
Source of Covid 19 (Coronavirus)
মানুষের যৌন শক্তি বাড়ানোর আগ্রহ থেকেই কি আজ বিশ্বের এই ভয়াবহ অবস্থা ?
এটা প্যাঙ্গোলিন, একটা নিরীহ প্রাণী। অন্য অনেক কীটপতঙ্গের লার্ভা খেয়ে বেঁচে থাকে তারা। ধারনা করা হয় পৃথিবীব্যাপী এখন যে অতিমারী (প্যান্ডামিক), যার জন্য দায়ী করোনাভাইরাস সেটি এই প্রাণীর মাধ্যমেই ছড়িয়েছে মানুষের মাঝে। বাঁদুড়ের দেহ ভাইরাসের খনি, কোন এক ক্ষুদ্র বাঁদুড় থেকে এই করোনাভাইরাস প্যাঙ্গোলিনের দেহে গিয়েছিল। সেই প্যাঙ্গোলিন চায়নার এক বণ্যপ্রাণীর মার্কেট থেকে মানুষের শরীরে, এবং এখন যা সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য এক সাক্ষাত মৃত্যুকূপ।
চায়না ও ভিয়েৎনামে প্যাঙ্গোলিনের মাংস ১২০০০-১৫০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। মনে করবেন না ভোজনরসিক মানুষ তার খাদ্যের জন্য এই প্যাঙ্গোলিনের মাংস খায়। তারা বিশ্বাস করে এর মাংস কিডনীর জন্য খুব উপকারী। তবে তাও মূল কারন নয়, মূল কারন তারা মনে করে এই মাংস তাদের যৌন ক্ষমতা বাড়ায় অনেক। এই একটু বেশী সময় ধরে যৌনতা করার লোভে মানুষ সারা পৃথিবীকে বিপদে ফেলেছে, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন নিয়েছে ও নিচ্ছে।
করোনাভাইরাস এরই মধ্যে নিজের শরীরে হাজার হাজার বিবর্তন ঘটিয়েছে। দূর্বল ভ্যারিয়েন্টগুলো হারিয়ে গেছে আর শক্তিশালীগুলো টিকে আছে, ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে একের পর এক। যেমন এখন দক্ষিন আফ্রিকান স্ট্রেইন ! মারাত্মক সংক্রামক। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টও এখন খুব ভয়ংকর।
বর্ডার এলাকার মানুষ সাবধান! কোনভাবে যদি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট একবার বাংলাদেশে ঢোকে তবে কিন্তু একেবারে ডিজাস্টার হয়ে যাবে। ভারতে এখন প্রতিদিন প্রায় তিন লক্ষের কাছাকাছি রোগী সনাক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশে এই রেশিওতে টেস্ট করার ক্যাপাসিটিও নেই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন নিজেদের সতর্ক হওয়া ছাড়া আমাদের সামনে কোন বিকল্প নেই। বিশেষ করে এখন নিজেদের স্বার্থেই ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ বর্ডারের এপার-ওপার করা বাদ দেয়া উচিৎ কঠোরভাবে। কেউ যদি অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করে এখন তাকে সমাজচ্যূত করে নির্জন এলাকায় নির্বাসন দেয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই।
গৃহপালিত নয় এমন বণ্যপ্রাণী ধরে খাওয়া, পোষা মানুষদের শ্যূট করা ছাড়া পৃথিবীর মানুষ নিরাপদ হবে না আগামীতেও। চায়না এলাকার মানুষেরা তাদের যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য এর আগে বাঘসহ অনেক প্রজাতির প্রাণী একেবারেই ধ্বংস করেছে। এখনো বিশ্বে বণ্যপ্রাণী পাচার হয় তাদের এই আগ্রহের জন্য।
Related Posts

People knew that the Moon has no light of its own more than 1,150 years before the births of Muhammad and Allah; the story of the Moon splitting in two is a fanciful myth
Islam’s interest in the Moon seems endless. Months, days, dates, acts of worship, Eid, andRead More

মুহাম্মদ ও আল্লাহর জন্মেরও ১১৫০ বছর আগেই মানুষ জানতো চাঁদের নিজস্ব আলো নেই, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার কেচ্ছা গাঁজাখোরি
চাঁদ নিয়ে ইসলামের আগ্রহের শেষ নেই। মাস, দিন, তারিখ, ইবাদত-বন্দেগী, ঈদ, রোজা সব চাঁদ কেন্দ্রিক।Read More

Humans cannot even see 1% of the beauty and colors of Earth and the universe! Are humans really the best of creation?
The human eye can generally detect visible light or color in the wavelength range ofRead More

Comments are Closed