
Pedophilias in Islam
একটি সহিহ ইসলামিক ত্যানা — তোমার বাবাই যে তোমার বাবা, তার প্রমাণ কী?
আমরা যারা সভ্যতা, মানবাধিকার, বিজ্ঞান, মানুষের মর্যাদা নিয়ে কথা বলি তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা ও আইন-নীতিমালা মেনে চলতে হয়। সেগুলোর অনেকগুলো লিখিত, অনেক আবার অলিখিত। যেমন ধরেন আপনি নিশ্চিত হলেও কাউকে প্রামান ছাড়া চোর বলতে পারবেন না। কোন পটেনশিয়াল জঙ্গিগোষ্ঠীকে জঙ্গি বলতে পারবেন না। ব্যাপারটা অনেকটা এমন – ধরেন, এক গ্রামে মাইলের পর মাইল কলাবাগান, মাঝে মাঝে দুই চারটা আমগাছ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। মালিক জানতে পারলে সেই আমগাছগুলো সব কেটেও ফেলবে। কিন্তু সভ্যতার নিয়ম অনুযায়ী আপনি ঐ গ্রামকে কলাবাগানের গ্রাম বলতে পারবেন না, বলতে হবে কিছু কিছু কলাগাছ …। কোন গ্রামের ৯৭% মানুষ চোর হলেও বলতে পারবেন না চোরের গ্রাম, আপনাকে বলতে হবে গ্রামের কিছু মানুষ চোর। বুঝতেই পারছেন আমি কাদের উদাহরণ দিচ্ছি, কিন্তু আপনাকে সোস্যাল মিডিয়ার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড, প্রচলিত আইন, রেসিজমের সংজ্ঞা প্রভৃতি বিবেচনায় নিয়ে বলতে হয় – অনেকে বা কিছু যদিও সেই সংখ্যাটা ৮০-৯০%ও হয়। আমরাই তো সভ্যতা, ভদ্রতার এই নিয়মগুলো নিজেদের স্বার্থে বানিয়ে নিয়েছি – যদিও যাদের উদ্দেশ্যে বলবো তারা এগুলোর কেয়ারই করে না, তাদের নিয়ম হলো গায়েবি নির্দেশ।
ইসলামী মতাদর্শের অন্ধকার দিক তুলে ধরলে, বিশেষ করে নবী মুহাম্মদের জীবনের অন্ধকার দিক তুলে ধরলে অনেক ইসলামিস্ট অপ্রাসাঙ্গিকভাবে আপনাকে গালি দিবে। আপনার বাবা-মা তুলে গালি দিবে, আপনাকে পতিতার সন্তান বলবে, বেশ্যার সন্তান বলবে, আপনার মা’কে হাজার মানুষের সঙ্গে শোয়ানো কল্পনা করবে। নবী মুহাম্মদও মানুষকে গালি দিতো, আল্লাহও কোরআনে কাফের, মুশরিকদের নিকৃষ্ট পশুর সঙ্গে তুলনা করেছে। যুক্তি যখন পরাস্থ হয় তখন গালিই তাদের সম্বল হয়ে যায়। গালি দেয়ার ফাঁকে তারা ফন্দি করে কিভাবে কাফের, মুরতাদ, শাতিমে রাসূল আখ্যায়িত করে আপনাকে জবাই করে হত্যা করবে। ইসলামই তাদের এই নির্দেশনা দিয়েছে যে কাফের, মুরতাদ ও শাতিমে রাসূলকে হত্যা করতে হবে। নবী মুহাম্মদ নিজেও তার সমালোচনাকারীকে গুপ্ত ঘাতক পাঠিয়ে হত্যা করিয়েছে। তার অনুসারীদের প্রতি নির্দেশ হলো নিজেদের জীবনের চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসতে হবে এবং তাকে যারা সামান্য সন্দেহ করবে, তার সঙ্গে অন্য কাউকে তুলনা করবে তাকে হত্যা করতে হবে।
এই ইসলামিস্টদের একটা জনপ্রিয় প্রশ্ন হলো – তোমার বাবাই যে তোমার বাবা – তার প্রমান কী? তাদের ধারনা এই প্রশ্ন করে তারা বিশাল যুক্তি ছুঁড়ে দিল। যাকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্ন ছুঁড়বে – সে তো এই সমস্ত অযাচিত, ফালতু প্রশ্নের উত্তর দিবে না। কতগুলো দিবে? একটা দিলে হাজারজন আবার নতুন করে একই প্রশ্ন করবে। এরপর উত্তর না পেয়ে তাদের সুখস্বপ্ন শুরু হবে – যাক, এই প্রশ্ন করে তো লেখক, মুক্তমনা, নাস্তিক, মানববাদীকে ঘায়েল করা গেল।
এই প্রশ্নের আড়ালে কী আছে? যুক্তি? বিজ্ঞান? নাকি হাজার বছরের পুরনো মূর্খতা, মানব-মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা এবং আধুনিক সভ্যতার প্রতি গভীর বিদ্বেষ? এরা সেই ১৪০০ বছর আগের মূর্খতার বৃত্তে পড়ে আছে, সেই বৃত্তের সীমানা ভেদ করে তারা বের হতে পারে না। সূরা লোকমানে আল্লাহ বলেছেন – মায়ের পেটে ছেলে নাকি মেয়ে হবে এবং কখন কোথায় বৃষ্টি হবে সেটা উনি ছাড়া আর কেউ জানে না। আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি গর্ভের ১৬-২০ সপ্তাহের মধ্যে শিশুর লিঙ্গ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে পারে। Noninvasive Prenatal Testing (NIPT) গর্ভের মাত্র ১০ সপ্তাহেই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে লিঙ্গ নির্ধারণ করে। আর স্যাটেলাইট ডেটা, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, তাপমাত্রা এবং বিগ ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা এক সপ্তাহ এমনকি একমাস আগেও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। অর্থাৎ যে বিষয়গুলো কোরআন ‘একমাত্র আল্লাহর জানার বিষয়’ বলে উপস্থাপন করেছে, তা এখন হাসপাতাল, আবহাওয়া অফিস এবং স্মার্টফোন অ্যাপের সাহায্যে সাধারণ মানুষ জানতে পারে। এই হলো ইসলামের আল্লাহর এক্সক্লুসিভ জ্ঞান!
আধুনিক Paternity DNA Test ৯৯.৯৯% নির্ভুলতায় বায়োলজিক্যাল পিতা নির্ধারণ করতে সক্ষম। এই পরীক্ষায় সন্তান ও সম্ভাব্য পিতার STR (Short Tandem Repeat) মার্কার তুলনা করা হয়। পরীক্ষাটি এতটাই নির্ভরযোগ্য যে বিশ্বের প্রায় সকল আদালত এটিকে আইনি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে DNA-ভিত্তিক পিতৃত্ব নির্ধারণ এখন সহজলভ্য এবং আইনগতভাবে স্বীকৃত। অথচ সমস্ত উন্মাদ মূর্খ মুমিনদের ধারনা একমাত্র মা ছাড়া অন্য কেউ বলতে পারবে না তার সঙ্গে কে সেক্স করেছিল ও সে কোন বাবার সন্তান।
এই প্রশ্নটি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতূহল থেকে আসে না। এটি আসে একটি বিশেষ কৌশল থেকে — যাকে দার্শনিক পরিভাষায় বলা হয় ‘Ad Hominem’ বা ব্যক্তিআক্রমণ। যখন যুক্তিতর্কে পরাস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তখন বিষয়বস্তু এড়িয়ে প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত জীবনকে আক্রমণ করা হয়। নবী মুহাম্মদের জীবনে শিশু-বিবাহ, যুদ্ধবন্দী নারীদের ভোগ, বা সমালোচকদের গুপ্তহত্যার মতো বিষয় তুলে ধরলে যুক্তি দিয়ে জবাব দেওয়া সম্ভব হয় না — তখন শুরু হয় গালাগালি এবং এই ধরনের ‘চ্যালেঞ্জ।’
এই কৌশলের দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলো বিভ্রান্তি তৈরি করা। প্রশ্নটি শুনতে কৌতূহলজনক মনে হয়, কিন্তু এর আসল লক্ষ্য হলো মূল আলোচনাকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়া। একে বলা হয় ‘Red Herring Fallacy’ — অর্থাৎ অপ্রাসঙ্গিক বিষয় দিয়ে মূল প্রসঙ্গ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেওয়া।
তৃতীয় উদ্দেশ্যটি আরও ভয়ঙ্কর — সমালোচককে ‘জারজ’ বা ‘অবৈধ সন্তান’ প্রমাণ করতে চেয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং তার বক্তব্যকে অবৈধ ঘোষণা করা। এটি নিছক গালি নয়; এটি একটি সুচিন্তিত সামাজিক নিপীড়নের কৌশল।
এই প্রশ্নের উত্তর জানাটা এতো জরুরী কেন? মানব শিশু সে যে বাবার স্পার্ম নিয়েই পৃথিবীতে জন্মাক তাতে তো সেই শিশুর নিজের কোন ইচ্ছা বা অনিচ্ছা ছিল না। ইসলামিস্টদের ধারনা মতে সেটা আল্লাহই পাঠিয়েছে দুনিয়ায়। তাহলে সে তাদের ভাষায় তথাকথিত জারজ কিনা সেটা জানার এতো আগ্রহ কেন তাদের? সেটা হলেও সেই দায় তো আল্লাহর! বায়োলজিক্যাল বাবা কে সেটা নির্ধারন করার শত ব্যবস্থার পাশাপাশি নানান বাহ্যিক বৈশিষ্ট, মানবিক, সামাজিক দায়িত্ববোধ, দৃষ্টি দিয়েও বোঝা যায়। নানান কারনে বায়োলজিক্যাল বাবার বাইরে অন্য কারো কাছে বাবার স্নেহে অনেকে বড় হয় – সেক্ষেত্রে সেই বাবা কি আর বাবা থাকে না?
আমার প্রতিবেশি এক মেয়ে আছে। তার মা কয়েক বছর আগে তার বায়োলজিক্যাল বাবার সঙ্গে বিচ্ছেদ করে এখন এক বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে থাকে। জানেন তো আমি কামলা মানুষ, কাজ করে ভাত খাই, দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ ইনকামের ধান্দা – ইসলামী মোল্লাদের মতো ওয়াজ-নসিহত, ফেসবুক, ইউটিউব ফ্যান ফলোয়ার পেলে পুষে তো চলতে পারি না। মাঝে মাঝে খুব ভোরে যখন কাজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হই তখন দেখি ঐ মেয়েটিকে তার আসল বাবা নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে সে তার আসল বাবার বাসায় থাকে ১/২ দিন। আবার দেখি তার মায়ের বয়ফ্রেন্ড তার সমস্ত পুরানো আসবাব, খেলনা, জামাকাপড় ফেলে নতুন নতুন দামী জিনিসপত্র কিনে দিচ্ছে। এখন যদি এই মেয়ে নতুন এই পুরুষের কাছে বাবার স্নেহে বড় হয় তবে সেটাতে দোষের কি আছে? তার দোষ বা অযোগ্যতা কোথায়?
কত ছেলে-মেয়েই তো তাদের পালক বা দত্তক নেয়া বাবা-মায়ের কাছে বড় হয়। দেখা যায়, সেই বাবা-মায়েরা তাদের নিজ সন্তানের মতোই বড় করেন, সম্পদের ভাগ দেন। কিন্তু তাদের কেউ নবী মুহাম্মদের মতো ঘটনাক্রমে পালক পুত্রের বউয়ের উন্মুক্ত শরীর দেখে যৌনতাড়নায় কাতর হয়ে বিয়ে করে না। ইসলামে নিয়ম আছে পালিত কণ্যা বড় হয়ে গেলে সেই পালক পিতা সেই কণ্যাকে বিয়ে করতে পারে। ভাবতে পারেন, কত জঘন্য! এক বাবা একটি শিশু কণ্যাকে পিতৃস্নেহে মানুষ করলেন, পরে মেয়ে যখন একটু বড় হয়ে গেল – তখন সেই মেয়ের যৌবন দেখে তাকে বিয়ে করলেন সেই বাবা! কিন্তু ইসলাম এটা অনুমোদন দেয়। সূরা আজহাবের তাফসির দেখে নিবেন, হাদিস মানবেন না বলে পার পেতে পারবেন না, এটা কোরআন বলেছে। ইরানে এখনো এই নজির প্রচলিত। অনলাইনে সার্চ দিয়ে দেখবেন, পেয়ে যাবেন, আমার টাইমলাইনেও আছে – খুঁজে দেখবেন। ইরানের পার্লামেন্টও ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামের এই নীতিকে সম্মান জানিয়ে এক আইন পাশ করে যেখানে বলা হয় – কোন বাবা তার পালিত মেয়ের বয়স ১৩ হলে তাকে বিয়ে করতে পারবে! পেডোফিলিয়ার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, শুধু তাই নয় – এটা খুব বড় একটা নৈতিকতার প্রশ্ন।
বাবা-মা – সন্তানের মতো একটা পবিত্র সম্পর্ককে ইসলাম কলংকিত করেছে। পালিত বাবা-মা’কে বিয়ে! ছি ছি ছি ছি ছি, ইসলাম, তুমি এতো খারাপ? সভ্যতা নিরুৎসাহিত করলেও মামী, চাচি, খালু, ফুফা এমন সব সম্পর্ককে বিয়ে করতে অনুমোদন দিয়েছে ইসলাম। শ্বাশুড়িকেও বিয়ে করা যায় ইসলামে (স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম না হলে, ডিভোর্স দেয়ার পরে ) – অথচ আমার – আপনার কমন সেন্স ও সামাজিকতা সেটা অনুমোদন দেয় না, শ্বাশুড়িকে তো মায়ের মতোই দেখি আমরা। ইসলাম কাজিনদের বিয়ের অনুমোদন দিয়ে বসে আছে – যেখানে আধুনিক বিজ্ঞান কাজিনদের মধ্যে বিয়ে হওয়াকে নিরুৎসাহিত করে। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে বিবাহের ফলে সন্তানের মধ্যে recessive genetic disorders-এর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গেছে কাজিন বিবাহ থেকে জন্মানো শিশুদের মধ্যে জন্মগত ত্রুটির হার দ্বিগুণ। মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে, যেখানে কাজিন বিবাহের হার ৩০-৫০%, সেখানে জেনেটিক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনক। আধুনিক বিজ্ঞান ও মানুষের সভ্যতার নিরিখে যদি এসব বিবেচনা করেন তবে দেখবেন ইসলাম খুবই মধ্যযুগীয় একটি ব্যবস্থা।
দুঃখের বিষয় হলো, আপনাদের মতো আবালেরা আবার সমাজের সংখ্যাগরিষ্ট। ‘জারজ’ নামে আপনারা একটা গালি বের করেছেন। আপনাদের এই তথাকথিত গালিতে আমাদের মতো সচেতন মানুষদের কিছু যায় আসে না, কিন্তু কত শত মানব প্রাণ ধ্বংস হয় সেই বোধ আপনাদের নেই। কোন কারনে বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কের ফলে সন্তান গর্ভে আসলে অনেক সময় দেখা যায় সোস্যাল শেইমিং এর ভয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করে, না হলে শিশুটিকে গর্ভপাত করে ফেলে দেয়, জন্মের পরেও হত্যা করে শিশুকে, অনেক সময় হাসপাতালে ফেলে আসে শিশুটি। রাস্তাঘাটে, বনে-বাঁদাড়ে কত শিশু শিয়াল-কুকুরের খাদ্য হয়, কতজন টয়লেটের ফ্ল্যাশের সঙ্গে ভেসে যায়। রাস্তায়, ডাস্তবিনে কত শিশুকে খুঁজে পাওয়া যায় প্রতিবছর, হিসাব রাখেন? আপনাদের মতো ধর্মান্ধ জঙ্গিদের নেতৃত্বে যে সমাজ একটি সত্যজাত শিশুকে নাম দিয়েছে ‘জারজ’ সেই সমাজই বরং ‘জারজ।’ প্রতিটি মানব শিশুই বৈধ – মা/বাবা দায়িত্ব না নিতে পারলে সেই শিশুর দায়িত্ব নিবে রাষ্ট্র, বিশ্ব – সেটাই সভ্যতা। ইসলাম আপনাদের মগজে কত অসভ্যতার বীজ পুঁতে রেখেছে – সেই কান্ডজ্ঞান আপনাদের নেই।
আপনাদের মতো পটেনশিয়াল জঙ্গিরা সমাজের জন্য ক্যান্সার, আপনারা শত শত দূর্ভোগ তৈরি করেন, হাজার হাজার মানুষ হত্যার জন্য দায় আপনাদের। আপনারা যাদের পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাদের সঠিক পিতৃপরিচয় জানা না থাকলেও তারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর না। দুনিয়ায় প্রত্যেক মানব শিশুর জন্ম একটা সেলিব্রেশান, সে পতিতার ঘরে জন্মাক আর রাজপ্রাসাদে। মানুষ হিসাবে সে দুনিয়ার অন্য সবার মতোই নায্য মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রাখে। আপনাদের মতো নর্দমার কীটরা মানুষের সেই মর্যাদা দিতে চান না, আবার দাবী করেন ইসলামে জাত-পাত নেই! ভয়ংকর নিম্ফোম্যানিয়াক, পেডোফাইলের অনুসারী রেসিস্টরা দাবী করে তাদের ধর্মে জাত-পাতের ভেদাভেদ নেই। ধরনী দ্বিধা হও।
আপনাদের প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ কেন নিবে মানুষ? আমরা তো মানুষ, আপনাদের মতো জঙ্গি, জন্তু, জানোয়ার না। আমরা মুক্তমত, মতামতকে গুরুত্ব দেই। দেখেন না, আমাকে গালি দিলেও, তুই-তুকারি করলেও আপনাদের সঙ্গে ভদ্র ভাষায়ই কথা বলি। আমাদের বাবারা কি তাদের সম্পদ থেকে আমাদের বঞ্চিত করে রাখে যে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমান করতে হবে আমার বায়োলজিক্যাল বাবা কে? আপনি কে? আপনার পরিচয় কী? আমাকে কি আপনাদের স্তরের মনে হয়? মানবিক, সামাজিক, গুণগত মানে কি আপনারা আমাদের সমমানের? আপনাদের এই সমস্ত উদ্ভট, ১৪০০ বছরের চ্যালেঞ্জ কেন আমরা আমলে নিবো? আমি হিউম্যানিস্ট হলেও আমার বাবা-মা দুজনই খুবই ধার্মিক মানুষ, তারা ইসলাম অন্তঃপ্রান, কিন্তু কারো জন্য হার্মফুল না। রেডিক্যাল ইসলাম বা মূল ইসলামের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়নি বলে তারা ধর্মকে তাদের প্রাত্যহিক জীবনে সীমাবদ্ধ রেখেছে। কিন্তু আপনারা কোন বালস্য বাল, যে আপনাদের কাছে আমার জন্ম পরিচয় দিতে হবে? চিন্তা করবেন না, ইসলামের নৈতিকতার নিম্ন মানের চেয়ে আমাদের নৈতিকতার মান অনেক উঁচুতে। আমাদের জন্ম পরিচয়, নৈতিকতার মান নিয়ে আপনাদের ভাবতে হবে না – আপনারা নতুন ত্যানা তৈরিতে মনোযোগ দিন।
Related Posts

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism
19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার
১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups
In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed