
The degrading ḥillāh marriage in Islam
ইসলামে নারীদের জন্য অবমাননাকর হিল্লা (আসল নাম তাহলিল) বিয়ে আছে!
আমরা যখন বলি যে ইসলামে নারীদের জন্য অবমাননাকর হিল্লা (আসল নাম তাহলিল) বিয়ে আছে, ইসলাম এটাকে এভাবে দেখে যে, স্বামী তুমি মনের খেয়ালে রাগের মাথায় তালাক দিচ্ছ, তোমার স্ত্রীকে অন্য একজন খেয়ে দিবে, এরপর তোমার আবার বিয়ে করতে হবে, তোমার জন্য কত শাস্তি! স্ত্রী তো সম্পদ, পরিপূর্ণ মানুষ নয়!
এবার মুমিন ভাইরা ত্যানা প্যাঁচাবে ইসলামে হিল্লা বিয়ে হারাম, নবী হিল্লা বিয়েতে অভিশাপ দিয়েছেন। কোথায় আছে হিল্লা বিয়ে দিতে হবে, দলিল দেখান। একথা ঠিক এক সহিহ হাদিস মতে নবী ‘হিল্লা বিয়ে’, যেটা চুক্তিতে হয়, সেটাকে অভিশাপ দিয়েছেন বটে! শব্দটা নিয়েই সমস্যা। মুমিন ভাইদের সেই ত্যানা, সহিহ হাদিস আগে দেখে নিন – এখানে আছে, যে কেউ দেখলে মনে হবে হিল্লা বিয়ে হারাম, নবী মুহাম্মদ হিল্লা বিয়েকে ঘৃনা করে অভিশাপ দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাপারটা বোঝার ভুল, স্বামী তিন তালাক দিলে স্ত্রীকে আর একটি বিয়ে করতেই হবে, সেখানে সহবাস হতেই হবে, সেই স্বামী স্বেচ্ছায় তালাক দিলে পরে স্ত্রী প্রথম স্বামীর সঙ্গে আবার বিয়ে করতে পারবে। মাঝের এই বিয়ে পুরোটাই ইসলামের নির্দেশনা। নবী মুহাম্মদ অভিশাপ দিয়েছেন মাঝের এই বিয়ে চুক্তিভিত্তিক হলে। এখন বাংলায় তো উপযুক্ত পরিভাষা নেই, তাই মানুষ হিল্লা বিয়েই বলে, যদিও এই প্রক্রিয়ার আসল নাম ‘তাহলিল’। মুমিনরা এই শব্দ দিয়েই ত্যানার যুক্তি দেখায় – দেখো ইসলামে হিল্লা বিয়ে বলতে কিছু নেই। এক দুই তালাকে অবশ্য ভিন্ন সুযোগ আছে, কিন্তু তিন তালাকে তাকে ভিন্ন কারো সঙ্গে বিয়ে ছাড়া প্রথম স্বমীর ঘরে ফেরার সুযোগ নেই।
এটা কোরআনের বিধান, মানতেই হবে, নো ওয়ে। সহিহ হাদিস বলছে মাঝের স্বামীর সঙ্গে সহবাস হতেই হবে।
2:230 ও সহিহ হাদিস।
মুমিন ভাইয়েরা, ইসলামকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে আপনারা যে ত্যানা নিয়ে হাজির হন সেটা তো নিজে একটু যাচাই করবেন আগে! ব্যাপারটা এমন – আমি বললাম নবী মুহাম্মদ উম্মে হানির খাট থেকে ডানাওয়ালা গাঁধার পিঠে চেপে মিরাজে গিয়েছিল। মুমিন ভাই সঙ্গে সঙ্গে বলবে – দেখ, নাস্তিক মিথ্যা বলছে, ওটা ছিল ডানাওয়ালা ঘোড়া। কিন্তু পুরো ব্যাপারটাই যে জরোথ্রুস্টদের আর দে ভিরাগের কাহিনি চোথা মারা একটা রুপকথা সেটা তারা মানবে না। ঘোড়ার জায়গায় গাঁধা বলাতে তারা আমাদের মিথ্যুক প্রমান করে দেখাবে অন্যদের – দেখো এরা কতো মিথ্যুক, ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানে না! সেটা ডানাওয়ালা গাঁধা হোক, বা ঘোড়া, বা ডানাওয়ালা কুমির হোক – এতে এইসমস্ত গাল-গল্পের কিছুই প্রমান হয়? তো এই হচ্ছে ইসলামের মুমিন ভাইদের অবস্থা!
Related Posts

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism
19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার
১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups
In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed