
No Borders, No Nations
দেশের সীমানা ও কাঁটাতার উঠিয়ে দেয়া দরকার, মানুষের চলাচল হোক অবাধ, স্বাধীন
এই ভিডিওটি দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার না করতে পারা ও জনগনের কল্যানে অযুত সম্ভাবনাকে কাজে না লাগাতে পারার একটি ব্যর্থতার চিত্র। এই অংশটি পড়েছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায়। এখানে সেই ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত একটি রেললাইন রয়েছে যার দুই প্রান্ত ভারতের এলাকায় প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের এই ১৩.৮৪ কিমি রেললাইনটি কোন কাজে লাগে না। অন্যদিকে ভারতের রেলকে পাড়ি দিতে হয় অতিরিক্ত ১৫০ কিমি পথ এই ১৩.৮৪ কিমি’র জন্য। বুঝতেই পারছেন জনগনের পকেট থেকেই যায় সেই অতিরিক্ত খরচ, সময়ের হিসাব করলেও তার অর্থনৈতিক মূল্য অনেক। অন্যদিকে ভারত এই ট্রানজিট ব্যবহার করতে পারলে তারা বাংলাদেশকে ফি’ দিবে। আমি বলছি না ভারতকে এই ট্রানজিট দিতে হবে। কিন্তু এই যে দুই প্রতিবেশীর পারষ্পরিক সন্দেহ, অবিশ্বাস, অসহযোগীতার এমন নজির বিশ্বের অন্য প্রান্তে বিরল।
এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইউরোপ, রাশিয়ার ট্রেনগুলো অস্ত আস্ত দেশের ভিতর দিয়ে এক দেশ থেকে অন্যদেশে যায়, তাদের ব্যবসা, সীমান্ত অনেকাংশে উন্মুক্ত। সেখানে ভারত এখনো বাংলাদেশকে নেপাল, ভূটানের সঙ্গে ট্রানজিট দেয়নি, তিস্তার মতো অভিন্ন নদীগুলোর পানির নায্য অধিকার দেয়নি। এগুলোতে শুধু বাংলাদেশের লাভ নয়, ভারত বড় অংকের ফি পাবে, সামগ্রিক বিচারে এই অঞ্চলের লাভ। তেমনি ভারতেরও অনেক অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগীতার প্রয়োজন, তার পূর্ব-পশ্চিম ট্রানজিটের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন। এই বাস্তবতা দুই দেশের কারো অস্বীকার করার উপায় নেই। দুই দেশই যদি পারষ্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে সমানতালে উন্নতি করতে পারে তাতে দিন শেষে এই অঞ্চলের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ মানুষেরই জয় হবে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সীমান্তের কাঁটাতার, এমনি মানুষের অবাধ চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিপক্ষে। দুই দেশের সীমান্ত পাহারা দিতেও শত শত কোটি জনগনের টাকা গাচ্ছা যায়, ২/৪ জন মানুষ চুরি করে যাতায়াত করলেও এর চেয়ে অনেক কম ক্ষতি হয় রাষ্ট্রের।
Related Posts

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!
2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

শুধুমাত্র খ্রিস্টান হওয়ার কারনে ইরানের আদালত তাদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল!
২০০৯ সাল। ইরানের দুই তরুণী মারজিয়েহ আমিরিজাদে ও মরিয়ম রোস্তামপুরের বিরুদ্ধে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার রায়Read More

Spending the night in Umm Hani’s house and then meeting Allah in the heavens – he named it Mi’raj
Mi’raj is a central event in Islamic belief. On the night of Mi’raj, the ProphetRead More

Comments are Closed