Poverty
Extreme Poverty in Bangladesh

Extreme Poverty in Bangladesh

একটি অর্ধ শতক পার করা দেশ ও ভাতের অধিকার


বাড়িতে এক নারী তার দুই ছোট শিশুকে নিয়ে প্রহর গুনছে কখন শিশুদের বাবা রাতে টিউশুনি করে ফিরবেন। চারিদিকে বৃষ্টির শব্দ, মাঝে মাঝে কিছু ব্যাঙের ডাক, ঝিঝি পোকারা ততদিনে মারা গেছে সব। আম্মা, আমি ও আমার ছোট বোন বাড়িতে, বারান্দায় বসা, আব্বা কিভাবে ফিরবেন সেই দুঃশ্চিন্তা আমাদের। বৃষ্টির ঝাপটা এসে মাঝে মাঝে সব ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। নব্বই দশকের প্রথমার্ধের কোন এক রাতের কথা বলছি, রাতও বা কি আর, ৮ কি ৯ টা হবে, সন্ধ্যা রাত। গ্রামের রাস্তাঘাট সব কাঁচা। টানা প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি চলছিলো। মানুষ যে বৃষ্টির জন্য প্রত্যাশা করে সেটি তখন হয়ে উঠেছিলো অভিশাপ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো প্রতিদিন আকাশের দিকে চায় আর সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে এই দুর্বিষহ জীবন থেকে তাদের মুক্তি দিতে। প্রায় সাবার ঘরের জমানো খাবার শেষ। এমনই এক সময় যাচ্ছিলো গ্রামের সবার।

হঠাৎ এক বৃদ্ধ, তার ৩ ছেলে-মেয়ে দুইটা ছাতা, হাতে একটা টেমি (আমাদের এলাকায় কুপি বাতিকে বলতো টেমি) নিয়ে আমাদের সামনে হাজির। ছেলে-মেয়ে ও বাড়িতে তাদের মা ও আরো শিশুরা নাকি দুইদিন ধরে না খাওয়া। কিছু খাবারের আশায় এসেছেন। আরও অনেকের দুয়ারে গিয়ে ফিরে এসে শেষে আমাদের এখানে এসেছেন। আমাদের থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার হবে তাদের বাড়ির দূরত্ব। পথে প্রায় শতাধিক বাড়ি-ঘর ফেলে এসেছেন। শুনেছিলাম ঐ বৃদ্ধ ভদ্রলোক সন্তান উৎপাদনে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, ‘মুখ দিয়েছেন যিনি, আহার দিবেন তিনি’ নীতিতে তার ছিলো অগাধ বিশ্বাস। তবে এমন দূর্যোগের দিনে সেসব প্রশ্ন করে তো লাভ নেই। তারা খেতে পাচ্ছেন না, সেটাই মূখ্য। তাদের খাবার দিতে হবে।

বৃষ্টি যেদিন থেমেছিলো সেদিন ‘আল্লাহু আকবর’ বলে সবাই চিৎকার দিয়েছিলো গ্রামের মানুষ, এটুকু মনে আছে আমার এখনো। ঐ সময়ে গ্রামে সকালের পান্তাভাত, ভাতের আমানি (পান্তা ভাত নেয়ার পরের ভাতের কনা মিশ্রিত পানি) নেয়ার জন্য অনেকে আসতেন, বিনিময়ে বাড়ির সব কাজ করে দেয়ার জন্য তারা প্রস্তাব দিতেন। আর আজ প্রায় ৩০ বছর পরে গ্রামে ৬ ঘন্টা (বিশ্রাম/খাওয়া, বিড়ি টানা বাদ দিলে ৫ ঘন্টা) জোনের (মজুরি) দাম ৩০০-৫০০ টাকা। ধান কাটার মৌসুমে যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। গ্রামে প্রায় সবার পাকা বাড়ি, সবার হাতেই বাটন ফোন। গ্রামে সবাই খেতে পায়, না খেয়ে থাকে খুব কম মানুষ।

আমি ঢাকা শহরে থেকেছি একটানা প্রায় ১৫ বছর। প্রায় পুরোটা সময় যে বাড়িতে ভাড়া থেকেছি তার ঠিক পরেই বিরাট এক বস্তি। দীর্ঘদিন থাকার সুবাদে বস্তির অনেকের ঘরের খবরও কানে আসতো, অনেক পরিচিত মানুষ। কে কি করে, কিভাবে চলে, কে বেশী কষ্টে আছে, কে বিলাসিতা করে চলতে পারে সবই খোঁজ খবর রাখতাম। মানুষের জীবনধারন, বৈচিত্র, সংস্কৃতি আমার অন্যতম আগ্রহের বিষয়। আমি দেশ বিদেশ ভ্রমন করি যতটা না প্রাকৃতিক দৃশ্য, পূরাকীর্তি দেখার জন্য তার চেয়ে বেশী ভিন্ন সংস্কৃতি, সভ্যতা, জীবনধারন এসব দেখার জন্য। এ্যানালিটিক্যাল এবিলিটিও খুব খারাপ ছিলো বলে মনে হয় না, অন্তত পড়াশুনা, চাকুরি জীবন তার সাক্ষী দিবে। যাইহোক, বস্তির মানুষও খায়, আমাদের চেয়ে ভালো খায় এমন মানুষও আছে। সবাই যদি খেতে পাবে তবে ভাতের অধিকারের কথা আসবে কেন? সত্যি কি দেশে ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি?

যদি বলেন, গ্রামে, শহরে নিন্মআয়ের মানুষের পরিবারে ৭/৮ জনের বিপরীতে ১ জন আয় করে বলে তাদের দূর্ভোগ, এটা আমি মানতে নারাজ। খুব কাছ থেকে আমার দুই প্রান্তের মানুষকেই দেখার সুযোগ হয়েছে। শারিরীক অযোগ্যতা ছাড়া, সরকারী ছাড়া অন্য কোন চাকুরি করা যাবে না এমন ছ্যাঁছড়া পণ ছাড়া, রাজনীতি/দালালি/বাটপাড়িকে পেশা হিসাবে নেয়া ছাড়া কর্মক্ষম সবাইকে কাজ করতেই দেখি। গ্রামে দেখি সবাই ৬ ঘন্টা নিয়মিত অন্যের কাজ করার পরেও নিজের ফসলের জমিতে, গৃহপালিত পশুর জন্য কাজ করে। গ্রামে সময়ে সময়ে উচ্চমূল্য দিয়েও কৃষি শ্রমিক পাওয়া যায় না। এর কারন কি সবার অনেক টাকা, সেটা? খোঁজ নিয়ে দেখুন, আমার নিজের চোখে দেখা গ্রামের একটা বড় অংশ মানুষ এখন রাজনীতি করে, দালালি করে, ছ্যাঁছড়ামি করে, মেরে-কেটে টাকা আয় করে। এদের প্রায় সবাই এক সময় কৃষি শ্রমিক ছিলো। এদের এই রাজনীতিজীবী হওয়ার কারনেই গ্রামে এখন কৃষি শ্রমিকের সংকট, এটা আমার পর্যবেক্ষন। মানুষ ফাও যদি কিছু ক্ষমতা পায়, টাকাও আয় করতে পারে তবে কষ্ট করে কেন কৃষিতে শ্রম দিবে?

বাংলাদেশের স্বাধীন হয়েছে অর্ধশতকেরও বেশী বছর। এই দেশকে আর নতুন দেশ বলার সুযোগ নেই। সত্যি বলতে এখনো এই দেশে মানুষ ভাতের অধিকার চায়। ভাত বলতে কিন্তু চাল সিদ্ধ করে রান্না ভাত নয়, এই অধিকার বলতে খাবারের অধিকার। বলতে পারেন কয়জন মানুষ না খেয়ে থাকে? খুব কম। তার পরেও কয়দিন আগে প্রকাশিত বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) এক প্রতিবেদন বলছে, দেশের নিম্ন আয়ের ৩৭ শতাংশ পরিবার এখন একবেলা না খেয়ে থাকে। কেন না খেয়ে থাকে সেটি সম্পর্কে আশা করি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। বাজারের দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির দিকে তাকালে, সম্পদের অসম বন্টনের দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন কেন এই বিশাল সংখ্যক মানুষ না খেয়ে আছে। হিসাব করে যদি দেখেন ৬ জনের এক সংসারের দুইজন যদি কর্মক্ষম হয় তবে তাদের আয়ের সিংহভাগ চলে যায় খাবারের পিছনে, এরপর বাড়িভাড়া, অন্যান্য খরচ তো আছেই।

বর্তমানে মানুষের আয় বাড়ায় জীবন যাত্রার স্ট্যান্ডার্ড বেড়েছে। একটা স্মার্ট ফোন, একটা ইন্টারনেট কানেকশান, টেলিভিশন, ফ্রিজ এগুলো এখন খুব কমন হয়ে গেছে। খাবার খাওয়ার পাশাপাশি এগুলোও এখন মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। বলতে পারেন, পেটে ভাত নেই আবার ফেসবুকে পড়ে আছে! একদিন না খাওয়ার বিনিময়েও মানুষ কথা বলার স্বাধীনতা চায়। ফেসবুকেই এমন অনেককে পাবেন তাদের কোন আয় নেই, অন্যের উপরে নির্ভর করে চলে কিন্তু ফেসবুক, ইন্টারনেট, সেলফোন ছাড়া চলতে পারে না। সেজন্য এখন যদি একটি পরিবার খাবার কিনতেই সব আয় দিয়ে দেয় তাহলে তার থাকার জায়গাটায় ছাড় দিতে হবে, শিক্ষায় ছাড় দিতে হবে, চিকিৎসায় ছাড় দিতে হবে, বিনোদনে ছাড় দিতে হবে, পোশাকে ছাড় দিতে হবে, প্রযুক্তিতে ছাড় দিতে হবে। বাংলাদেশে এক্ষেত্রে মানুষ কি করে? লোকলজ্জা হোক আর অন্য কারনে হোক খাওয়া কমিয়ে দেয়, বিনিময়ে ছেলে-মেয়ের শিক্ষা, বাবা মায়ের চিকিৎসা এসবের মান ধরে রাখতে চায়। মনে রাখতে হবে শুধু ভাত, ডাল, তরকারী হলেই চলে না; মানুষের দরকার সুষম ও পুষ্টিকর খাবার। মানুষ যখন টানাটানিতে পড়ে যায় তখন পেট ভরানোর জন্য ভাত হয়তো বেশী খায় যেটা অনেকটা বিষের মতো। ভাত প্রধান হলেও অন্য খাবার থেকে অনেক উপাদানের অভাবে মানুষের শারিরীক শক্তি হারিয়ে যায়।

আমি এখন যেদেশে থাকি ও কাজ করি সেদেশে নিন্মআয়ের মানুষদের সরকার থেকে ডেবিট কার্ড দেয়, তা দিয়ে মানুষ গ্রোসারী স্টোর থেকে খাবার কেনে, সেই প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেনো পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারে, ফ্রেশ খাবার কিনতে পারে। স্কুলে বাচ্চাদের ২/৩ বার খাবার দেয়া হয়, অনেক সংস্থা আছে যারা সপ্তায় সপ্তায় বিভিন্ন সবজি, খাবার-দাবার দেয় মানুষকে। এখানে এ্যাফোর্ডেবিলিটি কানেকটিভিটি, লাইফ লাইন নামে বিভিন্ন প্রোগ্রাম আছে যারা মানুষকে বিনামূল্যে বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। সাধারন ইন্টারনেট সংযোগ যা অন্য সবাই ব্যবহার করে সেটাই, শুধু সরকার বিলটা পে করে দেয়। স্কুলের বাচ্চাদের বাড়িতে পড়াশুনার জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেয়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে চেয়ার টেবিল পেতে মানুষ বসে থাকে ফ্রি স্মার্ট-ফোন দেয়ার জন্য। মানুষকে ডেকে ডেকে তারা স্মার্ট-ফোন দেয়, সংযোগ, আনলিমিটেড ইন্টারনেট সব ফ্রি। এই দেশগুলো এসবকে মানুষের মৌলিক প্রয়োজন বলে এখন স্বীকার করে। তারা মনে করে, বাড়িতে একটা ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া, একটা স্মার্ট ফোন ছাড়া দরিদ্র মানুষ আরো পিছিয়ে পড়বে। এগুলো এখন নূন্যতম লাইফ স্ট্যান্ডার্ড। ফ্রি চিকিৎসার কথা নাইবা বললাম।

বাংলাদেশেও মানুষ আগে ভাত চাইতো। কারন তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য ভাতের দরকার ছিলো সবার আগে। ভাত হলে নুন(লবন), মরিচ দিয়ে খেয়ে নিতে পারতো। ৩০ বছর আগে আপনি বাংলাদেশের দরিদ্র এলাকায় পেট তরমুজের মতো ঢেবা ও শরীরের বেশীরভাগ অংশ হাড্ডিসার এমন অসংখ্য অপুষ্টির শিকার মানুষ দেখতে পেতেন, বিশেষ করে শিশু। এখন সেগুলো কমে গেছে। কারন মানুষ ভাতের পর ডাল, এরপর মাছ, তারপর মাংস এসব কেনার সামর্থ্য অর্জন করা শুরু করেছিলো। কোটি প্রবাসীর টাকা দেশে ঢোকা শুরু হলে মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করেছিলো। সেজন্য মানুষ বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বার্গার, পাস্তা, নুডুলস, চা, কফিতে অভ্যস্ত হতে থাকে, বাড়িতে টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, হাতে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এসব ঢুকতে শুরু করে। এগুলো এখন জীবনধারনের খুবই কমন স্ট্যান্ডার্ড। যদি বলেন হাতে ফোন, আবার এদিকে বলে ভাত খেতে পায় না। মানে তার আয় দিয়ে সে সবকিছু ব্যালান্স করতে পারে না। অন্য প্রায় সব খরচ ফিক্সড, শুধু খাবারের খরচটা কম বা বেশী করা যায়। এজন্য মানুষ খাবারে ছাড় দিয়েও তার অভ্যস্ত জীবন যাপনে এগিয়ে যেতে চায়।

দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির ধাক্কা এখন সমগ্র বিশ্বে। আমরা যেমন এক ডজন ডিম কিনি ৩০০-৮০০ টাকায়। কিন্তু ব্যাপার হলো এখানে জিনিসের সাপ্লাই বাড়লে দাম কমে যায়, বাংলাদেশে তো তেমনটা হয় না। আমি গরুর মাংস কিনলাম ৬০০+ টাকা কেজি, বাংলাদেশে কতো? আমাদের এখানে একজন মানুষের প্রতি ঘন্টা নূন্যতম পারিশ্রমিক ১৭০০/১৮০০ টাকা, বাংলাদেশে কতো? এখানে একজন মানুষ এক ঘন্টা কাজ করে দুই কেজি গরুর মাংস কিনতে পারে, বাংলাদেশে দুই দিনের আয় দিয়েও এক কেজি গরুর মাংস হয় না তাদের। এখানেই আসে সরকারের ব্যর্থতার প্রশ্ন। যাইহোক, সে প্রসঙ্গে আর যাবো না। আজ শুধু ভাতের অধিকারেই থাকি। দৈনন্দিন অন্য লাইফ স্ট্যান্ডার্ডে বেশী ছাড় না দিয়ে পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারাটাই এখন ভাতের অধিকার। ভাত মানে শুধুই ভাত না, পুষ্টিকর ও বৈচিত্রময় খাবার। গরীব হলেই যে প্রতিদিন একই খাবার খেতে হবে – এই দৃষ্টিভঙ্গিটা খুবই অমানবিক। ভাত তথা খাবারের বাজেটের পরে এখন নূন্যতম লাইফ স্ট্যান্ডার্ড মেটাতে না পারলে সেটা ভাতের বাজেটে প্রভাব ফেলে, এখানেই কবিরা রাষ্ট্রকে বলে ‘ভাত দে হারামজাদা, না হলে মানচিত্র ছিড়ে খাবো’ বা এক দিনমজুর বলে ‘আমাদের চাইল, ডাইল আর মাংসের স্বাধীনতা চাই।’ ৫০ বছরের একটা দেশের মানুষের মনে এমন আক্ষেপ রেখে সেই দেশের স্বাধীনতা অর্থবহ হতে পারে না, লক্ষ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে নির্মিত এই স্বাধীনতা শুধু চেতনায় সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবনে অর্থবহ করতে হবে।

বাংলাদেশের সরকার দেশের সমৃদ্ধি বোঝাতে মেট্রোরেল স্থাপনকে প্রচার করে বিশ্ববাসীর সামনে। অথচ এই মেট্রোরেলের চলার পথের পাশেই এমন একটি কাগজের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে যেখানে এক অসহায় বাবা তার তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার জন্য নিজের ইচ্ছায় তার একটি কিডনি দান বা অন্য কথায় বিক্রি করতে চান। একটিবার ভাবেন, মানুষ কতটা অসহায় হলে, কতটা দরিদ্রতায় ঢুবে গেলে এমন করে প্রকাশ্যে নিজের মোবাইল ফোন নাম্বার দিয়ে যোগাযোগ করতে বলে। একটি অর্ধ-শতক পার করা দেশ, যাদের সরকারগুলো আবার বড় বড় উন্নয়নের গল্প শোনায় সেই দেশের একজন নাগরিকের এমন আহাজারিকে কি বলবেন আপনারা?

Related Posts

All Works are Honorable

কোন কাজই ছোট না, সব কাজকেই সম্মান করতে শিখুন

আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন নয় বছর বয়সে তার মাকে হারান। খুব অল্প বয়সেই দরিদ্রRead More

The War on Ukraine

ইউক্রেনের উপরে রাশিয়ার চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ ও পুতিনের নৈতিক পরাজয়

গতকাল ঢাকার এক লোকাল বাসে যাচ্ছিলাম পল্টন। আমার পাশে বসা এক তরুণ। সে রাজনৈতিক আলাপRead More

Corruption and the People

বাংলাদেশের ১০০% মানুষই কি দুর্নীতিবাজ ? এও কি সম্ভব ?

বাংলাদেশের খুব কম মানুষই আছে যারা আমার মতো সততার সঙ্গে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেRead More

Comments are Closed