
Does Black Magic Work?
আধ্যাত্মিক শক্তি, তন্ত্র-মন্ত্র, কালো জাদু, শয়তানের পুজা, জিন-ভূত, রুকাইয়া – ইসলামের কুসংস্কারের ডিব্বা
তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি, গ্রীষ্মের ছুটিতে কিছুদিন স্কুল বন্ধ ছিল। জয়পুরহাটের কালাইয়ের এক প্রত্যন্ত গ্রামের কাহিনী এটা। এক সন্ধ্যায় হঠাৎ উঠানে হইচই শুরু হলো। প্রতিবেশী কিশোরী রিনা আপা বাঁশঝাড়ের ধার থেকে ফিরে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। চুল খোলা, চোখ উল্টে গেছে, শরীর কাঁপছে। গলার স্বর বদলে গেছে, সে ভারী গলায় বলছে, “আমি ছাড়ব না!” উনি কয়েকদিন ধরেই এমনটা করছেন।
গ্রামের মানুষ জড়ো হয়ে গেল। কেউ বলল, “বাঁশঝাড়ে জিনে ধরেছে।” কেউ বলল, “কারও কালো জাদু।” খবর গেল পাশের গ্রামের রাজ্জাক হুজুরের কাছে, উনি এলাকার মস্ত বড় তান্ত্রিক, দু-দশ গ্রামে তার অনেক নামডাক। রাত নামতে নামতে হুজুর এলেন, সঙ্গে তার দুই সাগরেদ। লোবানের ধোঁয়া, শুকনো মরিচ পোড়ানো, ঝাড়ু দিয়ে পিটুনি, আর চিৎকার করে মন্ত্র। রিনা আপা কাঁদছে, চেঁচাচ্ছে, মাঝে মাঝে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে। আমি দরজার আড়াল থেকে ভয়ে কাঠ হয়ে দেখছিলাম। শেষে হুজুর ঘোষণা করলেন, “জিন নামানো হয়েছে, তবে দরগায় সাদকা দেয়া লাগবে।” পরিবারটির হাতে নগদ টাকা না থাকায় তাদের একমাত্র ছাগলটা দিয়ে দিলো হুজুরকে।
পরদিন রিনা আপা স্বাভাবিক হয়ে গেল। সবাই বলল, ওঝার মন্ত্রের জোর। কিন্তু অনেক পরে জানলাম, ওই ঘটনার কয়েক দিন আগেই তার অমতে বিয়ের কথা পাকা হয়েছিল, আর তার ঐ বিয়েতে মত ছিল না, উনার পছন্দের এক ছেলে ছিল। “জিন নামানোর” পর বিয়েটা কিছুদিনের জন্য স্থগিত হয়েছিল, একপর্যায়ে পাত্রপক্ষ মেয়ের উপর জিন ভর করেছে বলে বিয়েটা ভেঙ্গে দিয়েছিল। তখন থেকেই আমার মনে প্রশ্নটা ঘুরছেঃ সেদিন আসলে কী নেমেছিল, আর কী উঠেছিল?
আমি যখন ছোট তখন ঝিনাইদহ ও মাগুরায় দুইজন লোক (একজন সম্ভবত আনসার) মানুষকে তেল পড়া দিতো। আমাদের এলাকা থেকে লোকজন বাস রিজার্ভ করে মাঝরাতে রওনা দিতো সেই তেলপড়া নিতে। লোকজন রাস্তার দুইপাশে তেল নিয়ে দাড়িয়ে থাকতেন আর কবিরাজ বিড়বিড় করতে করতে মাঝ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতেন। সেই তেলে নাকি মানুষের রোগ সারতো!
আরো কত কত তন্ত্র-মন্ত্র, জাদু, টোনা, বানের গল্প বাংলাদেশের আনাচে কানাচে আছে। অনেক বিজ্ঞানের বিষয়ে পড়াশুনা করা লোকজন যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও এগুলো বিশ্বাস করে বসে থাকেন। কোরআন, হাদিসে অনেক জায়গায় জিন, ভূত, জাদু, টোনা, বান, কালো জাদুর কথা আছে। নবী মুহাম্মদও এসব বিশ্বাস করতেন, তাকেও নাকি জাদু করা হয়েছিল! যেহেতু কোরআন, হাদিসে আছে, মুহাম্মদ বলেছেন সেহেতু মুমিন ভাইরা এই সমস্ত কুসংস্কারকে সত্য হিসাবে ধরে নেন।
তন্ত্রমন্ত্র, কালো জাদু ও শয়তানের পূজাঃ কাজ করে কি?
সোজা উত্তর হলো, এসবের কার্যকারিতার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কেউ কাউকে মন্ত্র পড়ে অসুস্থ করেছে, ধ্বংস করেছে বা বশ করেছে, নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় এমন কিছু কখনো দেখানো হয়নি। বিজ্ঞানে দাবি প্রমান করার দায় দাবিদারের। যে বলে মন্ত্রে শক্তি আছে, তাকেই প্রমাণ দিতে হয়। অথচ বহু দেশে বহু বছর ধরে “অলৌকিক ক্ষমতা” প্রমাণের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে, আর কেউ তা জিততে পারেনি।
‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’ (Science and Rationalists’ Association of India)-র একটি সুপরিচিত খোলা চ্যালেঞ্জ ও আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জের জন্য ঘোষিত অর্থ বা পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লাখ ভারতীয় টাকা (₹৫০,০০,০০,০০০ / 50 Lakh INR)। (উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে এই চ্যালেঞ্জের পুরস্কার মূল্য প্রথম যখন শুরু হয়েছিল তখন ছিল ২০,০০০ টাকা, যা সময়ে সময়ে বেড়ে ১ লাখ, ৫ লাখ, ২৫ লাখ এবং পরবর্তীতে ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়।) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত প্রবীর ঘোষ আলৌকিকতা বা ভণ্ডামি প্রমাণের বিরুদ্ধে এই খোলা চ্যালেঞ্জের সূচনা করেছিলেন।
- কাদের জন্য: যেকোনো সাধু, তান্ত্রিক, জ্যোতিষী, অলৌকিক ক্ষমতাদার দাবিদার বা গণক যিনি দাবি করেন যে তাঁর কাছে বিশেষ কোনো অলৌকিক, ঈশ্বর প্রদত্ত বা ভৌতিক ক্ষমতা রয়েছে।
- শর্ত: দাবিদারকে নিয়ন্ত্রিত এবং বৈজ্ঞানিক পরিবেশে (Controlled conditions) যুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানীদের সামনে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা বা অলৌকিক ঘটনাটি সত্য হিসেবে প্রমাণ করে দেখাতে হবে।
- ফলাফল: যদি কেউ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে অলৌকিক কোনো ক্ষমতা প্রমাণ করতে পারেন, তবে তাঁকে সমিতি তৎক্ষণাৎ এই ৫০ লাখ টাকার নগদ পুরস্কার প্রদান করবে।
আজ পর্যন্ত বিশ্বের কোনো তান্ত্রিক, জ্যোতিষী বা অলৌকিক ক্ষমতার দাবিদার সমিতি বা বৈজ্ঞানিক প্যানেলের সামনে তাঁদের দাবি সত্য প্রমাণ করে এই পুরস্কারের অর্থ দাবি করতে পারেননি।
তাহলে কিছু মানুষ এসব তন্ত্র-মন্ত্র, জাদুতে “ফল” দেখে কেন?
এর কয়েকটি মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে।
- নোসিবো ও প্লাসিবো প্রভাব: কেউ যদি বিশ্বাস করে তাকে কালো জাদু করা হয়েছে, সেই ভয়ই তার ঘুম নষ্ট করে, রক্তচাপ বাড়ায়, পেটে ব্যথা ও মাথাব্যথা ধরায়। শরীর সত্যিই খারাপ হয়, কিন্তু কারণ মন্ত্র নয়, ভয়। উল্টোদিকে, ঝাড়ফুঁকের পর “ভালো লাগা”ও বিশ্বাসের প্রভাব।
- নির্বাচিত স্মৃতি (confirmation bias): দশটা ঘটনার একটা মিলে গেলে সেটাই মনে থাকে, বাকি নয়টা ভুলে যাই। জ্যোতিষী ও কবিরাজের ব্যবসা এই দুর্বলতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
- সময়ের কাকতালীয়তা: বেশির ভাগ অসুখ নিজে নিজেই সেরে যায়। সুস্থ হওয়ার ঠিক আগের কাজটিকেই আমরা কারণ ভাবি।
- তথাকথিত “শয়তানের পূজা”: এটি মূলত একটি সাংস্কৃতিক ও প্রতীকী চর্চা। বিশ্বজুড়ে এর অনুসারীদের বড় অংশ আসলে শয়তানে আক্ষরিক বিশ্বাসই করে না। এর কোনো অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা প্রমাণিত হয়নি।
রুকইয়াহ ও শরীরের প্রতিক্রিয়াঃ কেন হয়?
রুকইয়াহর সময় অনেকেই কাঁদে, চিৎকার করে, কাঁপে, অজ্ঞান হয়, গলার স্বর পাল্টে ফেলে। এসব ঘটনা বাস্তব, মানুষ বানিয়ে বলছে না। কিন্তু এর ব্যাখ্যা মনোবিজ্ঞানে পাওয়া যায়, এবং হ্যাঁ, এর পেছনে মানসিক চাপ বড় ভূমিকা রাখে।
১. বিচ্ছিন্নতা বা ডিসোসিয়েশন (dissociation)
তীব্র মানসিক চাপে মস্তিষ্ক কখনো কখনো নিজের পরিচয় ও চেতনা থেকে সাময়িক “বিচ্ছিন্ন” হয়ে যায়। আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের DSM-৫-এ “ডিসোসিয়েটিভ ট্রান্স” ও “পজেশন-ফর্ম” ডিসঅর্ডার স্বীকৃত। অর্থাৎ ব্যক্তি সত্যিই অনুভব করে, তার ভেতর “অন্য কেউ” ঢুকেছে। এই “অন্য কেউ” কীভাবে আচরণ করবে, তা ঠিক করে ওই সমাজের বিশ্বাস। বাংলাদেশে সে “জিন” বা “ভর” হিসেবে আসে, পশ্চিমে এক সময় “ডেভিল পজেশন” হিসেবে আসত।
২. পরামর্শ ও প্রত্যাশা
রুকইয়াহর পরিবেশ নিজেই শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক উদ্দীপক: আধো অন্ধকার, উচ্চ স্বরে তিলাওয়াত, গোটা পরিবারের উৎকণ্ঠা, আর “প্রতিক্রিয়া হবেই” এমন প্রত্যাশা। মানুষ তখন অবচেতনে সেই “প্রতিক্রিয়া”ই দেখাতে শুরু করে যা সে আগে দেখেছে বা শুনেছে।
৩. দ্রুত শ্বাস ও শারীরিক কারণ
আবেগের চাপে হাইপারভেন্টিলেশন হলে রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইড কমে যায়। তাতে হাত-পা অবশ ও আড়ষ্ট হয়, ঝিমঝিম করে, মাথা ঘোরে, এমনকি অজ্ঞানও হওয়া যায়।
৪. সত্যিকারের অসুখ লুকিয়ে থাকতে পারে
মৃগী (epilepsy), স্কিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, তীব্র বিষণ্নতা, প্যানিক অ্যাটাক বা স্লিপ প্যারালাইসিসকে অনেক সময় “জিনের আসর” ভেবে ভুল করা হয়। এতে চিকিৎসা পিছিয়ে যায় এবং রোগ জটিল হয়।
৫. দলগত মনস্তাত্ত্বিক সংক্রমণ
বাংলাদেশের কিছু পোশাক কারখানায় একসঙ্গে অনেক নারী শ্রমিকের অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা বহুবার ঘটেছে, যার কিছু “ভূতের উপদ্রব” বলে প্রচারিত হয়েছিল। গবেষকরা এগুলোকে “মাস সাইকোজেনিক ইলনেস” (গণমনস্তাত্ত্বিক অসুস্থতা) হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। দীর্ঘ কাজের চাপ, ভয় ও গুজব মিলে একজনের উপসর্গ অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
ধর্ম, কুসংস্কার ও বিশ্বাসের ব্যবসা
এখানে একটি পার্থক্য স্পষ্ট করা দরকার। কুরআন তিলাওয়াত বা দুআ করে মনে শান্তি পাওয়া, কোনো মুমূর্ষু বা উদ্বিগ্ন মানুষের পাশে বসে প্রার্থনা করা ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানসিক সান্ত্বনার ব্যাপার। গবেষণাও দেখায়, প্রার্থনা ও ধ্যানের মতো চর্চা উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হতে পারে। জিন ও অদৃশ্যে বিশ্বাস ইমানের প্রশ্ন, যা বিজ্ঞান প্রমানের দায়িত্ব নেয় না, কারন বিজ্ঞান এগুলো দাবি করে না। যারা দাবি করেন, প্রমানের দায়িত্ব তাদের, যদিও এখনো এসব কিছুই প্রমানিত হয়নি কোথাও। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন এই বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেউ ব্যবসা ফাঁদে।
আমাদের সমাজে এমন চিত্র বিরল নয়ঃ
- পীর, ওঝা বা “হুজুর” তাবিজ, পানিপড়া ও ঝাড়ফুঁকের নামে টাকা আদায় করেন।
- ওই “চিকিৎসা”র নামে মারধর, শিকলে বাঁধা বা ভয় দেখানোর ঘটনা ঘটে। কখনো রোগীর মৃত্যুও হয়েছে।
- নারী ও কিশোরীদের নিঃসঙ্গ ঘরে “চিকিৎসা”র সুযোগ নিয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগও বারবার উঠে এসেছে।
- ডাক্তারের কাছে যাওয়ার বদলে মাসের পর মাস “ঝাড়ফুঁক” চলে, আর ক্যান্সার, মৃগী বা মানসিক রোগ ক্রমে বাড়ে।
এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। ইসলামের অনেক আলেম আবার গণক, জ্যোতিষী ও শিরকমিশ্রিত তাবিজ-তুমারের বিরোধিতা করেছেন এবং নিয়ম মেনে না চলা রুকইয়াহর ব্যবসাকে সমালোচনা করেছেন। ধর্মের নামে এই ভণ্ডামি অবশ্য ধর্মের বিভিন্ন উপাদানের কারনেই হয়। ইতিহাসে মুতাজিলাদের মতো যুক্তিবাদী ধারা জিনের ভর করার ধারণা নিয়ে সন্দিহান ছিল।
কেন বিজ্ঞানমনস্কতা জরুরি
যা আমরা বুঝি না, তাকে ভয় পাওয়া মানুষের স্বভাব। বহু আগে বজ্রপাত বা মহামারীকে দেবতার ক্রোধ বলা হতো। আজ আমরা এগুলোর কারণ জানি। মানসিক রোগের ক্ষেত্রেও একই পথ আমাদের বেছে নিতে হবে। জিনের আসর ভেবে বছরের পর বছর কাটানোর চেয়ে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট বা ডাক্তারের কাছে যাওয়া সম্পূর্ণ সম্মানজনক ও কার্যকর। ধর্মবিশ্বাসী মানুষও একই সঙ্গে চিকিৎসা নিতে ও প্রার্থনা করতে পারেন, দুটি পরস্পরবিরোধী নয়।
শেষ কথা
রিনা আপার সেই সন্ধ্যার কথা আমি আজও ভুলিনি। তার সমস্যার সমাধান ওঝার ঝাড়ু বা ধোঁয়ায় ছিল না। তার দরকার ছিল কেউ তার কথা শুনুক, তার ভয় ও চাপ বুঝুক। তন্ত্রমন্ত্র বা কালো জাদুর বাস্তব ক্ষমতা নেই, কিন্তু এতে বিশ্বাসের ক্ষমতা আছে, আর সেই বিশ্বাসই মানুষকে অসুস্থ করে, ঠকায় ও কখনো কখনো প্রাণও কেড়ে নেয়। কুসংস্কার থেকে মুক্তির পথ হলো প্রশ্ন করা, প্রমাণ খোঁজা, আর মানুষের কষ্টকে ভয় নয়, সহমর্মিতা ও চিকিৎসা দিয়ে মোকাবিলা করা।
নবী মুহাম্মদ যে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ছিলেন তার রেফারেন্সঃ
https://www.hadithbd.com/hadith/tirmidhi/2056
https://www.hadithbd.com/hadith/muslim/5612
https://www.hadithbd.com/hadith/muslim/5620
https://www.hadithbd.com/hadith/abu-dawud/3887
https://www.hadithbd.com/hadith/abu-dawud/3884
https://www.hadithbd.com/hadith/muslim-ifa/5515
https://www.hadithbd.com/hadith/bukhari/3860
https://www.hadithbd.com/hadith/bukhari/1144
https://www.hadithbd.com/hadith/mishkat/1221
Related Posts

Humans cannot even see 1% of the beauty and colors of Earth and the universe! Are humans really the best of creation?
The human eye can generally detect visible light or color in the wavelength range ofRead More

পৃথিবী ও মহাবিশ্বের সুন্দর জিনিসের ১% সৌন্দর্যের রঙও মানুষ দেখতে পায় না! মানুষ কি সৃষ্টির সেরা?
মানুষের চোখ সাধারণত ৩৮০ থেকে ৭৪০ ন্যানোমিটার (nm) তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (wavelength) দৃশ্যমান আলো বা রঙের রেঞ্জRead More

Why does Allah show such preference for women with large breasts and large buttocks? Do men feel the same way? Does this give women any advantage?
If you leave Prophet Muhammad in Pattaya’s Walking Street and Beach Road after evening, inRead More

Comments are Closed