মদিনা ছিল বাণিজ্য পথের সংযোগস্থল, যেখানে ইহুদি, সিরিয়াক খ্রিস্টান, জরথ্রুস্টীয়, পারসিক এবং বাইজেন্টাইন সংস্কৃতির প্রভাব নিয়মিত প্রবেশ করত। প্যাট্রিসিয়া ক্রোন ও মাইকেল কুকের মতো ইতিহাসবিদরা তাদের গবেষণায় দেখিয়েছেন যে ইসলামের প্রাথমিক বিবরণগুলোর অনেকাংশ তৎকালীন মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ করা মৌখিক ঐতিহ্য থেকে এসেছে, যা কোনো এক ধর্মের একচেটিয়া সম্পত্তি ছিল না।
জন ওয়ানসব্রো তার সাহিত্য-সমালোচনামূলক পদ্ধতিতে যুক্তি দিয়েছিলেন যে কুরআনের অনেক আখ্যান ইহুদি-খ্রিস্টান ঐতিহ্যের (মিদ্রাশ, তালমুদ, অ্যাপোক্রিফা) সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং সেগুলো ধীরে ধীরে সম্পাদনার মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে। টম হল্যান্ড তার জনপ্রিয় ইতিহাসগ্রন্থে দেখিয়েছেন কীভাবে লেট অ্যান্টিকিউটির ধর্মীয় পরিবেশ – যেখানে অ্যাপোক্যালিপ্টিক কল্পনা তুঙ্গে ছিল – ইসলামের প্রাথমিক আখ্যানগুলোর প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল।
ইসলামের নামাজের সাথে জরথ্রুস্টীয় ‘গাহ’ বা ‘নামাজ’-এর মিল চমকে দেওয়ার মতো। উভয় ধর্মেই পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ রয়েছে এবং সূর্যের গতিপথ অনুযায়ী সময় নির্ধারিত হয়। উভয় ধর্মেই নামাজের আগে পবিত্রতা অর্জনের বিধান আছে। নামাজের মুভমেন্ট , টুপি পরা, বুকে হাত রাখা, খুতবা, মোনাজাত প্রায় সবই হুবুহু মিল। জরথুষ্ট্রীয়দের সম্পর্কে যাদের ধারনা নেই তাদেরকে দেখালে তারা মনে করবে মুসলমানদের নামাজ। ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাবেন, দেখে নিতে পারেন।
আর্দাই ভিরাগ নামাগ ছিল সাসানীয় যুগের একটি জরথ্রুস্টীয় ধর্মগ্রন্থ, মূলত মধ্যপারসি ভাষায় লেখা। এতে বর্ণিত হয়েছে পুণ্যবান পুরোহিত আর্দাই ভিরাগের পরলোকে স্বপ্নযাত্রার কাহিনী। গ্রন্থটি পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত – ভূমিকা, স্বর্গযাত্রা, বেহেশত, দোজখ এবং উপসংহার। ইসলামের মিরাজের কাহিনী এবং জরথ্রুস্টীয় আর্দাই ভিরাগের পরলোকযাত্রার মধ্যে অত্যন্ত লক্ষণীয় মিল রয়েছে, একেবারে সূক্ষ্ম বিবরণ পর্যন্ত। দুটি কাহিনীতেই একজন পুণ্যবান ব্যক্তি স্বর্গ ও নরক পরিভ্রমণ করেন, দেখেন পুণ্যবানদের পুরস্কার এবং পাপীদের শাস্তির দৃশ্য। অনেকে বলেন, নবী মুহাম্মদ আগে থেকেই আর্দাই ভিরাগের এই কাহিনী জানেন। বাল্য জীবনের ক্রাশ চাচাতো বোন উম্মে হানির স্বামীর অনুপস্থিতে তার ঘরে রাত কাটিয়ে সকালে সাহাবীদের কাছে ধরা পড়ার পরে উনি এই কাহিনী ফেঁদে দেন।
এই কাহিনীর শুরু কিন্তু শুধুই জরথ্রুস্টীয় না। মিরাজের মোটিফের সঙ্গে প্রাচীন নিকট প্রাচ্যের অনেক স্বর্গ-নরক ভ্রমণ কাহিনীর মিল আছে, কিন্তু কে কাকে প্রভাবিত করেছে তা নিশ্চিত করা কঠিন। প্লেটোর রিপাবলিক-এর “এর-এর কাহিনী” (মৃত্যুর পর আত্মার ভ্রমণ), ভার্জিলের এনিড-এর পাতাল-অবতরণ এবং ডানাওয়ালা ঘোড়া পেগাসাসের মিথ প্রায়ই তুলনায় আসে। বুরাকের ডানা যেহেতু পরবর্তী সংযোজন, পেগাসাসের সঙ্গে সরাসরি যোগ প্রমাণ করা কঠিন। হনোকের গ্রন্থ, Ascension of Isaiah, Apocalypse of Paul ও ইহুদি হেখালোত সাহিত্য। এগুলোতে সাত আসমান, ফেরেশতা-পথপ্রদর্শক ও স্বর্গ-নরক পরিদর্শনের ধারা আছে, এবং ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে এগুলো মুহাম্মদের অঞ্চলের কাছাকাছি ছিল। হরোভিৎসসহ অনেক গবেষক এদিকেই বেশি ইঙ্গিত করেছেন। মধ্যযুগে মিরাজের বিবরণ ল্যাটিনে অনূদিত হয় (Liber Scale Machometi)। আসিন পালাসিওস দান্তের ডিভাইন কমেডি-র সঙ্গে ইসলামি মিরাজ-সাহিত্যের সম্পর্ক দেখিয়েছিলেন, তবে এ মত বিতর্কিত। সময় থেমে যাওয়ার মোটিফ অন্য ঐতিহ্যেও পাওয়া যায়, যেমন ইহুদি ঐতিহ্যের হোনি হা-মাআগেল বা কুরআনের আসহাবে কাহাফ।
ওই রাতে মুহাম্মদ কেন উম্মে হানির ঘরে ছিলেন, ইসলামি সূত্রে তার স্পষ্ট কারণ নেই, এখানেই আপনার বুঝে নেয়ার পালা। ইবনে ইসহাকের সীরাতে উম্মে হানির বর্ণনা এমন:
- মুহাম্মদ তাঁর ঘরে ইশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়েছিলেন এবং ফজরের আগে তাঁদের জাগিয়েছিলেন।
- ফজরের পর তিনি বলেন, ইশা এখানে পড়ে তিনি বায়তুল মাকদিসে গিয়ে নামাজ পড়েছেন এবং এখন আবার ফজর পড়লেন।
- উম্মে হানি তাঁর চাদর ধরে ফেললে তিনি বলেন, লোকজনকে যেন না বলেন, কারণ তারা বিশ্বাস করবে না।
কারণ হিসেবে যা বলা হয়, যেমন আত্মীয়তা বা আবু তালিবের মৃত্যুর পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ, তা অনুমান মাত্র।
ঘটনার স্থান, তারিখ ও বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সূত্রের ভেতরেই মতভেদ আছে।
- স্থান: সহিহ বুখারির কিছু বর্ণনায় মুহাম্মদ কাবার কাছে (হাতিম বা হিজরে) তন্দ্রা ও জাগরণের মাঝামাঝি অবস্থায় ছিলেন। অন্য বর্ণনায় শিআবে আবু তালিব বা উম্মে হানির ঘরের কথা আছে।
- তারিখ: হিজরতের এক থেকে পাঁচ বছর আগের বিভিন্ন সময় বলা হয়েছে।
- সনদ: ইবনে ইসহাকের এই বর্ণনা মুহাম্মদ ইবনুস সায়িব আল-কালবির মাধ্যমে এসেছে। হাদিস-সমালোচকেরা তাঁকে দুর্বল বা অনির্ভরযোগ্য বলেছেন।
- ইসলাম গ্রহণের সময়: সীরাত সূত্রে উম্মে হানি ইসলাম গ্রহণ করেন মক্কা বিজয়ের সময়। অথচ বর্ণনায় তিনি ঘটনার রাতে মুহাম্মদের সঙ্গে ফজর পড়ছেন। কেউ কেউ এই দুই তথ্যের মধ্যে টানাপোড়েন দেখেন।
বুখারি, মুসলিম ও পরবর্তী সংকলনের সমন্বিত রূপে ঘটনার ধারা মোটামুটি এমন:
- জিবরাইল মুহাম্মদকে বুরাক নামের বাহনে চড়িয়ে মক্কা থেকে বায়তুল মাকদিসে নিয়ে যান (“ইসরা”)।
- সেখানে নবীদের সঙ্গে নামাজ হয়, এবং কিছু বর্ণনায় মুহাম্মদ ইমামতি করেন।
- এরপর উর্ধ্বারোহণ (“মিরাজ”): সাত আসমানে আদম, ইয়াহিয়া ও ঈসা, ইউসুফ, ইদরিস, হারুন, মুসা ও ইবরাহিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
- সিদরাতুল মুনতাহা ও বাইতুল মামুর দর্শন।
- দিনে ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়। মুসার পরামর্শে বারবার আবেদন করে তা ৫ ওয়াক্তে নামানো হয়।
- জান্নাত ও জাহান্নাম পরিদর্শন। বুখারির একটি বর্ণনায় (ইবনে আব্বাস সূত্রে) মুহাম্মদ জাহান্নামের বেশিরভাগ বাসিন্দা নারী দেখেন, আর কারণ হিসেবে স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতার কথা বলা হয়।
প্রচলিত কাহিনী ও সূত্রের মধ্যে তিনটি পার্থক্য উল্লেখযোগ্য:
- ডানাওয়ালা ঘোড়া: সহিহ হাদিসে বুরাক সাদা, খচ্চরের চেয়ে ছোট ও গাধার চেয়ে বড় প্রাণী। ডানা ও মানুষের মুখের বর্ণনা পরবর্তী লোকপ্রচলিত ধারা ও চিত্রকলায় এসেছে।
- আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ: আয়েশা থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহকে সরাসরি দেখা অস্বীকার করতেন (তাঁর মতে মুহাম্মদ জিবরাইলকে দেখেছিলেন)। ইবনে আব্বাসের মতে মুহাম্মদ আল্লাহকে “অন্তর দিয়ে” বা চোখে দেখেছিলেন। মূলধারার অনেক আলেম “সাক্ষাৎ” না বলে কথোপকথন ও দর্শনের কথা বলেন।
- সময় থমকে যাওয়া: “বিছানা তখনও গরম ছিল” ধরনের বিবরণ সহিহ গ্রন্থে নেই। এগুলো পরবর্তী লোকপ্রচলিত কাহিনীতে পাওয়া যায়।
পূর্ণাঙ্গ কাহিনীর প্রায় সবটাই এসেছে হাদিস ও সীরাত থেকে, কুরআনে আছে দুটি সংক্ষিপ্ত ইঙ্গিত।
- সুরা ইসরা (১৭:১): আল্লাহ “তাঁর বান্দাকে” রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায় ভ্রমণ করিয়েছেন। এখানে বুরাক, জেরুজালেমের নাম বা উর্ধ্বারোহণের বিবরণ নেই।
- সুরা নাজম (৫৩:১–১৮): সিদরাতুল মুনতাহার কাছে এক দর্শনের কথা আছে। এখানেও “মিরাজ” শব্দ বা ধারাবাহিক বর্ণনা নেই।
যোসেফ হরোভিৎস, নিল রবিনসন ও আঙ্গেলিকা নয়ভির্টের মতো গবেষকেরা তিনটি বিষয় বিশেষভাবে দেখান।
- “আল-আকসা” কোন স্থান: মুহাম্মদের সময়ে জেরুজালেমে কোনো মসজিদ ছিল না। বর্তমান আল-আকসা মসজিদ উমাইয়া আমলে (৭ম শতকের শেষ ও ৮ম শতকের শুরু) নির্মিত। কিছু গবেষক মনে করেন, আয়াতে “সবচেয়ে দূরের উপাসনালয়” বলতে হয়তো আসমানি স্থান বোঝানো হয়েছিল, এবং জেরুজালেমের সঙ্গে যোগ পরে জোরদার হয়। মূলধারার মুসলিম আলেমরা এই মত প্রত্যাখ্যান করেন।
- শারীরিক না আধ্যাত্মিক: প্রথম যুগের মুসলিমদের মধ্যেই এ নিয়ে বিতর্ক ছিল। আয়েশা ও মুয়াবিয়া থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদের দেহ অনুপস্থিত হয়নি, তাঁর রুহ ভ্রমণ করেছিল। হাসান আল-বাসরিরও এমন মত পাওয়া যায়। পরবর্তী মূলধারার অধিকাংশ আলেম শারীরিক ভ্রমণের মত গ্রহণ করেন।
- বর্ণনার স্তরায়ণ: ইবনে ইসহাক, বুখারি ও মুসলিমের বর্ণনায় বিস্তারিত অংশ ভিন্ন। গবেষকেরা এতে সময়ের সঙ্গে কাহিনী সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখেন।
সূত্রের ইঙ্গিত
এগুলো স্মৃতি থেকে দেওয়া গ্রন্থতালিকা, প্রকাশনার সাল ও পৃষ্ঠাসহ যাচাই করে নেওয়া উচিত।
- ইবনে ইসহাক/ইবনে হিশাম, আস-সীরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ
- সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের মিরাজ ও ইসরা অধ্যায়
- যোসেফ হরোভিৎস, Muhammeds Himmelfahrt
- আসিন পালাসিওস, La Escatología Musulmana en la Divina Comedia
- ইগনাৎস গোল্ডৎসিহার, Muhammedanische Studien (জেরুজালেম ও উমাইয়া রাজনীতি প্রসঙ্গে)
- Encyclopaedia of Islam-এর “Mi’radj” ও “Isra'” ভুক্তি
Related Posts

Spending the night in Umm Hani’s house and then meeting Allah in the heavens – he named it Mi’raj
Mi’raj is a central event in Islamic belief. On the night of Mi’raj, the ProphetRead More

The 72 full‑breasted, personality‑less houris of Paradise vs. the personality‑rich cherished women of the world! What do you want?
It is said that in Paradise a believing servant will receive 72 exquisitely beautiful houris;Read More

জান্নাতের ৭২ উন্নতবক্ষা ব্যক্তিত্বহীন হুর বনাম দুনিয়ার ব্যক্তিত্ববান শখের নারী! কী চান?
বলা হয় জান্নাতে মুমিন বান্দা ৭২ জন অপূর্ব সুন্দরী হুর পাবেন, তারা হবে চিরযৌবনা, চিরকুমারী।Read More

Comments are Closed