
A child should not give birth a child
বাল্যবিবাহের পক্ষে কথা বলা, আন্দোলন করা মূলত ইতর প্রকৃতির মানুষের কাজ
বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের পক্ষে কথা বলার মতো অসংখ্য মানুষ আছে, এমনকি কিছু মানুষ আন্দোলনও করেছে। এরা সবাই প্রকৃতভাবে ইতর প্রকৃতির, সভ্য সমাজে চলার অনুপযোগী।
“A child should not give birth a child” – মানে হচ্ছে একটি শিশু কখনো শিশুর জন্ম দিতে পারে না।।অল্প বয়সে একটি মেয়ের বিয়ে হলে সে শারীরিক ভাবে অনেক সমস্যায় ভুগবে শুধু তাই নয় সে মানসিক ভাবে অনেক বিপর্যস্ত থাকবে। সাধারণত যে সময়ে একটি মেয়ের স্বাধীনভাবে ঘুরার কথা, আনন্দ করার কথা সেই বয়সে একটি মেয়ের বিয়ে হলে সে আবদ্ধ হয়ে যাবে এবং নিজের মধ্যে ছেলেমানুষীগুলো থেকে যাবে যা শান্তির চেয়ে অশান্তি বয়ে আনবে। সামাজিক, পারিবারিক আরও নানা সমস্যায় ভুগবে।
শিশুর পিরিয়ড শুরু হওয়া মানেই তার বাচ্চা জন্মদানের সক্ষমতা অর্জন নয়। পিউবার্টি একটি জটিল প্রক্রিয়া যা ১২-২০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। জাতিসংঘ অনেক তথ-উপাত্ত ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান একত্রিত করে সাধারনত ১৮ বছর নির্ধারন করেছে একটি মেয়ের মা হওয়ার বয়স হিসাবে। এর মানে এই নয় যে ১৭ বছরে কেউ উপযুক্ত হবে না। হতে পারে, আবার কেউ ১৯ বছরেও উপযুক্ত নাও হতে পারে। এগুলো পরীক্ষা, নিরীক্ষা ও গবেষণার ফল। কেউ একজন বলে দিলেই হবে না।
মেয়েদের কিছু হাড়, জরায়ু এসব সুগঠিত হতে সময় লাগে। এক সময় দেশে প্রচুর ফিস্টুলার রোগী ছিল। আমি যদিও খুব ভাল জানি না তবে যেটুকু জানি, বাল্য বিবাহের কারনেই এই ফিস্টুলার এত প্রাদূর্ভাব ছিল বাংলাদেশে। পায়খান ও প্রস্রাবের রাস্তা এক হয়ে গিয়ে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা নিয়ে বাঁচতে হতো মেয়েদের বা মৃত্যু হয়ে যেতো। অল্প বয়সে শারিরীকভাবে বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম তো হয়ই। শিশুমৃত্যুর পরিসংখ্যানের জন্যও এটা অনেক বড় ফ্যাক্টর।
অনেকে বলতে পারেন অমুকের তো এই বয়সে বিয়ে হয়েছিল, তার তো কিছু হয়নি। ভাই, এখন করোনা তো কত মানুষের হচ্ছে, সবাই কি মারাত্মক উপসর্গে ভূগছে ? তাই বলে কি আপনি সতর্ক থাকবেন না ? তেমনি সবার শারিরীক সক্ষমতা, খাদ্য, জীবনযাপন এক রকম নয়। কিন্তু সার্বজনীনভাবে মেয়েদের বিয়ের বয়স ঠিক করা হয়েছে ১৮ বছর। কোন কোন দেশে কিছু কম বা বেশীও আছে। এর বিপরীতে অন্য যে যুক্তিই আপনি দেখান সেটা হবে আপনার অনুর্বর মস্তিস্কের বিশ্বাসকে রক্ষা করার জন্য ফালতু ত্যানা প্যাচানো।
Related Posts

Threats of being burned to ashes in public: The shrinking of Bangladesh’s cultural sphere and the frightening spread of extremism
19 August 2026. That afternoon, a concert by popular rock bands Ashes and Nobelman wasRead More

প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়ার হুমকিঃ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক পরিসরের সংকোচন ও উগ্রবাদের ভয়াল বিস্তার
১৯ আগস্ট, ২০২৬। কিশোরগঞ্জের ওল্ড স্টেডিয়ামে সেদিন বিকেলে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড অ্যাশেজ ও নোবেলম্যানের কনসার্টRead More

Bangladesh will continue to suffer – and suffer greatly – from the consequences of nurturing these extremist fundamentalist groups
In Bangladesh, there has always been an extremist, religiously fanatical group that fears music, dance,Read More

Comments are Closed