Safiya
Prophet Muhammad and Safiya

Prophet Muhammad and Safiya

খাইবার যুদ্ধ ও একই দিনে সাফিয়াকে যৌনদাসী হিসাবে গ্রহন করে যৌনতা করেন নবী মুহাম্মদ

খায়বার যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই, মুসলিম জিহাদী বাহিনী যখন বিশ্রামের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন নবী মুহাম্মাদ ঘোষণা করলেন যে, ফেরেশতা জিবরাঈল তাকে খায়বার একটি সমৃদ্ধ ইহুদি দুর্গ ও শহর – আক্রমণ ও বিজয়ের নির্দেশ দিয়েছেন।

নবী তার জিহাদী সেনাদল নিয়ে আকস্মিক আক্রমণ চালিয়ে খায়বার দখল করলেন। যুদ্ধে ইহুদি যোদ্ধারা নিহত হলেন। নারী ও শিশুদের বন্দী করা হলো। এদের মধ্যে ছিলেন অসাধারণ সুন্দরী সাফিয়া বিনতে হুয়াই, যিনি খায়বারের প্রধান নেতা হুয়াই ইবনে আখতাবের কন্যা এবং কিনানা ইবনে আর-রবীর বাগদত্তা ছিলেন।

কিনানাকে ধন-সম্পদের লুকানো স্থান জানার জন্য নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পরে তাঁকে হত্যা করা হয়। যুদ্ধের লুটসামগ্রী (গনিমত) ভাগাভাগির সময় সাফিয়া দিহিয়া আল-কালবী নামক এক মুসলিম যোদ্ধার ভাগে পড়েন এবং তিনি তাঁকে যৌনদাসী হিসেবে পান।

কিন্তু সাফিয়ার অপরূপ সৌন্দর্যের কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে মুসলিম সাহাবীরা তার প্রশংসায় মুখর হয়ে ওঠেন। এই খবর নবীর কানে পৌঁছালে তিনি দিহিয়াকে সাফিয়াসহ তার সামনে ডেকে পাঠান। সাফিয়াকে দেখামাত্র নবীর দিলে লালা ঝরতে শুরু করে, তিনি দিহিয়াকে বলেন, “তার বদলে অন্য যেকোনো বন্দিনী নিয়ে নাও।” দিহিয়া প্রথমে ইতস্তত করেন, সাফিয়ার রুপের আগুণে তখন সে ঝাজরা অবস্থায় আছে, নবী তখন তাকে সাফিয়ার বিনিময়ে সাতজন যুদ্ধবন্ধী যৌনদাসী দিয়ে সাফিয়াকে নিজের জন্য গ্রহণ করেন। নবী এতোই উন্মাদ হয়ে গিয়েছিলেন সাফিয়াকে দেখে। এরপর অপেক্ষা আর সহ্য হচ্ছিল না, কখন তাকে নিজের সঙ্গে শোয়াবেন।

সেই রাতেই, সাফিয়ার বাবা, ভাই ও বাগদত্তাকে হত্যার অল্প সময়ের মধ্যে নবী তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তখন সাফিয়ার বয়স ছিল মাত্র ১৬-১৭ বছর।

ইসলামিস্টরা দাবী করে সাফিয়া নাকি নিজেই নবীর প্রেমে মুগ্ধ হয়ে সেই রাতেই ধেই ধেই করে নবীর বিছানায় চলে গিয়েছিলেন। বাবা, ভাই, স্বামী/বাগদত্তা, আত্মীয়-স্বজনকে নিজ চোখে যিনি হত্যা হতে দেখেছেন, সেই নিষ্ঠুর হত্যাকারীর সঙ্গে সেই দিনই বিছানায় যাওয়া সম্ভব? আপনারা কি বলেন? সাফিয়া পরে বলেছিলেন যে তিনি নবীকে ঘৃণা করতেন কারণ তিনি তার ভবিষ্যত স্বামী, বাবা এবং ভাইকে হত্যা করেছেন।

রেফারেন্সসমূহঃ

সহিহ মুসলিম ১৩৬৫ঃ “আর আল্লাহর রাসূল ﷺ তাকে সাতজন বন্দীর বিনিময়ে পেলেন, এবং পরে তাঁকে উম্মে সুলাইমের কাছে সমর্পণ করলেন যাতে তিনি তাঁকে সাজিয়ে-গুছিয়ে তাঁর জন্য প্রস্তুত করেন।” (https://sunnah.com/muslim:1365e)

সুনান ইবনে মাজাহ ২২৭২ঃ আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত – “নবী ﷺ সাফিয়্যাহকে সাতজন দাসীর বিনিময়ে বদল করেছিলেন।” (https://sunnah.com/ibnmajah:2272)

সহিহ ইবনে হিব্বান ৫১৯৯ঃ “… রাসূলুল্লাহ ﷺ আমার কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে অপ্রিয় ছিলেন, কারণ তিনি আমার স্বামী, পিতা ও ভাইকে হত্যা করেছিলেন। …” (https://sunnah.com/urn/6653120)

Related Posts

Ayatollah Ali Khamenei was laid to rest after carrying out repression in the name of a child who disappeared 1,200 years ago

Around Ayatollah Ali Khamenei’s funeral, the world is now witnessing a grand display of stateRead More

১২০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক শিশুর নামে দমন পীড়ন চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শায়িত হলেন!

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন-অনুষ্ঠান ঘিরে যে রাষ্ট্রীয় জাঁকজমক এখন বিশ্ব দেখছে, তার আড়ালে লুকিয়ে আছেRead More

The Ongoing Aggression of Islam

From Somnath to Joypurhat – The Shadow of a Thousand‑Year‑Old Destruction Still Exists Today

The first blow On the Saurashtra coast of Gujarat, where the waves of the ArabianRead More

Comments are Closed