
200 Years of Photography!
ক্যামেরার ২০০ বছর চলে এখন, আমরা সবাই এর অমূল্য উপকার ভোগ করলেও ক’জন জানি এটা?
২০১২ সালে আমি একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনেছিলাম। অবশ্য তার অনেক আগে ২০০০ সালের দিকে আমার ছিল একটা ফিল্মের অটোফোকাস, পয়েন্ট এন্ড শ্যূট ক্যামেরা। ডিজিটাল ক্যামেরা আসার পরে ও বিশেষ করে ২০১০ সালের দিকে ডিএসএলআর না থাকা মানে একটু যেন পিছিয়ে থাকার মতো ব্যাপার ছিল। এই যে ছবিটি আমার এক গ্রুপ ট্যুরমেট নিয়েছিল ২০১৬ সালে শিমলা থেকে মানালি যাওয়ার পথে, তাদের ক্যামেরায়।
আপনারা যারা জানেন না, ডিজিটাল ক্যামেরা আসার আগে সেই সময়ে ১০০ টাকা দিয়ে ফিল্ম কেনা লাগতো। সেই ফিল্ম আবার অন্ধকারের ভিতরে রেখে ল্যাবে ডেভেলপ করার পরে সেখান থেকে ছবি পাওয়া যেতো। প্রতিটা ক্লিকের ছিল অনেক মূল্য। যাই হোক, ক্যামেরা অনেক আগের আবিষ্কার। ১৯৫২ সালের দিকের ঢাকার ও বাংলাদেশের কিছু রঙিন ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পরে অনেকে তো বিশ্বাসই করতে চাচ্ছিলেন না, সেই সময়ে রঙিন ক্যামেরা! আমার আগের ফেসবুকে ২০১৩ সালের দিকে যখন সেই ছবিগুলো পোস্ট করেছিলাম তখন এআই দিয়ে সাদা-কালো ছবি রঙিন করার ব্যবস্থা ছিল না।
ক্যামেরা এবং আলোকচিত্রের ইতিহাস কেবল যন্ত্রের বিবর্তন নয়; এটি মানুষের স্মৃতিকে ফ্রেমে বন্দি করে রাখার আকুলতার এক রোমাঞ্চকর গল্প। একসময় যেখানে প্রতিটি ছবি তোলার আগে পকেটের কথা ভাবতে হতো, ল্যাবের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো ফলাফলের জন্য, আজ সেই জায়গা দখল করেছে স্মার্টফোন আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। আপনার ফেলে আসা সেই অটোফোকাস ফিল্ম ক্যামেরা, ২০১২ সালের প্রথম ডিএসএলআর কিংবা ২০১৬ সালের শিমলা-মানালি ভ্রমণের সোনালী স্মৃতিগুলো আসলে আলোকচিত্রের এই দীর্ঘ যাত্রাপথেরই একেকটি সুন্দর অধ্যায়।
ক্যামেরার জন্ম থেকে শুরু করে ডিজিটাল বিপ্লব এবং রঙিন প্রযুক্তির আবির্ভাব – এই পুরো বিবর্তনের ইতিহাসটি সত্যিই বিস্ময়কর।
ক্যামেরা আবিষ্কারের ইতিহাস ও প্রাথমিক বিকাশ
ক্যামেরার মূল ভিত্তি বা ধারণার সূচনা কিন্তু কয়েকশো বছর আগে। এর প্রথম রূপটি ছিল ‘ক্যামেরা অবস্কিউরা’ (Camera Obscura), যা ল্যাটিন ভাষায় ‘অন্ধকার কক্ষ’ নামে পরিচিত। গ্রীক ও মুসলিম বিজ্ঞানী আলোকবিদ ইবনে আল-হাইসাম (Alhazen) প্রথম আলো ও পিনহোলের মাধ্যমে বিপরীত প্রতিবিম্ব তৈরির বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা দেন। তখন এটি কোনো স্থায়ী ছবি তুলতো না, বরং কোনো ঘরের দেয়ালে বাইরে থাকা দৃশ্যের প্রক্ষেপণ (Projection) তৈরি করতো, যা দেখে শিল্পীরা ছবি আঁকতেন।
স্থায়ীভাবে আলো আটকে ছবি তোলার প্রথম সাফল্য আসে ১৯ শতকের শুরুতে।
- ১৮২৬ সাল (প্রথম স্থায়ী ছবি): ফরাসি উদ্ভাবক জোসেফ নিসেফোর নিপসে (Joseph Nicéphore Niépce) বিশ্বের প্রথম স্থায়ী আলোকচিত্র ধারণ করেন। তিনি একটি আলকাতরাজাতীয় পদার্থের (Bitumen of Judea) প্রলেপ দেওয়া মেটালের প্লেট ব্যবহার করেছিলেন। সেই ছবিটি তুলতে সময় লেগেছিল টানা ৮ ঘণ্টা এক্সপোজার!
- ১৮৩৯ সাল (ডাগেরোটাইপ যুগ): লুই ডাগেরো (Louis Daguerre) উদ্ভাবন করেন ‘ডাগেরোটাইপ’ (Daguerreotype) পদ্ধতি। এতে রৌপ্য-প্রলেপ দেওয়া তামার পাত ব্যবহার করে তুলনামূলক কম সময়ে স্পষ্ট ও স্থায়ী ছবি তোলা সম্ভব হয়। এই ১৮৩৯ সালকেই বলা হয় কমার্শিয়াল ফটোগ্রাফির জন্মবর্ষ।
- ১৮৮৮ সাল (পোর্টেবল ফটোগ্রাফির সূচনা): ফটোগ্রাফিকে সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন জর্জি ইস্টম্যান (George Eastman)। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘ইস্টম্যান কোডাক’ (Eastman Kodak) কোম্পানি এবং বাজারে আনেন রোল-ফিল্মচালিত বক্স ক্যামেরা। যার স্লোগান ছিল: “You press the button, we do the rest.” (আপনি বোতাম টিপুন, বাকি কাজ আমরা করব)।
সাদা-কালো থেকে রঙিন ছবির যাত্রা
ফটোগ্রাফির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ পৃথিবীর আসল রূপ অর্থাৎ রঙগুলোকে ফ্রেমে ধরে রাখার স্বপ্ন দেখেছিল। তবে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সাদা-কালো (Monochrome) ছবিই ছিল মূল মাধ্যম।
ক. সাদা-কালো ছবির যুগ
সাদা-কালো ছবিতে ব্যবহৃত হতো রূপার হ্যালাইড (Silver Halide) কেমিক্যাল। আলো যখন এই কেমিক্যালের ওপর পড়তো, তা রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে আলোর তীব্রতা অনুযায়ী কালো, ধূসর ও সাদা শেড তৈরি করতো। ১৯ শতক থেকে শুরু করে ২০ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পৃথিবীর সব বড় বড় ঐতিহাসিক ঘটনা, যুদ্ধ এবং মানুষের জীবনের গল্প নথিভুক্ত হয়েছে এই সাদা-কালো ফ্রেমেই।
খ. রঙিন ফটোগ্রাফির বিপ্লব
অনেকেরই ধারণা রঙিন ক্যামেরা হয়তো ২০ শতকের শেষের দিকের আবিষ্কার। কিন্তু বাস্তবে রঙিন ছবির প্রযুক্তি অনেক আগে থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু ছিল।
- ১৮৬১ সাল (প্রথম রঙিন ছবি): পদার্থবিদ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) লাল, সবুজ ও নীল (RGB) ফিল্টার ব্যবহার করে বিশ্বের প্রথম রঙিন ছবির ধারণা ও প্রতিবিম্ব প্রদর্শন করেন।
- ১৯০৭ সাল (অটোকোম – প্রথম বাণিজ্যিক রঙিন পদ্ধতি): ফরাসি দুই ভাই অগাস্ট ও লুই লুমিয়ের (Lumière brothers) বাজারে আনেন ‘অটোকোম’ (Autochrome Lumière)। আলু থেকে তৈরি স্টার্চের ডাই বা রঙ ব্যবহার করে এটি কাজ করতো।
- ১৯৩৫-৩৬ সাল (কোডাক্রোম ও অগফাকালার): প্রকৃত আধুনিক রঙিন ফিল্মের সূচনা হয় ১৯৩৫ সালে কোডাকের ‘কোডাক্রোম’ (Kodachrome) এবং ১৯৩৬ সালে জার্মানির ‘অগফাকালার’ (Agfacolor) আসার মাধ্যমে।
প্রসঙ্গ: ৫০-এর দশকে ঢাকা ও বাংলাদেশের রঙিন ছবি
১৯৫২ সালের ঢাকার বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রঙিন ছবি দেখে অনেকের অবিশ্বাস হওয়ার অন্যতম কারণ হলো, সে সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে রঙিন ক্যামেরা সহজলভ্য ছিল না। কিন্তু ১৯৩০-৪০ এর দশক থেকেই রঙিন ফিল্মের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়ে গিয়েছিল। তৎকালীন সময়ে বিদেশী সাংবাদিক, রাষ্ট্রদূত, ভ্রমণকারী বা ঢাকার অত্যন্ত প্রভাবশালী ধনী অভিজাত পরিবারগুলো কোডাক্রোম (Kodachrome) ফিল্ম ব্যবহার করে রঙিন ছবি তুলতে পারতেন। কোডাক্রোম ফিল্মের স্থায়িত্ব এবং কালার স্যাচুরেশন এতোটাই নিখুঁত ছিল যে, ৭০-৮০ বছর পরেও সেই ছবিগুলো আজ গতকাল তোলা ছবির মতো প্রাণবন্ত দেখায়! তৎকালীন আইসিডিডিআর’বি তে কর্মরত অনেকে, অনেক সৌখিন আলোকচিত্রী সেই ছবিগুলো তাদের ক্যামেরায় ধারন করেছিলেন। আগে সেই আর্কাইভ লিংকসহ আমার ফেসবুকে ২০১৩ সালের দিকে শেয়ার করেছিলাম। আজ তন্ন তন্ন করে খুঁজে আমেরিকা, ব্রিটেনের অনেক আর্কাইভে সেই সময়ের অন্য অনেক রঙিন ছবি পেলেও আমি যেগুলো খুঁজছিলাম সেগুলো পাইনি। খুঁজে পেলে সংযোজন করে দিব।
বিখ্যাত সব ফিল্ম কোম্পানির রাজত্ব
ডিজিটাল ক্যামেরা আসার আগে ফটোগ্রাফির জগৎ শাসন করতো কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী কেমিক্যাল ও ফিল্ম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। সে যুগে ক্যামেরা তো শুধু একখণ্ড লোহা আর কাঁচের বডি ছিল; আসল জাদুটা লুকিয়ে থাকতো সেই ফিল্ম রোলের প্যাকেটে।
| কোম্পানির নাম | দেশ | বৈশিষ্ট্য ও অবদান |
| কোডাক (Kodak) | যুক্তরাষ্ট্র | ফটোগ্রাফির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী নাম। কোডাক্রোম ও গোল্ড সিরিজ ফিল্ম তাদের আইকনিক সৃষ্টি। |
| ফুজিফিল্ম (Fujifilm) | জাপান | কোডাকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তাদের ‘ফুজি কালার’ ফিল্মের সবুজ ও প্রাকৃতিক শেডের জন্য ফটোগ্রাফারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। |
| অগফা / অগফাগেভার্ট (Agfa) | জার্মানি | ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। চমৎকার রঙ এবং ফাইন আর্ট প্রিন্টিংয়ের জন্য তাদের বিশেষ খ্যাতি ছিল। |
| ইলফোর্ড (Ilford) | যুক্তরাজ্য | সাদা-কালো ফটোগ্রাফির রাজা। আজও তাদের HP5 ও FP4 সাদা-কালো ফিল্ম বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। |
| কোনিকা (Konica) | জাপান | এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ব্র্যান্ড, যা কম খরচে সাধারণ মানুষের হাতে ফিল্ম রোল ও অটোফোকাস ক্যামেরা পৌঁছে দিয়েছিল। |
অ্যানালগ ফিল্ম ল্যাব এবং “প্রতিটি ক্লিকের অমূল্য মান”
ডিজিটাল যুগে এসে আমরা এখন এক সেকেন্ডে দশটা ছবি তুলি, পছন্দ না হলে এক ক্লিকে মুছে ফেলি। কিন্তু ১৯৯০ বা ২০০০ সালের শুরুর দিকের অ্যানালগ ফিল্মের যুগটা ছিল একদম ভিন্ন আবেগের।
তখন ১০০ থেকে ২০০ টাকা দিয়ে একটি ফিল্ম রোল কিনতে হতো। একটি রোলে ২৪টি বা ৩৬টির বেশি ফ্রেম থাকতো না। ভুল শট নেওয়া মানেই টাকা নষ্ট! তাই কোনো উৎসব, বিয়ে কিংবা শিমলা-মানালির মতো পাহাড়ী রাস্তায় ট্যুরে গেলে প্রতিটি ছবি তোলার আগে আলো, ব্যাকগ্রাউন্ড ও মানুষের পোজ শতভাগ নিশ্চিত হতে হতো।
ছবি তোলা শেষ হলেই কাজ শেষ হতো না। ফিল্মের রোলটি অত্যন্ত সাবধানে ক্যামেরা থেকে বের করে নিয়ে যেতে হতো ‘ডার্ক রুম’ বা ল্যাবে। সেখানে আলোহীন ঘরের ভেতর অন্ধকারের মধ্যে বিশেষ রাসায়নিক তরলে (Developer, Stop Bath, Fixer) ধুয়ে ফিল্ম ডেভেলপ করা হতো। এরপর নেগেটিভ থেকে কাগজে ছবি প্রিন্ট হয়ে হাতে আসা পর্যন্ত চলতো অধীর অপেক্ষা। সেই ছবির অ্যালবামে হাত বোলানোর মাঝে যে আনন্দ ছিল, তা আজকের স্মার্টফোনের গ্যালারিতে হয়তো খুঁজে পাওয়া কঠিন।
অটোফোকাস, ডিজিটাল বিপ্লব এবং এআই (AI) যুগ
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির গতিও দ্রুত পরিবর্তিত হতে থাকে।
- অটোফোকাস ও পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট (১৯৮০-২০০০): ম্যানুয়াল ফোকাস ও এক্সপোজার মেপে ছবি তোলার জটিলতা কাটাতে বাজারে আসে অটোফোকাস (AF) ফিল্ম ক্যামেরা। ২০০০ সালের দিকে আপনি যে অটোফোকাস ক্যামেরাটি ব্যবহার করেছিলেন, সেটি ব্যবহারকারীদের ফোকাস মেলানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়েছিল।
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ডিএসএলআর (২০১০-এর দশক): ২০০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ডিজিটাল সেন্সর (CCD/CMOS) টেকনোলজির হাত ধরে কেমিক্যাল ফিল্মের যুগের অবসান ঘটে। মেমোরি কার্ড আর এলসিডি স্ক্রিনের প্রবেশ ঘটে। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের দিকে ডিএসএলআর (DSLR) ক্যানন বা নিকন ক্যামেরা রাখাটা শুধু শখ নয়, তরুণদের কাছে ফ্যাশন এবং আধুনিকতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৬ সালের দিকে আপনার ট্যুরমেটদের তোলা সেই ঝকঝকে ডিএসএলআর ছবিগুলো সেই যুগের প্রযুক্তির উৎকর্ষেরই বড় প্রমাণ।
- এআই (AI) ও বর্তমান যুগ: ২০১৩ সালে আপনি যখন পুরনো ঢাকার কালারফুল ছবি ফেসবুকে দিয়েছিলেন, তখন সাদা-কালো ছবিকে রঙিন করা ছিল ফটোশপ এক্সপার্টদের ঘণ্টার পর ঘণ্টার নিখুঁত কাজ। কিন্তু আজকের জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি মুহূর্তের মধ্যেই যেকোনো শতবর্ষের পুরোনো সাদা-কালো ছবিকে নিখুঁতভাবে রঙিন করে তুলতে পারে।
ক্যামেরার ২০০ বছর!
ক্যামেরা কেবল প্রযুক্তিগত কোনো যন্ত্র নয়, এটি সময়ের জলছবি। ১৮২৬ সালের নিপসের সেই আট ঘণ্টার অস্পষ্ট এক্সপোজার থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ঢাকার ইতিহাস ধরে রাখা কোডাক্রোম ফিল্ম, কিংবা আপনার ২০০০ সালের অটোফোকাস, ২০১২ সালের ডিএসএলআর থেকে আজকের এআই যুগ—ফটোগ্রাফির ইতিহাস মূলত প্রযুক্তি ও ভালোবাসার মেলবন্ধন। মাধ্যম বদলেছে, ক্যানভাস বদলেছে, কিন্তু ফ্রেমের ওপারে থাকা মানুষের হাসি আর স্মৃতির আবেগটা আজও ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে।
Related Posts

Two hundred years of the camera have passed, and although we all enjoy its priceless benefits, how many of us actually know this?
In 2012 I bought a DSLR camera. Of course, long before that, around 2000, IRead More

The fate of Salton City teaches that trying to control nature can lead to the opposite of what is intended
Salton Sea: The Story of a Haunted Dream After almost a 300‑kilometer drive in threeRead More

স্যালটন সিটির পরিনতি শেখায় প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করতে চাইলে হিতে বিপরীত হতে পারে
স্যালটন সাগরঃ এক ভুতুড়ে স্বপ্নের গল্প তিন ঘন্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ড্রাইভ দিয়ে, সারি সারিRead More

Comments are Closed