
Are humans polygamous?
হরমোন, যৌন আচরণ, পুরুষ-নারী ও ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সাইকোলজি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে পড়ার সময় আমাদের চারটি সাপ্লিমেন্টারি সাবজেক্টে বাইরের চারজন খণ্ডকালীন শিক্ষক ক্লাস নিতেন – ইংরেজি, গণিত, সমাজবিজ্ঞান এবং ফটোগ্রাফি। সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন একজন উন্নয়নকর্মী, যিনি আবার ছিলেন প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ। তিনি প্রায়ই বলতেন, মানুষ জন্মগতভাবে বা প্রজাতিগতভাবে পলিগ্যামি। কিন্তু আমরা যারা রক্ষণশীল পরিবার ও সমাজ থেকে হঠাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি, সেই সময়ে এই ধারণা সহজে মেনে নিতে পারতাম না। তার আগে বয়েজ স্কুলে পড়া এবং কলেজে পড়াকালীন মেয়েদের সঙ্গে কথা বলাটাই ছিল আমাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। সেখানে আড্ডা দেওয়া বা পলিগ্যামাস কিংবা মনোগ্যামাস চিন্তা-ভাবনার কোনো সুযোগই ছিল না। তবে বিজ্ঞান ও বিবর্তনীয় অভিজ্ঞতা বলে, মানুষ আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পলিগ্যামি – সে পুরুষ হোক বা নারী। সমাজ, সভ্যতা, আইন ও ধর্ম নানা কারণে মানুষ সেই প্রবণতাকে সবসময় প্রকাশ করে না। তবুও এটি মানুষের স্বভাবগত প্রবণতা হিসেবে বিদ্যমান।
নৃতত্ত্ববিদ ও বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, মানুষ আসলে মিশ্র প্রবণতা প্রদর্শন করে – জৈবিকভাবে পলিগ্যামি সম্ভব হলেও সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে মনোগ্যামি বেশি প্রচলিত।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের প্রায় ৬৬% সন্তান একই দুই অভিভাবকের কাছ থেকে জন্মায়, যা মানুষকে মনোগ্যামি প্রবণতায় শীর্ষ ১০ স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রাখে।
- মানুষ মনোগ্যামির ক্ষেত্রে মীরক্যাট (৬০%) ও বিভার (৭৩%)-এর মাঝামাঝি অবস্থানে, যা শিম্পাঞ্জি ও গরিলার (১–৬%) তুলনায় অনেক বেশি।
- এটি প্রমাণ করে যে মানুষ বিবর্তনের পথে pair bonding বা যুগল সম্পর্কের দিকে ঝুঁকেছে, যা আমাদের নিকটতম প্রাইমেট আত্মীয়দের তুলনায় আলাদা।
- ইতিহাসে অনেক সমাজে পলিজিনি (এক পুরুষের একাধিক স্ত্রী) প্রচলিত ছিল, আবার অনেক সমাজে ধর্ম, আইন ও সামাজিক নিয়মের কারণে কঠোর মনোগ্যামি বজায় রাখা হয়েছে।
- আধুনিক সমাজে স্থিতিশীলতা, উত্তরাধিকার ও সন্তান পালনের কারণে মনোগ্যামি বেশি প্রচলিত, তবে serial monogamy (সময়ক্রমে একাধিক সঙ্গী) খুব সাধারণ।
- কিছু সংস্কৃতিতে এখনো আইনত পলিগ্যামি অনুমোদিত, আবার অন্যত্র তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
- মানুষ আসলে quantity বনাম quality কৌশলের মধ্যে ভারসাম্য রাখে:
- পুরুষরা সাধারণত সংখ্যার দিকে ঝোঁকে (বেশি সঙ্গী → বেশি প্রজনন সাফল্য)।
- নারীরা মানের দিকে ঝোঁকে (সহায়ক সঙ্গী → সন্তানের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি)।
- এই ভারসাম্যই মানুষকে পুরোপুরি মনোগ্যামাস বা পলিগ্যামাস না করে বরং পরিস্থিতি ও সংস্কৃতিভেদে অভিযোজিত কৌশলবিদ করে তুলেছে।
🧬 পুরুষের হরমোন ও যৌন প্রবণতা
পুরুষের শরীরে প্রধান হরমোন হলো testosterone, যা যৌন আকাঙ্ক্ষা, আগ্রাসন এবং impulsivity বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, testosterone-এর মাত্রা যত বেশি হয়, পুরুষের sexual partner-এর সংখ্যাও তত বেশি হতে পারে। সমাজে আমরা প্রায়ই দেখি – অনেক আপাত সুখী পরিবারের পুরুষ কিংবা অফিস ও বন্ধু মহলের পরিচিতজনেরা একাধিক নারী সঙ্গী রাখে। তারা বাইরে থেকে সাধু-সন্ন্যাসীর মতো আচরণ করলেও বাস্তবে এই স্বভাবজাত প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না
- পুরুষের reproductive success অনেকটা quantity over quality ভিত্তিক।
- নারীরা সন্তান ধারণ ও লালন-পালনের ভার বহন করে বলে তাদের reproductive success হয় quality over quantity।
- এজন্য নারীরা সঙ্গী নির্বাচনে বেশি selective, আর পুরুষরা তুলনামূলকভাবে বহুগামী প্রবণতা প্রদর্শন করে।
একজন পুরুষ যাত্রাপথে ক্ষনিক সময়ের পরিচিতিতে এক নারীর সঙ্গে বিছানায় চলে যেতে পারে সুযোগ পেলে, তার সঙ্গে পরে আর কখনো দেখা হবে কিনা, নারীর ইমোশনাল অবস্থা কী হবে এসব নিয়ে তার ভাবনা থাকে না। পুরুষের reproductive success সাধারণত quantity over quality ভিত্তিক বলে বিবেচিত হয়, অর্থাৎ পুরুষরা যত বেশি সংখ্যক সঙ্গীর সঙ্গে প্রজনন করতে পারে, তাদের জেনেটিক উত্তরাধিকার ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তত বেশি হয়। বিবর্তনীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, পুরুষদের জন্য সন্তান জন্মদানের শারীরিক ভার নেই, তাই তারা তুলনামূলকভাবে বহুগামী প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কেও আগ্রহী হতে পারে। অন্যদিকে নারীদের জন্য সন্তান ধারণ, গর্ভকালীন ঝুঁকি এবং লালন-পালনের দায়িত্ব থাকে, ফলে তারা সঙ্গী নির্বাচনে বেশি সতর্ক ও বাছাইপর্বে মনোযোগী হয়। এই কারণে পুরুষদের reproductive strategy সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল, আর নারীদের ক্ষেত্রে তা মান ও স্থায়িত্বের ওপর নির্ভরশীল।
একজন নারী ক্ষণিকের পরিচয়ে কোনো পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে আগ্রহী হয় না; সে আগে আবেগীয় বন্ধন তৈরি করতে চায় এবং যাচাই করে দেখতে চায় পুরুষটি তাকে কতটা আগলে রাখতে সক্ষম। বিবর্তনীয় অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে যে গর্ভধারণের পর দীর্ঘ সময় অন্যের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, কারণ সে নিজে কর্মক্ষমতা হারাতে পারে এবং তার গর্ভস্থ সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত থাকে। তাই সুঠাম, কর্মঠ, দায়িত্বশীল, ক্ষমতাবান ও স্বাবলম্বী পুরুষরা নারীর অগ্রাধিকার তালিকায় থাকে। তবে শুধু এসব গুণ থাকলেই নারীর আস্থা অর্জন করা যায় না; এর জন্য প্রয়োজন আবেগীয় সংযোগ, যাতে নারী নিশ্চিত হতে পারে যে পুরুষটি তার পাশে থাকবে। এই আবেগীয় সংযোগ ছাড়া যে শারীরিক সম্পর্ক ঘটে, তা নারীর কাছে অনেকটা জবরদস্তিমূলক অভিজ্ঞতার মতো মনে হয়। এজন্য নারীরা শারীরিক সম্পর্কের সংখ্যার চেয়ে মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
💖 Estrogen, Oxytocin ও পুরুষের আবেগ
পুরুষের শরীরে estrogen থাকে নারীদের তুলনায় প্রায় বিশ গুণ কম। এই অল্প estrogen-ই পুরুষকে romantic emotional love অনুভব করতে সাহায্য করে।
- Estrogen oxytocin sensitivity বাড়ায়।
- Oxytocin কে বলা হয় “love hormone”, যা bonding ও emotional attachment তৈরি করে।
- যখন পুরুষরা aromatase blocker ব্যবহার করে, তখন estrogen কমে যায় এবং testosterone স্বাভাবিক থাকে। এর ফলে যৌন সম্পর্কের সময় আবেগীয় সংযোগ প্রায় থাকে না।
ধরেন, কোন পুরুষ চলতি পথে কোন বেঁদের মেয়ে জোসনার প্রেমে পড়ে গেল, এক দেখায় প্রেম মূলত তার সঙ্গে শোয়ার একটা বাহানা। আবার কোন যৌনকর্মীর সঙ্গে শুয়ে তাকে প্রেমের কেচ্ছা বলতে থাকলো। যৌনকর্ম শেষ হয়ে গেলেও কী এই প্রেমের তাড়না তার থাকবে? নাকি সে দ্রুত তার সঙ্গ ত্যাগ করলে তখন বেঁচে যাবে?
পুরুষদের শরীরে estrogen নারীদের তুলনায় প্রায় বিশ গুণ কম থাকে, তবে এই সামান্য estrogen-ই পুরুষের মস্তিষ্কে oxytocin receptor-এর সংবেদনশীলতা বাড়ায়। এর ফলে তারা যৌন সম্পর্কের বাইরে গিয়ে রোমান্টিক আবেগ, bonding এবং প্রেমের অনুভূতি উপলব্ধি করতে পারে। Oxytocin, যাকে “love hormone” বলা হয়, একটি নিউরোপেপটাইড যা hypothalamus থেকে উৎপন্ন হয়ে posterior pituitary gland থেকে নিঃসৃত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে, যৌন সম্পর্কের সময় bonding বাড়ায় এবং পিতৃত্বকালীন সংযোগ যেমন নবজাতককে কোলে নেওয়ার সময় আবেগীয় বন্ধনকে শক্তিশালী করে। পেটে ধারন না করেও সন্তানদের প্রতি বাবার ভালবাসা এভাবে তৈরি হয়।
🔄 Post-Nut Clarity ও Short-Term Mating
পুরুষদের মধ্যে একটি পরিচিত ঘটনা হলো post-nut clarity – বীর্যপাতের পর নারী সঙ্গীর প্রতি হঠাৎ আগ্রহ কমে যাওয়া।
- Aromatase blocker নিলে এই প্রবণতা আরও শক্তিশালী হয়।
- Testosterone বেশি থাকলে পুরুষরা short-term mating oriented হয়ে যায়।
- এজন্য breakup-এর পর অনেক পুরুষ জিমে যায়, কারণ ব্যায়াম testosterone বাড়ায় এবং নতুন সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে।
Estrogen ও oxytocin-এর পারস্পরিক সম্পর্ক পুরুষদের আবেগীয় অভিজ্ঞতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। Estrogen মস্তিষ্কে oxytocin receptor-এর কার্যকারিতা বাড়ায়, ফলে bonding, trust এবং emotional intimacy বৃদ্ধি পায়। কিন্তু যখন estrogen কমে যায়, যেমন aromatase blocker ব্যবহারে, তখন oxytocin sensitivity দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পুরুষরা যৌন সম্পর্কে আবেগীয় সংযোগ কম অনুভব করে। এর সাথে যুক্ত হয় “post-nut clarity” – ejaculation-এর পর testosterone-driven impulsivity কমে গিয়ে oxytocin-driven bonding দুর্বল হয়ে পড়ে। Estrogen কম থাকলে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়, যা evolutionary psychology অনুযায়ী short-term mating strategy-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
🌈 ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের হরমোন ও সাইকোলজি
ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা ভিন্নতর। তারা যখন বিপরীত লিঙ্গের হরমোন গ্রহণ করেন, তখন তাদের মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন ঘটে।
- Trans women (পুরুষ থেকে নারী) estrogen গ্রহণ করলে তাদের শরীরে oxytocin sensitivity বাড়ে, ফলে তারা আবেগীয় সংযোগ ও bonding বেশি অনুভব করেন।
- Trans men (নারী থেকে পুরুষ) testosterone গ্রহণ করলে তাদের sexual impulsivity ও আগ্রাসন বাড়তে পারে, যা cisgender পুরুষদের মতো আচরণে প্রতিফলিত হয়।
- হরমোন থেরাপি শুধু শারীরিক পরিবর্তনই আনে না, বরং মানসিক অভিজ্ঞতাও বদলে দেয়।
ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা মূলত হরমোনের প্রভাবে গঠিত এক বিশেষ যাত্রা। যখন তারা বিপরীত লিঙ্গের হরমোন গ্রহণ করেন, তখন শুধু শরীর নয়, মানসিক অভিজ্ঞতাও বদলে যায়। উদাহরণস্বরূপ, trans women estrogen গ্রহণ করলে তাদের শরীরে oxytocin-এর প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়ে, ফলে তারা আবেগীয় সংযোগ ও গভীর bonding বেশি অনুভব করেন। অন্যদিকে trans men testosterone গ্রহণ করলে তাদের sexual impulsivity ও আগ্রাসন বৃদ্ধি পায়, যা অনেকটা cisgender পুরুষদের আচরণের সঙ্গে মিলে যায়। আসলে হরমোন থেরাপি কেবল বাহ্যিক পরিবর্তন নয়, বরং অন্তর্গত অনুভূতি ও সামাজিক আচরণকেও পুনর্গঠন করে। সবকিছুই নির্ভর করে কোন হরমোন কতটা গ্রহণ করা হয়েছে তার ওপর – পুরোটাই যেন শরীরে হরমোনের সূক্ষ্ম খেলা।
🧠 সাইকোলজিক্যাল প্রভাব
- Hormone therapy ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের gender identity-এর সাথে মানসিক সামঞ্জস্য তৈরি করে।
- তারা নিজেদের শরীর ও মনের মধ্যে সমন্বয় অনুভব করেন।
- তবে এই পরিবর্তন সবসময় সহজ নয় – অনেক সময় সামাজিক চাপ, মানসিক দ্বন্দ্ব, এবং সম্পর্কের জটিলতা দেখা দেয়।
| বিষয় | পুরুষ (Testosterone) | নারী (Estrogen) | Transgender (Hormone Therapy) |
|---|---|---|---|
| যৌন আকাঙ্ক্ষা | বেশি | মাঝারি | হরমোনের উপর নির্ভরশী |
| সঙ্গী নির্বাচন | কম selective | বেশি selective | পরিচয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ |
| Reproductive success | Quantity over Quality | Quality over Quantity | পরিবর্তনশীল |
| আবেগীয় সংযোগ | কম | বেশি | হরমোন থেরাপি অনুযায়ী |
| Post-nut clarity | শক্তিশালী | দুর্বল | হরমোনের মাত্রায় নির্ভরশীল |
পুরুষ ও নারীর হরমোন তাদের যৌন আচরণ ও সঙ্গী নির্বাচনে গভীর প্রভাব ফেলে। Testosterone পুরুষকে impulsive ও বহুগামী করে তোলে, estrogen ও oxytocin আবেগীয় সংযোগ তৈরি করে। Aromatase blocker-এর মতো হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ পুরুষদের emotional bonding কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের জন্য হরমোন থেরাপি তাদের পরিচয় ও মানসিক ভারসাম্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মানুষকে বলা যায় সামাজিকভাবে মনোগ্যামাস কিন্তু জৈবিকভাবে নমনীয়। আমাদের বিবর্তনীয় ইতিহাস যুগল সম্পর্কের দিকে ঝুঁকিয়েছে, তবে সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত আচরণে পলিগ্যামির প্রকাশও দেখা যায়। অর্থাৎ, মানুষ প্রকৃতিগতভাবে একেবারে “পলিগ্যামাস” নয় – বরং আমাদের প্রকৃতি হলো মনোগ্যামি ও পলিগ্যামির মিশ্রণ, যা জীববিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও পরিবেশ দ্বারা গঠিত।
Related Posts

Even in this era, religious fanaticism stands as a barrier to the spread of science!
For being ahead of his time, Socrates had to drink the cup of poison 2,400Read More

In the light of open‑source, a new horizon: How WordPress is showing Bangladesh’s young generation the path to self‑reliance
If you walk along the roads of villages and small towns in Bangladesh, you willRead More

Comments are Closed