
Islam is Outdated in this Era!
ইসলামের সেকেলে ধারনার সঙ্গে আধুনিক মানুষের সমান্তরালে চলা অসম্ভব
একটা দেশে সংগীত থাকবে না, নাটক থাকবে না, সিনেমা থাকবে না, খেলাধূলা থাকবে না, মেয়েরা পুরুষ অবিভাবক ছাড়া বাইরে ভ্রমনে যেতে পারবে না, মেয়েদের চলাফেরা করতে হবে পুরুষের ইচ্ছায়, পুরুষ নির্ধারন করে দিবে তারা কি পোশাক পরবে, মেয়েরা লেখাপড়া করতে পারবে না। আপনি পছন্দমতো খেলাধূলা করতে পারবেন না, দেখতে পারবেন না, এমনকি সমর্থনও জানাতে পারবেন না। বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা থাকবে না, আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ন্ত্রন করবে অন্যরা। শুধু থাকবে অফুরন্ত যৌনতার প্রলোভন, তাও শুধু পুরুষদের জন্য! এমন একটা সমাজে কিভাবে মানুষ বাস করতে পারে? ইসলামিস্টরা এই সমাজকে আবার সর্বোচ্চ আদর্শ, শান্তি ও সমৃদ্ধির সমাজও মনে করে। কিভাবে সম্ভব?
ইসলামে সব খেলাধূলা নিষিদ্ধ; অনুমোদিত শুধু তীর-ধনুক প্রশিক্ষন, ঘোড়া চালনা ও স্ত্রীর সঙ্গে খুঁনসুটি করা। অবশ্য তৎকালীন রুক্ষ, দূর্ভিক্ষপীড়িত, যাযাবর বেদুঈনদের সমাজে এই সমস্ত খেলাধূলাই চালু ছিল আগে থেকে। নবী মুহাম্মদও দেখতো স্ত্রীর সঙ্গে খুনসুঁটি দিয়ে যৌনতার প্রতি প্রলুব্ধ করা, তীর-ধনুক প্রশিক্ষন, ঘোড়া চালনা শিখিয়ে জিহাদী বাহিনীকে চাঙ্গা রাখা তার জন্য উপযুক্ত কৌশল। তবে মুহাম্মদ যখন এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে তখন সাহাবীদের যৌনতার ব্যাপার থাকবে না, তা তো হয় না!
নবী মুহাম্মদ এর আগমনের পূর্ব থেকেই প্রাক-ইসলামী আরবে বিনোদন ও যুদ্ধবিদ্যার প্রস্তুতি এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য একটি পাখি শিকারের কৌশল হিসেবে বেশ কিছু শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক খেলার প্রচলন ছিল। মরুভূমির কঠোর জীবনযাত্রার সাথে মিল রেখে তাদের প্রধান খেলাগুলোর মধ্যে ছিল ঘোড়দৌড় ও উটের দৌড়, যা বিভিন্ন মেলা ও উৎসবে গোত্রীয় মর্যাদার প্রতীক হিসেবে অনুষ্ঠিত হতো। এছাড়া সামরিক দক্ষতার অংশ হিসেবে তীরন্দাজি, তলোয়ারবাজি ও নেজা (বর্শা) নিক্ষেপ প্রতিযোগিতার ব্যাপক চল ছিল, যেখানে তরুণেরা তাদের বীরত্ব প্রদর্শন করত। শারীরিক শক্তি পরীক্ষার জন্য কুস্তি ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং আরবরা দলবেঁধে বাজপাখি বা শিকারি কুকুর নিয়ে মরুভূমিতে পশুপাখি শিকার করতে পছন্দ করত, বিশেষ করে হুবারা বাস্টার্ড নামক এক পাখি। তবে এই সব শারীরিক খেলার পাশাপাশি তৎকালীন সমাজে ‘আল-মাইসির’ বা জুয়া খেলা, তীরের সাহায্যে ভাগ্য পরীক্ষা এবং পাশা খেলার মতো বিনোদনেরও ব্যাপক প্রচলন ছিল। ইসলাম তিনটি বাদে বাকীগুলো নিষিদ্ধ করে।
যেহেতু আরবের বাইরের বিশ্বের কোন খেলাধূলার বিষয়ে নবী মুহাম্মদের জ্ঞান ছিল না এবং সেটাকেই আল্লাহর আইন বানিয়ে গেছে সেহেতু ইসলামের এই তিন ফালতু খেলার বাইরে আর কিছুই ইসলামপন্থীরা খেলতে দিবে না। তবে আরবে এখনো ঐ সমস্ত ভয়ংকর ও অমানবিক খেলাধূলার প্রচলন আছে।
আপনারা জানেন বাংলাদেশের মতো দেশগুলো থেকে আগে প্রচুর শিশু চুরি করে আরবে পাচার করা হতো তাদের উটের জকি হয়ে উটের রেসে অংশ নেয়ার মতো বিপদজ্জনক খেলায় অংশ নেয়ানোর জন্য। এখনো তাদের বাজপাখি প্রীতি দেখে থাকবেন। সেখানকার অনেক প্রিন্স আস্ত উড়োজাহাজ ভাড়া করে বাজপাখি বহন করে! কিন্তু আপনারা কি জানেন, এই বাজপাখি প্রীতি স্রেফ তাদের যৌন লালসা থেকে তৈরি?
আরব শেখদের কাছে জনপ্রিয় জিনিস এই বাজপাখি নিয়ে তাদের ফ্যান্টাসির অন্ত নেই। কিন্তু কেন? বিশেষ করে আবব পুরুষদের কাছে বাজপাখির একটা আলাদা প্রয়োজন আছে, সেটা হলো এই পাখির কল্যানে তারা যৌনশক্তি বাড়ায়। যদিও এই যৌনশক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়াটার কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কিনা আমার জানা নেই। আরব শেখেরা বড় বড় মরুভূমি বিশেষ করে পাকিস্তানের মরুভূমি চষে বেড়ান দলবল নিয়ে, গাড়ির বহর নিয়ে। কোটি কোটি টাকার পারমিটও নেয় পাকিস্তানের কাছ থেকে। মুহাম্মদের আমলে যেহেতু গাড়ি ছিল না তখন ঘোড়া ও তীর ধনুক দরকার হতো এই পাখি শিকার করার জন্য।
তাদের সঙ্গে থাকে একাধিক প্রশিক্ষিত বাজপাখি। এই বাজপাখিগুলো তারা সঙ্গে নেয় অন্য একটা পাখি শিকারের জন্য, যার নাম হুবারা বাস্টার্ড। বিপন্ন প্রজাতির এই পাখির মূল নিবাস মঙ্গোলিয়া। তারা হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে আরব মরুভূমি ও বিশেষ করে পাকিস্তানে আসে বাঁচার তাগিদে। আরব শেখেরা সেই পাখি তাড়া করে মরুভূমিতে, প্রশিক্ষিত বাজপাখিগুলো উপর থেকে হুবারা বাস্টার্ডের ঠিকানা বের করে, তাদের ধরাশায়ী করে ঠোকরে পালক সব ছিঁড়ে নেয়। শেখেরা তখন হুবারা বাস্টার্ড এর স্টক বাড়ায়। আরব শেখদের ধারনা এই হুবারা বাস্টার্ড পাখির মাংস যৌনশক্তি বাড়িয়ে দেয় অনেক। এই ভিডিওতে পাবেন বিস্তারিত – https://youtu.be/ritx6m9aCso
ইসলামের প্রায় সবকিছুর মূলে আছে যৌনতা। তাদের প্রিয় খেলাধূলায়ও সেই যৌনতার তাগিদ! দুনিয়াতেও তাদের চিন্তা ঐ যৌনতা নিয়ে, মরার পরেও সেই একই আশা, ৭২ সুন্দরী সেক্স ডল হুর-পরী লাগানো ও সুদর্শন কিশোর হাজার হাজার গেলমানের সঙ্গে পায়ুকাম! আরবের ধনীরা কুয়ার তেল বেচার কোটি কোটি টাকা যৌনতার জন্য পানিতে ফেলে। অথচ জ্ঞান, বিজ্ঞান, সভ্যতা, শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, মানবতার বিস্তারে তাদের অবদান তলানিতে। তাদের মাথায় সারাজীবন ধরে কাজ করে এক লীলাখেলা, জীবনে যেটুকু ভাল (খারাপও) কিছু করে তাও সেই অনলিমিটেড লীলাখেলার অপেক্ষায়; প্রাণ, প্রকৃতি, মানুষের মঙ্গলের জন্য তারা কিছু করে না বললেই চলে!
সেজন্য বলি কি, বাংলাদেশেও যেহেতু ইসলাম লাগবে, সেহেতু বিশ্বকাপ ফুটবল, ক্রিকেট বা আরবে নেই এমন অন্যান্য খেলা করা বা দেখার কি দরকার? আপনারাও তীর-ধনূক চর্চা করেন, ঘোড়ার দৌঁড় খেলেন, বাজপাখি পোষেন, আরব তথা ইসলামের সংস্কৃতি চালু করেন বাংলাদেশে! মহাবিপন্ন হুবারা বাস্টার্ড শিকার করেন। পেনিসে হুবারা বাস্টার্ডের তেল মাখান, মাংস খান। এতে দুনিয়াতেও ৪ স্ত্রী, একাধিক যৌন দাসী লাগাতে পারবেন, জান্নাতে গিয়েও ৭২ হুর, হাজার খানিক গেলমান লাগাতে পারবেন। দুনিয়া ও আখিরাত পুরোটাই পেনিসময়। মানুষের মাথা আল্লাহ দিছেই তো পেনিস নিয়ে চিন্তা করার জন্য! পেনিসই আপনার ইমানদন্ড। ইসলামের যদি কোন ব্রান্ডেড সিম্বল থাকে তবে সেটা এই পুরুষের পেনিসই হওয়া উচিৎ – যাকে কেন্দ্র করেই ইসলামের প্রায় সবকিছু।
Related Posts

Palestine and Gaza merging with Israel, and all of Kashmir merging with India, would lead to greater humanitarian benefit
In modern politics, independence is often considered an almost inviolable value, where leaders aim toRead More

ফিলিস্তিন ও গাজা ইসরায়েলের সঙ্গে, পুরো কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে মিশে গেলেই মানবতার বৃহত্তর কল্যান হবে
আধুনিক রাজনীতিতে স্বাধীনতাকে প্রায় অলঙ্ঘ্য মূল্য ধরা হয়, সেখানে নেতাদের লক্ষ থাকে দেশের নেতৃত্ব বাRead More

The Jewish claim to the land of Israel is actually connected to their historical roots
Have you heard the popular song from the 1970s ‘By the Rivers of Babylon …’?Read More

Comments are Closed