Child Abuse
Child Abuse in Madrasas

Child Abuse in Madrasas

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলো শিশু নির্যাতনের কারখানা, রাষ্ট্র কেন নিরব?

কওমি মাদ্রাসাগুলোতে যেভাবে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ হয় এবং তারা যেহেতু কোন উৎপাদনশীল জনসম্পদ তৈরি না করে বরং নির্ভরশীল, উগ্রবাদী মানুষের সংখ্যা বাড়ায় – সেজন্য এই কওমি মাদ্রাসা ব্যান করে দেয়ার দরকার। যে সমস্ত বাবা মায়েরা চ্যালচালায়া বেহেশতে যাওয়ার জন্য তাদের শিশু সন্তানদের কওমি মাদ্রাসায় দেয় তাদেরও শাস্তির আওতায় আনার দরকার। আমার পরিচিতদের মধ্যে ২ টি বাচ্চা কওমি মাদ্রাসায় পড়তো, দুজনেরই ভয়ংকর ট্রমা নিয়ে ফিরতে হয়েছে, বুঝিতেই পারছেন কি ঘটেছে! তাদের বাকি জীবন আর কতটা স্বাভাবিক থাকবে সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। দুঃখের বিষয় হলো তাদের বাবা দুজনই পিওর সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর। বাকি আর বলা ঠিক হবে না।

যে অপরাধই হোক, কোন শিশুর গায়ে কেউ হাত তুলতে পারে না, কোন শিশুকে কেউ অপমান করতে পারে না। সেটা ফৌজদারি অপরাধ। আর এই বয়সে তারা কেন একটি ভিন্ন ভাষার বই মুখস্ত করতে বাধ্য হবে?

এই বাচ্চাদের উপর যে অমানবিক নির্যাতন হয় তার জন্য রাষ্ট্রকে তথা সরকারকে শাস্তির আওতায় আনা দরকার। সে তো হবেই না, উল্টো সরকারই তাদের তেল মারে। না হলে চর্মনাই পুতেরা দলে বলে যে তৌহিদী জনতার মব শুরু করবে তা কোন সরকার সামাল দিতে পারবে না। কারণ সরকারগুলো গত তিন দশক ধরে তাদের তেল মালিশ করেই চলেছে।

পুরো একটি ধর্মগ্রন্থের চেয়ে একজন মানব শিশুর সম্মান, মর্যাদা, অধিকার বড়। এতো নির্যাতন করে ওদের মুখস্ত করানো হয় এমন এক বই যা এই সময়ে কোন উপযোগী কিছুই না, অমানবিকতা, অবৈজ্ঞানিক, মানবাধিকার পরিপন্থী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিষয়ে ঠাসা। এতো এতো নির্যাতনের পর এই শিশুদের মানসিক ট্রমা সারাজীবন থেকে যায়। ওরা যখন এমন একটি মাদ্রাসার হুজুর হয়ে যায় একই ভাবে শিশু নির্যাতন করে। অনেকে জঙ্গি হয়, অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করে। এরা মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদা, মতাদর্শের বৈচিত্র্য এগুলো সম্পর্কে জানে না। এই সুন্দর বিষয়গুলো এদের জীবন চর্চায় থাকে না। এতো ট্রমায় বড় হয়ে তেমনই হয়ে যায় এরা।

বিদেশে অন্যের শিশুদের মারা তো দূরে থাক বাবা মায়ের অনুমতি ছাড়া কেউ গায়ের কোথাও টাচ করতে পারে না, কোলে নেয়া, আদর করতে চাওয়া এগুলো সেখানে হয় না। বাবা মা অনুমতি না দিলে অন্য বাচ্চাকে টাচ করা অপরাধ, জেল-জরিমানা দুটোই হতে পারে। এই সিস্টেমের অনেক সুবিধা আছে, সবাই শিখে যায় কাউকে সামান্য ভদ্র টাচ করতে হলেও তার অনুমতি লাগে, ব্যাড টাচ তো দূরে থাক।

ইসলাম ধর্মে শিশু ও স্ত্রীদের প্রহার করার অনুমোদন দেয়া আছে। স্ত্রীদের হাড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত স্বামী মারতে পারে। এমনকি একটি হাসান হাদিস অনুযায়ী বিনা অপরাধে মারলেও স্বামীকে কোন কৈফিয়ত দিতে হবে না। নবী মুহাম্মদ নিজেও স্ত্রীদের মারধোর করতেন, সাহাবীরাও মেরে সবুজ বানিয়ে দিতেন। এমনকি হাড় ভেঙে দিলেও মুহাম্মদ কোন বিচার করেনি। উল্টো সাহাবীকে ডেকে বলে দেন স্ত্রীর কাছ থেকে দেনমোহর ফেরৎ নিয়ে তাকে তালাক দিতে। সুতরাং ইসলামে শিশু ও নারীদের এমন নির্যাতনের অনুমোদন আছে। কওমি হুজুররাও সেগুলো ভাল জানে।

Related Posts

Are All Social Customs Beneficial?

Custody of Society” – Group News! You will find them all around you

I was in class eight then. That day there was no school, I was probablyRead More

Are All Social Customs Beneficial?

‘হেফাজতে সমাজ’ – গ্রুপ সমাচার! আপনার চারিদিকে আপনি এদের দেখা পাবেন

আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি। সেদিন স্কুল ছিল না, সম্ভবত বাড়ির জন্য বাজার করে সাইকেলেRead More

Morality without Religion

The Birth of Conscience: How Humans Became Moral Without Allah or Religion

It was almost seventy-five thousand years ago. A group of Neanderthals lived in the ShanidarRead More

Comments are Closed