
Morality without Religion
বিবেকের জন্মঃ আল্লাহ ও ধর্ম ছাড়াই মানুষ কীভাবে নৈতিক হয়ে উঠল?
প্রায় পঁচাত্তর হাজার বছর আগের কথা। ইরাকের শানিদার গুহায় বাস করত এক দল নিয়ান্ডারথাল। সেই দলে ছিল এক বৃদ্ধ পুরুষ, যার একটি হাত অকেজো, এক চোখ অন্ধ, আর পায়ে ছিল গুরুতর আঘাতের চিহ্ন। এমন একজন মানুষ, যে নিজে শিকার করতে পারত না, নিজে খাবার জোগাড় করতে পারত না – তাকে সেই কঠিন প্রাগৈতিহাসিক জীবনে বছরের পর বছর বাঁচিয়ে রেখেছিল তার দলের অন্যরা। প্রত্নতাত্ত্বিকরা যখন তার কঙ্কাল খুঁজে পান, তখন বুঝতে পারেন – এই মানুষটি বহু বছর ধরে অন্যের সেবা আর যত্নে বেঁচে ছিল। কেউ তাকে খাবার এনে দিত, কেউ তার ক্ষত পরিষ্কার করত। কোনো ধর্মগ্রন্থ তখনো লেখা হয়নি, কোনো নবী আসেননি, কোনো মন্দির-মসজিদ-গির্জা গড়ে ওঠেনি। তবু একদল মানুষ (বা মানুষসদৃশ প্রাণী) একজন অক্ষম সঙ্গীকে ফেলে না দিয়ে বছরের পর বছর আগলে রেখেছিল। আল্লাহ ও ধর্মের উৎপত্তি হওয়ারও প্রায় সত্তর হাজার বছর আগের কথা বলছি।
এই গল্পটি আমাদের একটি মৌলিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় – মানুষের বিবেক আর নৈতিকতা আসলে কোথা থেকে এল? এটা কি কোন স্রষ্ঠার দান নাকি বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় মানুষের অর্জন?
বিবেক কীভাবে ডেভেলপ করেছে?
বিবেক বা নৈতিক বোধ একদিনে তৈরি হয়নি। এটি লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনীয় প্রক্রিয়ার ফসল। বিজ্ঞানীরা মূলত তিনটি প্রক্রিয়ার কথা বলেন।
প্রথমত, আত্মীয় নির্বাচন (kin selection)। যেসব প্রাণী নিজের সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের প্রতি যত্নশীল ছিল, তাদের জিন পরবর্তী প্রজন্মে বেশি টিকে থাকত। মমতা, সুরক্ষা আর ত্যাগের প্রবণতা তাই ধীরে ধীরে জিনগতভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
দ্বিতীয়ত, পারস্পরিক পরার্থপরতা (reciprocal altruism)। মানুষ যখন দলবদ্ধভাবে বাস করতে শুরু করল, তখন যে ব্যক্তি আজ অন্যকে সাহায্য করত, কাল সে নিজেও বিপদে সাহায্য পেত। যারা প্রতারণা করত, দলে তাদের বিশ্বাস কমে যেত, ফলে দীর্ঘমেয়াদে তারা টিকে থাকার সুযোগ কম পেত। এভাবে সহযোগিতা, বিশ্বাস আর ন্যায্যতার বোধ মানুষের সামাজিক মস্তিষ্কে গেঁথে গেছে।
তৃতীয়ত, দলগত নির্বাচন (group selection)। যেসব গোষ্ঠীর সদস্যরা একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল, সংঘবদ্ধ ছিল, তারা প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর তুলনায় বেশি টিকে থাকত ও বংশবিস্তার করত। ফলে সহযোগিতামূলক আচরণ প্রজাতিগতভাবে টিকে গেছে।
মস্তিষ্কের গঠনও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মানুষের মস্তিষ্কে থাকা মিরর নিউরন অন্যের কষ্ট বা আনন্দ অনুভব করতে সাহায্য করে – এখান থেকেই সহমর্মিতার জন্ম। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আত্ম-নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র, তা মানুষকে তাৎক্ষণিক প্রবৃত্তির বাইরে গিয়ে ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা দেয়।
নৈতিকতা মানুষ কখন আয়ত্ত করেছে?
নৃবিজ্ঞান ও প্রত্নতত্ত্ব বলছে, সামাজিক প্রাণী হিসেবে সহযোগিতা আর ন্যায্যতার প্রাথমিক রূপ মানুষের পূর্বপুরুষদের মধ্যে অন্তত পাঁচ থেকে সাত লক্ষ বছর আগে থেকেই ছিল, যখন হোমো ইরেক্টাস বা তার আগের প্রজাতিরা দলবদ্ধভাবে শিকার করত এবং খাবার ভাগ করে নিত। হোমো সেপিয়েন্সে আধুনিক নৈতিক চিন্তা – ন্যায়-অন্যায়ের সচেতন বিচার, শাস্তি ও পুরস্কারের ধারণা – সম্ভবত এক থেকে দুই লক্ষ বছর আগে থেকে স্পষ্ট হতে শুরু করে, যখন ভাষা ও প্রতীকী চিন্তার বিকাশ ঘটে। অর্থাৎ, সংগঠিত ধর্মের জন্মেরও বহু আগে থেকে মানুষ নৈতিকতা চর্চা করে আসছে। আল্লাহ বা কোন ধর্মের নাম কেউ তখন জানতোই না।
জন্ম থেকেই কি জেনেটিক্যালি বিবেক পাওয়া যায়?
গবেষণা বলছে, নৈতিকতার একটি বীজ জন্মগতভাবেই মানুষের মধ্যে থাকে, যদিও পূর্ণাঙ্গ নৈতিক বোধ পরিবেশ ও শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী পল ব্লুমের পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মাস বয়সী শিশুরাও সহায়ক চরিত্রকে বাধাদানকারী চরিত্রের চেয়ে বেশি পছন্দ করে – যা প্রমাণ করে ভালো-মন্দের একটি প্রাথমিক বোধ জন্মগতভাবেই বিদ্যমান।
তবে এই সহজাত বোধ কাঁচামাত্র। জোনাথন হাইডটের নৈতিক ভিত্তি তত্ত্ব (Moral Foundations Theory) অনুযায়ী, যত্ন, ন্যায্যতা, আনুগত্য, কর্তৃত্ব ও পবিত্রতা – এই কয়েকটি মৌলিক নৈতিক অনুভূতির বীজ জন্মগত হলেও, পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্ম এগুলোকে নির্দিষ্ট রূপ দেয়। তাই বলা যায়, নৈতিকতার সম্ভাবনা জিনগত, কিন্তু তার বিকাশ পুরোপুরি সামাজিক প্রক্রিয়া। যমজ শিশুদের নিয়ে করা গবেষণাগুলোও দেখিয়েছে সহানুভূতি ও সহযোগিতাপ্রবণতায় জিনগত উপাদান আছে, তবে তা একক নির্ধারক নয়।
অন্য প্রাণীদের কি বিবেক ও নৈতিকতা আছে?
প্রাণিবিজ্ঞানী ফ্রান্স দে ভালের কয়েক দশকের গবেষণা দেখিয়েছে, মানুষ একা নৈতিকতার অধিকারী নয়। শিম্পাঞ্জি ও বোনোবো একে অপরকে সান্ত্বনা দেয়, দ্বন্দ্বের পর মিলমিশ করে, এবং অন্যায্য আচরণের প্রতিবাদ করে। ক্যাপুচিন বানরের ওপর পরিচালিত এক বিখ্যাত পরীক্ষায় দেখা গেছে, একই কাজের জন্য একটি বানরকে কম পুরস্কার আর অন্যটিকে বেশি পুরস্কার দিলে, কম পাওয়া বানরটি স্পষ্ট বিরক্তি প্রকাশ করে এবং পুরস্কার প্রত্যাখ্যানও করে – যা ন্যায্যতাবোধের প্রাথমিক রূপ। হাতিরা মৃত সঙ্গীর প্রতি শোক প্রকাশ করে, ডলফিনরা আহত সঙ্গীকে পানির উপরে ঠেলে তুলে শ্বাস নিতে সাহায্য করে, এমনকি ইঁদুরও পরীক্ষায় দেখা গেছে বন্দি সঙ্গীকে মুক্ত করতে চেষ্টা করে, নিজের লাভের কথা না ভেবে।
তবে পার্থক্যও আছে। প্রাণীদের মধ্যে সহানুভূতি ও ন্যায্যতাবোধের প্রাথমিক রূপ থাকলেও, বিমূর্ত নৈতিক যুক্তি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নৈতিক নিয়ম তৈরি করা, বা সর্বজনীন নৈতিক দর্শন গড়ে তোলার সক্ষমতা এখন পর্যন্ত মানুষের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি বিকশিত দেখা যায়। তাই বলা যায়, নৈতিকতার বীজ প্রাণিজগতে ব্যাপক, কিন্তু তার পূর্ণাঙ্গ বিকাশ মানুষের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
ধর্মের উৎপত্তির কত আগে থেকে বিবেক-নৈতিকতা চর্চা শুরু হয়?
সংগঠিত ধর্ম – নির্দিষ্ট দেবতা, ধর্মগ্রন্থ, পুরোহিততন্ত্রসহ এসব মানব ইতিহাসে অপেক্ষাকৃত সাম্প্রতিক ঘটনা, মাত্র আট থেকে বারো হাজার বছর আগে কৃষিভিত্তিক সভ্যতার সঙ্গে এর ব্যাপক বিকাশ ঘটে। অথচ প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ বলছে, মানুষ মৃতদেহ সমাধিস্থ করা, আহত-অসুস্থ সঙ্গীর যত্ন নেওয়া, খাবার ভাগাভাগি করার মতো নৈতিক আচরণ করে আসছে অন্তত এক থেকে দুই লক্ষ বছর ধরে – যা ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক রূপের চেয়ে বহু বহু গুণ পুরনো। অর্থাৎ নৈতিকতা ধর্মের সন্তান নয়, বরং নৈতিকতা আগে এসেছে, ধর্ম পরে এসে সেই নৈতিকতাকে সংগঠিত রূপ ও ব্যাখ্যা দিয়েছে যা আবার আধুনিক অনেক নৈতিকতার মানদন্ডে উত্তীর্ণ হতে পারে না।
ধর্ম না থাকলে কি মানুষ অনৈতিক হয়ে যেত?
এই প্রশ্নে চিন্তাবিদদের মধ্যে দুই ধরনের মত পাওয়া যায়। একদল মনে করেন, ধর্ম মানুষকে জবাবদিহিতার একটি বাড়তি স্তর দেয় – পরকালের পুরস্কার-শাস্তির ধারণা মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখে, এবং ধর্মীয় সম্প্রদায় মানুষকে একটি অভিন্ন নৈতিক কাঠামোর মধ্যে বেঁধে রাখে। তাদের যুক্তি, ধর্ম না থাকলে এই সামষ্টিক নৈতিক শৃঙ্খলা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
অন্যদল, বিশেষত বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিকরা, মনে করেন নৈতিকতা ধর্মনিরপেক্ষভাবেও টিকে থাকতে সক্ষম, কারণ এর ভিত্তি সহানুভূতি, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা আর সামাজিক চুক্তিতে, ঐশ্বরিক নির্দেশে নয়। তাদের প্রমাণ হিসেবে তারা দেখান, নাস্তিক বা অজ্ঞেয়বাদী ব্যক্তিরাও গড়ে সমান বা কাছাকাছি মাত্রার নৈতিক আচরণ দেখান বলে বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে।
বাস্তবতা সম্ভবত দুই মেরুর মাঝামাঝি কোথাও। ধর্ম অনেক মানুষের জন্য নৈতিক অনুপ্রেরণা, সম্প্রদায়গত সংহতি ও অর্থবোধের বড় উৎস – এটি অস্বীকার করার উপায় নেই। আবার এটাও সত্য যে নৈতিকতার মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি ধর্মের চেয়ে গভীরে, বিবর্তনের মধ্যে প্রোথিত। তাই “ধর্ম না থাকলে মানুষ অনৈতিক হয়ে যাবে” – এই দাবিটি সরলীকরণ। ইতিহাস ও মনোবিজ্ঞান দুটোই দেখায়, নৈতিকতা ধর্মের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল নয়, যদিও ধর্ম তাকে শক্তিশালী করতে পারে।
ধর্মহীন দেশগুলোর মানুষ কি বেশি নৈতিক?
এই প্রশ্নটি বিতর্কিত এবং এখানে সতর্কভাবে তথ্য দেখা দরকার। সমাজবিজ্ঞানী ফিল জুকারম্যানের গবেষণায় দেখা গেছে, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, জাপানের মতো তুলনামূলক কম ধর্মভিত্তিক দেশগুলোতে অপরাধের হার কম, সামাজিক বিশ্বাস বেশি, দুর্নীতি কম এবং সুখ-সূচকে এরা প্রায়ই শীর্ষে থাকে। এই পরিসংখ্যান দেখিয়ে অনেকে দাবি করেন, ধর্মহীনতা নৈতিকতা বাড়ায়।
কিন্তু এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে কার্যকারণ সম্পর্ক নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এই দেশগুলো একইসঙ্গে অত্যন্ত ধনী, উচ্চ শিক্ষিত, শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাসম্পন্ন, এবং তুলনামূলক সমরূপ (homogeneous) সমাজ – এই সবকটি বিষয়ই অপরাধ কমানো ও সামাজিক বিশ্বাস বাড়ানোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, ধর্মহীনতা এই কারণগুলোর একটি মাত্র, প্রধান কারণ নাও হতে পারে। বিপরীতে, অনেক অত্যন্ত ধার্মিক দেশ ও সমাজেও ব্যক্তিপর্যায়ে অসাধারণ নৈতিক ও মানবিক মানুষ দেখা যায়, এবং বিশ্বব্যাপী দাতব্য কাজে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের অবদান বিশাল। তাই “ধর্মহীন দেশের মানুষ স্বভাবতই বেশি নৈতিক” – এই সরলীকৃত সিদ্ধান্তে না গিয়ে বলা ভালোঃ নৈতিকতা নির্ধারণে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং সামাজিক কাঠামো – এসব বিষয় ধর্ম-অধর্মের চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। এটি এখনও গবেষকদের মধ্যে চলমান একটি বিতর্কিত বিষয়, যার কোনো সর্বসম্মত উত্তর নেই।
শুরুতে ফিরে আসা…
শানিদার গুহার সেই বৃদ্ধ নিয়ান্ডারথালের কথা আবার মনে করুন। যে মানুষ বা মানুষসদৃশ প্রাণীরা তাকে বছরের পর বছর বাঁচিয়ে রেখেছিল, তাদের কোনো ধর্মগ্রন্থ ছিল না, কোনো পরকালের ভয় বা পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি ছিল না, আল্লাহ নামের কেউ তাদের কোন নির্দেশনা দেয়নি। তাদের ছিল শুধু একে অপরের প্রতি মমতা, দায়বদ্ধতা আর সহমর্মিতার এক গভীর জৈবিক তাগিদ – যা মানুষের বিবর্তনের গভীরে প্রোথিত।
এই গল্প আমাদের শেখায়, নৈতিকতা কোনো একক উৎস থেকে আসেনি। এটি এসেছে বিবর্তনের দীর্ঘ পথ থেকে, মস্তিষ্কের গঠন থেকে, সামাজিক জীবনযাপনের প্রয়োজন থেকে – এবং পরবর্তীতে ধর্ম, দর্শন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি এসে তাকে নানা রূপে সংগঠিত ও সমৃদ্ধ করেছে। মানুষ জন্মগতভাবে নৈতিকতার একটি বীজ নিয়ে আসে, কিন্তু সেই বীজ পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে পরিণত হয় পরিবার, সমাজ, অভিজ্ঞতা আর প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে। প্রাণিজগতেও এর প্রতিধ্বনি আছে – আমরা একা নই।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, নৈতিক হওয়ার জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাস, দেশ বা সম্প্রদায়ের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক নয় – নৈতিকতা মানবপ্রজাতির একটি সর্বজনীন সম্ভাবনা, যা বিভিন্ন সংস্কৃতিতে বিভিন্নভাবে লালিত হয়। প্রশ্ন তাই এটা নয় যে কোন ধর্ম বা কোন দেশ বেশি নৈতিক – প্রশ্নটি হওয়া উচিত, আমরা প্রতিদিনের জীবনে সেই আদিম মানবিক তাগিদটিকে কতটা সচেতনভাবে লালন করছি, যে তাগিদ একদিন একদল প্রাগৈতিহাসিক মানুষকে তাদের অক্ষম সঙ্গীকে ফেলে না দিয়ে আগলে রাখতে শিখিয়েছিল।
Related Posts

Why do Islamist cyber‑jihadis insult, threaten, and file false reports against people with different opinions?
Maulana Azhari once advised Islamists that sharing his Facebook posts is also an Islamic act;Read More

ইসলামের সাইবার জিহাদিরা কেন ভিন্নমতের মানুষকে গালি দেন, হুমকি দেন, মিথ্যা রিপোর্ট করেন?
মাওলানা আজহারি একবার ইসলামিস্টদের উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন – তার ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করাও ইসলামের কাজ;Read More

Palestine and Gaza merging with Israel, and all of Kashmir merging with India, would lead to greater humanitarian benefit
In modern politics, independence is often considered an almost inviolable value, where leaders aim toRead More

Comments are Closed