
Is Muhammad a True Prophet?
নবী মুহাম্মদ শেষ জীবনে তীব্র কষ্ট ও যন্ত্রনা ভোগ করে মৃত্যুবরণ করেছিলেন
সহীহ আল-বুখারী ৫৪৪৫ নম্বর হাদীসে নবী মুহাম্মদ বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোনো বিষ বা জাদু ক্ষতি করবে না।
সূরা আল-মায়িদাহ (আয়াত ৬৭) তে নবী মুহাম্মদের ফেইক আইডি আল্লাহ জানিয়েছেন, “…আর আল্লাহ তোমাকে মানুষের (আক্রমণ/ক্ষতি) থেকে রক্ষা করবেন।”
সূরা আল-হাক্কাহ-এর ৪৪-৪৬ আয়াতে গ্যাংস্টারের ফেইক আইডি আল্লাহ জানিয়েছেন, “সে যদি আমার নামে কোনো মিথ্যা রচনা করত, তবে আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম এবং তার মহাধমনী (Aorta) কেটে দিতাম।”
দেখা গেলো, মুহাম্মদের জীবনে বিষক্রিয়া, জাদুগ্রস্থ হওয়া, আক্রান্ত হওয়া, মহাধমনী কেটে যাওয়ার মতো যন্ত্রনা – সবই ঘটেছে। এভাবে নিজের জালে নিজেই আটকা পড়াকে কী বলে? তাহলে কি নবী মুহাম্মদ ফেইক নবী, উনি ফেইক হলে উনার ফেইক আইডি আল্লাহও ফেইক, ইসলামও ফেইক। সবকিছুর পরেও ইসলামের কিছু বলার থাকে। আপনার ঘড়িতে বাজে দুপুর ১২ টা, সূর্য মাথার উপরে, কিন্তু ইসলাম যদি বলে এখন বিকাল, তাহলে তখনও ইসলামের কিছু বলার থাকবে। ইসলাম অলওয়েজ হ্যাজ সামথিং টু সে। কমেন্টে পাবেন নিশ্চয় সেসব। আমরা সাধারন মানুষ, কমন সেন্স দিয়ে সরল চিন্তা করি।
সহীহ আল-বুখারী ৪২২৮ ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, খাইবার বিজয়ের পর (৬২৮ খ্রিষ্টাব্দ / ৭ম হিজরী) জয়নব বিনতে আল-হারিস নাম এক ইহুদি নারী নবী মুহাম্মদকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছাগলের মাংসের সাথে তীব্র বিষ মিশিয়ে উপহার দেয়। সে জানতে পেরেছিল যে নবী ছাগলের সামনের পায়ের (pizzle/shoulder) মাংসলোভী, তাই সে সেই অংশে সবচেয়ে বেশি বিষ প্রয়োগ করে।
নবী মুহাম্মদ মাংসের একটি টুকরো মুখে নিয়ে চিবিয়েছিলেন, কিন্তু গিলে ফেলার আগেই বুঝতে পেরে থুথু ফেলে দেন। তবে তাঁর সাথে থাকা সাহাবী বিশর ইবনুল বারা (রাঃ) সেই মাংস গিলে ফেলেন এবং বিষের তীব্রতায় পরবর্তীতে মারা যান।
যদিও নবী মাংসটি গিলে ফেলেননি, কিন্তু চিবানোর সময় বিষের কিছু অংশ তাঁর লালার মাধ্যমে রক্তে মিশে গিয়েছিল। ঐতিহাসিক ও হাদীসের বিবরণ অনুযায়ী, এই ঘটনার পর তিনি প্রায় তিন বছর জীবিত ছিলেন, কিন্তু বিষের সেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিষাক্ত প্রভাব পুরোপুরি দূর হয়নি। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে তিনি সেই বিষের তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করতেন এবং এর উপশমের জন্য ‘হিজামা’ (cupping therapy) বা রক্তমোক্ষণ করাতেন। (এবং এই জন্য মুসলমানদের কাছে বেঁদেদের সিঙ্গার এসিরুম ভার্সন হিজমা বা কাপিং এতো জনপ্রিয়! ইসলাম যে কতভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছে!)
জীবনের শেষভাগে, বিশেষ করে ১১ হিজরীতে (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে) তাঁর অন্তিম অসুস্থতার সময় এই বিষের যন্ত্রণা চরম আকার ধারণ করে। তিনি তার শিশু স্ত্রী আয়েশা-এর কাছে এই যন্ত্রণার তীব্রতা বর্ণনা করেছিলেন।
সহীহ আল-বুখারী ৪৪৩৮ অনুযায়ী – আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মৃত্যুশয্যার অসুস্থতার সময় বলতেনঃ “হে আয়েশা! খাইবারে আমি যে বিষমিশ্রিত খাদ্য আস্বাদন করেছিলাম, আমি এখনো তার যন্ত্রণা অনুভব করছি। আর এখন সেই সময়, যখন মনে হচ্ছে সেই বিষের কারণে আমার মহাধমনী (Aorta) কেটে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।”
সূরা আল-হাক্কাহ-এর ৪৪-৪৬ এ আল্লাহ যে বলেছেন, মুহাম্মদ ফেইক হলে আল্লাহ তার মহাধমনী কেটে দিতেন!
সহিহ বুখারী ৩১৭৫ বলে মুহাম্মদকে জাদু করা হয়েছিল। জাদুর কারণে উনি ভুল বকতেন, শর্ট টার্ম মেমোরি লস হয়েছিল তার। সূরা আল-ফুরকানের ৮-৯ আয়াতেও মুহাম্মদকে জাদুগ্রস্থ হিসাবে বলা হয়েছে।
কেরামত মিয়া কয় কী আর কেরামতি দেখায় কী!
ক্যামনে কী? আপনারা হিসাব মেলান আর কমেন্টে মুমিন ভাইদের গালি ও ত্যানা দেখে হাসেন! কী আর করবেন? ইসলামের তো সবসময় কিছু বলার থাকে।
Related Posts

Ayatollah Ali Khamenei was laid to rest after carrying out repression in the name of a child who disappeared 1,200 years ago
Around Ayatollah Ali Khamenei’s funeral, the world is now witnessing a grand display of stateRead More

১২০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক শিশুর নামে দমন পীড়ন চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শায়িত হলেন!
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন-অনুষ্ঠান ঘিরে যে রাষ্ট্রীয় জাঁকজমক এখন বিশ্ব দেখছে, তার আড়ালে লুকিয়ে আছেRead More

From Somnath to Joypurhat – The Shadow of a Thousand‑Year‑Old Destruction Still Exists Today
The first blow On the Saurashtra coast of Gujarat, where the waves of the ArabianRead More

Comments are Closed