Cruelty
cruel and unusual punishment

Stop the cruel and unusual punishment !

শাস্তির নামে এই সমস্ত বর্বর ও অমানবিক প্রথা বন্ধ হোক পৃথিবী থেকে

সভ্য দেশগুলো যখন মৃত্যুদন্ড উঠিয়ে দিয়েছে/দিচ্ছে তখন পৃথিবীর কিছু কিছু দেশ এখনো এই সমস্ত বর্বর শাস্তির প্রথা চালু রেখেছে। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ চায় এই সমস্ত শাস্তির বিধান কার্যকর করতে। ফান ফ্যাক্ট হলো এগুলো কিন্তু ধর্ষণের বিচার/শাস্তি নয়। পরকীয়া, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক – এগুলোর শাস্তি। অনেকে আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের দেশেও ১ বছরের জন্য এগুলো কার্যকর করা দরকার। তাহলে যে সমস্ত মডারেট, সুশীল পোলাপান এগুলোর পক্ষে সাফাই গায় তাদের একটা শিক্ষা হবে, বিশেষ করে এইগুলো সাপোর্ট করা মডারেট নারীদের শিক্ষা হবে চরম। কেউ তখন আর প্রেম করতে পারবে না, কোন ছেলে/মেয়ের সঙ্গে বাইরে ঘুরতে পারবে না, কোন নারী অন্য কোন পুরুষের সঙ্গে কথা বলতে পারবে না, সুগন্ধি গায়ে লাগাতে পারবে না – যেমনটি ইসলামের নির্দেশনা। প্রতি পদে পদে, উঠতে বসতে অন্যদের আদেশ নিষেধ মেনে চলতে হবে সবার, বিশেষ করে নারীদের ঘরের বাইরে বের হতে হলেই পরিবারের সম্মতি লাগবে, কাউকে সঙ্গে নিতে হবে। নিজেদের ইচ্ছা, অনিচ্ছার কোন মূল্য থাকবে না। মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা কী জিনিস তারা তখন তা বুঝবে।

এই ভিডিওটি এতটাই বর্বর যে এখানে সেটা পোস্ট দেয়া খুবই কষ্টদায়ক। এগুলো কিন্তু আফগানিস্তানের মতো দেশে খুব স্বাভাবিক যেখানে ইসলামে নির্দেশিত আইন প্রয়োগ করা হয় বলে তারা দাবী করে ! এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা দরকার যে, পৃথিবীর ভয়ংকর সব মাদক যেমন হিরোইন, আফিম কিন্তু এই আফগানিস্তানে সবচেয়ে বেশী উৎপাদিত হয়।

আপনার মনে হতে পারে ধর্ষকের জন্য এই সমস্ত শাস্তি হলে তো ভাল। কিন্তু কারো জন্যই এমন অমানবিক প্রক্রিয়ায় শাস্তি কাম্য নয়। আর ঐসব দেশে সাধারনত ধর্ষণের বিচার কেউ চায় না। কারন ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী ধর্ষিতাকে ৪ জন পুরুষ সাক্ষী হাজির করে প্রমান করতে হয় যা প্রায় অসম্ভব ও অবাস্তব। সেক্ষেত্রে এমন অনেক উদাহরন আছে উল্টো ধর্ষিতাকে জেনা/ব্যাভিচারের দায়ে অভিযুক্ত করে নির্মম শাস্তি দেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে এমন ঘটনায় অসংখ্য নারীর প্রতি অবিচার করে তাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। সার্চ দিলে এমন অনেক সংবাদ আপনি পাবেন।

শত শত ভিডিও/ছবি আছে এই সমস্ত অমানবিক ও নির্মম শাস্তি প্রক্রিয়ার। এর বাইরে হাজার হাজার এমন ঘটনা অন্য দেশগুলোর মানুষেরা জানতেই পারে না। এখানে এমন অনেক বিষয়ে শাস্তি দেয়া হয় যা আদতে কোন অপরাধই না, মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, মর্যাদাকে ওরা নিয়ন্ত্রন করতে চায়। কে কার সঙ্গে ঘুরবে, কার সঙ্গে শোবে, কি পোশাক পরবে সেটা মানুষের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অধিকার। কিন্তু এই সমস্ত দেশ ও সমাজে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রন করা হয় কঠোরভাবে। এগুলো ওরা করে ইসলামের কথা বলেই। ইসলাম ধর্মের কোরআন, হাদীসে এগুলো বহু জায়গায় করতে বলা হয়েছে।

দূর্বল চিত্তের অধিকারীদের ভিডিওটি দেখা ঠিক হবে না। সোর্স লিংক এখানে। এই বর্বরতা আমাদের মতো মানবিক মানুষদের বাকরুদ্ধ করে দেয়। তবে এটাই দুনিয়ার বাস্তবতা, ইসলামের আইন ও শাসনের নামে এগুলো এখনো অনেক স্থানে টিকে আছে।

[এখানে আগে ফেসবুকের একটি ভিডিও সংযুক্ত ছিল, কিন্তু উক্ত সোর্সের ভিডিওটি বর্তমানে সেখানে না থাকায় এই ভিডিওটি সংযুক্ত করা হয়েছে।]

ফারখুন্দা মালিকজাদা, ২৭ বছর বয়সী এক মুসলিম নারী যাকে মিথ্যা অভিযোগে কোরআন পোড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, তাকে কাবুলের কেন্দ্রস্থলে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে, যখন শত শত মানুষ তা দেখছিল এবং ভিডিও করছিল। এই ভিডিওতে নৃশংস সহিংসতার দৃশ্য রয়েছে। পাথর মেরে, পিটিয়ে হত্যা করার পরে তাকে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি দেখতে পাবেন এই লিংকে গেলে।

Islamic Punishment

নীচের ভিডিওতে দেখছেন, ১৯ বছরের মেয়ে রোকসানার তথাকথিত অপরাধ ছিল সে তার ভালবাসার মানুষের সঙ্গে বিয়ের জন্য পালিয়ে গিয়েছিল। তার পরিবার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্য ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করেছিল। যে ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল সে তার শাস্তি ছিল কিছু বেতের বাড়ি, আর রোকসানার জন্য বরাদ্ধ ছিল গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর ছুড়ে হত্যা।

এই নারীকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা হয়েছিল কারন উনি কাউকে ভালবেসেছিলেন।

এই হতভাগ্য মহিলাকে গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর ছুঁড়ে হত্যার পরে জানা যায় তাদের তথাকথিত আইনেই তিনি ছিলেন নির্দোষ !

এগুলো ছাড়াও পাকিস্তানের কিছু গোত্রে এমনও বর্বরতার উহাদরণ আছে যে কোন নারী তার নিজ পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিবাহ করলে, তার পরিবারের কোন পুরুষ সদস্য ঐ নারীর প্রেমিক পুরুষের পরিবারের কোন নারী সদস্যকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের বদলে ধর্ষণও খুবই প্রচলিত অনেক জায়গায়।

ইসলামকে তার অনুসারীরা দাবী করে শান্তির ধর্ম নামে। কিন্তু আমাদের কথা হলো, শান্তির ধর্মের ছত্রছায়ায় শাস্তির নামে এই সমস্ত বর্বর ও অমানবিক প্রথা বন্ধ হোক পৃথিবী থেকে।

Related Posts

Hoor vs. Women

The 72 full‑breasted, personality‑less houris of Paradise vs. the personality‑rich cherished women of the world! What do you want?

It is said that in Paradise a believing servant will receive 72 exquisitely beautiful houris;Read More

Hoor vs. Women

জান্নাতের ৭২ উন্নতবক্ষা ব্যক্তিত্বহীন হুর বনাম দুনিয়ার ব্যক্তিত্ববান শখের নারী! কী চান?

বলা হয় জান্নাতে মুমিন বান্দা ৭২ জন অপূর্ব সুন্দরী হুর পাবেন, তারা হবে চিরযৌবনা, চিরকুমারী।Read More

Islamic deception

Islamic deception – the believer disguised as a close friend may actually be on a mission to kill you!

For the sake of Islam and establishing its supremacy, yesterday morning could have become aRead More

Comments are Closed