
Inhumane Islamic Model!
নবী মুহাম্মদের ইসলামিক অর্থনীতির অমানবিক মডেল – গজনভি সাম্রাজ্য
নবী মুহাম্মদের ইসলামিক অর্থনীতির অমানবিক মডেল হিসাবে গজনভি সাম্রাজ্যের কেস স্টাডি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। মাহমুদ গজনভি ১৭টি ভারত অভিযান করেছিলেন। প্রতিটি অভিযান মূলত লুণ্ঠনমূলক ছিল।
ইতিহাসবিদ আল-উতবি (যিনি মাহমুদের সমসাময়িক ছিলেন) তার তারিখ-ই-ইয়ামিনী-তে লিখেছেন, ১০০১-১০০২ খ্রিষ্টাব্দের পেশোয়ার অভিযানের পর প্রায় ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) ভারতীয়কে দাস হিসেবে গজনীতে নিয়ে যাওয়া হয়। গজনীর বাজারে দাসের সরবরাহ এত বেড়ে গিয়েছিল যে, একজন সাধারণ শ্রমিকের দাম মাত্র কয়েক দিরহামে নেমে এসেছিল।
ভারত থেকে বন্দীদের পায়ে হাঁটিয়ে যখন আফগানিস্তানের তীব্র শীত ও পাহাড়ি পথ পার করা হতো, তখন তীব্র ঠান্ডা, অপুষ্টি এবং ক্লান্তিতে হাজার হাজার বন্দী পথেই মারা যেত। অনেকে মনে করেন, আফগানিস্তানের ‘হিন্দুকুশ’ পর্বতমালার নামের পেছনেও এই দাসদের মৃত্যুর ইতিহাস জড়িয়ে আছে, যার অর্থ “হিন্দুর মৃত্যুভূমি”।
পুরুষ দাসদের খনি খনন, দুর্গ নির্মাণ বা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ‘সামরিক দাস’ (Ghilman/Mamluk) হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের কারণে তাদের গড় আয়ু ছিল খুবই কম এবং অনেকেরই পরিবার গড়ে তোলার সুযোগ হতো না।
বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হাজার হাজার ভারতীয় নারীর পরিণতি ছিল ভিন্ন। তরুণী ও সুন্দরী নারীদের মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার ধনী ব্যক্তি ও শাসকদের হারেমে বা দাসী (Concubine) হিসেবে রাখা হতো।
কিছু আধুনিক নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গবেষণা (যেমন জিনগত গবেষণা বা DNA Analysis) থেকে একটি তত্ত্ব পাওয়া যায়। মধ্যযুগে (বিশেষ করে গজনভী ও ঘুরী আমলে) উত্তর ভারত থেকে যে বিপুল পরিমাণ কারিগর, সঙ্গীতশিল্পী ও সাধারণ মানুষকে বন্দী বা বাস্তুচ্যুত করে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তাদের একটি অংশ পরবর্তীতে যাযাবর জীবন বেছে নেয়। আজ ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে যে “রোমা” বা “জিপসি” (Gypsy) জনগোষ্ঠী বাস করে, তাদের ডিএনএ এবং ভাষার সাথে উত্তর ভারতের (পাঞ্জাব ও রাজস্থান) মানুষের গভীর মিল রয়েছে।
মাহমুদ গজনভির মৃত্যুর পর যখন অভিযান বন্ধ হলো, গজনি দ্রুত একটি তৃতীয় শ্রেণীর রাজ্যে পরিণত হলো – কারণ রাজ্যের নিজস্ব কোনো উৎপাদনশীল কাঠামো গড়ে ওঠেনি।
ছবিতে দেখছেন দুইজন রোমা নারীকে, এরাই কি সেই দাস-যৌনদাসী হিসাবে ধরে নিয়ে যাওয়া ভারতীয়দের বর্তমান প্রজন্ম?
Related Posts

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!
2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

শুধুমাত্র খ্রিস্টান হওয়ার কারনে ইরানের আদালত তাদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল!
২০০৯ সাল। ইরানের দুই তরুণী মারজিয়েহ আমিরিজাদে ও মরিয়ম রোস্তামপুরের বিরুদ্ধে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার রায়Read More

Spending the night in Umm Hani’s house and then meeting Allah in the heavens – he named it Mi’raj
Mi’raj is a central event in Islamic belief. On the night of Mi’raj, the ProphetRead More

Comments are Closed