
The character of Muhammad
৯-১১ স্ত্রী, ৪+ যৌনদাসী থাকার পরেও নবী মুহাম্মদ কণ্যা শিশুদের যৌন নির্যাতন করতেন
নবী মুহাম্মদ ৬০ এর কাছাকাছি বয়সে প্রিয় শিশু স্ত্রী আয়েশাসহ ৯-১১ জন স্ত্রী, ৪ বা অধিক সংখ্যক যৌনদাসী থাকার পরেও অন্য কন্যা শিশুদের প্রতি ছিলেন বিশেষভাবে যৌনাসক্ত। এক মায়ের কোলে বা হামাগুড়ি দেয়া কন্যাশিশুকে দেখেও তিনি তার বড় হওয়া সাপেক্ষে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। ইসলামের ডিফেন্ডাররা যদিও এই হাদিসের সোর্সকে যঈফ বলে পাশ কাটিয়ে যান। তবে অন্য দুইটি সহিহ হাদিসে আছে নবী মুহাম্মদ দুই শিশু কন্যাকে যৌনতার উদ্দেশ্যে যৌন নির্যাতন করেছিলেন। প্রথমেই বলে নেই ইসলামের ডিফেন্ডাররা সেগুলোকে বিয়ে, বিয়ের প্রস্তাব এসব বলে পিছলে যেতে চান। তবে নবী মুহাম্মদের যৌন জীবন, তার স্বভাব, সেই সময়ের আরবের প্রতিবেশ সব বিবেচনায় নিয়ে আপনারা যা বোঝার বুঝে নিতে পারবেন।
এখানে দুইজন মেয়ের নাম আছে, জাওনিয়া ও উমাইমা। প্রথমে হাদিস দুইটি দেখে নেন।
জাওনিয়া’র ঘটনা সম্পর্কিত হাদিস
ইসলাম ডিফেন্ডাররা হাদিসের শিরোনাম দিয়ে বোঝাতে চাইবেন বিয়ে, তালাক এসব, কিন্তু মূল হাদিসের কোথাও বিয়ে, তালাকের কথা নেই। আর ঘটনাপ্রবাহে তা মনে হওয়ার কোন কারন নেই।
আমরা যে দৃশ্যকল্প দেখতে পাই তা এমন। আরবে সেই সময়ে মরুদ্যানের মাঝে ধনী মানুষদের রিসোর্ট বা বাগানবাড়ি বা প্রমোদ ভবন বা বালাখানা থাকতো যে স্থানের মূল কাজ ছিল নির্জনে যৌনতা করা। নবী মুহাম্মদ একবার তার সঙ্গী সাথী নিয়ে তেমন একটি প্রাইভেট রিসোর্টে যান। সেখানে জাওনিয়া নামের এক সম্ভ্রান্ত শিশু বা কিশোরীকে সাজিয়ে গুজিয়ে আনা হয় নবী মুহাম্মদের সামনে। জাওনিয়া যে শিশু বয়সী ছিল তার প্রমান তার সঙ্গে সেখানে তার ধাত্রী বা সেবিকা একজন নারী উপিস্থিত ছিলেন। আরবের ধনী পরিবারের শিশু, কিশোরীদের সঙ্গে সাধারনত এমন একজন ধাত্রী বা সেবিকা বা নার্স উপস্থিত থাকতেন। জাওনিয়াকে যে সেখানে কিজন্য নেয়া হয়েছে তা তিনি জানতেন না, সম্ভবত তার কোন সম্মতি ছিল না।
নবী মুহাম্মদ যখন জাওয়ানিয়া কাপড় চোপড় খুলে বেডে যাওয়ার কথা বলেন, (ইসলামের ভদ্র ভাষায় নবী বলেন তাকে নবীর কাছে সমর্পন করতে) তখন জাওনিয়া জানান – তিনি একজন রাজকুমারী, তিনি কোন বাজারিয়া মানুষের কাছে নিজেকে সমর্পন করতে পারেন না। আরবে সেই সময়ে শয়তান, লম্পট, বখাটে টাইপের মানুষদের বাজারিয়া বলা হতো। একাধিক হাদিস দ্বারা এটা প্রমানিত। নবী তখন উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে জাওনিয়ার শরীরে হাত রেখে তাকে শান্ত হতে বলেন। জাওনিয়া বুদ্ধিমতী ছিলেন – তিনি পরক্ষনে বলেন, নবী মুহাম্মদ যেনো তাকে আল্লাহর ওয়াস্তে নিস্কৃতি দেন। স্পটত বোঝা যায়, নবী মুহাম্মদকে তিনি যতোটা পারেন অপমানিত করেন। এতে নবী মুহাম্মদ হতাশ হয়ে পড়েন ও তাকে সে যাত্রায় নিস্কৃতি দেন।
যে যাত্রায় হতাশ হয়ে ফিরে আবার নবী মুহাম্মদ একই প্রমোদভবনে যান। সেবার আর এক কিশোরী উমাইমাকে আনা হয় মুহাম্মদের সামনে। কিন্তু তিনিও বুইড়া নবীকে প্রত্যাখ্যান করে অপমানিত করে ফিরিয়ে দেন। ইসলামিস্ট ডিফেন্ডাররা এই দুইজনকে একজন বলে ইসলামের ইজ্জত বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সহিহ বুখারী ৫২৫৬, ৫২৫৭ ও ৫২৫৫ অনুসারে স্পষ্ট বোঝা যায় দুইটা ভিন্ন নাম, ভিন্ন ব্যক্তি, ভিন্ন সময়। অন্যান্য সোর্সেও তাদের পরিচয় ভিন্ন, একজন জাওনের কণ্যা জাওনিয়া, অন্যজন নু’মান ইবনে শাহরিলের কণ্যা উমাইমা।
গর্দভ সাহাবীরা জানতো যে নবী যৌনকর্ম করতে না পারলে শান্ত হন না। পরপর দুইবার অপমানিত হয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে নবী ছিল কামোত্তেজনায় উন্মত্ত। তখন এক সাহাবী তার আপন বোনের সৌন্দর্য্যের বর্ননা দিয়ে তাকে নবীর কাছে এনে দেয়ার প্রস্তাব দেন, নবী রাজি হন। সাহাবী আশ’আছ তার বোন কাতীলাকে নবীর কাছে এনে দেন। নবী উক্ত রিসোর্টে কারো সঙ্গে লাগানোর তার খায়েশ সম্পূর্ণ করেন এভাবে। কারা ছিল নবী মুহাম্মদের সাহাবী একবার চিন্তা করে দেখুন, নিজের বোন তথা নারীদের তারা কি চোখে দেখতো ভাবতে পারেন! আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৮৭ ও ৪৮৯ তে পাবেন এই বর্ণনা। আরো অনেক সোর্স আছে।
এই মানুষটিকে ইসলামিস্টরা দাবী করে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ, সর্বযুগের আদর্শ। তার কথা ও কাজ নাকি আবার আল্লাহর কথা ও কাজ! সেই যুগের প্রথা, স্বভাব, বদঅভ্যাস বলে পিছলানোর সুযোগ নেই। যদি পিছলানোর চেষ্টা করেন ইসলামিস্টরা তবে এটাও মেনে নিতে হবে – নবী মুহাম্মদ, কোরআন, হাদিস, আল্লাহ এই যুগে অচল মাল, অগ্রহনযোগ্য।
Related Posts

Did Prophet Muhammad Instruct People to Expose Themselves to Rainwater? Is the Claim of Universality Made by the Qur’an and Hadith Flawed?
A hadith in Sahih Muslim (Hadith Academy: 1968) narrates that Anas (RA) said: During aRead More

নবী মুহাম্মদ কি বৃষ্টির সময় কাপড় খুলে গায়ে পানি মাখতে বলেছেন? কুরআন-হাদিসের বিশ্বজনীনতার দাবি কি ভ্রান্ত?
সহীহ মুসলিমের একটি হাদিসে (হাদিস একাডেমীঃ ১৯৬৮) বর্ণিত আছে, আনাস (রাযিঃ) বলেছেন – এক বৃষ্টিরRead More

Allah and the Prophet Muhammad did not know why fish and meat rot — Islam’s habitual hostility toward Jews and women
For those of us abroad who cannot afford the very high-priced sweets from Bengali stores,Read More

Comments are Closed