
Nonsense Terms in Islam
ইসলামে অনেক ননসেন্স টার্মস আছে, সেগুলোও আবার নিজের না; পার্শ্ববর্তী সভ্যতা, মিথলজি থেকে ধার করা
ইংরেজিতে অনেক ননসেন্স রাইমস আছে, যেমন হামটি ডামটি স্যাট অন এ ওয়াল। বাংলায়ও আছে অনেক, যেমন – হাট্টিমা টিম টিম, তারা মাঠে পাড়ে ডিম। শিশুরা হয়তো এগুলো বিশ্বাস করে, কিন্তু কোন বড় মানুষ, কমনসেন্স ওয়ালা মানুষ মাত্রই জানে এসব ননসেন্স ছেলে ভোলানো শব্দ ও সুর। কিন্তু আপনি যদি ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম মেনে চলেন, তবে আপনাকে অনেক ননসেন্স অলৌকিক সিউডো সাইন্স, বিজ্ঞানের বিপরীত বিভিন্ন অদ্ভুত দাবীসহ অনেক ননসেন্স টার্ম মেনে নিতে হবে। যেমন – ইয়াজুজ-মাজুজ, আদ-সামুদ, লুত, জুলকারনাইন, দাজ্জাল, মাহদী! এরা সবাই কেউ মানুষ, আবার কিছু জাতি।
বিজ্ঞান, ইতিহাস, যুক্তির নিরিখে এসব কিছুই প্রমানযোগ্য নয়। কিন্তু ইসলাম মেনে চললে আপনাকে এসব মেনে নিতে হবে, শিশুতোষ বলে এড়িয়ে যেতে পারবেন না। যুক্তি হলো, যেকোনো ধর্মীয় বর্ণনাব্যবস্থায় এমন কিছু উপাদান থাকে যেগুলোর ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক সত্যতা যাচাই করা যায় না, অথচ বিশ্বাসীর কাছে সেগুলো নিছক রূপক নয় বরং আক্ষরিক সত্য হিসেবে গণ্য হয়। প্রশ্ন হলো – এই ধরনের বর্ণনাগুলো কোথা থেকে এলো, এবং ঐতিহাসিক-সমালোচনামূলক গবেষণা এগুলো নিয়ে কী বলে?
সপ্তম শতকের আরব ও তার প্রতিবেশী সভ্যতা
সপ্তম শতকের হেজাজ কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ছিল না। মক্কা-মদিনা ছিল বাণিজ্য পথের সংযোগস্থল, যেখানে ইহুদি, সিরিয়াক খ্রিস্টান, জরথুস্ত্রীয় পারসিক এবং বাইজেন্টাইন সংস্কৃতির প্রভাব নিয়মিত প্রবেশ করত। প্যাট্রিসিয়া ক্রোন ও মাইকেল কুকের মতো ইতিহাসবিদরা তাদের গবেষণায় দেখিয়েছেন যে ইসলামের প্রাথমিক বিবরণগুলোর অনেকাংশ তৎকালীন মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ করা মৌখিক ঐতিহ্য থেকে এসেছে, যা কোনো এক ধর্মের একচেটিয়া সম্পত্তি ছিল না।
জন ওয়ানসব্রো তার সাহিত্য-সমালোচনামূলক পদ্ধতিতে যুক্তি দিয়েছিলেন যে কুরআনের অনেক আখ্যান ইহুদি-খ্রিস্টান ঐতিহ্যের (মিদ্রাশ, তালমুদ, অ্যাপোক্রিফা) সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং সেগুলো ধীরে ধীরে সম্পাদনার মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে। টম হল্যান্ড তার জনপ্রিয় ইতিহাসগ্রন্থে দেখিয়েছেন কীভাবে লেট অ্যান্টিকিউটির ধর্মীয় পরিবেশ – যেখানে অ্যাপোক্যালিপ্টিক কল্পনা তুঙ্গে ছিল – ইসলামের প্রাথমিক আখ্যানগুলোর প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল।
সাংস্কৃতিক প্রভাবের অভিমুখঃ কেন একমুখী ছিল?
এই আদান-প্রদান মোটেও সমান-সমান ছিল না – বরং এটি ছিল মূলত একমুখী। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য, সাসানীয় পারস্য, ইহুদি ও সিরিয়াক খ্রিস্টান সম্প্রদায় – এরা ছিল সেসময়ের সমৃদ্ধ, নগরকেন্দ্রিক, প্রাতিষ্ঠানিক সভ্যতা, যাদের ছিল রাষ্ট্র, লিখিত সাহিত্য, ধর্মতাত্ত্বিক বিদ্যালয়, এবং সুবিস্তৃত বাণিজ্য-নেটওয়ার্ক। বিপরীতে, হেজাজ ও মধ্য আরবের বেশিরভাগ অঞ্চল ছিল মরুময়, অনুর্বর, এবং জনবিরল – কৃষিনির্ভর উদ্বৃত্ত অর্থনীতি প্রায় ছিলই না বলা চলে, আর সেই সাথে ছিল বারবার দুর্ভিক্ষ ও পানির সংকট। এই কারণে আরবের নিজস্ব কোনো লিখিত সাহিত্য-ঐতিহ্য, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা বা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকাঠামো গড়ে ওঠেনি সপ্তম শতকের আগে – যা ছিল মূলত মৌখিক কবিতা ও গোত্রীয় স্মৃতিনির্ভর একটি সংস্কৃতি।
ফলে প্রভাবের প্রবাহ ছিল প্রায় সম্পূর্ণরূপে বহির্মুখী থেকে অন্তর্মুখী – অর্থাৎ আরব উপদ্বীপ প্রতিবেশী সভ্যতাগুলোর ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উপাদান গ্রহণ করত, কিন্তু নিজের কোনো তুল্য প্রভাব বাইরে বিস্তার করতে পারত না। মক্কা-মদিনার মতো বাণিজ্যকেন্দ্রগুলো ছিল মূলত ট্রানজিট পয়েন্ট – ইয়েমেন থেকে সিরিয়া পর্যন্ত ক্যারাভান-পথের সংযোগস্থল – যেখান দিয়ে পণ্যের সাথে সাথে গল্প, কিংবদন্তি ও ধর্মীয় ধারণাও প্রবাহিত হতো, কিন্তু এই প্রবাহ ছিল মূলত একমুখী আমদানি, রপ্তানি নয়। ইহুদি বসতি (যেমন ইয়াসরিব তথা মদিনায়) এবং নাজরানের মতো খ্রিস্টান কেন্দ্রগুলো স্থানীয়ভাবে তাদের ধর্মগ্রন্থ-নির্ভর কাহিনি ও লোককথা ছড়িয়ে দিত, যেগুলো লিখিত আকারে না থেকে মৌখিক পুনর্কথনের মধ্য দিয়ে বিকৃত, সংক্ষিপ্ত বা রূপান্তরিত হয়ে স্থানীয় বর্ণনায় মিশে যেত।
এই অসম সম্পর্কটাই ব্যাখ্যা করে কেন ইয়াজুজ-মাজুজ, আসহাবে কাহফ বা লূত জাতির মতো কাহিনিগুলোতে বাইজেন্টাইন-সিরিয়াক বা ইহুদি উৎসের প্রায় হুবহু কাঠামো পাওয়া যায়, অথচ বিপরীত দিকের কোনো প্রভাব – অর্থাৎ আরব লোককথা প্রাক-ইসলামি যুগে বাইজেন্টিয়াম বা পারস্যের ধর্মীয় সাহিত্যে প্রবেশ করা – এমন নজির ইতিহাসবিদরা তেমন খুঁজে পান না। আরব তখন ছিল গ্রহীতা, উৎসকেন্দ্র নয় – আর এই ভৌগোলিক-অর্থনৈতিক প্রান্তিকতাই ব্যাখ্যা করে কেন এই অঞ্চলের নিজস্ব জ্ঞানভাণ্ডার এত সীমিত ছিল, এবং কেন বাইরের আখ্যানগুলো এত সহজে, প্রায় যাচাই ছাড়াই, স্থানীয় বিশ্বাসব্যবস্থায় আত্তীকৃত হয়ে যেত।
নির্দিষ্ট কিছু টার্মের সম্ভাব্য উৎস
ইয়াজুজ-মাজুজ (গগ-মাগোগ): এই নামজোড়া বাইবেলের ইজেকিয়েল ও প্রত্যাদেশ গ্রন্থে আগে থেকেই ছিল। সিরিয়াক খ্রিস্টান ঐতিহ্যে, বিশেষত ছদ্ম-মেথোডিয়াসের রচনায় এবং আলেকজান্ডার-রোম্যান্স সাহিত্যে (যেখানে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট একটি লোহার দেয়াল দিয়ে বর্বর জাতিকে আটকে রাখেন), এই কাহিনি ব্যাপক প্রচলিত ছিল। কুরআনে জুলকারনাইনের কাহিনিতে এই একই মোটিফ দেখা যায়, যা পণ্ডিতদের মতে সিরিয়াক আলেকজান্ডার-কিংবদন্তির সরাসরি প্রতিধ্বনি।
আদ ও সামুদ: এই দুই জাতির ধ্বংসের বর্ণনা প্রাক-ইসলামি আরব লোককথায় আগে থেকেই প্রচলিত ছিল, বিশেষত দক্ষিণ আরবের প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ (যেমন মাদা’য়িন সালিহ) ঘিরে গড়ে ওঠা স্থানীয় কিংবদন্তি হিসেবে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা এই এলাকায় নাবাতীয় সভ্যতার নিদর্শন পেয়েছেন, যাকে পরবর্তীতে পৌরাণিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
লূত জাতি: এই আখ্যান সরাসরি তাওরাতের সদোম-গোমোরাহ কাহিনির ইসলামি পুনর্বিন্যাস, যা ইহুদি ঐতিহ্য থেকে কুরআনে প্রবেশ করেছে বলে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ববিদরা মনে করেন।
দাজ্জাল: এক-চোখা প্রতারক-মশীহবিরোধী চরিত্রের ধারণাটি খ্রিস্টীয় অ্যান্টিক্রাইস্ট মতবাদের সমান্তরাল, যা তখনকার এশিয়া মাইনর ও সিরিয়ার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ে ব্যাপক প্রচলিত ছিল। এই মোটিফ হাদিস সাহিত্যে বিস্তারিত রূপ পায়, যেখানে ভৌগোলিক ও ঘটনাক্রমগত বিবরণ ক্রমশ যোগ হতে থাকে।
মাহদী: কুরআনে সরাসরি উল্লেখ নেই এমন এই ধারণা মূলত হাদিস সাহিত্য ও পরবর্তী ধর্মতাত্ত্বিক বিকাশের ফসল বলে ইতিহাসবিদরা মনে করেন। শিয়া ও সুন্নি ঐতিহ্যে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন, যা থেকে বোঝা যায় এটি একটি বিবর্তনশীল ধর্মতাত্ত্বিক নির্মাণ, যা রাজনৈতিক সংকটকালে (বিশেষত প্রাথমিক আব্বাসীয় যুগে) জনপ্রিয়তা পায়।
আরও কিছু ভেইগ বা রহস্যাবৃত ধারণা
এই তালিকা আরও বিস্তৃত করা যায়ঃ
- হারুত-মারুত – দুই ফেরেশতা যারা মানুষকে জাদু শেখায় বলে কথিত; এই কাহিনির শিকড় ব্যাবিলনীয় ও ইহুদি মিদ্রাশ সাহিত্যে পাওয়া যায়।
- আসহাবে কাহফ (গুহাবাসী যুবক) – সিরিয়াক খ্রিস্টান “সেভেন স্লিপার্স অফ এফেসাস” কিংবদন্তির প্রায় হুবহু কাঠামো অনুসরণ করে বলে পণ্ডিতরা মনে করেন।
- ইবলিস ও জিন জাতি – অদৃশ্য অগ্নি-নির্মিত সত্তার ধারণা প্রাক-ইসলামি আরব ও পারসিক লোকবিশ্বাসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- বুরাক – মিরাজের বাহন হিসেবে বর্ণিত এই প্রাণীটির বর্ণনা মূল কুরআনে নেই, হাদিস ও পরবর্তী তাফসীর সাহিত্যে বিস্তারিত হয়েছে।
- সিজ্জিন ও ইলিয়্যিন – পাপী ও পুণ্যবানদের আমলনামা রাখার স্থান হিসেবে বর্ণিত, যার বিস্তারিত ভূগোল মূলত পরবর্তী ধর্মতাত্ত্বিক সাহিত্যের সংযোজন।
- আরশ ও কুরসি – আল্লাহর “সিংহাসন” ও “আসন” এর ধারণা, যা নিয়ে ধর্মতাত্ত্বিকদের মধ্যেই আক্ষরিক বনাম রূপক ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে।
- ইসরাফিলের শিঙা – কিয়ামতের সূচনা ঘোষণাকারী এই শিঙার ধারণা জরথুস্ত্রীয় ও ইহুদি অ্যাপোক্যালিপ্টিক সাহিত্যের সাথে তুলনীয়।
- বারযাখ – মৃত্যু ও পুনরুত্থানের মধ্যবর্তী অবস্থা, যার বিস্তারিত বর্ণনা মূলত হাদিস-নির্ভর।
- কিয়ামতের আলামত – সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া, দাব্বাতুল আরদ (পৃথিবীর জন্তু) কথা বলা ইত্যাদি — এসব বর্ণনা বিভিন্ন সংস্কৃতির অ্যাপোক্যালিপ্টিক মোটিফের সংমিশ্রণ বলে মনে করা হয়।
- সুলাইমানের ক্ষমতা – বাতাস, জিন ও পাখির ভাষা নিয়ন্ত্রণ করার এই কাহিনি ইহুদি সলোমনীয় লোককথা ও পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যীয় জাদু-সাহিত্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
কেন এই বর্ণনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে?
সমালোচকদের মূল যুক্তি এই নয় যে এই কাহিনিগুলো “মূর্খতা” থেকে এসেছে, বরং এই যে এগুলো একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের ফসল – যে পরিবেশে মৌখিক ঐতিহ্য, প্রতিবেশী ধর্মের প্রভাব এবং সেকালের সীমিত ভৌগোলিক-বৈজ্ঞানিক জ্ঞান একসাথে মিশে একটি আখ্যানব্যবস্থা তৈরি করেছিল। তখনকার মানুষের কাছে পৃথিবীর ভূগোল, প্রাকৃতিক ইতিহাস বা মহাজাগতিক কাঠামো সম্পর্কে ধারণা ছিল মূলত পৌরাণিক ও ধর্মগ্রন্থনির্ভর – আধুনিক ভূতত্ত্ব, জ্যোতির্বিজ্ঞান বা প্রত্নতত্ত্বের কোনো কাঠামো তাদের কাছে ছিল না। অর্থাৎ কোরআন, হাদিসে এমন কিছুই নেই যা সেই সময়ের আরবের লোকজন ও মুহাম্মদ জানতো না। তাদের জানার বাইরের কোন কিছুই তাই তারা কল্পনায় নিয়ে আসতে পারেনি, সেগুলোও ছিল ধার করা কেচ্ছা।
এই কারণেই আধুনিক ঐতিহাসিক-সমালোচনামূলক গবেষণা এই ধরনের বর্ণনাগুলোকে সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের দলিল হিসেবে পড়ার চেষ্টা করে – কোন সভ্যতার সাথে কোন সভ্যতার ধারণার আদান-প্রদান হয়েছিল, কীভাবে একটি কাহিনি এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায়, এক ধর্ম থেকে আরেক ধর্মে রূপান্তরিত হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দাজ্জাল আর অ্যান্টিক্রাইস্ট, ইয়াজুজ-মাজুজ আর গগ-মাগোগ, আসহাবে কাহফ আর সেভেন স্লিপার্স – এসব একই বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যীয় আখ্যান-পরিবারের বিভিন্ন শাখা হিসেবে দেখা যায়, কোনো একক ধর্মের এককভাবে উদ্ভাবিত কিছু নয়।
স্বভাবতই, বিশ্বাসীদের কাছে এই তুলনামূলক পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে, কারণ ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে ঐশী প্রত্যাদেশকে মানব-সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ফসল হিসেবে দেখা মূল বিশ্বাসের বিপরীত। কিন্তু ইতিহাস, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ও সাহিত্য-সমালোচনার দৃষ্টিতে এই সমান্তরালগুলো অগ্রাহ্য করা কঠিন – এবং ঠিক এই কারণেই এই বিষয়গুলো নিয়ে একাডেমিক গবেষণা এখনো সক্রিয় ও বিতর্কিত একটি ক্ষেত্র হয়ে আছে।
Related Posts

Thousands of people have been killed in Iran in the name of the Child Imam Mahdi, who disappeared around 1,200 years ago
The Islamic Republic of Iran is one of the rare states in the modern worldRead More

১২০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া শিশু ইমাম মাহদীর নামে ইরানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র আধুনিক বিশ্বের এমন এক বিরল রাষ্ট্র, যার ক্ষমতাকাঠামোর কেন্দ্রে একজন অনুপস্থিত, অদৃশ্যRead More

Ayisha and Arpita: A Story of Free Expression and Honesty Between Two Sisters, One Muslim and One Hindu
Ayisha and Arpita’s parents had dated for several years before marrying under Bangladesh’s Special MarriageRead More

Comments are Closed