
Muhammad’s Inconsistency
স্ত্রীদের প্রহার করায় নবী মুহাম্মদ খুশি হয়েছিলেন – তিনি স্ত্রীদের পার্থিব চাহিদা মিটাতে পারতেন না
আপনারা জানেন শিশুকামী গ্যাংস্টার নবী মুহাম্মদের ১১+ স্ত্রী ও একাধিক যৌনদাসী ছিল। কিন্তু উনি তাদের ভরন পোষন ঠিকমতো করতে পারতেন না, তাদের পার্থিব চাহিদা পূরণ করতে পারতেন না।
একবার তার স্ত্রী আয়েশা ও হাফসা মুহাম্মদের কাছে কিছু টাকা চায়। এতে মুহাম্মদের মন খুব বেজার হয়ে যায়। এবং এই কারনে আয়েশা ও হাফসা প্রহারের শিকার হয়েছিলেন। স্ত্রীরা প্রহারের শিকার হওয়ার পরে মুহাম্মদের মন খুশি হয়, উনি তখন হাসছিলেন। সহিহ মুসলিম ১৪৭৮।
” … মুহাম্মদ ব্যথিত হলেন। তাঁর স্ত্রীরা তাঁর কাছে ক্রমাগত টাকা চাইছিল। তখন আবু বকর উঠে আয়েশার কাছে গিয়ে তাঁর ঘাড়ে চড় মারলেন এবং উমর হাফসার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর ঘাড়ে চড় মারলেন; তাঁরা বললেন: ‘তোমরা আল্লাহর রাসূলের কাছে এমন কিছু চাইছ যা তাঁর কাছে নেই’ – আর মুহাম্মদ এই পরিস্থিতি দেখে হাসলেন।”
মুহাম্মদ যে কুরআন নামক পুস্তিকাটি লিখেছিলেন, তাতে কিন্তু বলা আছে যে – একাধিক স্ত্রী রাখার সামর্থ্য না থাকলে একজনকেই রাখতে হবে। ওদিকে যৌন-আসক্ত, কামুক এই তথাকথিত নবী মুহাম্মদ নিজেই এগারোজনকে বিয়ে করেছিলেন, অথচ তাঁর নিজের কাছে এক পয়সাও ছিল না তাদের সুখী জীবন নিশ্চিত করার জন্য। স্ত্রীদের চাহিদা ও দাবী ঠেকিয়ে রাখার জন্য নবীর ফেইক আইডি আল্লাকে দিয়ে আয়াতও ডাউনলোড করে নিছিলো মুহাম্মদ (৩৩ঃ২৮, ৩৩ঃ২৯), স্ত্রীদের কাজ ছিল মুহাম্মদ চাইলেই তারা শোয়ার জন্য রেডি থাকবে, পেটে খাবার থাক বা না থাক! তার তো কোন নির্দিষ্ট পেশাই ছিল না। এখন যেমন খয়রাতখোর হুজুরেরা পরিশ্রমী মানুষের উপর নির্ভরশীল, মুহাম্মদ ও তার সাহাবীরাও ঠিক তাই ছিল। তাদের মূল আয় ছিল বাণিজ্য কাফেলায় ডাকাতি, যুদ্ধ করে গনিমতের মাল লুট, শিশু ও নারীদের বন্দি করে দাসী, যৌনদাসী বানিয়ে ভোগ করে বাজারে বিক্রি করে দেয়া।
বিভিন্ন কারনেই ইসলাম স্বামীকে তার স্ত্রীদের প্রহারের অনুমোদন দেয়।
Related Posts

A random page from Muhammad’s self‑made book Qur’an and its unscientific statements
Sometimes I flip through random pages of Muhammad’s self‑made book Qur’an, and today this pageRead More

মুহাম্মদের বানানো কোরআন বই এর একটা র্যান্ডম পৃষ্ঠা ও সেখানকার অবৈজ্ঞানিক বক্তব্য
আমি মাঝে মাঝে মুহাম্মদের বানানো কোরআন বই এর র্যান্ডম পৃষ্ঠা উল্টাই, আজ এই পৃষ্ঠা হাতেRead More

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!
2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

Comments are Closed