
Religion Against Religion
কারো জন্য হুমকির কারন না হলে বা ক্ষতিকর না হলে সব মানুষের সবাধীনভাবে চলার অধিকার আছে
মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ সম্প্রতি সিলেটে আক্রান্ত হয়েছেন, তাকে বহন করা গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে, তাকেও শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে। না জেনে বা কিছু যাচাই না করেই বিনা কারনে গণপিটুনি দেয়া দেশে তাকে যে হত্য করার উদ্দেশ্য ছিল না সেটাও বলা যায় না। তিনি নারী অধিকারের বিরুদ্ধে, মানবতার বিপক্ষে যাই প্রচার করুন না কেন দেশব্যাপী তার স্বাধীনভাবে ভ্রমনের পূর্ণ অধিকার আছে। কারো অধিকার খর্ব না হলে, তার কথায় ঘৃনা, সন্ত্রাস, বর্ণবাদ, মানবাধিকার পরিপন্থী কোন কর্মকান্ড উৎসাহিত না হলে তার মতামত প্রচারেরও সম্পূর্ণ অধিকার তার আছে। তিনি ধর্মীয়ভাবে উচ্চশিক্ষিত, একজন ধার্মিক ব্যক্তি, যারা তাকে আক্রমন করেছেন তারাও ধর্মভীরু, তারাও হয়তো ধর্মের দোহায় দিয়েই তাকে আক্রমন করেছেন। ভিন্ন তরিকার কারনে, ভিন্ন মাযহাবের কারনে তারা হয়তো তাকে সম্ভাব্য হুমকি মনে করতো।
বাংলাদেশে এ অবশ্য নতুন নয়। ধর্মের কারনে এপক্ষ, ওপক্ষ একে অপরকে হামলা করেন, কাফের, মুরতাদ ঘোষনা করেন। টিভি উপস্থাপক মাওলানা ফারুকী হত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন অন্য দুই শীর্ষ আলেম যারা এখনো বিজ্ঞান, জীন, অক্সফোর্ড, করোনা নিয়ে প্রতিনিয়ত দেশে হাসির খোরাক যোগান। মাওলানা রাজ্জাক সাহেবের ছেলে আবেগঘন লাইভে আশংকা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের পরিস্থিতিও পাকিস্তান, সিরিয়া, আফগানিস্তানের মতো হয়ে যায় কিনা !
রাজ্জাক সাহেব সাধারন জীবন যাপন করেন, তার অর্থলিপ্সাও কম বলে জানি। তিনি অন্য অনেক মিসর ফেরৎ, প্রফেসর ট্যাগযুক্ত, অক্সফোর্ড লিস্টেড, ট্রাম্পের বন্ধুদের মতো করে বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মকে মিলিয়ে মিথ্যা, ভুল, আজগুবি তথ্য প্রচার করেন বলে দেখিনি কোনদিন। তিনি যা বলেন তার সবই ধর্মের মূল রেফারেন্স বইগুলোতে আছে। নারী বিষয়ে তিনি যা বলেন, আর জিহাদ বা মূর্তি ভাঙ্গা বিষয় নিয়ে যাই বলেন তার সবই তিনি রেফারেন্স থেকেই বলেন। এ্যারাবিকের অনুবাদ করেন মাত্র। এখন আপনার মানবিক সত্ত্বায় সেগুলো বিশ্বাস না হলে তার করার কি আছে ? আপনি মনে করতে পারেন ধর্মে নারীদের সম্পর্কে এমন কিছু কথা থাকতেই পারে না, কিন্তু তিনি যেটা বলেন সেগুলো কখনো রেফারেন্সের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন ? মানুষ ধর্মীয় বইগুলো না পড়েই তার নিজের চিন্তার/বিশ্বাসের মতো করে তার কথার বিরোধীতা করে। তিনি অন্তত ফাও কথা বলেন না, যা আছে রেফারেন্সে, যেভাবে আছে সেভাবেই উনি বলেন। পারলে মিলিয়ে নিয়েন উনার দেয়া রেফারেন্সের সঙ্গে।
Related Posts

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!
2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

শুধুমাত্র খ্রিস্টান হওয়ার কারনে ইরানের আদালত তাদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল!
২০০৯ সাল। ইরানের দুই তরুণী মারজিয়েহ আমিরিজাদে ও মরিয়ম রোস্তামপুরের বিরুদ্ধে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার রায়Read More

Spending the night in Umm Hani’s house and then meeting Allah in the heavens – he named it Mi’raj
Mi’raj is a central event in Islamic belief. On the night of Mi’raj, the ProphetRead More

Comments are Closed