Islam
Islam’s Hostility Toward Women

Islam’s Hostility Toward Women

ইসলামে নারীর প্রতি বৈষ্যম্য, ঘৃনা, অবমাননা, অমানবিকতা, সম্পর্কিত বিধানসমূহ

কুরআনে নারীর প্রতি ইসলামের বৈষ্যম্য ও অমানবিকতা –

উত্তরাধিকারে ছেলে মেয়ের দ্বিগুণ পায়। [৪ঃ১১]
সাক্ষ্যে দুই নারীর সাক্ষ্য এক পুরুষের সমান। [২ঃ২৮২]
কিছু ক্ষেত্রে নারীর সাক্ষ গ্রহনই করা হয় না। [৪ঃ১৫]
পুরুষের একাধিক বিয়ে করার অনুমতি আছে। [৪ঃ৩]
নারী হচ্ছে পুরুষের শস্যক্ষেত্র, পুরুষ যেভাবে চায় সেখানে গমন করতে পারে। [২ঃ২২৩]
কুরানের লেখক মনে করতেন মানুষ মানে শুধু পুরুষ, এবং নারীকে তার জন্য সুশোভিত করা হয়েছে, নারী তার জন্য ভোগ্যসামগ্রী। [৩ঃ১৪]
নারীকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য পুরুষের বিনোদন এবং অবসন্নতা কাটাবার প্রয়োজনে। [৭ঃ১৮৯]
পুরুষ তার স্ত্রীকে শরীরের হাড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত যতো ইচ্ছা প্রহার করতে পারে। [৪ঃ৩৪]
স্বামী তালাক দিয়ে সেই স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করতে হলে স্ত্রীকে অবমাননাকর হিল্লা (তাহলিল) বিয়ে দিতে হয়। [২ঃ২৩০]
নারীদের অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দেয়া যায় ও তাদের সঙ্গে সঙ্গমও করা যায়। [৬৫ঃ৪, ৩৩ঃ৪৯]
নারীদের অন্য পুরুষদের সঙ্গে কর্কশ ভাষায় কথা বলতে হবে। [৩৩ঃ৩২]
নারীদের সর্বদা গৃহ অভ্যন্তরে অবস্থান করতে হবে ও সৌন্দর্য প্রদর্শন করা যাবে না। [৩৩ঃ৩৩]
নারীদের যৌনদাসী করে ধর্ষণ করার মতো অবমাননাকর পদ্ধতি ইসলামে হালাল। [৭০ঃ২৯, ৭০ঃ৩০, ৩৩ঃ৫০]

অসংখ্য হাদিসে নারীদের অবজ্ঞা, অসম্মানিত, ভয়াবহ বৈষ্যম্যের শিকার করা হয়েছে ইসলামে-

বলা হয় যে কন্যাশিশুদের জীবন্ত কবর দেয়া হতো, যারা ছিল নিষ্পাপ ও নৃশংসতার শিকার – তারাও নাকি জাহান্নামী! [সুনান আবূ দাউদ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৪৬৪২]
নারীদের জ্ঞান, বুদ্ধি পুরুষের থেকে কম, তাদের জ্ঞান, বুদ্ধিতে ত্রুটি আছে। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ১৪৫]
ইসলামে নারীদের নেতৃত্ব দেয়ার কোন সুযোগ নেই। [সহীহ বুখারী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৬৬১৮, সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) – ২২৬২]
নারীদের বিচারক, মন্ত্রী এমন দায়িত্বও দেয়া যাবে না। [Jumaadaa Al-Oula 13, 1428]
নারীই নাকি মানুষের সকল দূর্দশার কারন! [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৩৩৩০]
নারী পুরুষের জন্য সবচেয়ে বিপর্জয়কর, ফিতনা সৃষ্টিকারী! [সুনান ইবনু মাজাহ – তাওহীদ পাবঃ – ৩৯৯৮]
নারী পুরুষের জন্য দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৩৫১২]
নারীরা বাঁকা, তাদের সোজা করা অসম্ভব, তাই কৌশলে বা ছলনা করেই উদ্দেশ্য হাসিল করতে হবে। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৩৫১৩]
নারীরা পশুর মতো অশুভ, পুরুষের জন্য অমঙ্গল, সন্তানহীন হওয়া ও গৃহ অশান্তির জন্য নারী দায়ী। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৬৭৫৩]
নারীরা ঘোড়ার মত, তারা অশুভ। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৫৬১৩]
নারী কালো কুকুর সমতূল্য শয়তান, যার কারনে পুরুষের সালাত নষ্ট হয়। [সুনান ইবনু মাজাহ – তাওহীদ পাবঃ – ৯৫২]
তিনজন ছাড়া অন্য সকল নারী পূর্ণাঙ্গ না। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৩৪৩৩]
অধিক নারীকে বিয়ে করা পুরুষ শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি। [সহীহ বুখারী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৪৭০৩]
ইসলাম নারীদের খৎনা করে ভগাংকুর কেটে দিতে বলে। [সুনান আবূ দাউদ – আলবানী একাডেমী – ৫২৭১]
স্ত্রীদের প্রহার করে ক্ষতিগ্রস্থ করলে সেটা খারাপ কাজ, তবে তার জন্য পুরুষের কোন শাস্তি নেই। [সুনান ইবনু মাজাহ – তাওহীদ পাবঃ – ১৯৮৫]
নারীদের প্রহার করার ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রশ্ন করবে না। [আবু দাউদ , বই নং- ১১, হাদিস -২১৪২]
প্রহারে হাড্ডি ভেঙ্গে দিলেও পুরুষ শাস্তি পাবে না। [সুনান আবু দাউদ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ২২২২]
নারীদের গোলামের মতো মারতে নিষেধ করা হয়, কারন এতে তারা রাতে সঙ্গম করতে দিবে না। [মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) – ৩২৪২]
স্ত্রীদের মারপিঠ করার পরেও দুনিয়াতে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া যায়, যেমন যুবায়র ইবনে আওয়াম। [সুনান আবু দাউদ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৪৫৭৭]
স্ত্রীকে পরপুরুষের সঙ্গে দেখলে তাকে হত্যা করা যায়। [সহীহ মুসলিম – হাদীস একাডেমী – ৩৬৫৫, ২৬৫৬]
জাহান্নামে নারীদের সংখ্যা বেশি। [সহীহ বুখারী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ২৮]
স্ত্রী হলো স্বামীর বাঁদী, স্বামী তার মালিক। [ইমাম গাজ্জালী – এহইয়াউ উলুমিদ্দীন – দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা ২৯৬-৩০১]
স্বামী স্ত্রীদের সিজদা পাওয়ার যোগ্য। [মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) – ৩২৫৫, ৩২৬৬]
স্ত্রী যে অবস্থায়ই থাক স্বামী চাইলেই তাকে সঙ্গম করতে দিতে হবে। [সহীহ মুসলিম – হাদীস একাডেমী – ৩৪৩৩]
উঠের পিঠে থাকলেও স্বামী চাইলে স্ত্রী সঙ্গম করতে দিতে বাধ্য। [সুনান ইবনু মাজাহ – তাওহীদ পাবঃ – ১৮৫৩]
সঙ্গমের জন্য স্ত্রীর ইচ্ছা, অনিচ্ছা, সম্মতির কোন স্থান নেই। [সুনান আবূ দাউদ – আলবানী একাডেমী – ২১৬৪]
স্বামী দেনমোহর দিয়ে স্ত্রীর ভ্যাজাইনা কিনে নেন। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৩৬১০]
নারীদের নিজের পছন্দে স্বেচ্ছায় বিয়ের অধিকার নেই। [মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) – ৩১৩৭]
স্বামী হুকুম না দিলে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার কোন অধিকার নেই। [মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) – ৩২৭৯]
তালাকপ্রাপ্তা নারী কোন খোরপোষ পাবে না। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৫৩২৩]
স্বামী মারা গেলে স্ত্রী ইদ্দত পালন ও শোক পালন করবে, কিন্তু স্ত্রী মারা গেলে স্বামীকে শোক পালন করতে হয় না, স্বামী চাইলে পরদিন বিয়ে করতে পারে। [ইসলামকিউএ ফতওয়া ২০/৪৭৯]
সুগন্ধি ব্যবহার করা নারীরা বেশ্যা। [হাদীস সম্ভার (ওয়াহীদিয়া) – ২৬৫৯, ২৬৬১]
নারীদের সাজগোজ করা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হারাম। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৫৩৮৮]
সন্তান জন্মদানে অক্ষম বন্ধ্যা নারীকে বিয়ে করতে ইসলাম নিরুৎসাহিত করে। [সুনান আন-নাসায়ী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৩২৩০]
ইসলাম অল্পবয়সী কুমারী মেয়েদের বিয়ে করার জন্য পুরুষদের পরামর্শ দেয়। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৫০৮০]
ইসলাম বিধবা নারীদের সঙ্গে বৈষ্যমের নির্দেশনা দিয়েছে। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৫২১৩]
ইসলাম মনে করে কুমারী মেয়েদের যোনীপথ উষ্ণ থাকে। [হাদীস সম্ভার (ওয়াহীদিয়া) – ২৫৫৮]
কুমারী মেয়েদের ইসলাম মনে করে না খাওয়া মাল। [সহীহ বুখারী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৪৭১০]
পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে। [সহীহ মুসলিম – হাদীস একাডেমী – ৩৩৭০]
নারীদের রাস্তার মাঝখান দিয়ে চলাচল নিষেধ ও ধার দিয়ে চলাচল করতে হবে, এতে কাপড় ও শরীর ছিঁড়ে গেলে যাবে। [সুনান আবূ দাউদ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৫১৮২]
স্ত্রীদের চেয়ে স্বামীর জন্য হুরেরা অধিক মূল্যবান, হুরেরা স্ত্রীকে অভিশাপ দেয়। [মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) – ৩২৫৮]
ইসলামে নারীদের গণিমতের মাল হিসাবে যৌনদাসী করে রাখার মতো ঘৃন্য প্রথার প্রতি সমর্থন আছে। [সহীহ মুসলিম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ৩৪৭৭]
ইসলামে যুদ্ধবন্ধী নারীদের যৌনদাসী হিসাবে উপহার দেয়া যায়, নবী মুহাম্মদ তার মেয়ের স্বামীকে যৌনদাসী দিয়েছিলেন সঙ্গম করার জন্য। [সহীহ বুখারী – তাওহীদ পাবঃ – ৪৩৫০]
ইসলামে নারীদের যৌনদাসী হিসাবে বিক্রয় করা বৈধ। [সহীহ বুখারী – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ২০৮৮]
পুরুষ কোন নারীকে ধর্ষণ করলে দেনমোহর দিয়ে ফয়সালা করে ফেলতে পারে। [মুয়াত্তা মালিক – ইসলামিক ফাউন্ডেশন – ১৪৩৫]
স্ত্রী স্বামীর কথার অবাধ্য হতে পারবে না। [হাদীস সম্ভার (ওয়াহীদিয়া) – ২৫৪৬]

এছাড়াও আরো অসংখ্য আয়াত, হাদিস আছে যেখানে নারীদের সরাসরি বৈষ্যম্যের শিকার করা হয়েছে। অনেক ফতওয়াও আছে এ ব্যাপারে। ইসলামিক স্কলারদের একাধিক বক্তব্য আছে নারীদের অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করে। কিন্তু হুজুরদের তো আর দোষ দেয়ার উপায় নেই, কারন তারা তাই বলেন, ইসলামে যেভাবে বলা আছে।

https://facebook.com/reel/3701031773287913



https://facebook.com/reel/3514825938575165



https://youtu.be/wG0cVEbiNTY



https://facebook.com/reel/947058001075882

Related Posts

Morality without Religion

The Birth of Conscience: How Humans Became Moral Without Allah or Religion

It was almost seventy-five thousand years ago. A group of Neanderthals lived in the ShanidarRead More

Morality without Religion

বিবেকের জন্মঃ আল্লাহ ও ধর্ম ছাড়াই মানুষ কীভাবে নৈতিক হয়ে উঠল?

প্রায় পঁচাত্তর হাজার বছর আগের কথা। ইরাকের শানিদার গুহায় বাস করত এক দল নিয়ান্ডারথাল। সেইRead More

Islam and Pedophilias

Why Do People Become Pedophiles? Why and How Does Islam Support Pedophilia and Severe Child Abuse?

The news that an 11-year-old child in a madrasa in Madan Upazila of Netrokona becameRead More

Comments are Closed