Islam
Islam permits sex with children

Islam permits sex with children

ইসলামে শিশু বিবাহ ও শিশুদের সঙ্গে, বিশেষ করে কন্যা শিশুদের সঙ্গে যৌনতাও জায়েজ

ইসলামে ছেলে–মেয়েদের বিয়ের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। ইসলামের নবী মোহাম্মদই তার বন্ধু আবু বকরের শিশু–কন্যা আয়েশাকে যখন বিয়ে করেন তখন আয়েশার বয়স ছিল ৬ বছর, নবীর বয়স ছিল ৫৩ বছর। আয়েশার যখন ৯ বছর বয়স হয় তখন তাদের বাসর হয়। অনেক মডারেট ইসলামিস্ট ইসলাম ও নবীর ইজ্জত রক্ষার জন্য ত্যানা–প্যাঁচিয়ে দেখানোর চেষ্টা করে—আয়েশার বয়স বেশি ছিল, আরবের আবহাওয়ায় আয়েশা সাবালিকা হয়ে গিয়েছিল—হ্যান, ত্যান। নিরেট সত্য হলো—ইসলামে শিশু–বিবাহ জায়েজ এবং শিশুদের সঙ্গে সহবাসও জায়েজ। এখানে যদি, কিন্তু, তবে, শর্তযুক্ত এসব বলা মাত্রই আপনি কাফের হয়ে যাবেন।

ইসলাম এমন এক ধর্ম যার ঈমান, আকীদা, বিশ্বাস, বক্তব্য নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ করার কোনো অবকাশ নেই। কেউ যদি ইসলামের কোনো বিষয়ে একটুও সন্দেহ করে বা বলে তবে তিনি কাফের হয়ে যাবেন। আপনি নামাজ না করলে হবেন ফাসেক, কিন্তু যদি বলেন ইসলাম এটা বলেনি, ওটা ভুল বলেছে তবে হয়ে যাবেন কাফের। সহিহ হাদিস অস্বীকার করলেও আপনি কাফের হয়ে যাবেন—এ বিষয়ে সমস্ত ইসলামিক বিশেষজ্ঞরা একমত।

পাকিস্তানের এই ইমাম সাব ইতালিতে যা বলেছেন, তা ইসলামের আলোকে বলেছেন। কিন্তু সভ্য দেশের আইন তো ইসলামের এই সমস্ত বাল–ছাল ১৪০০ বছর আগের অমানবিক, মানবাধিকার–পরিপন্থী, অবৈজ্ঞানিক আইন–কানুন মানবে না। ওসব দেশে থাকতে হলে ইসলামের চেয়ে তাদের সংবিধান, আইন, রীতি–রেওয়াজকে প্রাধান্য দিতে হবে। আর বিষয়টা যখন হয়ে দাঁড়ায় কোনো শিশুর নিরাপত্তা, অধিকার, সুরক্ষার বিষয়ে—তখন সেটা আর ঐ নির্দিষ্ট দেশের বিষয় থাকে না। তখন সেটা হয়ে যায় সার্বজনীন, সমগ্র মানবগোষ্ঠীর কর্তব্য—সবার আগে শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা, সুরক্ষা, মানবাধিকার, মর্যাদা নিশ্চিত করা। ইসলাম, তার নবী, নবীর আল্লাহ কী বললো তাতে কিছুই যায় আসে না।

আপনাদের তো আবার ত্যানার অভাব নেই। খাঁড়ার ওপরেও বলে দেবেন—এসব মিথ্যা। সহিহ ইসলামের সোর্স ও মুফতির বক্তব্য দিলাম।

ইসলামের কোনো আকীদা নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ বা প্রশ্ন করলে আপনি কি আর মুসলমান থাকবেন? দেখুন মুফতি কী বলে—youtu.be/pDDfXrI4UjA

ইসলামে শিশু–বিবাহ তো বৈধ বটেই, একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে সহবাসও বৈধ। এজন্য আপনাকে কোরআনের দুইটা আয়াত দেখতে হবে। একটা দেখে বুঝতে পারবেন না। ৩৩:৪৯ — hadithbd.com/quran/link/?id=3582 এবং ৬৫:৪ — hadithbd.com/quran/link/?id=5221 মিলিয়ে পড়তে হবে। কী বোঝা গেল? সহবাসের পূর্বেই তালাক হয়ে গেলে ইদ্দত পালনের দরকার নেই, আবার যাদের পিরিয়ড এখনো হয়নি তাদের ক্ষেত্রেও ইদ্দত তিন মাস! মানে যারা নাবালিকা তাদের সঙ্গে সহবাস হলে ইদ্দত হবে তিন মাস। বুঝতে না পারলে প্রখ্যাত তাফসিরকারকদের ব্যাখ্যা দেখে নেবেন।

ছোট শিশুদের যে বিয়ে দেওয়া বৈধ, এবং বিয়ের সময় আয়েশার বয়স কত ছিল সে সম্পর্কে সহিহ হাদিস দেখুন—hadithbd.com/hadith/link/?id=29696

আগেই বলেছি, ইসলামের কোনো বিষয়ে সন্দেহ করলে আপনি মুসলমানই থাকবেন না। সেজন্য ইসলাম যে বলেছে শিশু–বিবাহ বৈধ এবং শুধু বৈধ বলেই থেমে থাকেনি, তাদের সঙ্গে সহবাস করারও বৈধতা দিয়েছে ইসলাম – আপনি এগুলো নিয়ে সন্দেহ করলে আর মুসলিমই থাকবেন না। এখন আপনাদের মনোনিবেশ করা উচিত সেই ত্যানাগুলো আবিষ্কারে যেখানে আপনারা যুক্তি (পড়ুন কুযুক্তি) দেখাতে পারবেন যে শিশু–বিবাহ ও তাদের সঙ্গে—বিশেষ করে কন্যা–শিশুদের সঙ্গে সহবাস করাও কল্যাণকর ও বৈজ্ঞানিক।

আপনি কি বলছেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামের প্রখ্যাত স্কলার, কোরআনের তাফসিরকারকেরা কী বলছেন সেটা। প্রখ্যাত তাফসিরগ্রন্থ ‘তাফহীমুল কুরআন’-এ সূরা আত–তালাকের ১৩ নম্বর পয়েন্টে সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী স্পষ্টভাবে বলেছেন, শিশুদের সঙ্গে বিয়ে এবং সহবাস পুরোপুরি বৈধ—

… সুতরাং যেসব মেয়েদের এখনো ঋতুস্রাব শুরু হয়নি তাদের ইদ্দত বর্ণনা করা স্পষ্টত এ কথাই প্রমাণ করে যে, এ বয়সে মেয়েদের বিয়ে শুধু জায়েজই নয়, বরং তার সাথে স্বামীর নির্জনবাস এবং মেলামেশাও জায়েজ। এখন একথা স্পষ্ট যে, কুরআন যে জিনিসকে জায়েজ বলে ঘোষণা করেছে তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করার অধিকার কোনো মুসলমানের নেই।
— ১৩. amartafheem.com/surah/65/tafseer

এটাই ইসলামের কথা—আপনি মানেন বা না মানেন সেটা ভিন্ন বিষয়, কিন্তু আপনি এটা বলতে পারেন না—ইসলামে এসব নেই। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতিরাও এ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—
islamqa.info/en/answers/44990/the-reason-why-the-prophet-(peace-and-blessings-of-allah-be-upon-him)-married-aaishah-despite-the-age-difference

যদি বলেন, ঐ যুগে এসব সামাজিক প্রথা ছিল, তাহলে এটাও মেনে নিন—ইসলাম ও নবী মোহাম্মদ শুধু ঐ যুগের জন্য প্রযোজ্য, এখন ইসলাম ও নবী মোহাম্মদের সব কিছু মানা যাবে না। মনে রাখবেন, একথা বলা মাত্রই আপনি কাফের, মুরতাদ হয়ে গেলেন। ইসলামে মুরতাদের শাস্তি কী সেটা জেনে নিন। ইসলাম কিন্তু এডিট করা যায় না, এডিট করতে চাওয়া মাত্রই আপনি মুরতাদ। নবী মোহাম্মদের কোনো কিছু নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ পোষণ করলেও আপনি হবেন শাতিমে রাসূল—শাতিমে রাসূলের শাস্তি জানেন তো? তাদের কিন্তু কোনো ক্ষমা নেই, অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইলেও তারা সেই চূড়ান্ত শাস্তি এড়াতে পারবেন না। ইসলামে ঢোকার ১০১ টা পথ আছে, কিন্তু ইসলাম থেকে বের হওয়ার কোন পথ কিন্তু খোলা নেই, সেখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করবে নির্মম মৃত্যু!

সুতরাং, ইসলামে শিশু–বিবাহ ও শিশুদের সঙ্গে সহবাস পরিপূর্ণ জায়েজ—তাও কোরআন অনুযায়ী, সহিহ হাদিস তো আছেই। ফুলস্টপ। এখন এর পরে যুক্তি – তথা ত্যানা আবিষ্কার করুন — কেন শিশু–বিবাহ ও তাদের সঙ্গে সহবাসকে জাস্টিফায়েড দেখাবেন।

Related Posts

The Inhumanity of Islam

Teen girl imprisoned by the Taliban for refusing to marry a 70‑year‑old man! What the Taliban are doing – that is exactly Islam!

A 14-year-old girl named Bibi Sediqa in Afghanistan has been kept imprisoned and tortured forRead More

The Inhumanity of Islam

৭০ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে না করায় তালেবানের কারাগারে কিশোরী! তালেবান যা করছে সেগুলোই ইসলাম!

৭০ বছর বয়সি এক প্রভাবশালী তালেবান কমান্ডারকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় আফগানিস্তানে বিবি সেদিকাRead More

Is the Quran Universal?

Did Prophet Muhammad Instruct People to Expose Themselves to Rainwater? Is the Claim of Universality Made by the Qur’an and Hadith Flawed?

A hadith in Sahih Muslim (Hadith Academy: 1968) narrates that Anas (RA) said: During aRead More

Comments are Closed