
Islam is the Enemy of Culture
হিজাব পরে নারীর ড্রামস বাজানো তৌহিদী জনতা মেনে নেয় না ইসলামের দেশে!
ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হলো হিজাবি ড্রামস বাদক হাজী নাজিয়া সামান্তার বাবাকে। এতো বড় সাহস – একটা তৌহিদী জনতার দেশে একজন তরুণী ড্রামস বাজাবে! তাও হজ্ব করে এসে, হিজাব পরে? টক্সিক ইসলামী সমাজের মানুষেরা সেটা কেন মেনে নিবে? বাবার ইচ্ছায় তিনি ড্রামস বাজানো শিখেছিলেন, এখন বাবা টক্সিক তৌহিদী জনতার কাছে ক্ষমা চাইলেন। তাদের ব্যবসা আছে, তৌহিদী জনতা বয়কট করলে তো আর কাস্টমার থাকবে না, এই মেয়েকে সমাজে চলতে হবে, তাদের অবার ধর্মেও থাকতে হবে। মধ্যে পড়ে জিরাফে থাকতে গিয়ে ঝামেলা বাঁধলো। কী দরকার ছিল ড্রামস বাজানোর? মাদানী, কাশেমীর মাসনা, রুবায়া, সুলাসা হলে বরং বাবা মেয়ে দুইজনই বাহবা পেতেন, আল্লাহপাক খুশি হতেন, নবী মুহাম্মদও মদিনা থেকে শিশু স্ত্রী আয়েশার কসম খেয়ে দোয়া করতেন, মরার পরে চ্যালচ্যালায়া জান্নাতেও যেতেন। এখনো সময় আছে, কাশেমীর সিরিয়াল নিতে পারেন!
মালয়েশিয়ায় প্রথম যেবার গিয়েছিলাম সেবার দেখি বুকিত বিনতাং এর চ্যাংকাট বুকিত বিনতাং বা জালান আলোর রোড দিয়ে সন্ধ্যার পরে চলতে গেলে নারী ম্যাসাজকর্মী, পাব কর্মী, বার গার্লসদের সঙ্গে রাস্তায় ধাক্কা খাওয়ার জোগাড়! বাংলাদেশি রসনা বিলাস রেস্টুরেন্টের পাশের দুই রাস্তা। দেখি আরবের কিছু পুরুষ লোক বউকে রিসিপশনে বসিয়ে নিজে ঢুকে যাচ্ছে ফুল সার্ভিস ম্যাসাজ সেন্টারে কোরিয়ান বা ফিলিপিনো কোন নারীর সঙ্গে। হ্যাপি এন্ডিং শেষে বেরিয়ে হয়তো বউকে বসিয়ে জামাই কোন বারে ঢুকবে। এক বাংলাদেশী দোকানদারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ভাই, ক্যামনে কী, বউ কিছু মনে করে না? উনি মুচকি হেসে বলেছিলেন এরা এমনই। পাতায়ার গে টাউন এলাকায় আরবের লোকদের প্রচুর আনাগোনা, সেখানে তারা প্রচুর হোটেল বুকিং দেয়। আমি একবার হোটেল খুঁজতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম, কারণ আমার সঙ্গে কোন ছেলে পার্টনার ছিল না, ওসব হোটেল আমার মতো সলো ট্রাভেলারের জন্য ছিল না। পতায়ার সুদর্শন ও বড় বক্ষের লেডিবয়দের মেইন কাস্টমার নাকি আরবেরা।
বলছিলাম সামান্তার বাবারা টক্সিক ইসলামের যে আরব্য সংস্কৃতির জন্য নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দেন, নতি স্বীকার করেন, যাদের জন্য হজ্ব, ওমরার মতো অপ্রয়োজনীয় কাজে গিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলে আসেন – তাদের স্বরূপটা ঠিক এমনই।
এর আগে মোশাররফ করিম একবার তৌহিদী জনতার তোপের মুখে পড়ে ক্ষমা চেয়েছিল, কারণ উনি এক টিভি প্রোগ্রামে বলেছিলেন ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাক দায়ী নয়। ইসলাম অবার নারীকে ধর্ষণের জন্য নারীদের পোশাক ও তাদের চলাফেরাকে দায়ী করে, পুরুষ মাহরাম ছাড়া চললে কোন নারী ধর্ষণের শিকার হলে ইসলাম মনে করে উক্ত নারীই দায়ী! সাফা কবিরকেও ক্ষমা চাইতে হয়েছিল কারণ উনি বলেছিলেন পরকালের জীবনে উনার আস্থা নেই। এদিক থেকে তাসনিয়া ফারিন বেশ কৌশলী, উনি নিজেকে হিউম্যানিস্ট বলে দাবী করলেও উনার ক্ষমা চাওয়ার দরকার হয় না। কারণ বাঙ্গু টক্সিক তৌহিদী জনতা জানেই না হিউম্যানিজম কী!
মালয়েশিয়া মুসলিম দেশ; তাদের দেশে দুর্নীতি, ভেজাল, সন্ত্রাস, মব অনেক কম। অর্থনৈতিকভাবেও উন্নতি করছে। এমনকি আমার দৃষ্টিতে আমেরিকা-ইউরোপের চেয়ে সেখানে বসবাসের জন্য পরিবেশ ভাল। সেখানে নারীরা হিজাব পরে, অবার হাফপ্যান্ট পরা নারীও অনেক। হিজাবী নারীরা চাকরি, বাকরি, গান, বাজনা সব করছে কোন বাঁধা ছাড়াই।
বাঙ্গুল্যান্ডে গান-বাজনা করা এখন মহাপাপ। সিনেমা দেখানো মানে ইসলামের অবমাননা করা। ইসলামে নারীদের চেহারা দেখানো নিষেধ, সুগন্ধি ব্যবহার নিষেধ, হেসে হেসে কথা বলা নিষেধ। খেলাধূলা, সাহিত্য, শিল্প, কলা সব নিষেধ। ইসলাম সামান্তার মতো মেয়েদের প্রতিভা বিকাশকে নিষিদ্ধ করে, তাদের উচ্ছ্বাস দেখলে ইসলাম তার নিয়ন্ত্রন হারানোর ভয়ে থাকে। এতো হাসিখুশি, প্রাণোচ্ছল একটা মেয়েকে চুপ করিয়ে দিতে পারলেই নাকি ইসলামের সৌন্দর্য্য বাড়ে! ওদিকে কিন্তু তারা মাদানী, কাশেমীদের তৃতীয়, চতুর্থ বউ হিসাবে গিয়ে কোরআনের পাখিদের ইমানদন্ডের সেবা করুক – সেটা ইসলামের খুব পছন্দ!
মাদ্রাসাগুলোতে এক কোরআনের পাখি আর এক শিশু কোরআনের পাখির পায়ু ফাটায়, যেটাকে বাংলায় বলে বলাৎকার বা ধর্ষণ – সেটা অবার ইসলাম ও তৌহিদী জনতার খুব পছন্দ। মুমিন ভাইরা অবার সেটাকে ধর্ষণ বলে মনে করেন না, সমকাম মনে করেন!
Related Posts

Custody of Society” – Group News! You will find them all around you
I was in class eight then. That day there was no school, I was probablyRead More

‘হেফাজতে সমাজ’ – গ্রুপ সমাচার! আপনার চারিদিকে আপনি এদের দেখা পাবেন
আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি। সেদিন স্কুল ছিল না, সম্ভবত বাড়ির জন্য বাজার করে সাইকেলেRead More

The Birth of Conscience: How Humans Became Moral Without Allah or Religion
It was almost seventy-five thousand years ago. A group of Neanderthals lived in the ShanidarRead More

Comments are Closed