
Is Allah Muhammad’s PS?
নবী মুহাম্মদের সাবেক পুত্রবধু ও নতুন বউয়ের সঙ্গে সঙ্গমে দেরী হচ্ছিলো বলে আল্লাহ আয়াত পাঠিয়ে দেন!
আপনার কোন এক বন্ধু বিয়ে করেছে, রাতে দাওয়াত খেয়ে আপনারা আড্ডা দিচ্ছেন। ওদিকে সে নতুন বউয়ের সাথে শোয়ার জন্য উতলা হয়ে আছে। এজন্য সে খাওয়ার পরেই আপনাদের বের করে দিবে বলে লাঠি হাতে তাড়া করলো। এমন কোন বন্ধু আছে আপনার? থাকলে তাকে মেনশন করতে পারেন কমেন্টে!
আপনার না থাকলেও ইসলামের নবী ও আল্লাহ মিলে মুহাম্মদের সাহাবী বন্ধুদের লাঠি হাতে তাড়া করেছিল, কথার কথা বললাম আরকি। একাধিক বউ ও যৌনদাসী থাকা এক যৌণকাতর বুইড়া লোক তার পালিত ছেলের বাড়িতে না বলে হাজির হয়ে দেখে তার পুত্রবধূর শরীরে কাপড় নেই। এই দেখে সে কাম উত্তেজনায় ঘেমে যায়, বিড় বিড় করে বলতে থাকে – না এটা কি ঠিক হবে? আল্লাহ বুঝে যায় তার মনে কি ডাকছে! আল্লাহ আয়াত পাঠিয়ে পূত্রবধু জয়নবকে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়। আপনারা এসব জানেন।
মুহাম্মদ জয়নবের প্রতি এতোটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে স্মরণকালের সেরা ভোজের আয়োজন করেছিল, সাহাবীরাই সেটা বলাবলি করেছিল। বিয়ের দিন সবাইকে দাওয়াত খাওয়ানো হলো। খাওয়ার পর কিছু সাহাবী চলে না গিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলো। সম্ভবত পান জাতীয় কিছু খাচ্ছিলো আর খোশগল্প করছিল। ওদিকে নবী মুহাম্মদ সাবেক পুত্রবধূ ও নতুন বউয়ের সঙ্গে শোয়ার জন্য অস্থির হয়ে আছে। এমন সময় এক সাহাবী আড্ডার ছলে অন্য একজনের সঙ্গে বলছিল নবী মারা গেলে উনি আয়েশাকে বিয়ে করবেন। এই কথাও নবীর কানে যায়। নবী ভীষণ বেজার হন। সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ আয়াত পাঠিয়ে দিলেন, একেবারে ইনস্ট্যান্ট! বউয়ের সঙ্গে শোয়া ও তার বউদের যেনো কেউ বিয়ে বা করতে পারে – আল্লাহ ব্যবস্থা করে দিলেন। সাহাবীরা বিদায় হলো, নবী মুহাম্মদ সাবেক পুত্রবধূর সঙ্গে শুয়ে পড়লেন।
“হে মুমিনগণ, তোমরা নবীর ঘরসমূহে প্রবেশ করো না; অবশ্য যদি তোমাদেরকে খাবারের অনুমতি দেয়া হয় তাহলে (প্রবেশ কর) খাবারের প্রস্ত্ততির জন্য অপেক্ষা না করে। আর যখন তোমাদেরকে ডাকা হবে তখন তোমরা প্রবেশ কর এবং খাবার শেষ হলে চলে যাও আর কথাবার্তায় লিপ্ত হয়ো না; কারণ তা নবীকে কষ্ট দেয়, সে তোমাদের বিষয়ে সঙ্কোচ বোধ করে; কিন্তু আল্লাহ সত্য প্রকাশে সঙ্কোচ বোধ করেন না। আর যখন নবীপত্নীদের কাছে তোমরা কোন সামগ্রী চাইবে তখন পর্দার আড়াল থেকে চাইবে; এটি তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্র। আর আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার (মৃত্যুর) পর তার স্ত্রীদেরকে বিয়ে করা কখনো তোমাদের জন্য সঙ্গত নয়। নিশ্চয় এটি আল্লাহর কাছে গুরুতর পাপ।” [৩৩ঃ৫৩]
হাদিসের সূত্র (যেখানে ঘটনাটি বিস্তারিত আছে)-
এই আয়াতটি কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল, তা সাহাবী আনাস ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন।
সহীহ বুখারীঃ হাদিস নম্বর ৪৭৯১, ৪৭৯২, ৪৭৯৩ (অধ্যায়ঃ তাফসীর / সূরা আল-আহযাব)।
সহীহ মুসলিমঃ হাদিস নম্বর ৩৩৯৭/১৪২৮ (অধ্যায়ঃ বিবাহ / জয়নব বিনতে জাহশের বিবাহ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ)।
ঘটনার বিবরণঃ হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, জয়নব বিনতে জাহশ (রা.)-এর সাথে বিয়ের দিন রাতে নবী মুহাম্মদ (সা.) ওয়ালিমা (বিয়ের ভোজ)-এর আয়োজন করেছিলেন। আনাস (রা.) বলেন, মেহমানরা এসে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে একে একে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শেষ দিকে ৩ জন (কোনো বর্ণনায় কয়েকজন) সাহাবী খাওয়া শেষ করার পরও ঘরে বসে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের মধ্যে গল্পগুজব করছিলেন।
নবী (সা.) তাঁর নতুন স্ত্রীর সাথে একান্তে সময় কাটাতে চাচ্ছিলেন, কিন্তু সাহাবীদের দীর্ঘ সময় বসে থাকা সত্ত্বেও তিনি অত্যন্ত লজ্জাশীল হওয়ায় সরাসরি মুখ ফুটে তাঁদের চলে যেতে বলতে পারছিলেন না। তিনি ঘর থেকে বের হয়ে অন্য স্ত্রীদের হুজরা বা ঘরগুলো ঘুরে আবার ফিরে আসেন, কিন্তু এসে দেখেন তাঁরা তখনও গল্প করছেন। তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াতটি নাজিল করেন, যেখানে সরাসরি বলা হয় যে এভাবে দীর্ঘ সময় অযথা বসে গল্প করা নবীকে কষ্ট দেয় এবং বিরক্ত করে।
কোরআনকে আপনি ঐশী গ্রন্থ মনে করতেই পারেন। নিজ দায়িত্বেই করেন। মুহাম্মদের ইচ্ছা, অনিচ্ছা, যৌনতার খায়েশ পরিপূর্ণ করা একটা বইকে এই যুগেও ঐশী গ্রন্থ বলে দাবি করা চাট্টিখানি কথা নয়।
Related Posts

Is the Qur’an a great scripture? A historical and critical text analysis
If one analyzes the messages and sequences of events inside any historical text, it revealsRead More

কুরআন কি মহাগ্রন্থ? ঐতিহাসিক ও সমালোচনামূলক টেক্সট অ্যানালাইসিস
যেকোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থের ভেতরের বাণী ও ঘটনাক্রম বিশ্লেষণ করলে তার রচয়িতা বা প্রচারকের সমসাময়িক জীবনRead More

Allah sent down a verse because the Prophet Muhammad was being delayed from having intimate relations with his former daughter‑in‑law and new wife!
Your friend gets married, and after dinner you’re all chatting at night. Meanwhile, he isRead More

Comments are Closed