Islam
Prophet Muhammad and OCD

Prophet Muhammad and OCD

নবী মুহাম্মদের কি অন্যান্য মানসিক সমস্যার পাশাপাশি OCD-ও ছিল যার কারনে উনি সবই তিনবার করতেন, বলতেন?

ইসলামি আচার-অনুষ্ঠানে তিন বা বিজোড় সংখ্যার একটি স্পষ্ট প্যাটার্ন লক্ষ করা যায়। ওযুর সময় প্রতিটি অঙ্গ তিনবার ধোয়া, নামাজে তাসবিহ তিন বা তেত্রিশ বার পড়া, বিতর নামাজ বিজোড় রাকাতে শেষ করা, কংকর নিক্ষেপে তিনটি স্তম্ভে সাতবার করে কংকর মারা, এবং হাদিসে সরাসরি বলা হয়েছে – “নিশ্চয়ই আল্লাহ বিজোড় (বিতর), তিনি বিজোড়কে ভালোবাসেন” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)। এই প্যাটার্ন এতটাই ধারাবাহিক যে এটি নিছক কাকতালীয় নয় বলেই মনে হয়। প্রশ্ন হলো – এই প্রবণতার উৎস কী? ইসলামের সমালোচক ও কিছু প্রাচ্যবিদ (Orientalist) গবেষক এই বিষয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যা নিচে আলোচনা করা হলো। প্রথমেই স্পষ্ট করে রাখা প্রয়োজন – এই ব্যাখ্যাগুলোর অধিকাংশই অনুমানভিত্তিক, প্রত্নতাত্ত্বিক বা চিকিৎসাগত প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত নয়, কারন ইসলামে্র তেমন কোন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নেই এবং ইতিহাসবিদদের মধ্যেও এসব নিয়ে ঐকমত্য নেই। কেউ কেউ এমনও মনে করেন এটি ইসলাম ধর্মের প্রবক্তা ও কোরানের রচয়িতা নবী মুহাম্মদের OCD জাতীয় একটি মানসিক রোগের ফল।

প্রাক-ইসলামি আরব সংস্কৃতিতে সংখ্যাতত্ত্বের শিকড়

সমালোচকদের একটি বড় অংশের যুক্তি হলো, তিন ও বিজোড় সংখ্যার প্রতি এই আগ্রহ ইসলাম-পূর্ব সেমেটিক ও মধ্যপ্রাচ্যীয় সংস্কৃতি থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে এসেছে। প্রাচীন ব্যাবিলনীয়, ফিনিশীয় ও দক্ষিণ আরবের সাবিয়ান সভ্যতায় সংখ্যাতত্ত্ব (numerology) ধর্মীয় ও জাদুবিদ্যাগত অনুশীলনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। তিন সংখ্যাটিকে সেসব সংস্কৃতিতে সম্পূর্ণতা ও ঐশ্বরিক ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হতো – শুরু, মধ্য ও শেষ; বা জন্ম, জীবন ও মৃত্যু। বিজোড় সংখ্যাকে অনেক প্রাচীন সংস্কৃতিতে “জীবন্ত” বা “গতিশীল” এবং জোড় সংখ্যাকে “স্থবির” বা “মৃত” হিসেবে দেখা হতো, কারণ বিজোড় সংখ্যাকে সমানভাবে ভাগ করা যায় না – এতে একটি “উদ্বৃত্ত” বা রহস্যময় উপাদান থেকে যায়।

গ্রিক দার্শনিক পিথাগোরাসের অনুসারীরাও বিজোড় সংখ্যাকে পুরুষালি, সক্রিয় ও শুভ এবং জোড় সংখ্যাকে নারীসুলভ, নিষ্ক্রিয় ও কম শুভ বলে মনে করতেন – এই চিন্তাধারা ভূমধ্যসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যীয় বাণিজ্যপথ ধরে বিস্তৃত হয়েছিল বলে সমালোচকরা মনে করেন। যেহেতু মক্কা ছিল যাযাবর বেদুঈনদের জন্য মরুর বুকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র এবং বহু সংস্কৃতির সংযোগস্থল, তাই এসব ধারণা স্থানীয় আরব সংস্কৃতিতে মিশে গিয়ে থাকতে পারে বলে তাদের অনুমান।

লোকবিশ্বাস ও যাদু-প্রতিরোধী চর্চা

কিছু নৃতাত্ত্বিক গবেষক (যেমন প্রাচ্যবিদ ইগনাজ গোল্ডৎসিহার-এর ধারার গবেষকরা) মনে করেন, প্রাক-ইসলামি আরবে বিজোড় সংখ্যা কুনজর (evil eye) ও অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার একটি লোকবিশ্বাসমূলক পদ্ধতি ছিল। তিনবার কোনো কাজ পুনরাবৃত্তি করাকে অনেক লোকজ ঐতিহ্যে (শুধু আরবেই নয়, দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন সংস্কৃতিতেও) একটি “নিশ্চিতকরণ” বা “সিলমোহর” হিসেবে দেখা হতো – একবার হয়তো ভুল, দুইবার হয়তো কাকতালীয়, কিন্তু তিনবার মানেই তা “সত্য” বা “সম্পূর্ণ”। এই যুক্তি অনুসারে, ইসলামি আচারে তিনবার পুনরাবৃত্তি এই প্রাচীন লোকমনস্তত্ত্বেরই প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, যা পরবর্তীতে হাদিস সাহিত্যের মাধ্যমে ধর্মীয় বৈধতা পেয়েছে।

মনস্তাত্ত্বিক অনুকল্পঃ OCD বা তৎসদৃশ আচরণের প্রশ্ন

এখানেই আসে প্রশ্নের সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ – মুহাম্মদের ব্যক্তিগত মানসিক অবস্থা কি এই প্যাটার্নের পেছনে কোনো ভূমিকা রেখেছিল? কিছু সমালোচক, বিশেষত অনলাইন ইসলাম-সমালোচক মহলে ও কিছু মনোবিশ্লেষণাত্মক (psychoanalytic) দৃষ্টিভঙ্গির লেখকদের মধ্যে, এই যুক্তি দেখা যায় যে ওযু বা অন্যান্য আচারে তিনবার পুনরাবৃত্তি করার নির্দেশ Obsessive-Compulsive Disorder (OCD)-এর একটি লক্ষণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ – বিশেষত OCD-তে “কনটামিনেশন অবসেশন” (দূষণ-ভীতি) ও তার প্রতিক্রিয়ায় বারবার হাত ধোয়া বা কোনো কাজ নির্দিষ্ট সংখ্যায় পুনরাবৃত্তি করার প্রবণতা (checking/counting compulsion) একটি সুপরিচিত ক্লিনিক্যাল প্যাটার্ন।

মুহাম্মদের কিছু মানসিক রোগ ছিল – তার অনেক লক্ষন আছে কোরআন, হাদিসের বর্ননায়। উনি যখন কোরআন লেখা শুরু করেন তখন মক্কার লোকেরা তাকে পাগল বলতো, প্রায়ই উনি পাহাড় থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চাইতেন (Sahih al-Bukhari 6982, আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫১১)। তখন উনার কল্পিত জিব্রাইল কোরআনে আয়াত দিয়ে উনাকে স্বান্তনা দিতেন, না আপনি পাগল নন। কোরআনে “মجنون” (পাগল/উন্মাদ) শব্দটি মোট ১৬ বার এসেছে – সবগুলোই মক্কার লোকেরা নবী মুহাম্মদকে যে পাগল বলতো এবং তার জবাবে আল্লাহ তথা জিব্রাইল সেই অভিযোগ খন্ডন করে তাকে স্বান্তনা দিতো। অপনারা নিজেরাই পড়ে দেখেন – 68:2, 15:6, 44:14, 7:184, 54:9, 26:27, 51:39, 51:52, 37:36, 52:29, 23:25, 23:70, 51:53, 2:275, 69:41, 81:22। মুহাম্মদের কাছে যখন ওহি আসতো তখন উনি অজ্ঞান হয়ে যেতেন, অনেকে সেটাকে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষন বলেও ধারনা করেন।

Sahih Muslim 162c বলে, জিব্রাইল মুহাম্মদের বুক চিরে তার হৃৎপিণ্ড বের করে তা জমজমের পানি দিয়ে ধুয়ে আবার ভিতরে ঢুকিয়ে দেন। এভাবে মুহাম্মদের হৃৎপিণ্ড থেকে শয়তানের অংশ অপসারন করা হয়। এই ঘটনার আবার সাক্ষী সাহাবীও আছে। এখন আপনারা এগুলোকে স্বাভাবিক মানবীয় মানুষের বৈশিষ্ট্য বলে মনে করলে কিছু করার নেই। ইসলাম অনুযায়ী মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি, স্মৃতি, দুঃখ, বেদনা, আনন্দ সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু হৃৎপিণ্ড, মস্তিস্ক নয়। যাই হোক, এমন অনেক কারনে অনেক সমালোচক মনে করেন নবী মুহাম্মদের OCD ছিল, যার কারনে তিনি একই জিনিস ৩ বার করতেন, বলতেন। এখন অনেক হুজুর যেমন, আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফও যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন, তিনবার করে বলেন, খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা।

তবে এই যুক্তির সমর্থকরা আরও উল্লেখ করেন যে হাদিস সাহিত্যে ওযুতে অতিরিক্ত (চার বা তার বেশি বার) পানি ব্যবহার করাকে নিষেধ করা হয়েছে (“বাড়াবাড়ি” বলে), যা তাদের মতে ইঙ্গিত দেয় যে তৎকালীন সমাজেও অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তির প্রবণতা একটি লক্ষণীয় বিষয় ছিল, এবং এই সীমা নির্ধারণ সেই প্রবণতাকে “নিয়ন্ত্রণে” রাখার একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রচেষ্টা হতে পারে।

তবে এই অনুকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা মানসিকভাবে সৎ বিশ্লেষণে উল্লেখ করা আবশ্যকঃ

১. রেট্রোস্পেক্টিভ ডায়াগনোসিসের সমস্যা – কোনো ব্যক্তি, যিনি চৌদ্দশ বছর আগে মারা গেছেন এবং যাঁর সম্পর্কে তথ্যের একমাত্র উৎস পরবর্তী প্রজন্মের দ্বারা লিখিত ধর্মীয় সাহিত্য (হাদিস), তাঁর মানসিক অবস্থা নিয়ে ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস দেওয়া পদ্ধতিগতভাবেই সমস্যাযুক্ত। আধুনিক মনোরোগবিদ্যার মানদণ্ড (DSM-5 ইত্যাদি) সরাসরি পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার ও দীর্ঘমেয়াদী আচরণ পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভরশীল – যা এখানে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।

২. হাদিসের ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা – অধিকাংশ হাদিস মুহাম্মদের মৃত্যুর ১৫০-২৫০ বছর পর সংকলিত হয়েছে, মৌখিক পরম্পরার মাধ্যমে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট আচরণগত বিবরণ সত্যিই ঐতিহাসিক মুহাম্মদের ব্যক্তিগত অভ্যাস প্রতিফলিত করে, নাকি পরবর্তী সময়ের ধর্মতাত্ত্বিক বা আইনি প্রয়োজনে নির্মিত – এই নিয়ে ইসলামি অধ্যয়নের ক্ষেত্রেই (ইসলামিক স্টাডিজ) গভীর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিতর্ক রয়েছে (যেমন ইগনাজ গোল্ডৎসিহার, জোসেফ শাখট প্রমুখের হাদিস-সমালোচনামূলক গবেষণা)।

৩. সাংস্কৃতিক প্যাটার্নকে ব্যক্তিগত রোগলক্ষণ বলে ভুল করা – যেহেতু তিন ও বিজোড় সংখ্যার প্রতি অনুরাগ শুধু আরব বা ইসলামি সংস্কৃতিতেই নয়, বরং হিন্দু আচার (ত্রিদেব, তিনবার পরিক্রমা), খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্ব (ট্রিনিটি), ইহুদি ঐতিহ্য এবং বহু আদিবাসী সংস্কৃতিতেও বিদ্যমান, তাই একে একক ব্যক্তির মানসিক লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করার বদলে একটি সর্বজনীন মানব-সাংস্কৃতিক প্যাটার্ন হিসেবে দেখাই পদ্ধতিগতভাবে বেশি যুক্তিসঙ্গত বলে অনেক গবেষক মনে করেন।

মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যাঃ প্রতিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি

মুসলিম পণ্ডিতরা এই প্রথাগুলোর সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। তাঁদের মতে –

  • বিজোড় সংখ্যার প্রতি অগ্রাধিকার আল্লাহর একত্ববাদ (তাওহীদ)-এর প্রতীকী প্রকাশ – আল্লাহ নিজেই “এক” (বিজোড়ের মূল), তাই বিজোড় সংখ্যা আল্লাহর প্রতি সাদৃশ্যপূর্ণ এবং এতে বরকত নিহিত বলে বিশ্বাস করা হয়।
  • তিনবার পুনরাবৃত্তির নির্দেশনাকে তাঁরা আধ্যাত্মিক সতর্কতা ও নিশ্চয়তার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেন – ইবাদতে মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়ানোর একটি প্রায়োগিক কৌশল, রোগলক্ষণ নয়।
  • ওযুতে চারবারের বেশি পানি ব্যবহার নিষেধ করার হাদিসকে তাঁরা বরং বিপরীত যুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন – এটি প্রমাণ করে যে ইসলাম ধর্মীয় আচারে অতিরিক্ততা (extremism/waswasa) নিরুৎসাহিত করে, বরং এক ধরনের ভারসাম্য শেখায়।

ইসলামি ফিকহ সাহিত্যে “ওয়াসওয়াসা” (কুমন্ত্রণা বা অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা) নামে একটি স্বীকৃত ধারণা আছে, যা আধুনিক OCD-এর সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্যপূর্ণ – কিন্তু ইসলামি শাস্ত্রে একে রোগ হিসেবে নয়, শয়তানের কুমন্ত্রণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এবং তা প্রতিরোধের নির্দেশও দেওয়া হয় (যেমন সীমা নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে না যাওয়া)।

ঐতিহাসিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটঃ মৌখিক সংস্কৃতির স্মৃতিকৌশল

একটি কম আলোচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা হলো – সপ্তম শতাব্দীর আরব একটি মূলত মৌখিক সংস্কৃতি ছিল, যেখানে লিখিত রেকর্ড ছিল বিরল। মৌখিক ঐতিহ্যে সংখ্যাভিত্তিক পুনরাবৃত্তি (তিনবার বলা, তিনবার করা) স্মৃতিতে ধরে রাখার এবং প্রজন্মান্তরে হুবহু স্থানান্তরের একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে কাজ করত। কবিতা, বংশলতিকা ও রীতিনীতি মুখে মুখে সংরক্ষণের যুগে সংখ্যাভিত্তিক কাঠামো একটি প্রাকৃতিক স্মৃতিসহায়ক (mnemonic device) হিসেবে বিকশিত হয়ে থাকতে পারে – যা পরবর্তীতে ধর্মীয় আচারেও প্রবেশ করে।

শেষ কথা

সামগ্রিকভাবে দেখলে, ইসলামি আচারে তিন ও বিজোড় সংখ্যার প্রাধান্যের পেছনে সবচেয়ে সঙ্গত ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা হলো প্রাক-ইসলামি সেমেটিক ও মধ্যপ্রাচ্যীয় সংখ্যাতত্ত্ব, লোকবিশ্বাস এবং মৌখিক সংস্কৃতির স্মৃতিকৌশলের সংমিশ্রণ, যা পরবর্তীতে ধর্মতাত্ত্বিক অর্থে রূপান্তরিত হয়েছে। মুহাম্মদের ব্যক্তিগত মানসিক অবস্থা নিয়ে যে অনুকল্প কিছু সমালোচক উপস্থাপন করেন, তা একটি চিন্তা-উদ্দীপক পর্যবেক্ষণ হতে পারে, কিন্তু তা প্রমাণযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্যের অভাবে একটি প্রতিষ্ঠিত সিদ্ধান্ত নয় – বরং একটি অনুমান, যা নিরপেক্ষ ইতিহাসবিদ্যার মানদণ্ডে যাচাইযোগ্য নয়। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যাকে পাশাপাশি রেখে বিচার করাই বেশি বুদ্ধিদীপ্ত পন্থা।

Related Posts

Prophet Muhammad and OCD

Did Prophet Muhammad have OCD along with other mental issues, which is why he used to do and say everything three times?

In Islamic rituals and practices, a clear pattern of three or odd numbers can beRead More

The nexus of corruption in Bangladesh

Government Employees’ Salaries Are Rising by 100% to 142%: Will Corruption Decrease? How Can the Inhumane Living Conditions of Private-Sector Workers End?

When I was at university, I dreamed of getting a job with a salary ofRead More

The nexus of corruption in Bangladesh

সরকারী কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে ১০০-১৪২% পর্যন্ত, দুর্নীতি কমবে? বেসরকারীদের মানবেতর জীবনযাপনের অবসান কীভাবে হবে?

আমি ইউনিভার্সিটিতে থাকতে স্বপ্ন দেখতাম পাশ দিয়ে ১০০০০ টাকা বেতনের জব নিবো। তখন সবার কাছেRead More

Comments are Closed