Muhammad

Everything about Muhammad is Borrowed

মুহাম্মদের যৌন জীবন বাদে কোরআনে প্রায় সবই ধার করা! মুহাম্মদ যে এতো বড় কুতুব কেউ জানতো না সেটা!

১৪০০ বছর আগের রুক্ষ দূর্ভিক্ষপীড়ত আরবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বেদুঈন মানুষের বাস ছিল। মরুভূমির মক্কা ও মদীনা সমৃদ্ধ সভ্যতাগুলোর বাণিজ্যিক সংযোগস্থল হওয়ায় রোমান, পারসিয়ান, সুরিয়ানি ও হিব্রু সংস্কৃতির লোকগাথা, পৌরাণিক কাহিনী এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য আরবের মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। নির্দিষ্ট নিজস্ব লিখিত বা সমৃদ্ধ ইতিহাস না থাকায়, তৎকালের আরবে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর ভাবধারা ও মিথের গভীর প্রভাব লক্ষ করা যেত, যার প্রতিফলন মুহাম্মদের প্রচারিত বাণী কোরআন ও তার জীবনের ঘটনাপ্রবাহ হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক উপাখ্যানেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আপনি চাইলেও এমন কোন নিরপেক্ষ ইতিহাস দেখাতে পারবেন না যেখানে আবরের কোন ঐতিহাসিক ভূমিকা বা প্রভাব আছে। এমনকি মুহাম্মদ এতো বড় হোপা বা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ কুতুব হয়ে যাচ্ছিলো, এমন বড় তথ্যও আশপাশের কোন সমৃদ্ধ সভ্যতার লোকজন জানতো না। কোন প্রাতিষ্ঠানিক নগর সভ্যতা বা ঐতিহাসিক সূত্রে ইসলাম বা মুহাম্মদের অস্তিত্ব নেই। মুহাম্মদ এতো বড় কুতুব হয়ে গেছিল, অথচ ইসলামী জঙ্গি জেহাদি বাহিনী পাঠিয়ে দখলের আগ পর্যন্ত দুনিয়ার কোথাও কেউ জানতো না।

কোরআন, হাদিসে মুহাম্মদের নিজের সংযোজন খুবই কম। মুহাম্মদ শুধু সেগুলোই নিজ থেকে সংযোজন করেছেন যেখানে তার অগাধ যৌনতার আকাঙ্ক্ষা মেটানোর ব্যবস্থা থাকবে, কোন উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ার পরিবর্তে জিহাদের মাধ্যমে লুটপাটের অর্থনীতি চালু থাকবে, দাস-দাসী ও যৌনদাসী কেনাবেঁচার ব্যবস্থা জোরদার হবে। তাও খাদিজা বেঁচে থাকা অবস্থায় খাদিজার প্রভাব ও ক্ষমতার কারনে মুহাম্মদ তার এই সমস্ত আকাঙ্ক্ষা অবদমিত করে রেখেছিল। যেমন, ধরেন মুহাম্মদ তার বাল্য জীবনের ক্রাশ চাচাতো বোন উম্মে হানিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। চাচা আবু তালিব তাচ্ছিল্যের সঙ্গে সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, কারন মুহাম্মদ ছিল ভ্যাগাবন্ড। এরপর মুহাম্মদ হোপা হয়ে উঠলে তার সেই প্রেম আবার চাগান দিয়ে উঠে। একদিন যখন উম্মেহানির ব্যবসায়ী স্বামী ব্যবসার কাজে সিরিয়া যায় সেদিন রাতে মুহাম্মদ উম্মে হানির ঘরে রাত কাটায়। সকালে সারারাত সাহাবীরা মুহাম্মদকে না পেয়ে ভোরে দেখে উম্মে হানির ঘরের সামনে মুহাম্মদের স্যান্ডেল, তখন মুহাম্মদ বের হয়ে জরথুস্ট ধর্মের আর্দাই ভিরাগের মেরাজের কাহিনী ফেঁদে দেয়। উম্মে হানির ঘর থেকেই জেরুজালেমে গিয়ে বায়তুল মোকাদ্দাসে নামাজের ইমামতি, আল্লার সঙ্গে সাক্ষাতকার, জান্নাত-জাহান্নাম দেখে আসা, জাহান্নামের প্রায় সবাই যে নারী তা দেখে আসা – কত কেচ্ছা! যা বলছিলাম, কোরআনে আয়াত নিয়ে এসে তার শিশুকামী যৌনতার স্বাদ পূরণ করার জণ্য বন্ধুর ৬ বছরের মেয়ে আয়েশাকে বিয়ে করে, ৯ বছর বয়সে তার সঙ্গে সহবাস করে।

এই সমস্ত মুহাম্মদের বিয়ে, যৌনতা, যৌনদাসী – এসব বাদ দিলে কোরআন, হাদিসের প্রায় সবই ধার করা। আশপাশের সভ্যতার প্রবেশ। এই আদান-প্রদান মোটেও সমান-সমান ছিল না – বরং এটি ছিল মূলত একমুখী। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য, সাসানীয় পারস্য, ইহুদি ও সিরিয়াক খ্রিস্টান সম্প্রদায় – এরা ছিল সেসময়ের সমৃদ্ধ, নগরকেন্দ্রিক, প্রাতিষ্ঠানিক সভ্যতা, যাদের ছিল রাষ্ট্র, লিখিত সাহিত্য, ধর্মতাত্ত্বিক বিদ্যালয়, এবং সুবিস্তৃত বাণিজ্য-নেটওয়ার্ক। বিপরীতে, হেজাজ ও মধ্য আরবের বেশিরভাগ অঞ্চল ছিল মরুময়, অনুর্বর এবং জনবিরল – কৃষিনির্ভর উদ্বৃত্ত অর্থনীতি প্রায় ছিলই না বলা চলে, আর সেই সাথে ছিল বারবার দুর্ভিক্ষ ও পানির সংকট। এই কারনে জান্নাতে পানি, নদী, ছায়া দেয়া গাছ, খেজুর বাগানের এতো প্রতিশ্রুতি। আরবের নিজস্ব কোনো লিখিত সাহিত্য-ঐতিহ্য, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা বা প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকাঠামো গড়ে ওঠেনি সপ্তম শতকের আগে – যা ছিল মূলত মৌখিক কবিতা ও গোত্রীয় স্মৃতিনির্ভর একটি সংস্কৃতি।

ফলে প্রভাবের প্রবাহ ছিল প্রায় সম্পূর্ণরূপে বহির্মুখী থেকে অন্তর্মুখী – অর্থাৎ আরব উপদ্বীপ প্রতিবেশী সভ্যতাগুলোর ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উপাদান গ্রহণ করত, কিন্তু নিজের কোনো তুল্য প্রভাব বাইরে বিস্তার করতে পারত না। মক্কা-মদিনার মতো বাণিজ্যকেন্দ্রগুলো ছিল মূলত ট্রানজিট পয়েন্ট – ইয়েমেন থেকে সিরিয়া পর্যন্ত ক্যারাভান-পথের সংযোগস্থল – যেখান দিয়ে পণ্যের সাথে সাথে গল্প, কিংবদন্তি ও ধর্মীয় ধারণাও প্রবাহিত হতো, কিন্তু এই প্রবাহ ছিল মূলত একমুখী আমদানি, রপ্তানি নয়। ইহুদি বসতি (যেমন ইয়াসরিব তথা মদিনায়) এবং নাজরানের মতো খ্রিস্টান কেন্দ্রগুলো স্থানীয়ভাবে তাদের ধর্মগ্রন্থ-নির্ভর কাহিনি ও লোককথা ছড়িয়ে দিত, যেগুলো লিখিত আকারে না থেকে মৌখিক পুনর্কথনের মধ্য দিয়ে বিকৃত, সংক্ষিপ্ত বা রূপান্তরিত হয়ে স্থানীয় বর্ণনায় মিশে যেত।

এই অসম সম্পর্কটাই ব্যাখ্যা করে কেন ইয়াজুজ-মাজুজ, আসহাবে কাহফ বা লূত জাতির মতো কাহিনিগুলোতে বাইজেন্টাইন-সিরিয়াক বা ইহুদি উৎসের প্রায় হুবহু কাঠামো পাওয়া যায়, অথচ বিপরীত দিকের কোনো প্রভাব – অর্থাৎ আরব লোককথা প্রাক-ইসলামি যুগে বাইজেন্টিয়াম বা পারস্যের ধর্মীয় সাহিত্যে প্রবেশ করা – এমন নজির ইতিহাসবিদরা তেমন খুঁজে পান না। আরব তখন ছিল গ্রহীতা, উৎসকেন্দ্র নয় – আর এই ভৌগোলিক-অর্থনৈতিক প্রান্তিকতাই ব্যাখ্যা করে কেন এই অঞ্চলের নিজস্ব জ্ঞানভাণ্ডার এত সীমিত ছিল, এবং কেন বাইরের আখ্যানগুলো এত সহজে, প্রায় যাচাই ছাড়াই, স্থানীয় বিশ্বাসব্যবস্থায় আত্তীকৃত হয়ে যেত।

Related Posts

Islam is a Cult

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!

2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

Islam is a Cult

শুধুমাত্র খ্রিস্টান হওয়ার কারনে ইরানের আদালত তাদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল!

২০০৯ সাল। ইরানের দুই তরুণী মারজিয়েহ আমিরিজাদে ও মরিয়ম রোস্তামপুরের বিরুদ্ধে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার রায়Read More

What happened on the night of Miraj?

Spending the night in Umm Hani’s house and then meeting Allah in the heavens – he named it Mi’raj

Mi’raj is a central event in Islamic belief. On the night of Mi’raj, the ProphetRead More

Comments are Closed