
The Inhumanity of Islam
৭০ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে না করায় তালেবানের কারাগারে কিশোরী! তালেবান যা করছে সেগুলোই ইসলাম!
৭০ বছর বয়সি এক প্রভাবশালী তালেবান কমান্ডারকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় আফগানিস্তানে বিবি সেদিকা নামের ১৪ বছরের এক কিশোরীকে প্রায় দুই বছর ধরে কারাগারে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে। খবর ডেইলি মেইলের – নিউজ লিংক কমেন্টে। এটাই একমাত্র নয়, আফগানিস্তানে জোরপূর্বক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সে বিয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো বা কোনো প্রভাবশালী তালেবান কমান্ডারের বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার কারণে নারীদের ওপর তালেবান প্রশাসনের প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা ও বন্দি রাখার খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা সময়ে উঠে এসেছে।
২০২২ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর থেকে নারীদের ওপর একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও আইন জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরবর্তী নারী শিক্ষা বন্ধ, কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধকরণ এবং পুরুষ অভিভাবক বা ‘মাহরাম’ ছাড়া চলাচলে কঠোর কড়াকড়ি। আফগানিস্তানের বর্তমান শাসনব্যবস্থায় জোরপূর্বক বিয়ে এবং অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে প্রভাবশালী কমান্ডারদের ইচ্ছেমতো বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা স্থানীয় নারী ও তাঁদের পরিবারের জন্য চরম নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করছে।

অতঃপর আপনারা আফগানিস্তান, তালেবান, আল্লাহপাক, রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহ, কোরআন, হাদিসের কোন কোন সৌন্দর্যকে অস্বীকার করবেন? আবার বইলেন না তালেবান ইসলাম জানে না। তালেবান যা করছে সেটাই মূল ইসলাম, সেটাই নবী মুহাম্মদের ইসলাম, নবী মুহাম্মদও এমন অসংখ্য নজির তার নিজের জামানাতেই রেখে গেছেন।
ইসলামের সামান্য আকীদাও অস্বীকার গেলে কী হবে সেটা বাংলাদেশের গ্রান্ড মুফতির মুখেই জেনে নিন। কেউ ইসলামে থাকতে পারেন না, ইসলামের কিছু নিয়ে সমালোচনা দূরে থাক, সামান্য সন্দেহ করারও সুযোগ নেই।
ইসলামে মেয়েদের কোন নির্ধারিত বিয়ের বয়স নেই। নেই মানে নেই, ত্যানা প্যাঁচানোর কোন সুযোগ নেই। অনেক আলেম নবী মুহাম্মদের আয়েশাকে ৬ বছর বয়সে বিয়ে ও ৯ বছর বয়সে বাসর করার উদাহরণ দিয়ে বলেন, ৬ বছরের মেয়েদের বিয়ে করা যায় ও ৯ বছরে তাদের সঙ্গে যৌ/নতা করা যায়। কিন্তু এটা ইসলামের সিদ্ধান্ত না, স্রেফ একটু ভদ্রতা।
ইসলামে শিশু–বিবাহ তো বৈধ বটেই, একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে সহবাসও বৈধ। এজন্য আপনাকে কোরআনের দুইটা আয়াত দেখতে হবে। একটা দেখে বুঝতে পারবেন না। ৩৩:৪৯ এবং ৬৫:৪ মিলিয়ে পড়তে হবে। কী বোঝা গেল? সহবাসের পূর্বেই তালাক হয়ে গেলে ইদ্দত পালনের দরকার নেই, আবার যাদের পিরিয়ড এখনো হয়নি তাদের ক্ষেত্রেও ইদ্দত তিন মাস! মানে যারা নাবালিকা তাদের সঙ্গে সহবাস হলে ইদ্দত হবে তিন মাস। বুঝতে না পারলে প্রখ্যাত তাফসিরকারকদের ব্যাখ্যা দেখে নেবেন।
ছোট শিশুদের যে বিয়ে দেওয়া বৈধ, এবং বিয়ের সময় আয়েশার বয়স কত ছিল সে সম্পর্কে সহিহ হাদিস দেখুন – সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবঃ) ৫১৩৩।
আপনি কি বলছেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামের প্রখ্যাত স্কলার, কোরআনের তাফসিরকারকেরা কী বলছেন সেটা। প্রখ্যাত তাফসিরগ্রন্থ ‘তাফহীমুল কুরআন’-এ সূরা আত–তালাকের ১৩ নম্বর পয়েন্টে সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী স্পষ্টভাবে বলেছেন, শিশুদের সঙ্গে বিয়ে এবং সহবাস পুরোপুরি বৈধ –
… সুতরাং যেসব মেয়েদের এখনো ঋতুস্রাব শুরু হয়নি তাদের ইদ্দত বর্ণনা করা স্পষ্টত এ কথাই প্রমাণ করে যে, এ বয়সে মেয়েদের বিয়ে শুধু জায়েজই নয়, বরং তার সাথে স্বামীর নির্জনবাস এবং মেলামেশাও জায়েজ। এখন একথা স্পষ্ট যে, কুরআন যে জিনিসকে জায়েজ বলে ঘোষণা করেছে তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করার অধিকার কোনো মুসলমানের নেই।
এটাই ইসলামের কথা – আপনি মানেন বা না মানেন সেটা ভিন্ন বিষয়, কিন্তু আপনি এটা বলতে পারেন না – ইসলামে এসব নেই। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতিরাও এ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই লিংকে আছে।
যদি বলেন, ঐ যুগে এসব সামাজিক প্রথা ছিল, তাহলে এটাও মেনে নিন – ইসলাম ও নবী মুহাম্মদ শুধু ঐ যুগের জন্য প্রযোজ্য, এখন ইসলাম ও নবী মুহাম্মদের সব কিছু মানা যাবে না। মনে রাখবেন, একথা বলা মাত্রই আপনি কাফের, মুরতাদ হয়ে গেলেন। ইসলামে মুরতাদের শাস্তি কী সেটা জেনে নিন। ইসলাম কিন্তু এডিট করা যায় না, এডিট করতে চাওয়া মাত্রই আপনি মুরতাদ। নবী মুহাম্মদের কোনো কিছু নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ পোষণ করলেও আপনি হবেন শাতিমে রাসূল – শাতিমে রাসূলের শাস্তি জানেন তো? তাদের কিন্তু কোনো ক্ষমা নেই, অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইলেও তারা সেই চূড়ান্ত শাস্তি এড়াতে পারবেন না। ইসলামে ঢোকার ১০১ টা পথ আছে, কিন্তু ইসলাম থেকে বের হওয়ার কোন পথ কিন্তু খোলা নেই, সেখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করবে নির্মম মৃত্যু!
সুতরাং, ইসলামে শিশু–বিবাহ ও শিশুদের সঙ্গে সহবাস পরিপূর্ণ জায়েজ – পিরিয়ড! তাও কোরআন অনুযায়ী, সহিহ হাদিস তো আছেই, আবারো ফুলস্টপ। এখন এর পরে যুক্তি – তথা ত্যানা আবিষ্কার করুন – কেন শিশু–বিবাহ ও তাদের সঙ্গে সহবাসকে জাস্টিফায়েড দেখাবেন।
Related Posts

Did Prophet Muhammad have OCD along with other mental issues, which is why he used to do and say everything three times?
In Islamic rituals and practices, a clear pattern of three or odd numbers can beRead More

নবী মুহাম্মদের কি অন্যান্য মানসিক সমস্যার পাশাপাশি OCD-ও ছিল যার কারনে উনি সবই তিনবার করতেন, বলতেন?
ইসলামি আচার-অনুষ্ঠানে তিন বা বিজোড় সংখ্যার একটি স্পষ্ট প্যাটার্ন লক্ষ করা যায়। ওযুর সময় প্রতিটিRead More

Government Employees’ Salaries Are Rising by 100% to 142%: Will Corruption Decrease? How Can the Inhumane Living Conditions of Private-Sector Workers End?
When I was at university, I dreamed of getting a job with a salary ofRead More

Comments are Closed