
Muhammad's Book Quran
মুহাম্মদের বানানো কোরআন বই এর একটা র্যান্ডম পৃষ্ঠা ও সেখানকার অবৈজ্ঞানিক বক্তব্য
আমি মাঝে মাঝে মুহাম্মদের বানানো কোরআন বই এর র্যান্ডম পৃষ্ঠা উল্টাই, আজ এই পৃষ্ঠা হাতে উঠছিল। চুমিন ভাইরা বলে, দেখ, ইসলাম কাকে বিয়ে করা যাবে না তা কি সুন্দর নিয়ম করে দিয়েছে, জাহেলি যুগে এগুলো কেউ মানতো না। ব্যাপার হলো, ইসলামের জাহেলিয়াতের বয়ান একটি প্রতারনা। এমনিতেই রুক্ষ, দুর্ভিক্ষপীড়িত মরুর যাযাবরদের কোন নিরপেক্ষ ইতিহাস নেই, কারন তাদের কোন প্রাচীন বা বর্তমান অবদান নেই মানব সভ্যতায়, তাদের কথা কেউ লেখেনি। আর ইসলাম আসার আগে থেকেই পারিবারিক বিবাহ-সংক্রান্ত এই নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রাচীনকাল থেকেই মূলত আরবের পাশের সমৃদ্ধ মেসোপটেমীয় (ব্যাবিলনীয়), প্রাচীন হিব্রু (ইহুদি), মিশরীয় ও রোমান সভ্যতায় বিদ্যমান ছিল। ইসলামের আল্লাহ এগুলো নিজ থেকে পয়দা করেনি, মুহাম্মদ জাস্ট কপি পেস্ট মেরেছে।
ইসলাম আবার ফার্স্ট কাজিনদের বিয়েকে বৈধ করেছে যেটাকে সভ্য সমাজ ইনসেস্ট হিসাবে দেখে, আমেরিকার মতো দেশে যা ৩২ টি রাজ্যে নিষিদ্ধ। বিজ্ঞানও একে নিষেধ করে কারন এই বিয়ের সন্তানরা দুর্বল হতে পারে, অনেক জেনেটিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। গবেষণা ও পরিসংখ্যান তাই বলে। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে বিবাহের ফলে সন্তানের মধ্যে recessive genetic disorders-এর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গেছে কাজিন বিবাহ থেকে জন্মানো শিশুদের মধ্যে জন্মগত ত্রুটির হার দ্বিগুণ। মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে, যেখানে কাজিন বিবাহের হার ৩০-৫০%, সেখানে জেনেটিক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনক।
ওদিকে ইসলাম পালিত কন্যাকে বিয়ের অনুমোদন দিয়ে বসে আছে। কত ছেলে-মেয়েই তো তাদের পালক বা দত্তক নেয়া বাবা-মায়ের কাছে বড় হয়। দেখা যায়, সেই বাবা-মায়েরা তাদের নিজ সন্তানের মতোই বড় করেন, সম্পদের ভাগ দেন। কিন্তু তাদের কেউ নবী মুহাম্মদের মতো ঘটনাক্রমে পালক পুত্রের বউয়ের উন্মুক্ত শরীর দেখে যৌনতাড়নায় কাতর হয়ে বিয়ে করে না। ইসলামে নিয়ম আছে পালিত কণ্যা বড় হয়ে গেলে সেই পালক পিতা সেই কণ্যাকে বিয়ে করতে পারে। ভাবতে পারেন, কত জঘন্য! এক বাবা একটি শিশু কণ্যাকে পিতৃস্নেহে মানুষ করলেন, পরে মেয়ে যখন একটু বড় হয়ে গেল – তখন সেই মেয়ের যৌবন দেখে তাকে বিয়ে করলেন সেই বাবা! কিন্তু ইসলাম এটা অনুমোদন দেয়। সূরা আজহাবের তাফসির দেখে নিবেন, হাদিস মানবেন না বলে পার পেতে পারবেন না, এটা কোরআন বলেছে। ইরানে এখনো এই নজির প্রচলিত। অনলাইনে সার্চ দিয়ে দেখবেন, পেয়ে যাবেন। ইরানের পুরুষেরা তাদের পালিত কন্যাদের একেবারে শিশু অবস্থায় বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে যেতো, মানবাধিকার গোষ্ঠীর চাপে ইরানের পার্লামেন্টও ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামের এই নীতিকে সম্মান জানিয়ে এক আইন পাশ করে যেখানে বলা হয় – কোন বাবা তার পালিত মেয়ের বয়স ১৩ হলে তাকে বিয়ে করতে পারবে, বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়, তাও ১৩ বছর! পেডোফিলিয়ার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, শুধু তাই নয় – এটা খুব বড় একটা নৈতিকতার প্রশ্ন।
বাবা-মা – সন্তানের মতো একটা পবিত্র সম্পর্ককে ইসলাম কলংকিত করেছে। পালিত বাবা-মা’কে বিয়ে! ছি ছি ছি ছি ছি, ইসলাম, তুমি এতো খারাপ? সভ্যতা নিরুৎসাহিত করলেও মামী, চাচি, খালু, ফুফা এমন সব সম্পর্ককে বিয়ে করতে অনুমোদন দিয়েছে ইসলাম। শ্বাশুড়িকেও বিয়ে করা যায় ইসলামে (স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম না হলে, ডিভোর্স দেয়ার পরে ) – অথচ আমার – আপনার কমন সেন্স ও সামাজিকতা সেটা অনুমোদন দেয় না, শ্বাশুড়িকে তো মায়ের মতোই দেখি আমরা।
আধুনিক বিজ্ঞান ও মানুষের সভ্যতার নিরিখে যদি এসব বিবেচনা করেন তবে দেখবেন ইসলাম খুবই মধ্যযুগীয় একটি ব্যবস্থা। কোরআন একেবারেই ফালতু, ভুলে ভরা, অবৈজ্ঞানিক, অমানবিক জিনিসে ঠাঁসা, অন্ধকারাচ্ছন্ন একটা বই।
আমার হাতের এক অংশ দেখা যচ্ছে, কেউ আবার ইসলামী বান মেরে দেয় কিনা ভাবনায় আছি!
Related Posts

A random page from Muhammad’s self‑made book Qur’an and its unscientific statements
Sometimes I flip through random pages of Muhammad’s self‑made book Qur’an, and today this pageRead More

The Iranian court sentenced them to death solely because they became Christians!
2009. Two young Iranian women, Marziyeh Amirizadeh and Maryam Rostampour, were sentenced to death byRead More

শুধুমাত্র খ্রিস্টান হওয়ার কারনে ইরানের আদালত তাদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল!
২০০৯ সাল। ইরানের দুই তরুণী মারজিয়েহ আমিরিজাদে ও মরিয়ম রোস্তামপুরের বিরুদ্ধে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার রায়Read More

Comments are Closed